📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 ইবনে যোবায়েরের অভিব্যক্তি

📄 ইবনে যোবায়েরের অভিব্যক্তি


আমি ইয়ামানের শহর সান'আতে ছিলাম। আমি উপলব্দি করলাম, সেখানকার প্রতিটি নাগরিক চেষ্টা-তদবীর ও মেহনতে অগ্রগামী হওয়ার সংগ্রাম করছে। এ চেষ্টাই তাদের সফলতার কারণ ছিল। তারা প্রত্যেক কাজকর্মে এমনই সফলতা লাভ করেছেন, যাতে কোনও ব্যর্থতা নেই।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 সম্পূর্ণ সেথানকার

📄 সম্পূর্ণ সেথানকার


জার্মানের মহাকবি গোয়েটে বলেন, "তুমি যেখানেই থাক, সম্পূর্ণরূপে সেখানকার হও।" এটা অনেক বড় একটা মন্ত্র যে, একটি কাজকে শুধু একবারেই কর। হাতে যে কাজ রয়েছে তাতে নিজের পুরো বক্তিত্ব ও শক্তি ব্যয় কর। ফল কি হবে, তা চিন্তা করো না। কাজ শেষ করার পর যাই হোক প্রশ্ন করবে না।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 নিজের শক্তিকে একনিষ্ট কর

📄 নিজের শক্তিকে একনিষ্ট কর


এক গবেষক বলেন, "যুবসমাজের কাজ করবারে ব্যর্থতার একটি বড় কারণ হল, তারা মনকে একনিষ্ঠ করতে পারে না। পৃথিবীর যারা বড় হয়েছেন, সফলকাম হয়েছেন, তারা নিজের শক্তি ও ক্ষমতাকে বিশেষ কোনও এক দিকেই নিবিষ্ট রেখেছিলেন। পূর্ণ মনোযোগ ছাড়া কাজ করার কোনও অর্থ নেই। যে কাজ আপনার সাময়িক প্রয়োজন। আজকের অতিব্যস্ত সময় যে নিজের প্রচেষ্টাকে বিকৃত করে, সে সফলকাম হওয়ার আশা করতে পারে না।

মানসিক চঞ্চলতাই অধিকাংশ ব্যর্থতার কারণ, দুর্বল ইচ্ছা, অমনোযোগ ইত্যাদির জন্য বিংশ শতাব্দিতে কোন স্থান নেই। যে মেহনত ভ্রান্ত পথে করা হবে, তাতে শুধুমাত্র নিজের কর্মক্ষমতাই বরবাদ হওয়া ছাড়া ফল কি হবে? হতে পারে, সব সময় কাজ করার পরও মানুষ জীবনে উন্নতি করতে পারে না। এক শিশু নিজের খেলনা ইঞ্জিন সম্পর্কে বলছিল, এটা গাড়ীর মত ধোঁয়া ছাড়ে। এটা মিশিনের মত বাঁশি বাজায়। কিন্তু এটি যায় না কোথাও।"

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 গভীর উপর নযর রেখো

📄 গভীর উপর নযর রেখো


কৃষক তার নতুন চাকরকে বলল- দেখ! এভাবে কাজ চলবে না। তোমার হাল বাঁকা যায়। এ সব লাইনে উপাদিত ফসল কোনও কাজে আসবে না। সামনে কোনও জিনিসের উপর তোমার দৃষ্টি নিবন্ধ রাখ এবং সেদিকে চলতে থাক। দেখ, গাভীটি ক্ষেতের ঐ পার্শ্বে দাঁড়ানো আছে। হাল চালাতে শুরু কর আর দৃষ্টি গাভীর উপর স্থির দৃষ্টি রাখ। তবে হাল সোজা লাইনে চলবে। চাকর বলল- খুব ভাল কথা। দশ মিনিট পরে কৃষক যখন ফিরে আসল তখন দেখল হাল সারা ক্ষেত ঘুরে বেড়াচ্ছে। কৃষক বলল, আরে থামো! থামো!

চাকর সেখান থেকেই বলল- জনাব! আমি আপনাকে আশ্বস্ত করছি, আমি আপনার কথা মতই কাজ করছি। আমি তো গাভীর উপর দৃষ্টি নিবন্ধ রেখে সোজা যেতেই চাই। কিন্তু গাভী তো কোনও এক জায়গায় থামে না। উদ্দেশ্যহীন চিন্তাহীন জীবন কাটানো আহমকের মত পরিকল্পনা ব্যর্থতার আহবান ছাড়া আর কি হতে পারে?

সফলকাম ও নিষ্ফল ব্যর্থ লোকদের মধ্যকার পার্থক্য এই নয় যে, তাদের মধ্যে কে কতটুকু কাজ করে। প্রকৃত কারণ হচ্ছে, বুদ্ধিমত্তার সাথে কে কতটুকু কাজ করে। তাদের একজনের জ্ঞানবুদ্ধি কম, কিন্তু সে নিজের অভিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছার জন্য নিজের পূর্ণ শক্তি-সমার্থ ব্যয় করে দেয়। অন্যজনের জ্ঞানবুদ্ধি প্রথম ব্যক্তি অপেক্ষা দশগুণ বেশি। কিন্তু সে নিজের শক্তি-সামর্থ্য পুরোপুরি কাজে লাগায় না, সামনে কি করতে হবে একথাও কখনও সে উপলব্দি করতে পারে না।

এমন ব্যক্তির মোকাবেলা কেউ করতে পারে না, যার কোনও মহৎ উদ্দেশ্য থাকে আর সে তাতে দেহ-মন ও ধ্যান পুরো ব্যক্তিত্ব ও শক্তি-সামর্থ নিয়ে উঠে পড়ে লাগে। বড় বড় প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত, মেহনতী ও কঠিন শক্তিমান ব্যক্তিও তার মোকাবেলা করার যোগ্য নয়।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00