📄 ৬. ক্ষমাশীল হওয়া
এ জগতে এমনও লোক আছে, যারা স্বয়ং আল্লাহকেও অবাঞ্ছিত কথা বলে থাকে। যদি আপনার কতিপয় বিরোধী লোক আপনাকে যা-তা বলে নিন্দা করে অথবা আপনার ক্ষতি সাধনের চেষ্টা করে, তবে আপনি তাকে আপনার উদার দৃষ্টির যোগ্যই মনে করেন না। সুযোগে আবার সে আপনার কি ক্ষতি করে বসে? সব সময় স্মরণ রাখবেন- কেউ কারও ক্ষতি করতে পারে না। আল্লাহ সাথে আছেন। প্রতিশোধের চিন্তা-ভাবনা ছেড়ে দেবেন। আল্লাহ তা'আলার কাছে ঈমানদারদের আলামত হচ্ছে, ঈমানদার লোকেরা ক্ষমাশীল হয়। এ নীতির উপর আমল করে শত্রু-সংখ্যা বাড়ানোর পরিবর্তে শত্রুকে দমন ও বশ হতে বাধ্য করুন।
📄 ৭. পরোপাকার করা
স্মরণকালের সুপ্রসিদ্ধ লেখক ডাক্তার হ্যান্স হ্যালী স্বরচিত 'আন্তেরেস অফ লাইফ' গ্রন্থে লিখেছেন- শান্তিপূর্ণ ও স্বাচ্ছন্দময় জীবন-যাপনের জন্য মানুষের সাথে নিঃস্বার্থ সাহায্য সহযোগীতার প্রতি বিশেষভাবে গুরুত্বারোপ করুন। এই চমৎকার নীতিটা বিশ্বমানবতার পরম হিতৈষী জনাব রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এভাবে ব্যক্ত করেছেন- "তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম ঐ ব্যক্তি, যে অন্যের উপকার করে।" আপনি কারও সমস্যা সমাধান করলে কিংবা বিপদে এগিয়ে আসলে তাতে আপনার কিছু খোয়া যাবে না। আপনার কোনও ক্ষতিও হবে না। কেননা আল্লাহ তা'আলা মুসাব্বিবুল আসবাব, উপায়ের উপায়, সবকিছুরই স্রষ্টা। যদি আপনি পরোপকারে পিছ পা হোন, তাহলে তিনি অন্য কোনও উপায়ে তার বান্দাকে নিশ্চয় উদ্ধার করবেন। তাহলে আমি-আপনি কেন সে সৌভাগ্য হাসিল করব না? কেন আমরা অন্যকে সাওয়াবের হকদার বানাব আর নিজে বঞ্চিত থাকব?