📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 ব্রেইন বুক অফ অক্সফোর্ট থেকে

📄 ব্রেইন বুক অফ অক্সফোর্ট থেকে


যে সব লোক কোন বিষয়ে একটা প্রশ্ন করার পর, তার উপর আমল না করেই দ্বিতীয় আরেকটা প্রশ্ন করে, সে সারা জীবনেও জ্ঞান-বিজ্ঞান ও ইলমের গভীরতা স্পর্শও করতে পারে না। এমন ব্যক্তি নিজের গবেষণা কর্মে উন্নতি করাতে পারে না। কেননা সে নিজের মেধা ও শক্তিকে এতটুকু চিন্তা-ভাবনার সুযোগ দেয়নি। উন্নত জাতি কোন কথা শোনার পর তা নিয়ে চিন্তা-ভাবনা ও গবেষণা করে। বিষয়টির এপিঠ-ওপিঠ লক্ষ্য করে উন্নতির পথে অগ্রসর হয়। কিন্তু যখন এরাই আবার কোন কথা শোনার পর একের পর এক প্রশ্ন করতে থাকে। নিজে কোন চিন্তা-ভাবনা ও গবেষণা করে না, সে জাতি কখনও সফলতার মুখ দেখে না।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 অনর্থক কাজকর্ম ও অহেতুক কথাবার্তার ক্ষতি

📄 অনর্থক কাজকর্ম ও অহেতুক কথাবার্তার ক্ষতি


• হযরত আনাস রাযি. থেকে বর্ণিত আছে, সাহাবায়ে কিরামের মধ্য হতে এক ব্যক্তি পরোলোক গমন করেন। তার সন্মন্ধে জনৈক ব্যক্তি বলে ফেললেন, তুমি জান্নাতে সুসংবাদ পেয়ে খুশি হয়ে যাও। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন- না, তুমি তার সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে একথা বলতে পার না। হতে পারে সে কোন অহেতুক কথা বলেছে কিংবা এমন জিনিস খরচ করতে কৃপনতা করেছে, যা করলে তার কোন ক্ষতি হত না; সংকট সৃষ্টি হত না।

• রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন- মানুষের ইসলামী সৌন্দর্য ও সৌকর্যের মাঝে এটিও একটি যে, সে ঐ সব জিনিস বর্জন করবে, যা তার কাজ নয় এবং প্রয়োজনও নেই।
-মেশকাত, তিরমিযী

ব্রেইন বুক অফ অক্সফোর্ট থেকে
প্রত্যেক মানুষ এমন কাজকর্ম ও গঠন প্রকৃতির প্রতি আকৃষ্ট থাকবে, যা মেধা শক্তিকে শাণিত করে, মন-মানসকে আলোকিত করে এবং শারীরিক চাহিদাও পূরণ করে। কিন্তু যেসব কাজকর্ম নিশ্চিতভাবে কল্যাণকর নয় বরং সার্বিক দিক থেকেই ক্ষতিকর, সে সব কাজ করা একেবারেই অহেতুক এবং সময় নষ্ট করার নামান্তর। মানুষের মেধাশক্তির একটি বৈশিষ্ট্য আছে। যার কারণে সে চঞ্চল ও সতেজ থাকে। যখন এ মেধা ইতিবাচক চিন্তা-ভাবনা ও গবেষণা করে, তখন তার কর্যক্ষমতা ও গতি সম্প্রসারিত হয়। এর প্রখরতা বৃদ্ধি পায়। কেননা মানুষ সব সময় ইতিবাচক পন্থায়ই উন্নতি লাভ করে। কখনও নেতিবাচক পন্থায় উন্নতি লাভ করে না। ডাক্তার জুঞ্জ তার বহু গবেষণার পর এ সিন্ধান্তে উপনীত হয়েছেন যে, যখন তোমরা কারও ব্যক্তিত্ব ও কর্মকাণ্ড নিয়ে গবেষণা করবে, তখন প্রথমে তার কর্ম বিশ্লেষণ করে দেখবে যে, সে অহনির্শ কী কাজে ব্যস্ত থাকে? যদি তার কার্যসীমা ইতিবাচক এবং রহস্যময় হয়, তবে তার ব্যক্তি এরই মাঝে সীমাবদ্ধ।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 ব্রেইন বুক অফ অক্সফোর্ট থেকে

📄 ব্রেইন বুক অফ অক্সফোর্ট থেকে


প্রত্যেক মানুষ এমন কাজকর্ম ও গঠন প্রকৃতির প্রতি আকৃষ্ট থাকবে, যা মেধা শক্তিকে শাণিত করে, মন-মানসকে আলোকিত করে এবং শারীরিক চাহিদাও পূরণ করে। কিন্তু যেসব কাজকর্ম নিশ্চিতভাবে কল্যাণকর নয় বরং সার্বিক দিক থেকেই ক্ষতিকর, সে সব কাজ করা একেবারেই অহেতুক এবং সময় নষ্ট করার নামান্তর। মানুষের মেধাশক্তির একটি বৈশিষ্ট্য আছে। যার কারণে সে চঞ্চল ও সতেজ থাকে। যখন এ মেধা ইতিবাচক চিন্তা-ভাবনা ও গবেষণা করে, তখন তার কার্যক্ষমতা ও গতি সম্প্রসারিত হয়। এর প্রখরতা বৃদ্ধি পায়। কেননা মানুষ সব সময় ইতিবাচক পন্থায়ই উন্নতি লাভ করে। কখনও নেতিবাচক পন্থায় উন্নতি লাভ করে না। ডাক্তার জুঞ্জ তার বহু গবেষণার পর এ সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন যে, যখন তোমরা কারও ব্যক্তিত্ব ও কর্মকাণ্ড নিয়ে গবেষণা করবে, তখন প্রথমে তার কর্ম বিশ্লেষণ করে দেখবে যে, সে অহর্নিশ কী কাজে ব্যস্ত থাকে? যদি তার কার্যসীমা ইতিবাচক এবং রহস্যময় হয়, তবে তার ব্যক্তি এরই মাঝে সীমাবদ্ধ।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 কথা বার্তার বিভিন্ন ধরণ

📄 কথা বার্তার বিভিন্ন ধরণ


হযরত আবু হুরাইরা যাযি. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন- রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন- যে ব্যক্তি কথাশৈলী, ভাষাজ্ঞান ও বাকপটুতা এই উদ্দেশ্যে শিখে যে, এর মাধ্যমে মানুষকে ঘায়েল করবে, তার অন্তরে দাগ কাটবে (অর্থাৎ তাকে মিছে আশাবাদী করবে) আল্লাহ তা'আলার কিয়ামত দিন না তার ফরয কবুল করবেন, না নফল। (মেশকাত) অর্থাৎ আমলের মধ্যে পূর্ণ এখলাস-একাগ্রতা থাকা অনিবার্য। দ্বিতীয়তঃ যদি কথা বলার দ্বারা উদ্দেশ্য হয়- মানবতার সংশোধন, কারও বাগড়া-বিবাদ নিষ্পত্তি করা কিংবা দ্বিধাবিভক্ত দুদলের মধ্যে আপোষ-মীমাংসা করা, তাহলে কোন কথায় কৌশল ও চাতুর্যতা অবলম্বন করা যেতে পারে। উল্লেখ্য যে, কথাশৈলী ও বাকচাতুর্যতা একটি কপটতাপূর্ণ পন্থা। নিম্নোল্লোখিত বিস্ময়কর গবেষণা লক্ষ্য করা যেতে পারে।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00