📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 সুস্থ দেহ ও সুস্থ ব্রেন

📄 সুস্থ দেহ ও সুস্থ ব্রেন


সম্ভবতঃ এ উক্তি ভুল হওয়া সম্পর্কে আপনি আমার সাথে একমত হবেন না। কিন্তু বাস্তবতা হল, শুধু এ ধরনের ব্যাধির কারণে ব্রেণ দুর্বল হয়ে যায়, যেসব ব্যাধি ব্রেণের সাথে সম্পর্কিত। আর ঐ বয়োবৃদ্ধ ব্যক্তি যে হৃদরোগে অথবা ডায়াবেটিস রোগে আক্রান্ত হয় অথবা উচ্চ রক্তচাপের শিকার। ফলে তার দেহও দুর্বল, জরাজীর্ণ, তার ও মেধা শক্তিতে কোন প্রকার ঘাটতি দেখা দেবে না।

প্যানসালভেনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অভিজ্ঞ চিকিৎসক ও অন্যান্য দেহ ও মস্তিস্ক রোগ বিশেষজ্ঞদের অভিমত হল, এ ধরনের দৈহিক ব্যাধিসমূহ তাতে ভুল ও স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতির অভ্যাস নিজ থেকে যোগ হয়। এর মধ্যে যদিও এরূপ আশঙ্কা হয় যে, দৈহিক শক্তির সাথে সাথে মনের কার্য ক্ষমতাও হ্রাস পেতে শুরু করে। উদাহরণতঃ প্রয়োজন অতিরিক্ত পানাহার করা, কাজ কর্ম না করা, হতোদ্যম ও অলস হয়ে বসে থাকা অথবা দুশ্চিন্তা, এ ধরনের ব্যাধি, যার ফলে দেহের সাথে সাথে স্মরণশক্তিও দুর্বল হয়ে যায়। কিন্তু বয়সের সাথে এর কোন সম্পর্ক নেই। এ সবব্যাধি অল্প বয়স্ক ব্যক্তির জন্যও ক্ষতিকর, অধিক বয়সের লোকদের জন্যও ক্ষতিকর হয়। তবে বিশেষজ্ঞদের অভিমত হল, এ ধরনের বয়োজ্যেষ্ঠদের মধ্যে যারা প্রয়োজন অতিরিক্ত ব্যায়াম করে, তারা নিজ স্মরণশক্তির সুস্থতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করে ফেলে তথাপি আমি আধা ঘণ্টা ভ্রমণকারী ৪০ বছরের বেশী বয়সী ব্যক্তিকে তার সমবয়সী লোকদের তুলনায় অনেক উত্তম এবং তাদের স্মরণশক্তি বেশী থাকে বলে মনে করি, যারা কোন ধরনের ব্যায়াম করে না।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 বয়োজ্যেষ্ঠদের স্মরণশক্তি কি ফেরৎ আসে না?

📄 বয়োজ্যেষ্ঠদের স্মরণশক্তি কি ফেরৎ আসে না?


"ইউ এস ন্যাশনাল ইনষ্টিটিউট অফ এ্যাজিং" এর নিউরোসার্জের প্রধান স্যাটলিনের প্রতিবেদনে এ ধরনের যুবক ও বৃদ্ধদের উপর সমীক্ষা চালিয়েছে, যারা এমন এক কাজে নিয়োজিত ছিল। তাদের গৃহীত সিদ্ধান্ত মতে বেশী বয়স্ক লোকদের নষ্ট হয়ে যাওয়া কাজ সঠিক করার যোগ্যতা কম বয়সী লোকদের তুলনায় অনেক বেশী পাওয়া যায়। কারণ, যখন স্থপতি ব্যক্তির ব্রেণের কোন অংশ বা মাংশপেশী অকার্যকর হয়ে যায়, তখন নিকটবর্তী ব্রেণের কোষ ঐ স্থান দখল করে নেয়। আর যুবকদের ব্রেণে এ যোগ্যতা থাকে না। বয়োবৃদ্ধ ব্রেণের এ যোগ্যতা বিস্ময়কর।

