📄 ভার উত্তোলনের যোগ্যতা, ক্রমোন্নতিতে পার্থক্য, খেলার মাঠ
ভার উত্তোলনের যোগ্যতা
নারীদের ভার উত্তোলনের ক্ষমতা কম। তার গড়ে ত্রিশ সেরের বেশী ওজনের ভার উত্তোলন করতে পারে না। চাই নারী-পুরুষের স্বাস্থ্যগতওজন এক সমান হোক। কিন্তু বোঝা উঠানোর যোগ্যাতায় বিশেষ পার্থক্য রয়েছে।
ক্রমোন্নতিতে পার্থক্য
পুরুষের দেহের তুলনায় নারীর দেহের ওজন বেড়ে যায়। নারীর দেহে চর্বি ও অপ্রয়োজনীয় গোশতের পরিমাণ অনেক বেশী থাকে। তা বরাবরই বৃদ্ধি পেতে থাকে। নারীর দেহে কুদরতের এ যুক্তি সিদ্ধতা রয়েছে যে, তাতে মাতৃউদরে সন্তান নমনীয়তার সাথে বিচরণ করতে পারে। এখন প্রশ্ন দেখা দিতে পারে যে, ঐ সময় নারী মোটা হয় কেন, যখন তারা সন্তান উৎপাদনের যোগ্য থাকে না? এর এক জবাব তো হল, চিকিৎসা বিজ্ঞানের গবেষণায় দেখা যায় যে, নারীর পাকস্থলী বড় হয়। আর তারা দ্রুতও সহজে খাদ্যদ্রব্য হজম করে ফেলে। সুতরাং তাদের ক্ষিধা বেশী হয়। তাই বেশী খবার তাদেরকে মোটা হওয়ার দিকে নিয়ে যায়। দ্বিতীয় কারণ হল, শেষ জীবনে নারীর দেহের সেসব উপকরণ, যা সন্তান জন্ম দানে খরচ হতে থাকত, তা বেকার হয়ে গোশতের সাথে মিলিত হয়ে যায়। ফলে তাদের দেহ মোটা হয়ে যায়।
খেলার মাঠ
খেলার মাঠে ও নারীকে পুরুষের সমান করার প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে। কিন্তু অভিজ্ঞতার সাক্ষী হল, সে দৈহিক গঠনের দিক থেকে পুরুষের মোকাবিলা করতে অক্ষম। উদাহরণতঃ নারীর দ্রুত গতিতে বল নিক্ষোপের যোগ্যতা নেই। এর কারণ নিক্ষেপণের দুর্বলতা নয়, দৈহিক গঠন। নারীর দেহের কনুই ও হাতের কজীর হাড়সমূহ পরস্পরে এমন উপকরণের সাথে মিলিত হয়ে আছে, তাই সে দ্রুত হাতে বল ঘুরাতে পারে না। তার দৈহিক গঠন সিঁড়িতে আরোহন করায়ও কষ্ট অনুভূত হয়। অনুরূপভাবে পায়ের পাতা ও গোড়ালীর হাড়সমূহের জোড়া থেকে পদক্ষেপ নেওয়ায় সফলকাম হতে দেয় না।
📄 কন্ঠের রগ সমূহ, মাংস পিণ্ডের পার্থক্য, ক্ষতিকর উপকরণ
কণ্ঠের রগসমূহ
নারীর কণ্ঠনালীর রগ থেকে পুরুষের কণ্ঠনালীর রগসমূহ দ্বিগুণ লম্বা হয়। নারী হালকা সূরে সহজে গেয়ে নিতে পারে। কিন্তু তুলনামূলক বেশী লম্বা টান নেওয়া তার জন্য কঠিন হয়।
মাংসপিণ্ডের পার্থক্য
দেহের কোন কোন মাংশপিণ্ড নারী-পুরুষকে একে অপরের তুলনায় স্বাতন্ত্রতা দান করা হয়েছে। গলার মাংসপিণ্ডের কথাই ধরুন। এটা রস নিঃসরণে বাইরের তুলনায় রক্তের মধ্যে রস নিঃসরণ করে থাকে। এ রস নিঃসরণ যদি বেশী হয়ে যায়, তাহলে মানুষের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের ব্যথা-বেদনা ও ম্যাজমেজে ভাব দেখা দেয়। আবার হৃৎপিণ্ডেও গোলযোগ দেখা দিতে পারে। যদি অধিক পরিমাণে রস নিঃসরণ হতে থাকে, তাহলে কোন কোন সময় তাৎক্ষণিক জ্ঞান-বুদ্ধি লোপ পেতে পারে। এ রোগ সাধারণতঃ মহিলাদের বেশী হয়। এর কারণ হল, তাদের গলার মাংসপিণ্ড দৈর্ঘে বড় হয়।
