📄 ব্যক্তিত্ব প্রতিষ্টার পেছনে ইসলামী নীতি
মনোবিজ্ঞানের প্রতি প্রথম যে আগ্রহ ছিল। এ বিষয়ে আমি পশ্চিমা লেখকদের অনেক বই-পুস্তক পড়েছি। সাথে সাথে ইসলামী বই-পুস্তকও প্রচুর অধ্যয়ন করেছি। তবে এসব বই অধ্যয়নকালে একটি বিষয় আমাকে বিস্মিত করেছে। তা হল, স্বাচ্ছান্দ্যময় সফল জীবন যাপনের উদ্দেশ্য পশ্চিম জগতের মনস্তত্ত্বিকগণ যেসব মূলনীতি ও থিউরী উপহার দিয়েছেন, তা মূলত কোনও নতুন বিষয় নয় বরং চৌদ্দশত বছর পূর্বেই বিশ্ব মানবতার মুক্তির দূত হযরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মানব জাতিকে এ শিক্ষা দিয়ে গেছেন।
কোনও জিনিসের স্রষ্টা বা আবিষ্কারকই তার যাবতীয় পার্স বা অংশ সম্পর্কে ওয়াকিফহাল থাকেন। মানবদেহ এবং জান সৃষ্টিকারী সত্ত্বাও এত উত্তমরূপে মানুষের মনোজগৎ সম্পর্কে নিজের আম্বিয়ায়ে কিরামের মাধ্যমে আমাদেরকে অবহিত করেছেন, এটা তার স্রষ্টা হওয়ারই অকাট্য প্রমাণ। আজ আমরা আল্লাহর কিতাবকে তাক-আলমারী ইত্যাদির সৌন্দর্য বানিয়েছি। আর নবীজীর শিক্ষা ছেড়ে যেভাবে পশ্চিমা শিক্ষা-সংস্কৃতির প্রতি ঝুঁকে পড়েছি, এটা আমাদের চরম দুর্ভাগ্যই বলতে হয়। অথচ কুরআনে কারীম এবং নবীজীর শিক্ষা-দীক্ষার উপর আমল করলে আমরা অত্যন্ত স্বাচ্ছন্দ্যময় ও সফল জীবন লাভ করতে পারি।
সভা-সেমিনারে আমরা প্রায়ই দেখি, দু একজন ব্যক্তি পুরো মাহফিলে ছায়া হয়ে আছেন এবং সর্বাধিক আকর্ষণীয় হয়ে ওঠেছেন। তাকে দেখে আমাদের অন্তরেও আগ্রহ জাগে, আহ! আমি যদি এ মাহফিলের প্রধান আকর্ষণ হতে পারতাম। আর সব সময় ভক্ত-অনুরক্ত ও প্রিয়জনেরা আমাকে ঘিরে রাখত। বাস্তবিকই আপনি যদি একজন প্রিয় ব্যক্তিত্ব হতে চান তবে নিম্নোক্ত ইলহামী মূলনীতিগুলো মনেপ্রাণে গ্রহণ করুন। অল্প কদিনেই আপনার শুভাকাঙ্খী ও ভক্ত-অনুরক্তের সংখ্যা ব্যাপক হারে বেড়ে যাবে।