📄 আবেগ অনুভূতির পার্থক্য, কর্ম পরিকল্পনা
আবেগ-অনুভূতির পার্থক্য
পুরুষের তুলনায় নারী আবেগ অনুভূতিতে দ্রুত ভেসে যায়। কোন মর্মান্তিক দুঃখজনক ঘাট। বা দৈহিক ব্যথা-বেদনা তাকে অস্থিতিশীল ও বিচলিত করে দেয়। সে তা দ্রুত অনুভব করতে পারে। কিন্তু এ প্রতিক্রিয়া দীর্ঘস্থায়ী হয় না। পুরুষের তুলনায় সে এ বিষয় অতিদ্রুত ভুলে যায়।
কর্মপরিকর
পুরুষের ম পবণ হয়। সে বাস্তবতার জগতে থেকে চিন্তা-ভাবনা করে। সঠিক সমাধন রে নিয়ে আসে। কিন্তু নারী অভিজ্ঞতালব্ধ ধ্যান-ধারনায় অভ্যস্ত। সে সৃজনশীল পরিণতি সামনে নিয়ে আসে। এ করণে যদি আপনার আয়কর প্রতিবেদনের প্রয়োজন হয় বা ভবনের নকশা তৈরীর প্রয়োজন দেখা দেয়, তাহলে পুরুষের সাহায্য নিন। যদি বিবাহের পণ্য সামগ্রীর তালিকার প্রয়োজন হয় অথবা পোশাকের রং জানার বা অলংকারের গঠন জানার প্রয়োজন তাহলে নারীর সাহায্য নিতে হয়।
পুরুষের তুলনায় নারীর স্বপ্ন দেখার অভ্যাস বেশী। মজার ব্যাপার হল, সে স্বপ্ন দেখা অবস্থায় দ্রুত জেগে যায়। পৃথক হওয়ার অনুভূতি অনেক তেজী হয়। আর তাদের কোন কোন স্বপ্ন সত্য হয়ে থাকে。
📄 ভরাক্রান্ত অবস্থা
ইভিল বিশ্ববিদ্যালয়ের অভিজ্ঞ অধ্যাপক ডক্টর আরন্যাল গিসের মতে, নারী দ্রুত ভারাক্রান্ত ও বেদনাতুর হয়ে যায়। তারা বিপদের ঝুকির মোকাবিলা করতে অক্ষম। বিশেষ করে আকস্মিক দুর্ঘটনায় তাদের হাত-পা ফুলে যায়। তাই তারা ভীষণ ভীত হয়ে কিংকর্তব্য বিমুঢ় হয়ে যায়। পুরুষের তুলনায় যে কোন প্রকার হতবুদ্ধিতা তাদের কর্ম ত্যাগের সম্পর্ক এক ও পাঁচ। উল্লেখিত পর্যবেক্ষণ দ্বারা প্রমাণ পাওয়া যায় যে, দৈহিক গড়নে নিঃসন্দেহে নারীর অনেক বেশী সৌন্দর্য রয়েছে। কোন কোন ক্ষেত্রে তাদেরকে পুরুষ থেকে অগ্রগামী দেখা যায় কিন্তু ঐ বিশেষত্ব সমূহের পর্যালোচনা করলে দেখা যায় যে, তাদের কর্মক্ষেত্র পুরুষের কর্মক্ষেত্র অপেক্ষা নিশ্চিত ভিন্ন। তাদেরকে আল্লাহ পাক পৃথক পৃথক কাজের উদ্দেশ্যে সৃষ্টি করেছেন।