📄 প্রতি ছয় চেকেণ্ডে একজন লোক সংক্রামক রোগে আক্রান্ত হচ্ছে
আর্থিক স্বচ্ছলতা ও স্বদেশ থেকে দূরে অবস্থান করার কারণে বিশ্বব্যাপি সংক্রামক যৌন ব্যাধি দ্রুত গতিতে ছড়িয়ে পড়ছে। অনোন্নয়শীল দেশ সমূহের লোকজন জীবিকা নির্বাহের তাগিদে অথবা অর্থ-উপার্জনের তাগিদে স্বীয় দেহ বিক্রয় করতে বাধ্য হয়। অর্থ উপার্জনের উদ্দেশ্যে দীর্ঘ দিন প্রবাস জীবন যাপনের কারণে মানুষ জৈবিক প্রশান্তি লাভের উদ্দেশ্যে দৈহিক সম্পৃক্ততার শিকার হয়। জনৈক ছোঁয়াছে সংক্রামক যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ বলেন, বর্তমানে পৃথিবীতে প্রতি ছয় সেকেণ্ডে একজন লোক সংক্রামক রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। এ বিপজ্জনক অবস্থার উপর গবেষণার স্বার্থে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সম্প্রতি মন্টোরিয়ালে (ক্যানাডা) পৃথিবীর পঞ্চাশ দেশের এক হাজার বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের বৈঠক আহবান করে। উক্ত বৈঠকে তৃতীয় বিশ্বের সংক্রামক যৌন ব্যাধির উপরও আলোকপাত করা হয়।
উক্ত বৈঠকে তৃতীয় বিশ্বের যে পরিসংখ্যান তৈরী করা হয়, তাতে দেখা যায়, ঐ দেশ সমূহের বর্তমান অবস্থা অত্যধিক বিপজ্জনক। সে মতে ওখানে রোগ প্রতিরোধক ঔষধ সরবরাহ ছাড়াও নারী ও শিশুদের জরুরী চিকিৎসা সহায়তা সহজলভ্যতার ব্যবস্থা নেওয়া ভীষণ জরুরী। কেননা মোট জনসংখ্যার মধ্যে বেশীর নারী ও শিশুই এ ব্যাধির শিকার হচ্ছে। সংক্রামক যৌন ব্যাধি সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক ইউনিয়ন তাদের সাধারণ পরিষদের বৈঠকে এ ব্যাপারে তাৎক্ষণিক কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবী উত্থাপন করে। কেননা এ ধ্বংসাত্মক ব্যাধির কারণে মৃত্যুর সংখ্যা দ্রুতগতিতে বৃদ্ধি লাভ করছে। আর বন্ধ্যাত্যের সংখ্যা বৃদ্ধি লাভ করা ছাড়াও সংক্রামক রোগ জীবাণু চালামিডিয়ার (Chalamydia) কারণে মাতৃগর্ভেও সন্তান আক্রান্ত হচ্ছে। সে মতে সঠিক সময়ে এ রোগ নির্ণয় করে এর দ্রুত প্রতিরোধের ব্যবস্থা নেওয়া অতিজরুরী।
আমেরিকার জনৈক যৌন রোগ বিশেষজ্ঞের মতে যদিও আমরা দীর্ঘদিন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার এসব ব্যাধির উপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হব, তথাপি তাৎক্ষণিকভাবে বর্তমান অবস্থা অত্যন্ত হতাশাব্যঞ্জকও মারাত্মক বিপজ্জনক। তারা তাৎক্ষণিকভাবে চলোমিডিয়া এর উপর তাৎক্ষণিক নিয়ন্ত্রণ করার উপর জোর দিয়ে বলেন, এ ব্যাধি যদিও গনোরিয়ার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ, তথাপি