📄 বীরং ডাটের বিশ্লেষণ
অতিব গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় হল, প্রত্যেক ব্যক্তিরই আত্মমর্যাদা বোধ আছে। এ আত্মমর্যাদা বোধের কারণেই তিনি সেসব কাজকর্ম যা তার স্বভাব বিরুদ্ধ, সেগুলোকে নিজের জন্য অপমান মনে করেন। সুতরাং যদি কারও সামনে কেউ দাঁড়িয়ে যায় কিংবা কেউ কারও সাথে খোশগল্পে লিপ্ত হয়। অতঃপর আরেক জন এসে তাতে বাম হাত দিল বা তার সামনে দাঁড়িয়ে গেল কিংবা কিছু লোক তার পাশে প্রতিবন্ধ হয়ে দাঁড়াল। এ জাতীয় সব কাজ-কর্মই তার আত্মমর্যাদায় আঘাত হানে। এসব কাজকর্ম থেকে সব সময় সতর্ক ও বেঁচে থাকতে আপ্রাণ চেষ্টা করতে হবে। (বীরং থিউরিজ)
📄 পদ-মর্যাদারর প্রতি লক্ষ্য রাখ
• হাদীস শরীফে আছে, কোন ভাইয়ের জন্য নির্ধারিত আসনে তার অনুমতি ব্যতীত আর কেউ যেন না বসে। (তিরমিযী)
📄 পদমর্যাদার ব্যাখ্যা
আমার অভিজ্ঞতার জীবনে প্রায়ই লক্ষ্য করেছি যে, যখন কাউকে তার উপযুক্ত সম্মান ও মর্যাদা দেওয়া না হয়, তখন সবসময় সম্মানজনক আচার-ব্যবহার অসম্মানজনক হয়ে থাকে। কেননা আমি মনে করি, প্রত্যেকেই স্ব-স্ব স্থানে রাজা। সুতরাং আপনার কি মনে হয়, আপনি কোন বাদশার মানহানী করবেন? কখনও নয়। কেননা বাদশা তো হয় ইযযত সম্মানের জন্য। আসুন। এ বাদশার সম্মানের জন্য আরেকটি মূলনীতি শিখিয়ে দিচ্ছি যে, যদি কোন মর্যদাবান ও সম্মানযোগ্য ব্যক্তিকে কোন পদাধিকার দেওয়া হয়, তাহলে কখনও তার মর্যাদার আসনে আঘাত হানবে না বরং সে উঠে গেলে মর্যাদার আসন সংরক্ষণ করবেন। আর যদি বসতে হয়, তবে মেযবান কিংবা ঐ উপবিষ্ট ব্যক্তি পদাধিকারী ব্যক্তির অনুমতি নিয়ে বসবে। (বীরং থিউরী)