প্যানসালভেনিয়া স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ের মহিলা শিরি বিলিজের গবেষণায় অপর এক বিস্ময়কর বিষয় প্রকাশ পেয়েছে অর্থাৎ এ ধরনের বয়োজ্যেষ্ঠ, যাদের বয়স সত্তর বছর বা তার চেয়ে কিছু বেশী হয়েছে এবং যাদের স্মরণশক্তি বিশেষভাবে অকার্যকর হয়ে গেছে, তাদের জন্য গৃহশিক্ষকের ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়েছে। যাতে তাদের উপদেশ ও কোচিংয়ে বয়োজ্যেষ্ঠরা স্বীয় ব্রেণের দুর্বলতার হয়রানী থেকে কিছুটা রক্ষা পায়। দীর্ঘ সাত বছর পর পুনরায় দ্বিতীয়বার যখন ঐ সব লোকদের পর্যবেক্ষণ করা হয়, তখন দেখা যায়, তাদের কর্মক্ষমতায় কোন ঘাটতি নেই। অনুরূপভাবে বার্লিনের ম্যাক্স প্লাঙ্ক ইনস্টিটিউটের পাল ব্যারিষ্টার বিভিন্ন ধরনের লোকের স্মরণশক্তি পর্যালোচনা করে প্রমাণ করেছেন, বেশী বয়স্ক ব্যক্তি শিক্ষার ব্যাপারে অল্প বয়সী লোকদের অগ্রবর্তী হয়। মনোস্তত্ত্ব বিশেষজ্ঞগণ বর্তমানে দৃঢ়ভাবে বিভিন্ন অনুশীলন ও কোচিংয়ের মাধ্যমে বয়োজ্যেষ্ঠদের স্মরণশক্তি উন্নত করতে হয়েছে তাদের পর্যবেক্ষণ ও কোন বিষয়ের বাস্তবতা উপলব্ধি করার যোগ্যতায়ও বিস্ময়কর অগ্রগতি সাধিত হয়েছে।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 প্রকৃত বাস্তবতা জীবন অনুভূতি ও জ্ঞানপ্রজ্ঞা বৃদ্ধি করে

📄 প্রকৃত বাস্তবতা জীবন অনুভূতি ও জ্ঞানপ্রজ্ঞা বৃদ্ধি করে


(এক পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদন) প্রাচ্যদেশে প্রচলিত এ ধারণা সম্পূর্ণ সঠিক ও বাস্তবভিত্তিক বলে সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়েছে যে, বয়োজ্যেষ্ঠদের জ্ঞান-প্রজ্ঞা বুদ্ধিমত্তা যুবকদের তুলনায় অনেক বেশী সঠিক ও নির্ভরযোগ্য হয়। এলিন লিনগর ও তার সাথী বিকালুই হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট ছিল। তার নেতৃত্বে এক পর্যবেক্ষণ অনুশীলন চলাকালে চীনা ও আমেরিকান বয়োবৃদ্ধদের কর্মদক্ষতায় যখন প্রতিযোগীতায় পার্থক্য নিরুপন করা হয়, তখন চীনা বয়োবৃদ্ধদের কর্মক্ষমতা উন্নত প্রমাণ হয়। কেননা চীনের বয়োজ্যেষ্ঠদের বেশী বুদ্ধিমান ও প্রজ্ঞাশীল পাওয়া যায়। সে সময় আমেরিকার সামাজিক অবস্থা এর সম্পূর্ণ বিপরীত ছিল। গবেষণা কেন্দ্র সমূহ ব্রেণের পেশী সম্পর্কে পরীক্ষা-নিরীক্ষা কারী বিশেষজ্ঞগণ এ পর্যন্ত এ কথার সমর্থক হয়েছেন যে, বেশী বয়স জ্ঞান-প্রজ্ঞা ও বুদ্ধিমত্তার দিক থেকে এক নিয়ামত ও মূলধন।

বার্লিনে অন্তঃদৃষ্টি সঠিক আন্দাজের বিষয়ের মূলকারণ ও এর ইতিবাচক সমাধানের ধারাবাহিকতায় বিভিন্ন বয়সীদের মাঝে এক প্রতিযোগীতামূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। পর্যবেক্ষক দলের সদস্যগণ প্রত্যক্ষ্য করেন যে, ৭৫ বছর বয়সের লোক স্বীয় কর্মক্ষমতার দিক থেকে যুবকদের তুলনায় অনেক বেশী অগ্রগামী ছিল। অপর এক অভিজ্ঞতায় বেশী বয়সী মুদ্রাক্ষরিকদের কর্মদক্ষতা প্রতিযোগীতায় কমবয়সী মুদ্রাক্ষরিকদের তুলনায় বাচনভঙ্গী পূর্ববর্তী শব্দাবলীর সাথে বুঝে নেয়। যদিও কি-বোর্ডের উপর রাখা তাদের আঙ্গুল যুবক মুদ্রাক্ষরিকদের তুলনায় ক্ষীণ গতিতে চলে, কিন্তু তারা স্বীয় শক্তিকে শব্দ মুদ্রন করে ব্যয় করে না। আর তাদের বারবার বাচনভঙ্গীর প্রতিও তাকাতেও হয় না। এতে তাদের সার্বিক কর্মদক্ষতা যুবকদের তুলনায় উত্তম প্রমাণ হয়েছে। অপর এক পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, বয়োজ্যেষ্ঠ লোক যদিও সিদ্ধান্ত গ্রহণে তুলনামূলক বেশী সময় নষ্ট করে, কিন্তু তাদের সিদ্ধান্ত অধিক সঠিক ও বাস্তব ভিত্তিক হয়।

