📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 এইডসের প্রকোপ বৃদ্ধি, তৃতীয় বিশ্বের মারাত্মক সতর্ক বাণী

📄 এইডসের প্রকোপ বৃদ্ধি, তৃতীয় বিশ্বের মারাত্মক সতর্ক বাণী


বর্তমান পৃথিবীতে ছয় হাজার এইডস রোগীকে তালিকাভূক্ত করা হয়েছে। তন্মধ্যে শুধু চার হাজার হল আমেরিকাতে। তৃতীয় বিশ্বে এ রোগে আক্রান্ত বেশীর ভাগ রোগী হল হাইতি ও জায়ারে। যদিও এ রোগ ব্যাপক আকারে দ্রুত গতিতে বিস্তার লাভ করছে না, তথাপি এর সবচেয়ে মারাত্মক হতাশাব্যঞ্জক দিক হল, এ পর্যন্ত এর প্রতিরোধে দ্রুত কার্যকরী কোন চিকিৎসা উদ্ভাবন করা সম্ভব হয়নি। তদোপুরি এটা মরণ ব্যাধি। হাইতির জনৈক চিকিৎসা বিশেষজ্ঞের অভিমত হল, রাজধানীর শতকরা ৭০ ভাগ অধিবাসী এ রোগে আক্রান্ত। তন্মধ্যে বেশীর ভাগ রোগী শহরের ঐ এলাকার অধিবাসী, যেখানে নারী ও পুরুষ উভয় স্বেচ্ছায় দেহ বিক্রি করে। জায়ারের বিশেষজ্ঞদের মতে ওখানে প্রতিবছর একলাখে ২০ হাজার লোক মরণ ব্যাধি এইডসে আক্রান্ত হচ্ছে। এটা পৃথিবীর সবচেয়ে সর্বোচ্চ সংখ্যা। জায়ারে ততো সংখ্যক মহিলাকেও এইডসে আক্রান্ত পাওয়া গেছে। আমেরিকা ও ফ্রান্সের বিশেষজ্ঞদের মতে তারা এইডসের জীবাণু চিহ্নিত করতে সক্ষম হয়েছে। কিন্তু অতি শীঘ্র এর প্রতিশেধক টীকা আবিষ্কার করা সম্ভব হচ্ছে না।

বিশেষজ্ঞগণ তৃতীয় বিশ্বের দেশসমূহকে এ মর্মে সতর্ক করে দিয়েছে যে, ওখানে সংক্রামক দৈহিক ব্যাধি সমূহের দ্রুত বিস্তারের সম্ভাবনা অনেক বেশী। কেননা ১৯৮৬ সাল পর্যন্ত পৃথিবীর তিন চতুর্থাংশ লোক ঐ সমস্ত দেশে বসবাস করছে।

নাইরোবির এক ঘনবসতিপূর্ণ বস্তিতে গিয়ে এক জরিপ চালিয়ে দেখা যায়, ১৪ হাজার নারীর মধ্যে ৫০০ জন যৌনকর্মী রয়েছে। তাদের প্রায় শতকরা ৪০ ভাগ মহিলা এইডস আক্রান্ত। যদি দৈনিক গড়ে তাদের সাথে চারজন পুরুষ মেলামেশা করে, তাহলে ঐ ব্যাধিতে আক্রান্ত লোকের সংখ্যা আটশতে পৌঁছে যাবে। আর বছরের শেষে ৪০% হিসেবে ঐ ব্যাধিতে আক্রান্ত লোকের সংখ্যা ২.৭ মিলিয়নে পৌছে যাবে।

