📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 ব্রেইন বুক অফ অক্সফোর্ট থেকে

📄 ব্রেইন বুক অফ অক্সফোর্ট থেকে


প্রত্যেক মানুষ এমন কাজকর্ম ও গঠন প্রকৃতির প্রতি আকৃষ্ট থাকবে, যা মেধা শক্তিকে শাণিত করে, মন-মানসকে আলোকিত করে এবং শারীরিক চাহিদাও পূরণ করে। কিন্তু যেসব কাজকর্ম নিশ্চিতভাবে কল্যাণকর নয় বরং সার্বিক দিক থেকেই ক্ষতিকর, সে সব কাজ করা একেবারেই অহেতুক এবং সময় নষ্ট করার নামান্তর। মানুষের মেধাশক্তির একটি বৈশিষ্ট্য আছে। যার কারণে সে চঞ্চল ও সতেজ থাকে। যখন এ মেধা ইতিবাচক চিন্তা-ভাবনা ও গবেষণা করে, তখন তার কার্যক্ষমতা ও গতি সম্প্রসারিত হয়। এর প্রখরতা বৃদ্ধি পায়। কেননা মানুষ সব সময় ইতিবাচক পন্থায়ই উন্নতি লাভ করে। কখনও নেতিবাচক পন্থায় উন্নতি লাভ করে না। ডাক্তার জুঞ্জ তার বহু গবেষণার পর এ সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন যে, যখন তোমরা কারও ব্যক্তিত্ব ও কর্মকাণ্ড নিয়ে গবেষণা করবে, তখন প্রথমে তার কর্ম বিশ্লেষণ করে দেখবে যে, সে অহর্নিশ কী কাজে ব্যস্ত থাকে? যদি তার কার্যসীমা ইতিবাচক এবং রহস্যময় হয়, তবে তার ব্যক্তি এরই মাঝে সীমাবদ্ধ।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 কথা বার্তার বিভিন্ন ধরণ

📄 কথা বার্তার বিভিন্ন ধরণ


হযরত আবু হুরাইরা যাযি. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন- রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন- যে ব্যক্তি কথাশৈলী, ভাষাজ্ঞান ও বাকপটুতা এই উদ্দেশ্যে শিখে যে, এর মাধ্যমে মানুষকে ঘায়েল করবে, তার অন্তরে দাগ কাটবে (অর্থাৎ তাকে মিছে আশাবাদী করবে) আল্লাহ তা'আলার কিয়ামত দিন না তার ফরয কবুল করবেন, না নফল। (মেশকাত) অর্থাৎ আমলের মধ্যে পূর্ণ এখলাস-একাগ্রতা থাকা অনিবার্য। দ্বিতীয়তঃ যদি কথা বলার দ্বারা উদ্দেশ্য হয়- মানবতার সংশোধন, কারও বাগড়া-বিবাদ নিষ্পত্তি করা কিংবা দ্বিধাবিভক্ত দুদলের মধ্যে আপোষ-মীমাংসা করা, তাহলে কোন কথায় কৌশল ও চাতুর্যতা অবলম্বন করা যেতে পারে। উল্লেখ্য যে, কথাশৈলী ও বাকচাতুর্যতা একটি কপটতাপূর্ণ পন্থা। নিম্নোল্লোখিত বিস্ময়কর গবেষণা লক্ষ্য করা যেতে পারে।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 জার্মান হেলথ সেন্টারের প্রকাশনা

📄 জার্মান হেলথ সেন্টারের প্রকাশনা


জার্মান হেলথ সেন্টারের বার্ষিক রিপোর্ট অনুযায়ী জানা যায়-
• যেসব লোক দ্বিমুখী কথা বলে অভ্যস্ত, সে মানুষের কাছে নিজের ভাবমূর্তি, আত্মমর্যাদা, বিশ্বস্থতা এবং সহজ জীবনোপায় বিনষ্ট করে ফেলে।
• যেসব লোক যে কোন মজলিসেই সেখানে আলোচ্য বিষয়ে কথা বলে অভ্যস্ত এবং উপস্থিত অন্যান্য লোকদের ভাষা যেমন তার ভাষাও অনুরূপ হয় তাহলে এসব লোক সব সময় লাঞ্ছনার জীবন কাটায়।

মনোস্তত্ত্ব বিশেষজ্ঞ ডাক্তার সকট্যাসের সুদক্ষ গবেষণায় জানা যায় যে, যখনই আমরা সফল জীবন কামনা করব, তখন থেকে আমাদেরকে নিজের জ্ঞানুযায়ী জীবনের উপর চিন্তা-ফিকির ও গবেষণা করতে হবে যে, আমরা এমন তো করছি না যে, দিন-রাতের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়? আমাদের কথাবার্তায় তো বৈপরিত্ব নেই? আমাদের সমাজের সাথে কিংবা ওঠা-বসা, চাল চলনে তো দ্বিমূখী জীবন যাপন করছি? নাকি এক কথা, এক কাজ করে চলছি? অবশেষে বিজ্ঞজনেরা গবেষণা ও জরিপ করে দেখেন যে, কি ধরনের কর্মপদ্ধতি অবলম্বন করলে মানব জীবনে ভরাডুবি হয়। সর্বশেষ এ সিদ্ধান্ত হয় যে, যেসব লোক সমাজকে ধোঁকা দেওয়ার অপচেষ্টা করে। মূলতঃ তারা সমাজকে ধোঁকা দেয় না বরং নিজেই ধোঁকা খায়।
-রির্পোট জার্মান হেলথ সেন্টার

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 বে -আমল বক্তা

📄 বে -আমল বক্তা


হযরত আনাস রাযি. বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন- আমি মেরাজের রজনীতে এমন লোকদের পার্শ্ব দিয়ে অতিক্রম করেছি, আগুনের কাচি দ্বারা যাদের ঠোট কর্তন করা হচ্ছিল। আমি জিজ্ঞাসা করলাম, হে জিবরাইল আ. এরা কারা? তিনি জবাব দিলেন- এরা আপনার উম্মতের খতীব বক্তা, উপদেশ দাতা, যারা এমন কথা বলত যার উপর সে-ই আমল করত না।
-মেশকাত

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00