📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 আধুনিক বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে আল্লাহ তা‘আলার উপর ঈমান আনার গুরুত্ব

📄 আধুনিক বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে আল্লাহ তা‘আলার উপর ঈমান আনার গুরুত্ব


বাহ্যিক গঠনের দিক থেকে মহান আল্লাহ তা'আলা কি ধরনের? আমি এই বিষয় ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ করতে সম্পূর্ণ অক্ষম। মানুষের জ্ঞান ও বিবেকে যা কিছু আসে মানুষ তা বুঝতে সক্ষম হয়। কেননা আল্লাহ তা'আলার মহিমান্বিত ও অনাদী শানের সামনে মানুষের জ্ঞান বুদ্ধি কিছুই না। তাই আল্লাহ তা'আলার সত্ত্বা বা জাত সম্পর্কে মানুষ কোন কিছুই ধারনা করতে পারে না। এ কারণে কুরআন মজীদে স্বয়ং আল্লাহ তা'আলা নিজের আকার আকৃতির বর্ণনা এমনভাবে উল্লেখ করেছেন, তা কোনভাবেই মানুষের জ্ঞান বুদ্ধিতে আসছে না। এ কারণে সূরা আল ফাতহার ১০নং আয়াতে, সূরা আল ইমরানের ৩৭নং আয়াতে এবং অন্যান্য সূরার অনেক আয়াতে মানুষের হাতের মোকাবিলায় স্বীয় হাতের ধারনা দিয়েছেন। সূরা আল বাকারা ১১৫নং, আর অন্যান্য কতিপয় আয়াতে স্বীয় চেহারার ধারনা দিয়েছেন। বিভিন্ন আয়াতে سمیع বা শ্রোতা ,بصير বা দ্রষ্টার বরাতে নিজের কান ও চোখের ধারনা দিয়েছেন। অর্থাৎ মহান আল্লাহ তা'আলা মানুষকে বুঝানোর উদ্দেশ্যে নিজেই নিজের ঐ সব আকার আকৃতি পেশ করেছেন। তা মানুষের জ্ঞান বুদ্ধি বুঝতে সম্পূর্ণ অক্ষম। বাস্তবে মহান আল্লাহ তা'আলা এসব আকার-আকৃতি থেকে সম্পূর্ণ পাক ও বেপরোয়া। অনুরূপভাবে মহান আল্লাহ তা'আলা মানুষকে বুঝানো উদ্দেশ্যে কুরআন মজীদে অনেক বিষয়ের উদাহরণ পেশ করেছেন। অনুরূপভাবে উপরে বর্ণনা করা হয়েছে, আল্লাহ তা'আলার উচ্চতা হয়ত বা আসমান সমূহের উপর বাহ্যিক বিদ্যমানতার বৈপরিত্যকে যদি এমন এক উদাহরণের দ্বারা পেশ করা হয়, তা মানুষের জ্ঞান বিবেকে ধরে, তবে তা ভুল হবে না।

যে ব্যক্তি বিজ্ঞানের ফিল্ড থিউরিকে (Field Theory) বুঝতে পারে, সে জানে, যদি দুটি স্থানে ধারাবাহিক ফিল্ড কম বা বেশী হয়, তাহলে ফিল্ডে অবস্থিত ব্যক্তি তার দ্বারা প্রভাবান্বিত হয়ে আলোড়ন যোগ্য হয়। উক্ত দু'স্থানের উপর ফিল্ডের প্রভাব কম-বেশীর কারণে এক স্থান থেকে অন্য স্থান নড়াচড়া করে থাকে। যদিও এ ফিল্ড উভয় স্থানে বিদ্যমান হয়। কিন্তু এ স্থানান্তরের কারণে অবস্থা এরূপ মনে হয় যেমন, ঐ স্থানান্তরযোগ্য বস্তু এক স্থানে ফিল্ডের উপস্থিতি সত্ত্বেও স্বীয় উদ্দেশ্য সাধন করতে পারে না। আর তখন সে অন্যস্থান এ উদ্দেশ্য মনে করে অন্য স্থানের দিকে ধাবিত হতে শুরু করে। এ সাধারণ উদাহরণের পর এর এক বিশেষ উদাহরণ পেশ করা হচ্ছে।