আমরা তা নিয়ন্ত্রণে অনেক বেশী ব্যর্থ হয়েছি। এ কারণে বিশেষজ্ঞগণ এটাকে মহামারী ঘোষণা করেছে। এ ব্যাধির কারণে ডিম্বনালী (Fallopian Tubes) আক্রান্ত হয়ে যাওয়ার ফলে জরায়ুর বাইরে সন্তান স্থিতি লাভ করে। এ ব্যাধি নির্ণয় সাংঘাতিক কঠিন ব্যাপার। কেননা এর আলামত গনোরিয়ার সাথে বেশী সাদৃশ্যপূর্ণ হয়। বরং কোন কোন ক্ষেত্রে এর কোন পাত্তাই পাওয়া যায় না। এ কারণে এ ব্যাধিতে আক্রান্ত মায়ের সন্তান নিত্যনতুন অসংখ্য ব্যাধির শিকার হচ্ছে। এ ব্যাধিতে আক্রান্ত মায়েদের শতকরা ৫০ ভাগ শিশু চোক্ষু রোগের আক্রান্ত হয়। আর বাকী ৫০ ভাগ শিশুর নিমোনিয়াতে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিতে পারে। এর দীর্ঘ মেয়াদি ক্ষতিকর প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে এখনো কিছু জানা যায়নি। ছোঁয়াছে সংক্রামক ব্যাধিতে সবচেয়ে বেশী নারী ও শিশুরা আক্রান্ত হচ্ছে। এ সম্পর্কে জনৈক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের অভিমত হল, এ ব্যাধিতে আক্রান্ত শতকরা ৫০ ভাগ মহিলা বন্ধ্যা হয়ে যায়। এ ধরনের মহিলা যদি গর্ভধারণ করে, তাহলে তাদের সন্তান প্রসব মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ হয়। বর্তমানে এ সম্পর্কে দ্বি-মত পোষণ করার কোন অবকাশ নেই যে, অধিকাংশ মহিলা জরায়ু ক্যান্সারে আক্রান্ত হচ্ছে, যারা একাধিক পুরুষের সাথে দৈহিক সম্পর্ক করে। চিকিৎসা বিশেষজ্ঞগণও উল্লেখ করেছেন, যেসব মহিলা একাধিক পুরুষের সাথে যৌন মিলন করে না, ঐসব মহিলা জরায়ু ক্যান্সারে আক্রান্ত হয় না।
অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বিশেষজ্ঞ জনৈক চিকিৎসকের অভিমত হল, মাসুন বা দেহের বিভিন্ন স্থান স্ফীতি পাওয়ার একমাত্র কারণ হল, এ রোগজীবাণুর প্রভাব বিস্তার। এ মাসুন বা অঙ্গ স্ফীতি ব্যাধিতে নারী-পুরুষ বা উভয়ই আক্রান্ত হতে পারে। অবৈধ যৌনমিলনকামী শতকরা ১০ জন এ রোগে আক্রান্ত হতে থাকে। এ অঙ্গ স্ফীতি সামনে অগ্রসর হয়ে জরায়ু মুখে ক্যান্সারে রূপ নিতে পারে।
আমেরিকার অপর এক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য সংস্থার নিকট আপিল করেছেন, স্বাস্থ্য সংস্থা যদিও এ রোগ প্রতিরোধে অক্ষম তথাপি কমপক্ষে গর্ভবতী নারীদের চিকিৎসায় মনোযোগী হওয়া উচিত। বিগত আড়াই দশকে সুদান এ ব্যাপারে যে পদক্ষেপ নিয়েছে, তাতে ওখানে নিঃসন্তান দম্পতির সংখ্যা শতকরা ১০ ভাগ থেকে কমে শতকরা ৬ ভাগে নেমে এসেছে। ওখানে এ ব্যাধি নির্মূলে পেনিসিলিন ব্যবহার করা হয়।
