📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 বাল্যকালে যৌনাচারের কুফল

📄 বাল্যকালে যৌনাচারের কুফল


পৃথিবীর সর্বত্র যুবক-যুবতীদের স্বাস্থ্য উন্নত করার স্বার্থে দেখাশোনা করা প্রয়োজন। এর প্রতিকার হল, যুবক-যুবতিরা কোথায় থাকে? কি অবস্থায় থাকে? তাদের বয়স কত? তাদের শরীর-স্বাস্থ্যের উপর যেন কোন খারাপ প্রতিক্রিয়া না পড়ে। এজন্য গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতার বিষয় হল, উঠতি বয়সে তাদের চারিত্রিক পবিত্রতা যথাযথভাবে বজায় রাখা। তাই আমরা অনেক দেশের স্বাভাবিক জাতিগত জীবন-যাপনের স্তরে পৌঁছার পূর্বে যুবক-যুবতীদের দৈহিক মেলামেশার সুযোগ সুবিধা জানিয়ে দিচ্ছি। অথবা তাদেরকে এরূপ কাজ করতে বাধ্য করা হচ্ছে। এ সম্পর্কে প্রচলিত এক ভ্রান্ত রীতি হলো বাল্য বিবাহ। ভারতে কম বয়সে অধিকাংশ মেয়েকে বিবাহ দেওয়া হয়। তারপর তাদের ব্যাপারে এ আশাও পোষণ করা হয়, এ অল্প বয়সে তারা সন্তান জন্ম দেবে। পাশ্চাত্য দেশে এরূপ হয় না। তথাপি আমরা প্রচার মাধ্যমে তাদেরকে ধারাবাহিকভাবে উৎসাহী করে তুলছি। আর এ প্রতিক্রিয়া জানিয়ে দিচ্ছি যে, যৌবনের স্বাদ লুফে নেওয়া ব্যতীত যৌবন নিস্ফল থেকে যাবে।

অনোন্নত দেশসমূহ বিশেষ করে এশিয়া, আফ্রিকা ও ল্যাটিন আমেরিকার অধিকাংশ অঞ্চলে সাধারণতঃ নয় বছর বয়সে ছেলে-মেয়েদের বিবাহ দেওয়া হয়। এসব অঞ্চলে বিশেষভাবে শহর এলাকায় বিবাহ ব্যতীত অধিকাংশ যুবক-যুবতিদের মধ্যে দৈহিক সম্পর্ক হতে দেখা যায়। সর্বনাশের ব্যাপার হল, বর্তমানে এ সংক্রান্ত সংস্কৃতি অতিদ্রুত গতিতে ছড়িয়ে পড়ছে। গ্রামবাসীদের পুরাতন ধ্যান-ধারণা আর নগরবাসীদের আধুনিক বিলাসিতা অতি উৎসাহ ও উদ্ধিপনার সাথে বিস্তার লাভ করছে, কিন্তু তাদের অতি উৎসাহে যুবক যুবতিদের স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রতিক্রিয়া দেখা দিচ্ছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে এ ধরনের মেয়ে গর্ভবতি হয়ে যায়, যারা দৈহিক দিক থেকে নিশ্চিত গর্ভধারণের অযোগ্য। অর্থাৎ তাদের দৈহিক গঠন এখনো পাকাপোক্ত হয়নি। ফলে তাদের প্রসূতিকাল ভীষণ ঝুকিপূর্ণ হয়ে যায়। তার উপর অবৈধ গর্ভধারণ, অনাকাঙ্খিত গর্ভধারী মেয়েকে গর্ভপাতের প্রতি আগ্রহী করে তোলে। কিন্তু গর্ভপাতের যে মারাত্মক প্রতিক্রিয়া শরীর স্বাস্থ্যের উপর প্রতিফলিত হয়, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। স্বাস্থ্যের আরো এক মারাত্মক হুমকির বিষয় হল, কোন কোন সময় দেখা যায়, দৈহিক ব্যাধিসমূহ একে অপরের মধ্যে সংক্রমিত হয়। বিবাহিত স্বামী স্ত্রীর মাধ্যমে দৈহিক সম্পর্ক স্থাপনের দ্বারা দৈহিক ব্যাধি সংক্রমিত হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দেয় না অথবা অনেক কম সংক্রমিত হয়। অনাকাঙ্খিত গর্ভধারণ থেকে বাঁচার জন্য যুবক-যুবতীরা জন্মনিয়ন্ত্রণের ঔষধ ও বিভিন্ন পদ্ধতি গ্রহণ করে। কিন্তু তাতে ভীষণ সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরী। তারপরও কোন কোন জন্ম নিরোধক পদ্ধতি এমন, যা প্রাপ্তবয়স্কদের তুলনায় অল্পবয়স্কদের জন্য বেশী ক্ষতিকর বলে প্রমাণ হয়েছে।

ইতালির বালাজি নামক স্থানে আর্ন্তজাতিক রোগ প্রতিরোধক ফেডারেশনের পরামর্শ শীর্ষক এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত বৈঠকে আর্ন্তজাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বিশেষজ্ঞগণ যে অভিমত প্রকাশ করেন, তার সারমর্ম নিম্নরূপ।

সিংগাপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সেন রতানম যিনি আই.পি.পি.এফ. এর আর্ন্তজাতিক মেডিক্যাল উপদেষ্টা প্যানেলের (আই.এস.এপি.) সদস্য। তার অভিমত হল, যদি ১৮ বছরের কম বয়সী মেয়েদের গর্ভধারণে বিরত রাখা হয়, তাহলে মহিলা ও শিশুদের স্বাস্থ্য সম্পর্কিত অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।

ডাক্তার এ্যানজেলি প্রডবোস বার্জিন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বংশগত রোগ নির্ণয় বিভাগের প্রধান। তিনিও এ বিষয়ে ঐক্যমত পোষণ করে বলেন, মা হওয়ার যোগ্যা মেয়েদের বয়স যত কম হবে, তাদের স্বাস্থগত সমস্যাও তত বেশী মারাত্মক কঠিন হবে। তিনি এ বিষয়েও ঐক্যমত পোষণ করেন যে, উন্নয়নশীল দেশ সমূহে ১৫ থেকে ১৯ বছর বয়সী মহিলাদের মৃত্যুর ঝুকি বেশী হওয়ার একমাত্র কারণ হল, তাদের অধিকাংশ গর্ভধারণ, সন্তান প্রসব, গর্ভপাতের কারণে জটিলতায় পতিত হয়।