যদি দুটি স্থানে ইতিবাচক ফিল্ড এভাবে হয় যে, এক স্থানের উপর ফিল্ডের কঠোরতা অন্য স্থানের কঠোরতা থেকে অনেক বেশী হল। আর ঐ ফিল্ডে অবস্থিত এক ইলেক্ট্রন (Electron) যার উপর নৈতিবাচক চার্জ হয়, তা প্রবেশ করিয়ে দেওয়া হল। তখন এভাবে নড়াচড়া করতে শুরু করে। যেভাবে ইতিবাচক চার্জ বেশী হবে। যদিও উভয় স্থানে ইতিবাচক চার্জ বিদ্যমান। কিন্তু ফিল্ডের হ্রাস বৃদ্ধি ইলেক্ট্রনের নড়াচড়ার কারণ হয়। অনুরূপভাবে যদিও আল্লাহ তা'আলা সর্বদা বিদ্যমান। কিন্তু উপরে বর্ণিত কুরআনের আয়াত অনুযায়ী আল্লাহ তা'আলার আহকাম ও তদবীরসমূহ আসমান থেকে জমিনের দিকে হয়। আর মানুষের পবিত্র বাক্য ও নেক আমল সমূহের জমিন থেকে আসমানের প্রতি আরোহন করে। উক্ত আয়াতসমূহের মাধ্যমে সম্ভবতঃ আল্লাহ তা'আলার উদ্দেশ্য হল, আল্লাহ তা'আলা সর্বত্র বিদ্যমান হওয়া সত্ত্বেও যদি কোন ব্যক্তি আল্লাহ তা'আলার নৈকট্য লাভ ও স্থায়ী নেক আমল কবুলিয়্যাত বা গ্রহণযোগ্যতা চায়, তাই তাকে অবশ্যই আসমানের প্রতি মুখাপেক্ষি হতে হয়।

মানুষ কি? তা রূহ ও দেহের সমষ্টিমাত্র। দেহ ক্ষণস্থায়ী ধ্বংসশীল। কিন্তু রূহ চিরস্থায়ী অক্ষয়। রূহ হল আসল বস্তু। তা দেহকে দাঁড় করিয়ে রাখে। আর যখন রূহ দেহ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়, তখনই দেহ বেকার হয়ে যায়। তা মাটিতে পুঁতে ফেলা হয়। মাটির দেহ পুনরায় মাটিতে মিলিয়ে যায়। মানুষের মৃত্যুর পরও রূহ সর্বদা স্থায়ী ও কায়েম থাকে। মৃত্যুর পর মানুষকে স্বীয় কমরুল অনুযায়ী পুরস্কার ও শাস্তিদান করেন। আল্লাহ তা'আলা চাই রূহকে পুরস্কার বা শাস্তি দান করুন অথবা এ রূহকে দ্বিতীয়বার দেহ দান করে পুরস্কার বা শাস্তি দান করুন, সবই তার ইচ্ছার উপর নির্ভর। বাস্তবতা যা কিছুই হোক না কেন। উভয় অবস্থায় নিশ্চিত রুহ বিদ্যমান হবে। এ কারণে পুরস্কার ও শাস্তি প্রদানের বিষয় বুঝার জন্য এ বিষয় শুধু রূহের বরাত দিয়ে বর্ণনা করা হলে তা ভুল হবে না। এখন দেখুন, আল্লাহ তা'আলার শাস্তি থেকে মুক্তি লাভের জন্য আল্লাহ তা'আলা কি কি পদ্ধতি বর্ণনা করেছেন। এরই ধারাবাহিকতায় আল্লাহ তা'আলার উপর ঈমান আনা, আর এর সাথে সাথে তাঁকে এ দুনিয়া থেকে দূরবর্তী আসমান সমূহে ধারনা করা কত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