দৈহিক ব্যাধি সমূহ নির্মূলে পেনিসিলিন নিঃসন্দেহে এক কার্যকরী হাতিয়ার। কিন্তু মুশকিলের ব্যাপার হল, কোন কোন সংক্রামক জীবাণুর উপর এর কার্যকরী কোন প্রতিক্রিয়া দেখা যায় না। এ অবস্থায় শুধু টেট্রা সাইকিলন ও অন্যান্য ঔষধ সমূহ কার্যকরী প্রমাণ হয়েছে। কিন্তু বিপদের ব্যাপার হল, এটা অত্যন্ত ব্যয় বহুল চিকিৎসা। তৃতীয় বিশ্বের দেশসমূহ এর ব্যয়ভার বহন করতে সম্পূর্ণ অক্ষম। সুতরাং এখন স্বাস্থ্য সংস্থার অধীনে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশসমূহে অন্যান্য বিপরীত প্রতিষেধক ঔষধ সমূহের মাধ্যমে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানো হচ্ছে। বর্তমানে কেনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের নারীদের মধ্যে এ ব্যাধি সম্পর্কে অনুসন্ধান চালানো হয়। প্রকাশ থাকে যে, ঐ কনফারেন্সেই চল্লিশ প্রকার দৈহিক সংক্রামক ব্যাধি আলোচনায় স্থান পায়। কনফারেন্সে অংশগ্রহণকারী সদস্যগণ সারাবিশ্ব বিশেষ করে তৃতীয় বিশ্বের দেশ সমূহের নিকট এ আবেদন পেশ করেছে যে, তারা যেন এ ব্যাধির মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাব অনুভব করে। আর তাৎক্ষণিকভাবে এর বিরুদ্ধে দ্রুত প্রতিরোধ মূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে। কেননা এর ফলে ঐ সমস্ত দেশের অর্থনীতিতে মারাত্মক বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দেবে। উক্ত কনফারেন্সে এ বিষয় বিশেষ জোর দেওয়া হয় যে, পৃথিবীর সমস্ত বিজ্ঞানীদেরকে এ মরণব্যাধির প্রতিরোধের বিষয় সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাতে হবে। সকলের সম্মিলিত চেষ্টা ব্যতীত এ মরণব্যাধি নির্মূল করা সম্ভব হবে না।

বর্তমান পৃথিবীতে ছয় হাজার এইডস রোগীকে তালিকাভূক্ত করা হয়েছে। তন্মধ্যে শুধু চার হাজার হল আমেরিকাতে। তৃতীয় বিশ্বে এ রোগে আক্রান্ত বেশীর ভাগ রোগী হল হাইতি ও জায়ারে। যদিও এ রোগ ব্যাপক আকারে দ্রুত গতিতে বিস্তার লাভ করছে না, তথাপি এর সবচেয়ে মারাত্মক হতাশাব্যঞ্জক দিক হল, এ পর্যন্ত এর প্রতিরোধে দ্রুত কার্যকরী কোন চিকিৎসা উদ্ভাবন করা সম্ভব হয়নি। তদোপুরি এটা মরণ ব্যাধি। হাইতির জনৈক চিকিৎসা বিশেষজ্ঞের অভিমত হল, রাজধানীর শতকরা ৭০ ভাগ অধিবাসী এ রোগে আক্রান্ত। তন্মধ্যে বেশীর ভাগ রোগী শহরের ঐ এলাকার অধিবাসী, যেখানে নারী ও পুরুষ উভয় স্বেচ্ছায় দেহ বিক্রি করে। জায়ারের বিশেষজ্ঞদের মতে ওখানে প্রতিবছর একলাখে ২০ হাজার লোক মরণ ব্যাধি এইডসে আক্রান্ত হচ্ছে। এটা পৃথিবীর সবচেয়ে সর্বোচ্চ সংখ্যা। জায়ারে ততো সংখ্যক মহিলাকেও এইডসে আক্রান্ত পাওয়া গেছে। আমেরিকা ও ফ্রান্সের বিশেষজ্ঞদের মতে তারা এইডসের জীবাণু চিহ্নিত করতে সক্ষম হয়েছে। কিন্তু অতি শীঘ্র এর প্রতিশেধক টীকা আবিষ্কার করা সম্ভব হচ্ছে না।

বিশেষজ্ঞগণ তৃতীয় বিশ্বের দেশসমূহকে এ মর্মে সতর্ক করে দিয়েছে যে, ওখানে সংক্রামক দৈহিক ব্যাধি সমূহের দ্রুত বিস্তারের সম্ভাবনা অনেক বেশী। কেননা ১৯৮৬ সাল পর্যন্ত পৃথিবীর তিন চতুর্থাংশ লোক ঐ সমস্ত দেশে বসবাস করছে।

নাইরোবির এক ঘনবসতিপূর্ণ বস্তিতে গিয়ে এক জরিপ চালিয়ে দেখা যায়, ১৪ হাজার নারীর মধ্যে ৫০০ জন যৌনকর্মী রয়েছে। তাদের প্রায় শতকরা ৪০ ভাগ মহিলা এইডস আক্রান্ত। যদি দৈনিক গড়ে তাদের সাথে চারজন পুরুষ মেলামেশা করে, তাহলে ঐ ব্যাধিতে আক্রান্ত লোকের সংখ্যা আটশতে পৌঁছে যাবে। আর বছরের শেষে ৪০% হিসেবে ঐ ব্যাধিতে আক্রান্ত লোকের সংখ্যা ২.৭ মিলিয়নে পৌছে যাবে।