অধ্যাপক রতানম বলেন, নয় বছর বয়সে গর্ভধারণের পরিণতি শুধু মা ও সন্তানকে ভোগ করে না বরং এর ফলে পুরো সমাজ পেরেশান হয়ে যায়। অল্প বয়সে গর্ভধারণের সংখ্যা কি পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে, তা উল্লেখ করে তিনি বলেন, পূর্ব ভারতীয় উপকূলীয় অঞ্চলে যেসব মহিলার প্রথম সন্তান জন্ম হয়, তাদের মধ্যে শতকরা ৫৮ জনের বয়স ১৯ বছরের নিচে। আর তন্মধ্যে প্রায় শতকরা ৪০ ভাগ মেয়ে যাদের বয়স ১৭ বছরেরও কম। ইন্দোনেশিয়াতেও শতকরা ৪১ জন মহিলা ১৭ বছরের কম বয়সে প্রথম সন্তান জন্ম দেয়। অপর দিকে পানামাতে যত মহিলা প্রথম সন্তানের মা হয়, তাদের মধ্যে বেশীর ভাগ মহিলার বয়স ১৫ থেকে ১৯ বছর। আমেরিকায় প্রতি বছর দশ লাখের অধিক মেয়ে ১৩ থেকে ১৯ বছরের মধ্যে গর্ভবতী হয়। তাদের মধ্যে প্রায় ত্রিশ হাজার মেয়ের বয়স ১৫ বছরের কম।

পৃথিবীর সর্বত্র যুবক-যুবতীদের স্বাস্থ্য উন্নত করার স্বার্থে দেখাশোনা করা প্রয়োজন। এর প্রতিকার হল, যুবক-যুবতিরা কোথায় থাকে? কি অবস্থায় থাকে? তাদের বয়স কত? তাদের শরীর-স্বাস্থ্যের উপর যেন কোন খারাপ প্রতিক্রিয়া না পড়ে। এজন্য গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতার বিষয় হল, উঠতি বয়সে তাদের চারিত্রিক পবিত্রতা যথাযথভাবে বজায় রাখা। তাই আমরা অনেক দেশের স্বাভাবিক জাতিগত জীবন-যাপনের স্তরে পৌঁছার পূর্বে যুবক-যুবতীদের দৈহিক মেলামেশার সুযোগ সুবিধা জানিয়ে দিচ্ছি। অথবা তাদেরকে এরূপ কাজ করতে বাধ্য করা হচ্ছে। এ সম্পর্কে প্রচলিত এক ভ্রান্ত রীতি হলো বাল্য বিবাহ। ভারতে কম বয়সে অধিকাংশ মেয়েকে বিবাহ দেওয়া হয়। তারপর তাদের ব্যাপারে এ আশাও পোষণ করা হয়, এ অল্প বয়সে তারা সন্তান জন্ম দেবে। পাশ্চাত্য দেশে এরূপ হয় না। তথাপি আমরা প্রচার মাধ্যমে তাদেরকে ধারাবাহিকভাবে উৎসাহী করে তুলছি। আর এ প্রতিক্রিয়া জানিয়ে দিচ্ছি যে, যৌবনের স্বাদ লুফে নেওয়া ব্যতীত যৌবন নিস্ফল থেকে যাবে।

অনোন্নত দেশসমূহ বিশেষ করে এশিয়া, আফ্রিকা ও ল্যাটিন আমেরিকার অধিকাংশ অঞ্চলে সাধারণতঃ নয় বছর বয়সে ছেলে-মেয়েদের বিবাহ দেওয়া হয়। এসব অঞ্চলে বিশেষভাবে শহর এলাকায় বিবাহ ব্যতীত অধিকাংশ যুবক-যুবতিদের মধ্যে দৈহিক সম্পর্ক হতে দেখা যায়। সর্বনাশের ব্যাপার হল, বর্তমানে এ সংক্রান্ত সংস্কৃতি অতিদ্রুত গতিতে ছড়িয়ে পড়ছে। গ্রামবাসীদের পুরাতন ধ্যান-ধারণা আর নগরবাসীদের আধুনিক বিলাসিতা অতি উৎসাহ ও উদ্ধিপনার সাথে বিস্তার লাভ করছে, কিন্তু তাদের অতি উৎসাহে যুবক যুবতিদের স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রতিক্রিয়া দেখা দিচ্ছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে এ ধরনের মেয়ে গর্ভবতি হয়ে যায়, যারা দৈহিক দিক থেকে নিশ্চিত গর্ভধারণের অযোগ্য। অর্থাৎ তাদের দৈহিক গঠন এখনো পাকাপোক্ত হয়নি। ফলে তাদের প্রসূতিকাল ভীষণ ঝুকিপূর্ণ হয়ে যায়। তার উপর অবৈধ গর্ভধারণ, অনাকাঙ্খিত গর্ভধারী মেয়েকে গর্ভপাতের প্রতি আগ্রহী করে তোলে। কিন্তু গর্ভপাতের যে মারাত্মক প্রতিক্রিয়া শরীর স্বাস্থ্যের উপর প্রতিফলিত হয়, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। স্বাস্থ্যের আরো এক মারাত্মক হুমকির বিষয় হল, কোন কোন সময় দেখা যায়, দৈহিক ব্যাধিসমূহ একে অপরের মধ্যে সংক্রমিত হয়। বিবাহিত স্বামী স্ত্রীর মাধ্যমে দৈহিক সম্পর্ক স্থাপনের দ্বারা দৈহিক ব্যাধি সংক্রমিত হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দেয় না অথবা অনেক কম সংক্রমিত হয়। অনাকাঙ্খিত গর্ভধারণ থেকে বাঁচার জন্য যুবক-যুবতীরা জন্মনিয়ন্ত্রণের ঔষধ ও বিভিন্ন পদ্ধতি গ্রহণ করে। কিন্তু তাতে ভীষণ সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরী। তারপরও কোন কোন জন্ম নিরোধক পদ্ধতি এমন, যা প্রাপ্তবয়স্কদের তুলনায় অল্পবয়স্কদের জন্য বেশী ক্ষতিকর বলে প্রমাণ হয়েছে।

