📄 মানুষের সফলতার নিয়ম
ডাঃ লোগর স্ব রচিত "কামিয়াব আদমী কা উসল" গ্রন্থে লিখেন, আমার দীর্ঘ অভিজ্ঞতায় পৃথিবীতে সফলকাম যত মানুষ দেখেছি, তাদের সফলতার পেছনে বিরাট একটি কারণ ছিল যে, তারা শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় কাজ করতেন, কখনও অনর্থক বা অহেতুক কথাবার্তা বলতেন না, কাজকর্ম করতেন না ওসব থেকে বেঁচে থাকতেন। সফলতার চাবিকাঠি হচ্ছে, নীরবতা। বৃততঃ নীরবতা এমন অবলম্বন, যা মানব জাতিকে বাহুবিধ সুযোগ-সুবিধা এনে দেয় যার মাধ্যমে মানব জাতি পৃথিবীতে উন্নতির উচ্চ শিখরে পৌছে যায়।
নীরবতার প্রতি বিশেষভাবে লক্ষ্য রাখা চাই। কেননা নীরবতার রাজ্যের সিড়ি রয়েছে। সিংহাসন ও মুকুট রয়েছে। তারপর এ উন্নত জীবনে প্রতিক্রিয়া রয়েছে। পৃথিবীতে উচ্চ পদস্থ লোকেরা এমন, যারা নীরব বিপ্লব ঘটিয়েছেন, সফলতাও লাভ করেছেন ঐ সব লোকেরাই, যারা নীরব নিভৃতে সম্মানের পথে অগ্রসর হন। সম সময় বিনীত থাকেন।
📄 অপরের সম্পদ ভক্ষণ করা
• রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন- তোমরা কি জান কোন ব্যক্তি হতদরিদ্র? সাহাবায়ে কিরাম আরয করলেন- আমরা তো জানি দরিদ্র ঐ ব্যক্তি, যার কাছে অর্থ সম্পদ নেই, প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নেই। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন- নিঃসন্দেহে আমার উম্মতের মধ্যে দরিদ্র ঐ ব্যক্তি, যে কিয়ামত দিবসে বহু নামায, রোযা, যাকাত ইত্যাদি নিয়ে উপস্থিত হবে। কিন্তু আবার সে কাউকে গালি দিয়েছিল, কাউকে অপবাদ দিয়েছিল, কারও অর্থ-সম্পদ আত্মসাৎ করেছিল, কারও রক্ত প্রবাহিত করেছিল, কাউকে প্রহার করেছিল- ফলে তার নেক আমল একে কিছু দেওয়া হবে, কিছু ওকে দেওয়া হবে। এভাবে যদি মানুষের পাওনা পরিশোধের পূর্বে তার-নেক আমল শেষ হয়ে যায়, তবে ঐ সমস্ত লোকদের গুনাহ তার ঘাড়ে চাপিয়ে দেওয়া হবে। অবশেষে তাকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে।
📄 তেরেসা টরসন্টের ঘোষণা
• অনাথ-দরিদ্র লোকদের সহমর্মিতা ও সহানুভূতি করা নিজের জন্য আবশ্যক মনে করবে।
• লা ওয়ারেস লাশ সংরক্ষণ এবং ওগুলোর ফিউন্যারাল হাউস পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়া নিজের কর্তব্য মনে করবে।
• দরিদ্র-ইয়াতিমদের সাহায্য সহযোগিতা করবে।
• একজন মানুষের হত্যাকে গোটা জাতির জন্য হত্যা মনে করবে।
• ভাল কাজে জাতি-বংশ, ধর্মবর্ণ, সম্প্রদায়-দেশ নিবিশেষে সকলেই স্বতঃস্ফূর্তভাবে কোনরূপ বিভেদ ছাড়া একে অপরের সহযোগীতা করবে।
• আম-খাস (বিশেষ-অবিশেষ) সকলের সাথেই এক ধরনের সম্প্রীতি বজায় রাখবে。
📄 অশলীন কাব্য চর্চা
• রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন- মানুষের ভেতরে অশলীন কাব্যে ভরপুর হওয়া অপেক্ষা নিঃসন্দেহে মানবদেহের ভেতরাংশ (পেট ইত্যাদি) পূজঁ, যা তার পাকস্থলিকে দুর্বল ও নষ্ট করে দেয়, তাতে পরিপূর্ণ হয়ে যাওয়া উত্তম। (মেশকাত) ইসলাম অশালীন ও প্রেম-প্রীতির কাব্য চর্চা আদৌ পছন্দ করে না। কেননা মানবত্মার উপর ওসবের বড় মন্দ প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা গেছে।