কেনিয়ার রাজধানী নাইরোবির এক হাসপাতালে পর্যবেক্ষণ চালানোর পর সংক্রামক চোক্ষু রোগে আক্রন্ত শিশুদের শতকরা ৪০ জনের মায়েদের এ রোগে আক্রান্ত পাওয়া যায়। অনুরূপভাবে তাদের মধ্যে শতকরা ২১ ভাগকে চলামিডিয়াতে আক্রান্ত দেখা যায়। চিকিৎসা না করানোর কারণে এ রোগে আক্রান্ত মায়েরা সম্পূর্ণ অন্ধ সন্তান প্রসব করছে। চোখের উল্লেখিত সংক্রামক ছোঁয়াছে ব্যাধি বন্ধ করার জন্য শিল্প উন্নত দেশসমূহে নবজাতক শিশুদের চোখ সলোনাইডেড নাইট্রেট মিশ্রিত পানি দিয়ে ধুইয়ে দেওয়া হয়। কোন কোন অনোন্নত দেশ সমূহেও এ পদ্ধতির প্রচলন দেখা যায়। কিন্তু কেনিয়াতে এ পদ্ধতিকে পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছে。
আর্থিক স্বচ্ছলতা ও স্বদেশ থেকে দূরে অবস্থান করার কারণে বিশ্বব্যাপি সংক্রামক যৌন ব্যাধি দ্রুত গতিতে ছড়িয়ে পড়ছে। অনোন্নয়শীল দেশ সমূহের লোকজন জীবিকা নির্বাহের তাগিদে অথবা অর্থ-উপার্জনের তাগিদে স্বীয় দেহ বিক্রয় করতে বাধ্য হয়। অর্থ উপার্জনের উদ্দেশ্যে দীর্ঘ দিন প্রবাস জীবন যাপনের কারণে মানুষ জৈবিক প্রশান্তি লাভের উদ্দেশ্যে দৈহিক সম্পৃক্ততার শিকার হয়। জনৈক ছোঁয়াছে সংক্রামক যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ বলেন, বর্তমানে পৃথিবীতে প্রতি ছয় সেকেণ্ডে একজন লোক সংক্রামক রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। এ বিপজ্জনক অবস্থার উপর গবেষণার স্বার্থে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সম্প্রতি মন্টোরিয়ালে (ক্যানাডা) পৃথিবীর পঞ্চাশ দেশের এক হাজার বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের বৈঠক আহবান করে। উক্ত বৈঠকে তৃতীয় বিশ্বের সংক্রামক যৌন ব্যাধির উপরও আলোকপাত করা হয়।
উক্ত বৈঠকে তৃতীয় বিশ্বের যে পরিসংখ্যান তৈরী করা হয়, তাতে দেখা যায়, ঐ দেশ সমূহের বর্তমান অবস্থা অত্যধিক বিপজ্জনক। সে মতে ওখানে রোগ প্রতিরোধক ঔষধ সরবরাহ ছাড়াও নারী ও শিশুদের জরুরী চিকিৎসা সহায়তা সহজলভ্যতার ব্যবস্থা নেওয়া ভীষণ জরুরী। কেননা মোট জনসংখ্যার মধ্যে বেশীর নারী ও শিশুই এ ব্যাধির শিকার হচ্ছে। সংক্রামক যৌন ব্যাধি সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক ইউনিয়ন তাদের সাধারণ পরিষদের বৈঠকে এ ব্যাপারে তাৎক্ষণিক কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবী উত্থাপন করে। কেননা এ ধ্বংসাত্মক ব্যাধির কারণে মৃত্যুর সংখ্যা দ্রুতগতিতে বৃদ্ধি লাভ করছে। আর বন্ধ্যাত্যের সংখ্যা বৃদ্ধি লাভ করা ছাড়াও সংক্রামক রোগ জীবাণু চালামিডিয়ার (Chalamydia) কারণে মাতৃগর্ভেও সন্তান আক্রান্ত হচ্ছে। সে মতে সঠিক সময়ে এ রোগ নির্ণয় করে এর দ্রুত প্রতিরোধের ব্যবস্থা নেওয়া অতিজরুরী।