এ বিস্ময়কর পর্যবেক্ষণের সারমর্ম হল, বেশী বয়সের লোকের ব্রেণ যুবক ব্রেণ থেকে কস্মিনকালেও নিচু হয় না বরং বিশুদ্ধ মতে তারা ব্যতিক্রম হয়। আর যদিও কোন কোন দিক থেকে তারা যুবকদের তুলনায় দুর্বল হয়। তারা ঐ দুর্বলতাকে নিজের দীর্ঘ অভিজ্ঞতায় জ্ঞান-প্রজ্ঞা, বুদ্ধিমত্তা ও অন্তর্দৃষ্টি দ্বারা দূর করে নেয়। তারা অধিকাংশ সময় জয় লাভ করে। এ কথা যদিও ইউ এস নিউজ এণ্ড ওয়ার্ল্ড রিপোর্টের ঐ জরিপের অন্তর্ভুক্ত হয়নি। কিন্তু তার মধ্যকার এ বাস্তবতা বিশ্ব ইতিহাসকে ভালোভাবে মানতে বাধ্য করেছে যে, বৃদ্ধ ব্রেণ যদি নবীন যুবকের দৈহিক শক্তিকে ব্যবহার করে তাহলে পৃথিবী তার সামনে অবনত হয়ে যায়।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 সফলকাম জীবনের গোপন রহস্য

📄 সফলকাম জীবনের গোপন রহস্য


আমি জাহাজে আরোহন করে ফ্লোরিডা অভিমুখে যাত্রা করি। পথে জর্জ টাউনে আমার এক পুরানো বন্ধুর সাথে সাক্ষাতের উদ্দেশ্যে যাত্রা বিরতি করি। জাহাজ প্রায় শহরের নিকটবর্তী ছিল। তখন আমি দুরবীণ দিয়ে দেখি, সে সমুদ্রের তীরে আমার অপেক্ষায় আছে। অথচ চতুর্দিক রক্ত জমাট করে দেওয়ার মত প্রচণ্ড হিমেল হাওয়া বইছে। তার বয়স ৮০ বছর অতিক্রম করেছে। কিন্তু সে বুক ফুলিয়ে এমনভাবে দাঁড়িয়ে ছিল, যেন কোন শক্তিশালী আকৃতির মানুষ দাঁড়িয়ে আছে। এ ব্যক্তি বয়োজ্যেষ্ঠ জ্ঞানী বান্ডাড বুরুশ ছিল। সে আমাকে তার গাড়ীতে করে তার গ্রামের বাড়ীতে নিয়ে যায়। যেখানে তার জমিদারি ছিল। আমরা গোল কার কক্ষে বসে আলোচনা শুরু করি। ঐ কক্ষে বুরুশ পৃথিবীর বিখ্যাত জ্ঞাণীগুণীদের মধ্যে রুজভেল্ট, চার্চিলও ছিল। আন্তর্জাতিক বিষয় সম্পর্কে আলোচনা চলতে থাকে। বয়োবৃদ্ধ হওয়া সত্ত্বেও বুরুশের মধ্যে নবীন যুবকের মত নবোদ্যম ছিল। কত মজার ব্যাপার যে যদি তারা একবারও অতীতের আলোচনা করত, তারা ধারাবাহিক ভাবে বর্তমান ও ভবিষ্যত সম্পর্কে আলোচনা করতে থাকে। আমাকে আর্থিক সামাজিক ও দৈহিক ইতিহাস সম্পর্কে অনভিজ্ঞ পেয়ে তারা হতাশ ও নিরাশাগ্রস্থ হয়ে যায়। তার অবয়ব পূর্ণাঙ্গ উজ্জ্বল ও দীপ্তিময়, চোখে চমক বিদ্যমান, আলোচনা চলা অবস্থায় তারা মাত্র একবার অতীত সম্পর্কে আলোচনা করে বলে যে, গতকাল আমি দশটি গুলি করেছি, তাতে শুধু আটটি তিতির হাতে এসেছে।