ইতালির বালাজি নামক স্থানে আর্ন্তজাতিক রোগ প্রতিরোধক ফেডারেশনের পরামর্শ শীর্ষক এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত বৈঠকে আর্ন্তজাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বিশেষজ্ঞগণ যে অভিমত প্রকাশ করেন, তার সারমর্ম নিম্নরূপ।

সিংগাপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সেন রতানম যিনি আই.পি.পি.এফ. এর আর্ন্তজাতিক মেডিক্যাল উপদেষ্টা প্যানেলের (আই.এস.এপি.) সদস্য। তার অভিমত হল, যদি ১৮ বছরের কম বয়সী মেয়েদের গর্ভধারণে বিরত রাখা হয়, তাহলে মহিলা ও শিশুদের স্বাস্থ্য সম্পর্কিত অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।

ডাক্তার এ্যানজেলি প্রডবোস বার্জিন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বংশগত রোগ নির্ণয় বিভাগের প্রধান। তিনিও এ বিষয়ে ঐক্যমত পোষণ করে বলেন, মা হওয়ার যোগ্যা মেয়েদের বয়স যত কম হবে, তাদের স্বাস্থগত সমস্যাও তত বেশী মারাত্মক কঠিন হবে। তিনি এ বিষয়েও ঐক্যমত পোষণ করেন যে, উন্নয়নশীল দেশ সমূহে ১৫ থেকে ১৯ বছর বয়সী মহিলাদের মৃত্যুর ঝুকি বেশী হওয়ার একমাত্র কারণ হল, তাদের অধিকাংশ গর্ভধারণ, সন্তান প্রসব, গর্ভপাতের কারণে জটিলতায় পতিত হয়।

অধ্যাপক রতানম বলেন, নয় বছর বয়সে গর্ভধারণের পরিণতি শুধু মা ও সন্তানকে ভোগ করে না বরং এর ফলে পুরো সমাজ পেরেশান হয়ে যায়। অল্প বয়সে গর্ভধারণের সংখ্যা কি পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে, তা উল্লেখ করে তিনি বলেন, পূর্ব ভারতীয় উপকূলীয় অঞ্চলে যেসব মহিলার প্রথম সন্তান জন্ম হয়, তাদের মধ্যে শতকরা ৫৮ জনের বয়স ১৯ বছরের নিচে। আর তন্মধ্যে প্রায় শতকরা ৪০ ভাগ মেয়ে যাদের বয়স ১৭ বছরেরও কম। ইন্দোনেশিয়াতেও শতকরা ৪১ জন মহিলা ১৭ বছরের কম বয়সে প্রথম সন্তান জন্ম দেয়। অপর দিকে পানামাতে যত মহিলা প্রথম সন্তানের মা হয়, তাদের মধ্যে বেশীর ভাগ মহিলার বয়স ১৫ থেকে ১৯ বছর। আমেরিকায় প্রতি বছর দশ লাখের অধিক মেয়ে ১৩ থেকে ১৯ বছরের মধ্যে গর্ভবতী হয়। তাদের মধ্যে প্রায় ত্রিশ হাজার মেয়ের বয়স ১৫ বছরের কম।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 গর্ভধারণ

📄 গর্ভধারণ


ইসুইত (Assiut) বিশ্ববিদ্যালয়ের মিশরীয় অধ্যাপক মাহমুদ ফতহুল্লাহ বলেন, গর্ভধারণের ক্ষেত্রে কম বয়সী যুবক-যুবতিদের মধ্যে পার্থক্য নিরূপণ করা জরুরী। ১৮ থেকে ১৯ বছর বয়সের মেয়েদের গর্ভ ধারণ কম ঝুকিপূর্ণ বরং ১৫ বা তার চেয়ে কম বয়সে গর্ভজনিত সমস্যা মারাত্মক ঝুকিপূর্ণ হয়। এ ধরনের মহিরাদের জন্য গর্ভধারণকালে মৃত্যর আশঙ্কা প্রবল হয়। শিশু মৃত্যুর কারণ ব্যাখ্যা করলে দেখা যায়, অল্প বয়সী মায়েদের সন্তান বিশ বছর বা তার চেয়ে বেশী বয়সী মায়েদের শিশুর মোকাবিলায় বেশী মারা যায়।

কম বয়সে সন্তানের মা হওয়ার বিপদজনক ঝুঁকি হলো, উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত হওয়া। ফলে প্রসূতি মা ও সন্তান উভয়ের নিশ্চিত মৃত্যু হতে পারে। আরো এক আশঙ্কা দেখা দিতে পারে যে, শিশুর মাথা জরায়ু থেকে বড় হওয়ার কারণে সন্তান প্রসবের তীব্র যন্ত্রণা অনুভূত হয়। স্বাভাবিক বয়সে ভূমিষ্ঠ সন্তানের যত ওজন হওয়া উচিত, অল্পবয়সী মায়েদের সন্তান ততটা ওজনের হয় না। ফলে এ ধরণের শিশুদের পুরোপুরি মানসিক ও শারীরক বৃদ্ধি ঘটে না। এদিকে কম বয়সী প্রসূতি ও সন্তান উভয়ের গর্ভজনিত সমস্যা দূর করা যেতে পারে। কিন্তু অনাকাঙ্খিত বা অবৈধ সন্তানের মায়েরা যদি আর্থিক দিক থেকে অস্বচ্ছল হয়, তাহলে তাদের জন্য বিপদ কাটিয়ে উঠা সহজতরভাবে স্বাভাবিক উপকার করা সম্ভব হয় না。

ইসুইত (Assiut) বিশ্ববিদ্যালয়ের মিশরীয় অধ্যাপক মাহমুদ ফতহুল্লাহ বলেন, গর্ভধারণের ক্ষেত্রে কম বয়সী যুবক-যুবতিদের মধ্যে পার্থক্য নিরূপণ করা জরুরী। ১৮ থেকে ১৯ বছর বয়সের মেয়েদের গর্ভ ধারণ কম ঝুকিপূর্ণ বরং ১৫ বা তার চেয়ে কম বয়সে গর্ভজনিত সমস্যা মারাত্মক ঝুকিপূর্ণ হয়। এ ধরনের মহিরাদের জন্য গর্ভধারণকালে মৃত্যর আশঙ্কা প্রবল হয়। শিশু মৃত্যুর কারণ ব্যাখ্যা করলে দেখা যায়, অল্প বয়সী মায়েদের সন্তান বিশ বছর বা তার চেয়ে বেশী বয়সী মায়েদের শিশুর মোকাবিলায় বেশী মারা যায়।