আমেরিকার জনৈক যৌন রোগ বিশেষজ্ঞের মতে যদিও আমরা দীর্ঘদিন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার এসব ব্যাধির উপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হব, তথাপি তাৎক্ষণিকভাবে বর্তমান অবস্থা অত্যন্ত হতাশাব্যঞ্জকও মারাত্মক বিপজ্জনক। তারা তাৎক্ষণিকভাবে চলোমিডিয়া এর উপর তাৎক্ষণিক নিয়ন্ত্রণ করার উপর জোর দিয়ে বলেন, এ ব্যাধি যদিও গনোরিয়ার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ, তথাপি আমরা তা নিয়ন্ত্রণে অনেক বেশী ব্যর্থ হয়েছি। এ কারণে বিশেষজ্ঞগণ এটাকে মহামারী ঘোষণা করেছে। এ ব্যাধির কারণে ডিম্বনালী (Fallopian Tubes) আক্রান্ত হয়ে যাওয়ার ফলে জরায়ুর বাইরে সন্তান স্থিতি লাভ করে। এ ব্যাধি নির্ণয় সাংঘাতিক কঠিন ব্যাপার। কেননা এর আলামত গনোরিয়ার সাথে বেশী সাদৃশ্যপূর্ণ হয়। বরং কোন কোন ক্ষেত্রে এর কোন পাত্তাই পাওয়া যায় না। এ কারণে এ ব্যাধিতে আক্রান্ত মায়ের সন্তান নিত্যনতুন অসংখ্য ব্যাধির শিকার হচ্ছে। এ ব্যাধিতে আক্রান্ত মায়েদের শতকরা ৫০ ভাগ শিশু চোক্ষু রোগের আক্রান্ত হয়। আর বাকী ৫০ ভাগ শিশুর নিমোনিয়াতে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিতে পারে। এর দীর্ঘ মেয়াদি ক্ষতিকর প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে এখনো কিছু জানা যায়নি। ছোঁয়াছে সংক্রামক ব্যাধিতে সবচেয়ে বেশী নারী ও শিশুরা আক্রান্ত হচ্ছে। এ সম্পর্কে জনৈক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের অভিমত হল, এ ব্যাধিতে আক্রান্ত শতকরা ৫০ ভাগ মহিলা বন্ধ্যা হয়ে যায়। এ ধরনের মহিলা যদি গর্ভধারণ করে, তাহলে তাদের সন্তান প্রসব মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ হয়। বর্তমানে এ সম্পর্কে দ্বি-মত পোষণ করার কোন অবকাশ নেই যে, অধিকাংশ মহিলা জরায়ু ক্যান্সারে আক্রান্ত হচ্ছে, যারা একাধিক পুরুষের সাথে দৈহিক সম্পর্ক করে। চিকিৎসা বিশেষজ্ঞগণও উল্লেখ করেছেন, যেসব মহিলা একাধিক পুরুষের সাথে যৌন মিলন করে না, ঐসব মহিলা জরায়ু ক্যান্সারে আক্রান্ত হয় না।
অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বিশেষজ্ঞ জনৈক চিকিৎসকের অভিমত হল, মাসুন বা দেহের বিভিন্ন স্থান স্ফীতি পাওয়ার একমাত্র কারণ হল, এ রোগজীবাণুর প্রভাব বিস্তার। এ মাসুন বা অঙ্গ স্ফীতি ব্যাধিতে নারী-পুরুষ বা উভয়ই আক্রান্ত হতে পারে। অবৈধ যৌনমিলনকামী শতকরা ১০ জন এ রোগে আক্রান্ত হতে থাকে। এ অঙ্গ স্ফীতি সামনে অগ্রসর হয়ে জরায়ু মুখে ক্যান্সারে রূপ নিতে পারে।