ক্ষতিকর উপকরণ
এ বিষয় দীর্ঘ দিন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের চিন্তার কারণ ছিল যে, নারীদের তুলনায় পুরুষের পাকস্থলী ক্যানসারে বেশী আক্রান্ত হয় কেন? বর্তমানে চিকিৎসকগণ এ সমস্যা চিহ্নিত করতে সক্ষম হয়েছেন। আমেরিকার দেহবিশেষজ্ঞ চিকিৎসকগণ ক্রমাগত গবেষণার পর এ অভিমত প্রকাশ করেছেন যে, নারীদেহে এমন উপকরণ বিদ্যমান রয়েছে, যা তার দৈহিক বিষাক্ত ও ক্ষতিকর উপকরণের বিরুদ্ধে মোকাবিলা করতে সক্ষম হয়। এর ফলে তাদের পাকস্থলী ক্যান্সার আক্রান্ত হওয়া থেকে নিরাপদ থাকে। তাই তাদের গর্ভের সন্তানের উপর খারাপ প্রতিক্রিয়া দেখ দেয় না।
📄 আবেগ অনুভূতির পার্থক্য, কর্ম পরিকল্পনা
আবেগ-অনুভূতির পার্থক্য
পুরুষের তুলনায় নারী আবেগ অনুভূতিতে দ্রুত ভেসে যায়। কোন মর্মান্তিক দুঃখজনক ঘাট। বা দৈহিক ব্যথা-বেদনা তাকে অস্থিতিশীল ও বিচলিত করে দেয়। সে তা দ্রুত অনুভব করতে পারে। কিন্তু এ প্রতিক্রিয়া দীর্ঘস্থায়ী হয় না। পুরুষের তুলনায় সে এ বিষয় অতিদ্রুত ভুলে যায়।
কর্মপরিকর
পুরুষের ম পবণ হয়। সে বাস্তবতার জগতে থেকে চিন্তা-ভাবনা করে। সঠিক সমাধন রে নিয়ে আসে। কিন্তু নারী অভিজ্ঞতালব্ধ ধ্যান-ধারনায় অভ্যস্ত। সে সৃজনশীল পরিণতি সামনে নিয়ে আসে। এ করণে যদি আপনার আয়কর প্রতিবেদনের প্রয়োজন হয় বা ভবনের নকশা তৈরীর প্রয়োজন দেখা দেয়, তাহলে পুরুষের সাহায্য নিন। যদি বিবাহের পণ্য সামগ্রীর তালিকার প্রয়োজন হয় অথবা পোশাকের রং জানার বা অলংকারের গঠন জানার প্রয়োজন তাহলে নারীর সাহায্য নিতে হয়।
পুরুষের তুলনায় নারীর স্বপ্ন দেখার অভ্যাস বেশী। মজার ব্যাপার হল, সে স্বপ্ন দেখা অবস্থায় দ্রুত জেগে যায়। পৃথক হওয়ার অনুভূতি অনেক তেজী হয়। আর তাদের কোন কোন স্বপ্ন সত্য হয়ে থাকে。
📄 ভরাক্রান্ত অবস্থা
ইভিল বিশ্ববিদ্যালয়ের অভিজ্ঞ অধ্যাপক ডক্টর আরন্যাল গিসের মতে, নারী দ্রুত ভারাক্রান্ত ও বেদনাতুর হয়ে যায়। তারা বিপদের ঝুকির মোকাবিলা করতে অক্ষম। বিশেষ করে আকস্মিক দুর্ঘটনায় তাদের হাত-পা ফুলে যায়। তাই তারা ভীষণ ভীত হয়ে কিংকর্তব্য বিমুঢ় হয়ে যায়। পুরুষের তুলনায় যে কোন প্রকার হতবুদ্ধিতা তাদের কর্ম ত্যাগের সম্পর্ক এক ও পাঁচ। উল্লেখিত পর্যবেক্ষণ দ্বারা প্রমাণ পাওয়া যায় যে, দৈহিক গড়নে নিঃসন্দেহে নারীর অনেক বেশী সৌন্দর্য রয়েছে। কোন কোন ক্ষেত্রে তাদেরকে পুরুষ থেকে অগ্রগামী দেখা যায় কিন্তু ঐ বিশেষত্ব সমূহের পর্যালোচনা করলে দেখা যায় যে, তাদের কর্মক্ষেত্র পুরুষের কর্মক্ষেত্র অপেক্ষা নিশ্চিত ভিন্ন। তাদেরকে আল্লাহ পাক পৃথক পৃথক কাজের উদ্দেশ্যে সৃষ্টি করেছেন।