কম বয়সে সন্তানের মা হওয়ার বিপদজনক ঝুঁকি হলো, উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত হওয়া। ফলে প্রসূতি মা ও সন্তান উভয়ের নিশ্চিত মৃত্যু হতে পারে। আরো এক আশঙ্কা দেখা দিতে পারে যে, শিশুর মাথা জরায়ু থেকে বড় হওয়ার কারণে সন্তান প্রসবের তীব্র যন্ত্রণা অনুভূত হয়। স্বাভাবিক বয়সে ভূমিষ্ঠ সন্তানের যত ওজন হওয়া উচিত, অল্পবয়সী মায়েদের সন্তান ততটা ওজনের হয় না। ফলে এ ধরণের শিশুদের পুরোপুরি মানসিক ও শারীরক বৃদ্ধি ঘটে না। এদিকে কম বয়সী প্রসূতি ও সন্তান উভয়ের গর্ভজনিত সমস্যা দূর করা যেতে পারে। কিন্তু অনাকাঙ্খিত বা অবৈধ সন্তানের মায়েরা যদি আর্থিক দিক থেকে অস্বচ্ছল হয়, তাহলে তাদের জন্য বিপদ কাটিয়ে উঠা সহজতরভাবে স্বাভাবিক উপকার করা সম্ভব হয় না।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 গর্ভপাত, দৈহিক ব্যাধর আক্রমণ, গর্ভপ্রতিরোধ

📄 গর্ভপাত, দৈহিক ব্যাধর আক্রমণ, গর্ভপ্রতিরোধ


কোন কোন মহিলার জন্য গর্ভপাত করা অসম্ভব হয়ে যায়। কিন্তু এ বিষয় বিরোধ পূর্ণ বরং অধিকাংশ দেশে এটাকে বে-আইনী মনে করা হয়। তথাপি সংখ্যা গননায় প্রমাণ হয় যে, বিশ্বে প্রতিবছর ৩০ থেকে ৫০ লাখ নারী গর্ভপাত করে। তাদের মধ্যে অধিকাংশ মহিলার বয়স ১৩ থেকে ১৯ বছর, তারপরও তাদের মধ্যে শতকরা ৫০ ভাগ মহিলা অবিবাহিতা। অনঅভিজ্ঞ চিকিৎসকের দ্বারা অবৈধ গর্ভপাত ঘটানো যে কিরূপ বিপজ্জনক ও মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

সাধারণতঃ আমেরিকাতে দুই বা তিন মাসের মধ্যে গর্ভপাত ঘটানো হয় কমবয়সী মহিলাদের গর্ভপাত করাতে বিলম্ব করা হয়। কিন্তু এক ডাক্তারের মতে তা মারাত্মক বিপজ্জনক ও ঝুঁকিপূর্ণ। তাতে মৃত্যুর সম্ভাবনা বেশী হতে পারে। নতুবা অন্যান্য আশঙ্কা ও মারাত্মক বিপজ্জনক হতে পারে। তাতে বিবেক-বুদ্ধি হতবিহবল হয়ে যায়।

যুবক-যুবতিদের ক্ষেত্রে এক আশঙ্কা হল, একজন থেকে অপরের মধ্যে সংক্রামক রোগ-ব্যাধি ছড়িয়ে পড়তে পারে। অধ্যাপক ফতহুল্লাহর মতে এ ধরণের রোগ-ব্যাধি অধিকাংশ ক্ষেত্রে পুরুষ ও নারীকে সন্তান প্রজননে অক্ষম করে দেয়। এমনকি কোন কোন দেশে দৈহিক সংক্রামক ব্যাধি ব্যাপক আকারে বিস্তার লাভ করছে। এর এক কারণ বাল্য বিবাহ। দ্বিতীয় কারণ, এ ধরনের দৈহিক রোগ প্রতিরোধের চিকিৎসা নির্ণয়ের ফলে যুবক-যুবতিরা এ ধরনের ব্যাধি সম্পর্কে বেপরোয়া মনোভাব প্রকাশ করে।

গর্ভ প্রতিরোধের উপকরণ ও বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা সেসব যুবক-যুবতিরাই অনুভব করে, যাদের স্বতীত্বের বা পবিত্রতার কোন ভয় ভীতি নেই অথবা যারা দাম্পত্য জীবন যাপন শুরু করতে অক্ষমতার কারণে সন্তানাদি লালন-পালন করতে অনিচ্ছুক। কিছু কিছু যুবক-যুবতি জন্ম প্রতিরোধ পদ্ধতি সঠিকভাবে নির্বাচন করতে আগ্রহ প্রকাশ করে। কিন্তু এ সম্পর্কে অভিজ্ঞতা লাভ করার প্রয়োজন অনেক বেশী। অনুরূপভাবে এর কোন ক্ষতিকর প্রতিক্রিয়া পরিলক্ষিত হয় না। ডাক্তার পরমিলা স্যাইনানাইজির অভিমত হল, এরূপ যুবক-যুবতিরা জন্মনিরোধক বড়িও ব্যবহার করতে পারে। তবে এর জন্য ডাক্তারের সঠিক পরামর্শ প্রয়োজন। মহিলাদের জন্ম প্রতিরোধ ঔষধ ব্যবহার বা নিয়ন্ত্রন গ্রহণ তখনই করা যেতে পারে, যখন তাদের নিয়মিত মাসিক স্রাব শুরু হয়। কোন কোন চিকিৎসক এ ধরনের মহিলাদের জন্মনিরোধক ব্যবস্থা গ্রহণের অভিমত দেয় না, যাদের সন্তান জন্ম হয়নি। কেননা এ ব্যবস্থা গ্রহণের কারণে তাদের চিরবন্ধাত্বে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিতে পারে। কোন কোন মহিলা ইনজেকশনের মাধ্যমেও জন্মনিরোধক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। কিন্তু মহিলারা তাতে অস্বস্তি ভোগ করে। তাদেরকে চিকিৎসকগণ এ ব্যবস্থা গ্রহণের পরামর্শ দেয় না। অল্পবয়সে যৌন রোগে আক্রান্ত হওয়ার কারণে শুধু দৈহিক ক্ষতি হয় না বরং ব্যক্তি জীবনও বিশেষভাবে আক্রান্ত হয়। ফলশ্রুতিতে অনেক প্রকার বিপদের আশঙ্কা দেখা দিতে পারে। যেসব যুবক-যুবতি এক সাথে কাজ করে, তাদের কর্তব্য হল, নিজের সহকর্মীদেরকে যৌন কাজে উত্তেজিত করার চেষ্টা না করা বরং তাদের অপরিণত বয়সে দৈহিক সম্পর্ক স্থাপনের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে সতর্ক করা ও চারিত্রিক নিয়মাবলী পালনে উদ্বুদ্ধ করা।