দৈহিক ব্যাধি সমূহ নির্মূলে পেনিসিলিন নিঃসন্দেহে এক কার্যকরী হাতিয়ার। কিন্তু মুশকিলের ব্যাপার হল, কোন কোন সংক্রামক জীবাণুর উপর এর কার্যকরী কোন প্রতিক্রিয়া দেখা যায় না। এ অবস্থায় শুধু টেট্রা সাইকিলন ও অন্যান্য ঔষধ সমূহ কার্যকরী প্রমাণ হয়েছে। কিন্তু বিপদের ব্যাপার হল, এটা অত্যন্ত ব্যয় বহুল চিকিৎসা। তৃতীয় বিশ্বের দেশসমূহ এর ব্যয়ভার বহন করতে সম্পূর্ণ অক্ষম। সুতরাং এখন স্বাস্থ্য সংস্থার অধীনে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশসমূহে অন্যান্য বিপরীত প্রতিষেধক ঔষধ সমূহের মাধ্যমে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানো হচ্ছে। বর্তমানে কেনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের নারীদের মধ্যে এ ব্যাধি সম্পর্কে অনুসন্ধান চালানো হয়। প্রকাশ থাকে যে, ঐ কনফারেন্সেই চল্লিশ প্রকার দৈহিক সংক্রামক ব্যাধি আলোচনায় স্থান পায়। কনফারেন্সে অংশগ্রহণকারী সদস্যগণ সারাবিশ্ব বিশেষ করে তৃতীয় বিশ্বের দেশ সমূহের নিকট এ আবেদন পেশ করেছে যে, তারা যেন এ ব্যাধির মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাব অনুভব করে। আর তাৎক্ষণিকভাবে এর বিরুদ্ধে দ্রুত প্রতিরোধ মূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে। কেননা এর ফলে ঐ সমস্ত দেশের অর্থনীতিতে মারাত্মক বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দেবে। উক্ত কনফারেন্সে এ বিষয় বিশেষ জোর দেওয়া হয় যে, পৃথিবীর সমস্ত বিজ্ঞানীদেরকে এ মরণব্যাধির প্রতিরোধের বিষয় সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাতে হবে। সকলের সম্মিলিত চেষ্টা ব্যতীত এ মরণব্যাধি নির্মূল করা সম্ভব হবে না।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 গনোরিয়া

📄 গনোরিয়া


বিম্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সমীক্ষা অনুযায়ী বর্তমানে পৃথিবীতে গনোরিয়া আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ২৫০ মিলিয়ন। এ ব্যাধি সারা পৃথিবীতে বিস্তৃত হচ্ছে। সঠিকভাবে এ রোগ নির্ণয়ের পর ৯৫% থেকে ৯৮% রোগী ব্যাধি মুক্ত হযে যাচ্ছে। তথাপি এর জীবাণু এরূপ এক ধরন তৈরী হয়েছে, যার উপর পেনিসিলিনে কোন কাজ হচ্ছে না। এ প্রকার জীবাণু সারা পৃথিবীতে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। যেসব প্রতিরোধমূলক ঔষধের মাধ্যমে এ জীবাণু নির্মূল করা যেতে পারে, তবে তা অত্যন্ত ব্যয়বহুল।

বিম্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সমীক্ষা অনুযায়ী বর্তমানে পৃথিবীতে গনোরিয়া আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ২৫০ মিলিয়ন। এ ব্যাধি সারা পৃথিবীতে বিস্তৃত হচ্ছে। সঠিকভাবে এ রোগ নির্ণয়ের পর ৯৫% থেকে ৯৮% রোগী ব্যাধি মুক্ত হযে যাচ্ছে। তথাপি এর জীবাণু এরূপ এক ধরন তৈরী হয়েছে, যার উপর পেনিসিলিনে কোন কাজ হচ্ছে না। এ প্রকার জীবাণু সারা পৃথিবীতে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। যেসব প্রতিরোধমূলক ঔষধের মাধ্যমে এ জীবাণু নির্মূল করা যেতে পারে, তবে তা অত্যন্ত ব্যয়বহুল।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 সিপিলিস

📄 সিপিলিস


দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সিপিলিসের মারাত্মক জোর ছিল। কিন্তু পেনিসিলিন আবিষ্কারের পর তা হ্রাস পেতে শুরু করে। যে জীবাণুর কারণে এ ব্যাধির সূচনা হয়, তা দেহের বাইরে বেশী সক্রিয়।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সিপিলিসের মারাত্মক জোর ছিল। কিন্তু পেনিসিলিন আবিষ্কারের পর তা হ্রাস পেতে শুরু করে। যে জীবাণুর কারণে এ ব্যাধির সূচনা হয়, তা দেহের বাইরে বেশী সক্রিয়।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00