আমেরিকার অপর এক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য সংস্থার নিকট আপিল করেছেন, স্বাস্থ্য সংস্থা যদিও এ রোগ প্রতিরোধে অক্ষম তথাপি কমপক্ষে গর্ভবতী নারীদের চিকিৎসায় মনোযোগী হওয়া উচিত। বিগত আড়াই দশকে সুদান এ ব্যাপারে যে পদক্ষেপ নিয়েছে, তাতে ওখানে নিঃসন্তান দম্পতির সংখ্যা শতকরা ১০ ভাগ থেকে কমে শতকরা ৬ ভাগে নেমে এসেছে। ওখানে এ ব্যাধি নির্মূলে পেনিসিলিন ব্যবহার করা হয়।
কেনিয়ার রাজধানী নাইরোবির এক হাসপাতালে পর্যবেক্ষণ চালানোর পর সংক্রামক চোক্ষু রোগে আক্রন্ত শিশুদের শতকরা ৪০ জনের মায়েদের এ রোগে আক্রান্ত পাওয়া যায়। অনুরূপভাবে তাদের মধ্যে শতকরা ২১ ভাগকে চলামিডিয়াতে আক্রান্ত দেখা যায়। চিকিৎসা না করানোর কারণে এ রোগে আক্রান্ত মায়েরা সম্পূর্ণ অন্ধ সন্তান প্রসব করছে। চোখের উল্লেখিত সংক্রামক ছোঁয়াছে ব্যাধি বন্ধ করার জন্য শিল্প উন্নত দেশসমূহে নবজাতক শিশুদের চোখ সলোনাইডেড নাইট্রেট মিশ্রিত পানি দিয়ে ধুইয়ে দেওয়া হয়। কোন কোন অনোন্নত দেশ সমূহেও এ পদ্ধতির প্রচলন দেখা যায়। কিন্তু কেনিয়াতে এ পদ্ধতিকে পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছে।
📄 এইডসের প্রকোপ বৃদ্ধি, তৃতীয় বিশ্বের মারাত্মক সতর্ক বাণী
বর্তমান পৃথিবীতে ছয় হাজার এইডস রোগীকে তালিকাভূক্ত করা হয়েছে। তন্মধ্যে শুধু চার হাজার হল আমেরিকাতে। তৃতীয় বিশ্বে এ রোগে আক্রান্ত বেশীর ভাগ রোগী হল হাইতি ও জায়ারে। যদিও এ রোগ ব্যাপক আকারে দ্রুত গতিতে বিস্তার লাভ করছে না, তথাপি এর সবচেয়ে মারাত্মক হতাশাব্যঞ্জক দিক হল, এ পর্যন্ত এর প্রতিরোধে দ্রুত কার্যকরী কোন চিকিৎসা উদ্ভাবন করা সম্ভব হয়নি। তদোপুরি এটা মরণ ব্যাধি। হাইতির জনৈক চিকিৎসা বিশেষজ্ঞের অভিমত হল, রাজধানীর শতকরা ৭০ ভাগ অধিবাসী এ রোগে আক্রান্ত। তন্মধ্যে বেশীর ভাগ রোগী শহরের ঐ এলাকার অধিবাসী, যেখানে নারী ও পুরুষ উভয় স্বেচ্ছায় দেহ বিক্রি করে। জায়ারের বিশেষজ্ঞদের মতে ওখানে প্রতিবছর একলাখে ২০ হাজার লোক মরণ ব্যাধি এইডসে আক্রান্ত হচ্ছে। এটা পৃথিবীর সবচেয়ে সর্বোচ্চ সংখ্যা। জায়ারে ততো সংখ্যক মহিলাকেও এইডসে আক্রান্ত পাওয়া গেছে। আমেরিকা ও ফ্রান্সের বিশেষজ্ঞদের মতে তারা এইডসের জীবাণু চিহ্নিত করতে সক্ষম হয়েছে। কিন্তু অতি শীঘ্র এর প্রতিশেধক টীকা আবিষ্কার করা সম্ভব হচ্ছে না।