বলাজিউ বৈঠকে এ বিষয়ে ঐক্যমত পোষণ করা হয় যে, যুবক-যুবতিদের চারিত্রিক নিয়মতান্ত্রিক জীবন-যাপনের অনুসারী করতে হবে। সাথে সাথে এ বিষয়েও বিশেষ সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে যে, কখনো যেন তারা নিয়মতান্ত্রিক জীবন-যাপনে বে-পরোয়া ও উদাসীন হয়ে সুশৃঙ্খল জীবন-যাপনকে অপছন্দ না করে এবং উশৃংখল জীবন যাপনের পথ বেছে না নেয়।

কোন কোন মহিলার জন্য গর্ভপাত করা অসম্ভব হয়ে যায়। কিন্তু এ বিষয় বিরোধ পূর্ণ বরং অধিকাংশ দেশে এটাকে বে-আইনী মনে করা হয়। তথাপি সংখ্যা গননায় প্রমাণ হয় যে, বিশ্বে প্রতিবছর ৩০ থেকে ৫০ লাখ নারী গর্ভপাত করে। তাদের মধ্যে অধিকাংশ মহিলার বয়স ১৩ থেকে ১৯ বছর, তারপরও তাদের মধ্যে শতকরা ৫০ ভাগ মহিলা অবিবাহিতা। অনঅভিজ্ঞ চিকিৎসকের দ্বারা অবৈধ গর্ভপাত ঘটানো যে কিরূপ বিপজ্জনক ও মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

সাধারণতঃ আমেরিকাতে দুই বা তিন মাসের মধ্যে গর্ভপাত ঘটানো হয় কমবয়সী মহিলাদের গর্ভপাত করাতে বিলম্ব করা হয়। কিন্তু এক ডাক্তারের মতে তা মারাত্মক বিপজ্জনক ও ঝুঁকিপূর্ণ। তাতে মৃত্যুর সম্ভাবনা বেশী হতে পারে। নতুবা অন্যান্য আশঙ্কা ও মারাত্মক বিপজ্জনক হতে পারে। তাতে বিবেক-বুদ্ধি হতবিহবল হয়ে যায়।

যুবক-যুবতিদের ক্ষেত্রে এক আশঙ্কা হল, একজন থেকে অপরের মধ্যে সংক্রামক রোগ-ব্যাধি ছড়িয়ে পড়তে পারে। অধ্যাপক ফতহুল্লাহর মতে এ ধরণের রোগ-ব্যাধি অধিকাংশ ক্ষেত্রে পুরুষ ও নারীকে সন্তান প্রজননে অক্ষম করে দেয়। এমনকি কোন কোন দেশে দৈহিক সংক্রামক ব্যাধি ব্যাপক আকারে বিস্তার লাভ করছে। এর এক কারণ বাল্য বিবাহ। দ্বিতীয় কারণ, এ ধরনের দৈহিক রোগ প্রতিরোধের চিকিৎসা নির্ণয়ের ফলে যুবক-যুবতিরা এ ধরনের ব্যাধি সম্পর্কে বেপরোয়া মনোভাব প্রকাশ করে।

গর্ভ প্রতিরোধের উপকরণ ও বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা সেসব যুবক-যুবতিরাই অনুভব করে, যাদের স্বতীত্বের বা পবিত্রতার কোন ভয় ভীতি নেই অথবা যারা দাম্পত্য জীবন যাপন শুরু করতে অক্ষমতার কারণে সন্তানাদি লালন-পালন করতে অনিচ্ছুক। কিছু কিছু যুবক-যুবতি জন্ম প্রতিরোধ পদ্ধতি সঠিকভাবে নির্বাচন করতে আগ্রহ প্রকাশ করে। কিন্তু এ সম্পর্কে অভিজ্ঞতা লাভ করার প্রয়োজন অনেক বেশী। অনুরূপভাবে এর কোন ক্ষতিকর প্রতিক্রিয়া পরিলক্ষিত হয় না। ডাক্তার পরমিলা স্যাইনানাইজির অভিমত হল, এরূপ যুবক-যুবতিরা জন্মনিরোধক বড়িও ব্যবহার করতে পারে। তবে এর জন্য ডাক্তারের সঠিক পরামর্শ প্রয়োজন। মহিলাদের জন্ম প্রতিরোধ ঔষধ ব্যবহার বা নিয়ন্ত্রন গ্রহণ তখনই করা যেতে পারে, যখন তাদের নিয়মিত মাসিক স্রাব শুরু হয়। কোন কোন চিকিৎসক এ ধরনের মহিলাদের জন্মনিরোধক ব্যবস্থা গ্রহণের অভিমত দেয় না, যাদের সন্তান জন্ম হয়নি। কেননা এ ব্যবস্থা গ্রহণের কারণে তাদের চিরবন্ধাত্বে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিতে পারে। কোন কোন মহিলা ইনজেকশনের মাধ্যমেও জন্মনিরোধক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। কিন্তু মহিলারা তাতে অস্বস্তি ভোগ করে। তাদেরকে চিকিৎসকগণ এ ব্যবস্থা গ্রহণের পরামর্শ দেয় না। অল্পবয়সে যৌন রোগে আক্রান্ত হওয়ার কারণে শুধু দৈহিক ক্ষতি হয় না বরং ব্যক্তি জীবনও বিশেষভাবে আক্রান্ত হয়। ফলশ্রুতিতে অনেক প্রকার বিপদের আশঙ্কা দেখা দিতে পারে। যেসব যুবক-যুবতি এক সাথে কাজ করে, তাদের কর্তব্য হল, নিজের সহকর্মীদেরকে যৌন কাজে উত্তেজিত করার চেষ্টা না করা বরং তাদের অপরিণত বয়সে দৈহিক সম্পর্ক স্থাপনের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে সতর্ক করা ও চারিত্রিক নিয়মাবলী পালনে উদ্বুদ্ধ করা।

