📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 ইররোপে অন্ধের প্রাচুর্য

📄 ইররোপে অন্ধের প্রাচুর্য


ইউরোপ প্রবাসী এক বন্ধু আমাকে বলেন, ইউরোপিয়ন ও আমেরিকান লোকেরা উলঙ্গ হওয়াকে কখনও নিজের জন্য অপমান মনে করে না বরং তারা বরাবরই বলে, এটা মানুষের সহজাত প্রবৃত্তি। এমনকি বিবস্ত্র হয়েই তারা বেশ আনন্দ বোধ করে। ফলে ইউরোপ-আমেরিকায় অন্ধ ও চশমা ব্যবহার কারী লোকের সংখ্যা প্রচুর।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 নির্জনে একাকী উলঙ্গ হওয়ার কুফল

📄 নির্জনে একাকী উলঙ্গ হওয়ার কুফল


এক ঐতিহাসিকের বর্ণিত একটি ঘটনা নিম্নে পেশ করা হচ্ছে। লেখক তার বিশেষ কোনও উদ্দেশ্যে ঘটনাটি উদ্ধৃত করেছিলেন। তিনি লিখেন, আমার স্বভাব ও মেজায ছিল, আমি বাড়িতে বিশেষতঃ নিজের কক্ষে বিবস্ত্র হয়ে ঘুমাতাম। কেননা আমার পোশাক এবং অতিছোট কাপড়ের উপর ভীষণ ঘৃণা ছিল। দীর্ঘদিন যাবৎ আমার এ অবস্থা ছিল। এমন কি কখনও কখনও নিজের স্ত্রীর সাথেও এভাবে মিলিত হতাম। কিছুদিন পর আমার জেনারেল চেকাপের সময় ধরা পড়ে, আমার (শরীরে) সীমাহীন দুর্বলতা রয়েছে। হৃদকম্পদ বেড়ে গেছে। শরীরের অনুভূতি শক্তি প্রকট আকার ধারণা করেছে। মোটকথা, শারীরিক অবস্থা এত দুর্বল হয়ে গেছে যে, সামান্য খটখট শব্দও আমার কাছে বিরাট বড় তুফান মনে হত। এরপর চিকিৎসাধীন অবস্থায় দীর্ঘ সময় কেটে যায়। তখন এক ডাক্তার কথা প্রসঙ্গে বলেছেন, কোনও ব্যক্তি উলঙ্গ থাকলে তাকে এমন রোগে আক্রন্ত হতে হয়। তার কথা শুনে আমার টনক নড়ে। সাথে সাথেই উলঙ্গ থাকার ইচ্ছা পরিত্যাগ করি। এরপর আমার রোগ ধীরে ধীরে ভাল হয়ে যায়।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 অহেতুক কথাবার্তা থেকে বেঁচে থাকা

📄 অহেতুক কথাবার্তা থেকে বেঁচে থাকা


• রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, তোমরা অহেতুক কথাবার্তা ও গালগল্প থেকে বেঁচে থাক। কেননা আল্লাহ তা'আলা অহেতুক কথাবার্তা পছন্দ করেন না। (মুসতাদরাকে হাকেম।)

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 ক্লার্কের অভিজ্ঞতা

📄 ক্লার্কের অভিজ্ঞতা


প্রসিদ্ধ মনোবিজ্ঞানী অধ্যাপক ক্লার্ক তার অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে স্বরচিত "এ্যাক্সপ্রেন্স মোস্ট মাস্টার সাহেব" গ্রন্থে লিখেন, প্রত্যেকটি কথার মধ্যে একটি গভীর প্রতিক্রিয়া শক্তি সব সময়ই বিদ্যমান থাকে। তবে এই প্রতিক্রিয়া কখনও ইতিবাচক হয় আবার কখনও নেতিবাচকও হয়। যখনই কোনও কথা এমন হয়, যা তার জন্য অনুপযোগী, অমর্যাদাপূর্ণ কিংবা তৎক্ষণাত তার মধ্যে এমন এক বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়, যার রং কালো বা কৃষ্ণ-ধূসর হয়ে থাকে। এ কারণে অন্ধকার ছড়িয়ে পড়ে। আর যদি কোনও কথা মানুষের স্বভাব-চরিত্র ও মর্যাদাপূর্ণ অনুযায়ী হয়, তাতে এক সুঅবস্থা সৃষ্টি হয়। যা সবুজ রঙ্গের হয়ে থাকে। ফলে চতুর্দিকে আলোই আলো ছড়িয়ে পড়ে।

মোটকথা, প্রতিটি শব্দ ও বাক্য এক এনার্জি ও প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। ঐ শব্দ অনুযায়ীই এর আলো বিচ্ছুরিত হয়। সে আলো কালো কিংবা সাদা হয়ে থাকে। ঐ নেতিবাচক রশ্মিই মানব জীবনে রোগ আকারে প্রতিক্রিয়াশীল হয়ে ওঠে। (এ্যাক্সপ্রেন্স মোষ্ট মাষ্টার)

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00