পৃথিবী এ ধরনের জ্ঞানীদের এতো ইজ্জত-সম্মান কেন করে? কারণ তারা অপরাজেয়। তারা সর্বদা নিয়মিত পরিশ্রম ও সাধনায় মগ্ন হয়ে থাকে। শ্রম ও সাধনায় কখনো তারা আত্মতৃপ্তি লাভ করে না। আমার অপর এক বন্ধু সে দেশের বিরাট এক নামকরা কোম্পানীর প্রধান। সে আনুমানিক সত্তর বছর বয়সেও সুষ্ঠু নেতৃত্ব দানের যোগ্য। সেও অতীতের ঘটনাবলী আলোচনা না করে পুরো সময় প্রতিদিনের সমস্যা সমাধানের বিষয়ে আলোচনা করে। আথবা আগামী দিনের জন্য নিত্যনতুন পরিকল্পনা ও বিভিন্ন ধরনের কর্মকৌশল প্রণয়ন করে। নিজের কাজ ছাড়া সে দাবা খেলায় উৎসাহী ছিল। সে বেশ চমৎকার খেলা করত। তার আনন্দ ও সফলতার গোপন রহস্য হল, তার নিয়মিত শ্রম ও সাধনায় ব্যস্ততা। হালাল উপায়ে সম্পদ উপার্জন। তারপর উপার্জিত সম্পদগুলো উত্তম পদ্ধতিতে ব্যয় করা। এটা বর্তমান পৃথিবীতে ভীষণ কঠিন কাজের অন্যতম। কিছু দিন আগে আমি এক প্রসিদ্ধ ক্লাবে দাবা খেলতে যাই। খেলা শেষ হয় সন্ধ্যা নাগাদ। তাই ক্লাবের অধিকাংশ সদস্য নিজ নিজ গন্তব্যের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। কিন্তু পাঁচ ছয়জন লোক এক কক্ষে বসে সহসাই চিৎকার করতে থাকে।

সেখানে মদপানের জমজমাট আসর চলছিল। আমি তাদের চিনতে পেরেছি। তাদের কাজ প্রত্যেক সন্ধ্যায় মদ পান করা আর অনর্থক হইহল্লা করা। একাজ তাদের নিয়মিত অভ্যাস। আশ্চর্যের ব্যাপার হল, তারা সকলে এক সময়ে জগত বিখ্যাত ছিল। কাজ কারবারে সফলকাম ছিল। ছোট বড় সকলেই তাদের শ্রদ্ধা ও সম্মান করত। যদি ব্যক্তিগত ভাবে খুশি ও সফলতা লাভ করে থাকে, তাহলে তাদের আনন্দিত হওয়া উচিত ছিল। কিন্তু তাদের অবস্থা নিশ্চিত এমন ছিল, যেন তাদের উল্লেখযোগ্য কোন উপাদানের ঘাটতি রয়েছে। নতুবা তারা হুইস্কি ও সোডা পান করে জীবনের বাস্তবতা থেকে পলায়ণ করার চেষ্টা করত না। তাদের প্রত্যেকেরই জানা ছিল, তাদের জীবনায়ু শেষ হয়ে আসছে।

যখন ফলবান বৃক্ষের ফলন বন্ধ হয়ে যায়, তখন বৃক্ষটির হঠাৎ মৃত্যু হয়ে যায়। মানুষেরও একই অবস্থা হয়। এ পৃথিবীতে দীর্ঘ ও পূর্ণ হাসি-খুশি জীবন লাভের গোপন রহস্য কি? আমার ধারণা, আমি বহুদিন পূর্বে এর জবাব পেয়ে গেছি। পবিত্র ইঞ্জিলের পৃষ্ঠা উল্টাচ্ছিলাম। সৃষ্টি তত্ত্ব অধ্যায়ের এক বিষয় আমার নজরে আসে। বক্তব্য অতি দীর্ঘ ছিল। কিন্তু তা আমার অন্তরে পাথরে খোদাই-য়ের মত অংকিত হয়ে যায়। "শুধু ঐ জীবিকা হালাল যা তুমি দেহের ঘাম ঝরিয়ে উপার্জন করো।"

তৎক্ষণাৎ বাক্যটি আমাকে কাজ করার জন্য ধমকাতে থাকে। বস্তুতঃ জীবনের প্রতি পদক্ষেপ আমাকে মল্লযুদ্ধের প্রতি আহবান করে। তথাপি বুযুর্গের এসব বাণী সর্বদা আমার সাহস যোগাতে থাকে। আমার সব চেয়ে বড় কামনা হল, যখন সফর সমাপ্তির নিকটবর্তী হতো, তখন আমি আমার কাজে পূর্ণ আত্মতৃপ্ত হয়ে যেতাম। আমার সৌভাগ্য ছিল, আমি জীবনযুদ্ধে বীর পুরুষের মত লড়াই করেছি। কখনো পিঠ দেখাই নি। আমার ঈমান নিরাপদ রয়েছে।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00