বলাজিউ বৈঠকে এ বিষয়ে ঐক্যমত পোষণ করা হয় যে, যুবক-যুবতিদের চারিত্রিক নিয়মতান্ত্রিক জীবন-যাপনের অনুসারী করতে হবে। সাথে সাথে এ বিষয়েও বিশেষ সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে যে, কখনো যেন তারা নিয়মতান্ত্রিক জীবন-যাপনে বে-পরোয়া ও উদাসীন হয়ে সুশৃঙ্খল জীবন-যাপনকে অপছন্দ না করে এবং উশৃংখল জীবন যাপনের পথ বেছে না নেয়।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 প্রতি ছয় চেকেণ্ডে একজন লোক সংক্রামক রোগে আক্রান্ত হচ্ছে

📄 প্রতি ছয় চেকেণ্ডে একজন লোক সংক্রামক রোগে আক্রান্ত হচ্ছে


আর্থিক স্বচ্ছলতা ও স্বদেশ থেকে দূরে অবস্থান করার কারণে বিশ্বব্যাপি সংক্রামক যৌন ব্যাধি দ্রুত গতিতে ছড়িয়ে পড়ছে। অনোন্নয়শীল দেশ সমূহের লোকজন জীবিকা নির্বাহের তাগিদে অথবা অর্থ-উপার্জনের তাগিদে স্বীয় দেহ বিক্রয় করতে বাধ্য হয়। অর্থ উপার্জনের উদ্দেশ্যে দীর্ঘ দিন প্রবাস জীবন যাপনের কারণে মানুষ জৈবিক প্রশান্তি লাভের উদ্দেশ্যে দৈহিক সম্পৃক্ততার শিকার হয়। জনৈক ছোঁয়াছে সংক্রামক যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ বলেন, বর্তমানে পৃথিবীতে প্রতি ছয় সেকেণ্ডে একজন লোক সংক্রামক রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। এ বিপজ্জনক অবস্থার উপর গবেষণার স্বার্থে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সম্প্রতি মন্টোরিয়ালে (ক্যানাডা) পৃথিবীর পঞ্চাশ দেশের এক হাজার বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের বৈঠক আহবান করে। উক্ত বৈঠকে তৃতীয় বিশ্বের সংক্রামক যৌন ব্যাধির উপরও আলোকপাত করা হয়।

উক্ত বৈঠকে তৃতীয় বিশ্বের যে পরিসংখ্যান তৈরী করা হয়, তাতে দেখা যায়, ঐ দেশ সমূহের বর্তমান অবস্থা অত্যধিক বিপজ্জনক। সে মতে ওখানে রোগ প্রতিরোধক ঔষধ সরবরাহ ছাড়াও নারী ও শিশুদের জরুরী চিকিৎসা সহায়তা সহজলভ্যতার ব্যবস্থা নেওয়া ভীষণ জরুরী। কেননা মোট জনসংখ্যার মধ্যে বেশীর নারী ও শিশুই এ ব্যাধির শিকার হচ্ছে। সংক্রামক যৌন ব্যাধি সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক ইউনিয়ন তাদের সাধারণ পরিষদের বৈঠকে এ ব্যাপারে তাৎক্ষণিক কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবী উত্থাপন করে। কেননা এ ধ্বংসাত্মক ব্যাধির কারণে মৃত্যুর সংখ্যা দ্রুতগতিতে বৃদ্ধি লাভ করছে। আর বন্ধ্যাত্যের সংখ্যা বৃদ্ধি লাভ করা ছাড়াও সংক্রামক রোগ জীবাণু চালামিডিয়ার (Chalamydia) কারণে মাতৃগর্ভেও সন্তান আক্রান্ত হচ্ছে। সে মতে সঠিক সময়ে এ রোগ নির্ণয় করে এর দ্রুত প্রতিরোধের ব্যবস্থা নেওয়া অতিজরুরী।

আমেরিকার জনৈক যৌন রোগ বিশেষজ্ঞের মতে যদিও আমরা দীর্ঘদিন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার এসব ব্যাধির উপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হব, তথাপি তাৎক্ষণিকভাবে বর্তমান অবস্থা অত্যন্ত হতাশাব্যঞ্জকও মারাত্মক বিপজ্জনক। তারা তাৎক্ষণিকভাবে চলোমিডিয়া এর উপর তাৎক্ষণিক নিয়ন্ত্রণ করার উপর জোর দিয়ে বলেন, এ ব্যাধি যদিও গনোরিয়ার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ, তথাপি আমরা তা নিয়ন্ত্রণে অনেক বেশী ব্যর্থ হয়েছি। এ কারণে বিশেষজ্ঞগণ এটাকে মহামারী ঘোষণা করেছে। এ ব্যাধির কারণে ডিম্বনালী (Fallopian Tubes) আক্রান্ত হয়ে যাওয়ার ফলে জরায়ুর বাইরে সন্তান স্থিতি লাভ করে। এ ব্যাধি নির্ণয় সাংঘাতিক কঠিন ব্যাপার। কেননা এর আলামত গনোরিয়ার সাথে বেশী সাদৃশ্যপূর্ণ হয়। বরং কোন কোন ক্ষেত্রে এর কোন পাত্তাই পাওয়া যায় না। এ কারণে এ ব্যাধিতে আক্রান্ত মায়ের সন্তান নিত্যনতুন অসংখ্য ব্যাধির শিকার হচ্ছে। এ ব্যাধিতে আক্রান্ত মায়েদের শতকরা ৫০ ভাগ শিশু চোক্ষু রোগের আক্রান্ত হয়। আর বাকী ৫০ ভাগ শিশুর নিমোনিয়াতে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিতে পারে। এর দীর্ঘ মেয়াদি ক্ষতিকর প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে এখনো কিছু জানা যায়নি। ছোঁয়াছে সংক্রামক ব্যাধিতে সবচেয়ে বেশী নারী ও শিশুরা আক্রান্ত হচ্ছে। এ সম্পর্কে জনৈক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের অভিমত হল, এ ব্যাধিতে আক্রান্ত শতকরা ৫০ ভাগ মহিলা বন্ধ্যা হয়ে যায়। এ ধরনের মহিলা যদি গর্ভধারণ করে, তাহলে তাদের সন্তান প্রসব মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ হয়। বর্তমানে এ সম্পর্কে দ্বি-মত পোষণ করার কোন অবকাশ নেই যে, অধিকাংশ মহিলা জরায়ু ক্যান্সারে আক্রান্ত হচ্ছে, যারা একাধিক পুরুষের সাথে দৈহিক সম্পর্ক করে। চিকিৎসা বিশেষজ্ঞগণও উল্লেখ করেছেন, যেসব মহিলা একাধিক পুরুষের সাথে যৌন মিলন করে না, ঐসব মহিলা জরায়ু ক্যান্সারে আক্রান্ত হয় না।

অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বিশেষজ্ঞ জনৈক চিকিৎসকের অভিমত হল, মাসুন বা দেহের বিভিন্ন স্থান স্ফীতি পাওয়ার একমাত্র কারণ হল, এ রোগজীবাণুর প্রভাব বিস্তার। এ মাসুন বা অঙ্গ স্ফীতি ব্যাধিতে নারী-পুরুষ বা উভয়ই আক্রান্ত হতে পারে। অবৈধ যৌনমিলনকামী শতকরা ১০ জন এ রোগে আক্রান্ত হতে থাকে। এ অঙ্গ স্ফীতি সামনে অগ্রসর হয়ে জরায়ু মুখে ক্যান্সারে রূপ নিতে পারে।

আমেরিকার অপর এক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য সংস্থার নিকট আপিল করেছেন, স্বাস্থ্য সংস্থা যদিও এ রোগ প্রতিরোধে অক্ষম তথাপি কমপক্ষে গর্ভবতী নারীদের চিকিৎসায় মনোযোগী হওয়া উচিত। বিগত আড়াই দশকে সুদান এ ব্যাপারে যে পদক্ষেপ নিয়েছে, তাতে ওখানে নিঃসন্তান দম্পতির সংখ্যা শতকরা ১০ ভাগ থেকে কমে শতকরা ৬ ভাগে নেমে এসেছে। ওখানে এ ব্যাধি নির্মূলে পেনিসিলিন ব্যবহার করা হয়।

কেনিয়ার রাজধানী নাইরোবির এক হাসপাতালে পর্যবেক্ষণ চালানোর পর সংক্রামক চোক্ষু রোগে আক্রন্ত শিশুদের শতকরা ৪০ জনের মায়েদের এ রোগে আক্রান্ত পাওয়া যায়। অনুরূপভাবে তাদের মধ্যে শতকরা ২১ ভাগকে চলামিডিয়াতে আক্রান্ত দেখা যায়। চিকিৎসা না করানোর কারণে এ রোগে আক্রান্ত মায়েরা সম্পূর্ণ অন্ধ সন্তান প্রসব করছে। চোখের উল্লেখিত সংক্রামক ছোঁয়াছে ব্যাধি বন্ধ করার জন্য শিল্প উন্নত দেশসমূহে নবজাতক শিশুদের চোখ সলোনাইডেড নাইট্রেট মিশ্রিত পানি দিয়ে ধুইয়ে দেওয়া হয়। কোন কোন অনোন্নত দেশ সমূহেও এ পদ্ধতির প্রচলন দেখা যায়। কিন্তু কেনিয়াতে এ পদ্ধতিকে পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছে。

আর্থিক স্বচ্ছলতা ও স্বদেশ থেকে দূরে অবস্থান করার কারণে বিশ্বব্যাপি সংক্রামক যৌন ব্যাধি দ্রুত গতিতে ছড়িয়ে পড়ছে। অনোন্নয়শীল দেশ সমূহের লোকজন জীবিকা নির্বাহের তাগিদে অথবা অর্থ-উপার্জনের তাগিদে স্বীয় দেহ বিক্রয় করতে বাধ্য হয়। অর্থ উপার্জনের উদ্দেশ্যে দীর্ঘ দিন প্রবাস জীবন যাপনের কারণে মানুষ জৈবিক প্রশান্তি লাভের উদ্দেশ্যে দৈহিক সম্পৃক্ততার শিকার হয়। জনৈক ছোঁয়াছে সংক্রামক যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ বলেন, বর্তমানে পৃথিবীতে প্রতি ছয় সেকেণ্ডে একজন লোক সংক্রামক রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। এ বিপজ্জনক অবস্থার উপর গবেষণার স্বার্থে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সম্প্রতি মন্টোরিয়ালে (ক্যানাডা) পৃথিবীর পঞ্চাশ দেশের এক হাজার বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের বৈঠক আহবান করে। উক্ত বৈঠকে তৃতীয় বিশ্বের সংক্রামক যৌন ব্যাধির উপরও আলোকপাত করা হয়।

উক্ত বৈঠকে তৃতীয় বিশ্বের যে পরিসংখ্যান তৈরী করা হয়, তাতে দেখা যায়, ঐ দেশ সমূহের বর্তমান অবস্থা অত্যধিক বিপজ্জনক। সে মতে ওখানে রোগ প্রতিরোধক ঔষধ সরবরাহ ছাড়াও নারী ও শিশুদের জরুরী চিকিৎসা সহায়তা সহজলভ্যতার ব্যবস্থা নেওয়া ভীষণ জরুরী। কেননা মোট জনসংখ্যার মধ্যে বেশীর নারী ও শিশুই এ ব্যাধির শিকার হচ্ছে। সংক্রামক যৌন ব্যাধি সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক ইউনিয়ন তাদের সাধারণ পরিষদের বৈঠকে এ ব্যাপারে তাৎক্ষণিক কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবী উত্থাপন করে। কেননা এ ধ্বংসাত্মক ব্যাধির কারণে মৃত্যুর সংখ্যা দ্রুতগতিতে বৃদ্ধি লাভ করছে। আর বন্ধ্যাত্যের সংখ্যা বৃদ্ধি লাভ করা ছাড়াও সংক্রামক রোগ জীবাণু চালামিডিয়ার (Chalamydia) কারণে মাতৃগর্ভেও সন্তান আক্রান্ত হচ্ছে। সে মতে সঠিক সময়ে এ রোগ নির্ণয় করে এর দ্রুত প্রতিরোধের ব্যবস্থা নেওয়া অতিজরুরী।