বিশেষজ্ঞগণ তৃতীয় বিশ্বের দেশসমূহকে এ মর্মে সতর্ক করে দিয়েছে যে, ওখানে সংক্রামক দৈহিক ব্যাধি সমূহের দ্রুত বিস্তারের সম্ভাবনা অনেক বেশী। কেননা ১৯৮৬ সাল পর্যন্ত পৃথিবীর তিন চতুর্থাংশ লোক ঐ সমস্ত দেশে বসবাস করছে।
নাইরোবির এক ঘনবসতিপূর্ণ বস্তিতে গিয়ে এক জরিপ চালিয়ে দেখা যায়, ১৪ হাজার নারীর মধ্যে ৫০০ জন যৌনকর্মী রয়েছে। তাদের প্রায় শতকরা ৪০ ভাগ মহিলা এইডস আক্রান্ত। যদি দৈনিক গড়ে তাদের সাথে চারজন পুরুষ মেলামেশা করে, তাহলে ঐ ব্যাধিতে আক্রান্ত লোকের সংখ্যা আটশতে পৌঁছে যাবে। আর বছরের শেষে ৪০% হিসেবে ঐ ব্যাধিতে আক্রান্ত লোকের সংখ্যা ২.৭ মিলিয়নে পৌছে যাবে।
দৈহিক ব্যাধি সমূহ নির্মূলে পেনিসিলিন নিঃসন্দেহে এক কার্যকরী হাতিয়ার। কিন্তু মুশকিলের ব্যাপার হল, কোন কোন সংক্রামক জীবাণুর উপর এর কার্যকরী কোন প্রতিক্রিয়া দেখা যায় না। এ অবস্থায় শুধু টেট্রা সাইকিলন ও অন্যান্য ঔষধ সমূহ কার্যকরী প্রমাণ হয়েছে। কিন্তু বিপদের ব্যাপার হল, এটা অত্যন্ত ব্যয় বহুল চিকিৎসা। তৃতীয় বিশ্বের দেশসমূহ এর ব্যয়ভার বহন করতে সম্পূর্ণ অক্ষম। সুতরাং এখন স্বাস্থ্য সংস্থার অধীনে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশসমূহে অন্যান্য বিপরীত প্রতিষেধক ঔষধ সমূহের মাধ্যমে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানো হচ্ছে। বর্তমানে কেনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের নারীদের মধ্যে এ ব্যাধি সম্পর্কে অনুসন্ধান চালানো হয়। প্রকাশ থাকে যে, ঐ কনফারেন্সেই চল্লিশ প্রকার দৈহিক সংক্রামক ব্যাধি আলোচনায় স্থান পায়। কনফারেন্সে অংশগ্রহণকারী সদস্যগণ সারাবিশ্ব বিশেষ করে তৃতীয় বিশ্বের দেশ সমূহের নিকট এ আবেদন পেশ করেছে যে, তারা যেন এ ব্যাধির মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাব অনুভব করে। আর তাৎক্ষণিকভাবে এর বিরুদ্ধে দ্রুত প্রতিরোধ মূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে। কেননা এর ফলে ঐ সমস্ত দেশের অর্থনীতিতে মারাত্মক বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দেবে। উক্ত কনফারেন্সে এ বিষয় বিশেষ জোর দেওয়া হয় যে, পৃথিবীর সমস্ত বিজ্ঞানীদেরকে এ মরণব্যাধির প্রতিরোধের বিষয় সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাতে হবে। সকলের সম্মিলিত চেষ্টা ব্যতীত এ মরণব্যাধি নির্মূল করা সম্ভব হবে না।
বর্তমান পৃথিবীতে ছয় হাজার এইডস রোগীকে তালিকাভূক্ত করা হয়েছে। তন্মধ্যে শুধু চার হাজার হল আমেরিকাতে। তৃতীয় বিশ্বে এ রোগে আক্রান্ত বেশীর ভাগ রোগী হল হাইতি ও জায়ারে। যদিও এ রোগ ব্যাপক আকারে দ্রুত গতিতে বিস্তার লাভ করছে না, তথাপি এর সবচেয়ে মারাত্মক হতাশাব্যঞ্জক দিক হল, এ পর্যন্ত এর প্রতিরোধে দ্রুত কার্যকরী কোন চিকিৎসা উদ্ভাবন করা সম্ভব হয়নি। তদোপুরি এটা মরণ ব্যাধি। হাইতির জনৈক চিকিৎসা বিশেষজ্ঞের অভিমত হল, রাজধানীর শতকরা ৭০ ভাগ অধিবাসী এ রোগে আক্রান্ত। তন্মধ্যে বেশীর ভাগ রোগী শহরের ঐ এলাকার অধিবাসী, যেখানে নারী ও পুরুষ উভয় স্বেচ্ছায় দেহ বিক্রি করে। জায়ারের বিশেষজ্ঞদের মতে ওখানে প্রতিবছর একলাখে ২০ হাজার লোক মরণ ব্যাধি এইডসে আক্রান্ত হচ্ছে। এটা পৃথিবীর সবচেয়ে সর্বোচ্চ সংখ্যা। জায়ারে ততো সংখ্যক মহিলাকেও এইডসে আক্রান্ত পাওয়া গেছে। আমেরিকা ও ফ্রান্সের বিশেষজ্ঞদের মতে তারা এইডসের জীবাণু চিহ্নিত করতে সক্ষম হয়েছে। কিন্তু অতি শীঘ্র এর প্রতিশেধক টীকা আবিষ্কার করা সম্ভব হচ্ছে না।
বিশেষজ্ঞগণ তৃতীয় বিশ্বের দেশসমূহকে এ মর্মে সতর্ক করে দিয়েছে যে, ওখানে সংক্রামক দৈহিক ব্যাধি সমূহের দ্রুত বিস্তারের সম্ভাবনা অনেক বেশী। কেননা ১৯৮৬ সাল পর্যন্ত পৃথিবীর তিন চতুর্থাংশ লোক ঐ সমস্ত দেশে বসবাস করছে।
নাইরোবির এক ঘনবসতিপূর্ণ বস্তিতে গিয়ে এক জরিপ চালিয়ে দেখা যায়, ১৪ হাজার নারীর মধ্যে ৫০০ জন যৌনকর্মী রয়েছে। তাদের প্রায় শতকরা ৪০ ভাগ মহিলা এইডস আক্রান্ত। যদি দৈনিক গড়ে তাদের সাথে চারজন পুরুষ মেলামেশা করে, তাহলে ঐ ব্যাধিতে আক্রান্ত লোকের সংখ্যা আটশতে পৌঁছে যাবে। আর বছরের শেষে ৪০% হিসেবে ঐ ব্যাধিতে আক্রান্ত লোকের সংখ্যা ২.৭ মিলিয়নে পৌছে যাবে।
দৈহিক ব্যাধি সমূহ নির্মূলে পেনিসিলিন নিঃসন্দেহে এক কার্যকরী হাতিয়ার। কিন্তু মুশকিলের ব্যাপার হল, কোন কোন সংক্রামক জীবাণুর উপর এর কার্যকরী কোন প্রতিক্রিয়া দেখা যায় না। এ অবস্থায় শুধু টেট্রা সাইকিলন ও অন্যান্য ঔষধ সমূহ কার্যকরী প্রমাণ হয়েছে। কিন্তু বিপদের ব্যাপার হল, এটা অত্যন্ত ব্যয় বহুল চিকিৎসা। তৃতীয় বিশ্বের দেশসমূহ এর ব্যয়ভার বহন করতে সম্পূর্ণ অক্ষম। সুতরাং এখন স্বাস্থ্য সংস্থার অধীনে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশসমূহে অন্যান্য বিপরীত প্রতিষেধক ঔষধ সমূহের মাধ্যমে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানো হচ্ছে। বর্তমানে কেনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের নারীদের মধ্যে এ ব্যাধি সম্পর্কে অনুসন্ধান চালানো হয়। প্রকাশ থাকে যে, ঐ কনফারেন্সেই চল্লিশ প্রকার দৈহিক সংক্রামক ব্যাধি আলোচনায় স্থান পায়। কনফারেন্সে অংশগ্রহণকারী