আমেরিকার জনৈক যৌন রোগ বিশেষজ্ঞের মতে যদিও আমরা দীর্ঘদিন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার এসব ব্যাধির উপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হব, তথাপি তাৎক্ষণিকভাবে বর্তমান অবস্থা অত্যন্ত হতাশাব্যঞ্জকও মারাত্মক বিপজ্জনক। তারা তাৎক্ষণিকভাবে চলোমিডিয়া এর উপর তাৎক্ষণিক নিয়ন্ত্রণ করার উপর জোর দিয়ে বলেন, এ ব্যাধি যদিও গনোরিয়ার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ, তথাপি আমরা তা নিয়ন্ত্রণে অনেক বেশী ব্যর্থ হয়েছি। এ কারণে বিশেষজ্ঞগণ এটাকে মহামারী ঘোষণা করেছে। এ ব্যাধির কারণে ডিম্বনালী (Fallopian Tubes) আক্রান্ত হয়ে যাওয়ার ফলে জরায়ুর বাইরে সন্তান স্থিতি লাভ করে। এ ব্যাধি নির্ণয় সাংঘাতিক কঠিন ব্যাপার। কেননা এর আলামত গনোরিয়ার সাথে বেশী সাদৃশ্যপূর্ণ হয়। বরং কোন কোন ক্ষেত্রে এর কোন পাত্তাই পাওয়া যায় না। এ কারণে এ ব্যাধিতে আক্রান্ত মায়ের সন্তান নিত্যনতুন অসংখ্য ব্যাধির শিকার হচ্ছে। এ ব্যাধিতে আক্রান্ত মায়েদের শতকরা ৫০ ভাগ শিশু চোক্ষু রোগের আক্রান্ত হয়। আর বাকী ৫০ ভাগ শিশুর নিমোনিয়াতে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিতে পারে। এর দীর্ঘ মেয়াদি ক্ষতিকর প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে এখনো কিছু জানা যায়নি। ছোঁয়াছে সংক্রামক ব্যাধিতে সবচেয়ে বেশী নারী ও শিশুরা আক্রান্ত হচ্ছে। এ সম্পর্কে জনৈক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের অভিমত হল, এ ব্যাধিতে আক্রান্ত শতকরা ৫০ ভাগ মহিলা বন্ধ্যা হয়ে যায়। এ ধরনের মহিলা যদি গর্ভধারণ করে, তাহলে তাদের সন্তান প্রসব মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ হয়। বর্তমানে এ সম্পর্কে দ্বি-মত পোষণ করার কোন অবকাশ নেই যে, অধিকাংশ মহিলা জরায়ু ক্যান্সারে আক্রান্ত হচ্ছে, যারা একাধিক পুরুষের সাথে দৈহিক সম্পর্ক করে। চিকিৎসা বিশেষজ্ঞগণও উল্লেখ করেছেন, যেসব মহিলা একাধিক পুরুষের সাথে যৌন মিলন করে না, ঐসব মহিলা জরায়ু ক্যান্সারে আক্রান্ত হয় না।

অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বিশেষজ্ঞ জনৈক চিকিৎসকের অভিমত হল, মাসুন বা দেহের বিভিন্ন স্থান স্ফীতি পাওয়ার একমাত্র কারণ হল, এ রোগজীবাণুর প্রভাব বিস্তার। এ মাসুন বা অঙ্গ স্ফীতি ব্যাধিতে নারী-পুরুষ বা উভয়ই আক্রান্ত হতে পারে। অবৈধ যৌনমিলনকামী শতকরা ১০ জন এ রোগে আক্রান্ত হতে থাকে। এ অঙ্গ স্ফীতি সামনে অগ্রসর হয়ে জরায়ু মুখে ক্যান্সারে রূপ নিতে পারে।

আমেরিকার অপর এক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য সংস্থার নিকট আপিল করেছেন, স্বাস্থ্য সংস্থা যদিও এ রোগ প্রতিরোধে অক্ষম তথাপি কমপক্ষে গর্ভবতী নারীদের চিকিৎসায় মনোযোগী হওয়া উচিত। বিগত আড়াই দশকে সুদান এ ব্যাপারে যে পদক্ষেপ নিয়েছে, তাতে ওখানে নিঃসন্তান দম্পতির সংখ্যা শতকরা ১০ ভাগ থেকে কমে শতকরা ৬ ভাগে নেমে এসেছে। ওখানে এ ব্যাধি নির্মূলে পেনিসিলিন ব্যবহার করা হয়।

কেনিয়ার রাজধানী নাইরোবির এক হাসপাতালে পর্যবেক্ষণ চালানোর পর সংক্রামক চোক্ষু রোগে আক্রন্ত শিশুদের শতকরা ৪০ জনের মায়েদের এ রোগে আক্রান্ত পাওয়া যায়। অনুরূপভাবে তাদের মধ্যে শতকরা ২১ ভাগকে চলামিডিয়াতে আক্রান্ত দেখা যায়। চিকিৎসা না করানোর কারণে এ রোগে আক্রান্ত মায়েরা সম্পূর্ণ অন্ধ সন্তান প্রসব করছে। চোখের উল্লেখিত সংক্রামক ছোঁয়াছে ব্যাধি বন্ধ করার জন্য শিল্প উন্নত দেশসমূহে নবজাতক শিশুদের চোখ সলোনাইডেড নাইট্রেট মিশ্রিত পানি দিয়ে ধুইয়ে দেওয়া হয়। কোন কোন অনোন্নত দেশ সমূহেও এ পদ্ধতির প্রচলন দেখা যায়। কিন্তু কেনিয়াতে এ পদ্ধতিকে পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছে।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00