সদস্যগণ সারাবিশ্ব বিশেষ করে তৃতীয় বিশ্বের দেশ সমূহের নিকট এ আবেদন পেশ করেছে যে, তারা যেন এ ব্যাধির মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাব অনুভব করে। আর তাৎক্ষণিকভাবে এর বিরুদ্ধে দ্রুত প্রতিরোধ মূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে। কেননা এর ফলে ঐ সমস্ত দেশের অর্থনীতিতে মারাত্মক বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দেবে। উক্ত কনফারেন্সে এ বিষয় বিশেষ জোর দেওয়া হয় যে, পৃথিবীর সমস্ত বিজ্ঞানীদেরকে এ মরণব্যাধির প্রতিরোধের বিষয় সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাতে হবে। সকলের সম্মিলিত চেষ্টা ব্যতীত এ মরণব্যাধি নির্মূল করা সম্ভব হবে না।
📄 গনোরিয়া
বিম্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সমীক্ষা অনুযায়ী বর্তমানে পৃথিবীতে গনোরিয়া আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ২৫০ মিলিয়ন। এ ব্যাধি সারা পৃথিবীতে বিস্তৃত হচ্ছে। সঠিকভাবে এ রোগ নির্ণয়ের পর ৯৫% থেকে ৯৮% রোগী ব্যাধি মুক্ত হযে যাচ্ছে। তথাপি এর জীবাণু এরূপ এক ধরন তৈরী হয়েছে, যার উপর পেনিসিলিনে কোন কাজ হচ্ছে না। এ প্রকার জীবাণু সারা পৃথিবীতে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। যেসব প্রতিরোধমূলক ঔষধের মাধ্যমে এ জীবাণু নির্মূল করা যেতে পারে, তবে তা অত্যন্ত ব্যয়বহুল।
বিম্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সমীক্ষা অনুযায়ী বর্তমানে পৃথিবীতে গনোরিয়া আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ২৫০ মিলিয়ন। এ ব্যাধি সারা পৃথিবীতে বিস্তৃত হচ্ছে। সঠিকভাবে এ রোগ নির্ণয়ের পর ৯৫% থেকে ৯৮% রোগী ব্যাধি মুক্ত হযে যাচ্ছে। তথাপি এর জীবাণু এরূপ এক ধরন তৈরী হয়েছে, যার উপর পেনিসিলিনে কোন কাজ হচ্ছে না। এ প্রকার জীবাণু সারা পৃথিবীতে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। যেসব প্রতিরোধমূলক ঔষধের মাধ্যমে এ জীবাণু নির্মূল করা যেতে পারে, তবে তা অত্যন্ত ব্যয়বহুল।
📄 সিপিলিস
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সিপিলিসের মারাত্মক জোর ছিল। কিন্তু পেনিসিলিন আবিষ্কারের পর তা হ্রাস পেতে শুরু করে। যে জীবাণুর কারণে এ ব্যাধির সূচনা হয়, তা দেহের বাইরে বেশী সক্রিয়।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সিপিলিসের মারাত্মক জোর ছিল। কিন্তু পেনিসিলিন আবিষ্কারের পর তা হ্রাস পেতে শুরু করে। যে জীবাণুর কারণে এ ব্যাধির সূচনা হয়, তা দেহের বাইরে বেশী সক্রিয়।