যখন কোন মানুষ আল্লাহ তা'আলার প্রতি মনোযোগী হয়ে, তার নৈকট্য লাভের আশা পোষণ করে, মূলতঃ তার রূহ মহান আল্লাহ তা'আলার দিকে মনোেযাগী হয়। দেহ তো শুধু রূহের কামনা-বাসনা অনুযায়ী কাজ করে। আর যদি কোন মানুষ আল্লাহ তা'আলা থেকে দূর হয়ে যায়, তখন মূলতঃ তার রূহ আল্লাহ তা'আলা থেকে দূর হয়ে যায়। কুফর হল, আল্লাহ তা'আলার বিদ্যমান হওয়ার অস্বীকৃতি। তাই নিশ্চিত কুফরকারীর রূহের উদ্দেশ্য আল্লাহ তা'আলা হন না। যেমন, পূর্বে সালোচনা করা হয়েছে। আল্লাহ তা'আলা তাঁর নিজের জন্য এ পৃথিবী থেকে দূরবর্তী আসমান সমূহে প্রতি ধারনা দিয়ে বর্ণনা করেছেন, আল্লাহ তা'আলা থেকে দূর হওয়া এ দুনিয়ার নিকটবর্তী হওয়ার সম্পূর্ণ বিপরীত। অর্থাৎ কুফর কারীর রূহ না শুধু তার জীবদ্দশায় আল্লাহ তা'আলার প্রতি অমনোযোগী থাকবে বরং তার মৃত্যুর পরও এদের রূহ আল্লাহ তা'আলা থেকে দূরে অর্থাৎ এ দুনিয়াতে বিদ্যমান থেকে যাবে। শিরক যদিও আল্লাহ তা'আলার সত্ত্বার অস্বীকৃতি নয়, কিন্তু নিশ্চিত তার সিফাত বা গুণাবলীকে অস্বীকার করা হয়। শিরক কারী ব্যক্তি আল্লাহ তা'আলা ব্যতীত অন্য কোন সৃষ্টি জীবকেই আল্লাহ তা'আলার সমান মর্যাদা দান করে। চাই পাথর পূজার মাধ্যমে এ শিরক করা হোক। অথবা অন্য কোন সৃষ্টিজীবের প্রতি আল্লাহ তা'আলার সিফাত উপাস্য রূপে মান্য করার কারণেই হোক। অনুরূপভাবে মুশরিকের সৃষ্টিজীবের প্রতি উপাস্য মনে করে নিকটবর্তী হওয়া। আর আল্লাহ তা'আলাকে দূরে রেখে দেয়া। আর তার পরিণতিও কুফর কারীর মতই হবে আর্থাৎ তার রূহও আল্লাহ তা'আলা থেকে দূরে এ দুনিয়ার নিকটেই থেকে যাবে। যে ব্যক্তি আল্লাহ তা'আলার জাত ও সিফতের উপর নিশ্চিত দৃঢ় বিশ্বাসী হয়, সে স্বীয় রূহকে আল্লাহ তা'আলার প্রতি মনোযোগী রাখে। তার জীবনের নেক কাজসমূহ পবিত্র কালেমা (ঈমানের কালেমা) কে কুরআন মজীদের সূরা আল্ ফাতিরের ১০ম আয়াতের আলোকে আল্লাহ তা'আলার নিকট আসমান সমূহে পাঠানো হয়। তাই তার মৃত্যুর পর তার রূহ ও এ দুনিয়া থেকে দূর হয়ে তার নেক আমল পরিমান আল্লাহ তা'আলার নিকটবর্তী হয়ে যাবে। অর্থাৎ মুমিনের রূহের আল্লাহ তা'আলার নৈকট্য লাভ করা শুধু পবিত্র বাক্য (কালেমা তাইয়্যেবা) এর শর্তাধীন নয় বরং আল্লাহ তা'আলার নৈকট্য লাভের আমলও সমান হবে না।

যে পরিমাণ নেক আমল হবে, ঠিক সে পরিমাণ আল্লাহ তা'আলার নৈকট্য লাভ করবে। আর দুনিয়া থেকে ঐ পরিমাণ দূরবর্তী হয়ে যাবে। যেমন শুরুতে বর্ণনা করা হয়েছে যে, কিয়ামতের দিন এরূপ হবে, তখন জমিন তার নির্ধারিত স্থানচ্যুত হয়ে সূর্যের মধ্যে প্রবিষ্ট হয়ে যাবে। আর তখন এভাবে শুধু জমিন নয় বরং ঐ সব বস্তু যা এ জমিনে বিদ্যমান ছিল বা তার নিকটবর্তী ছিল সবই এই জমিনের সাথে সাথে সূর্যের মধ্যে প্রবিষ্ট হয়ে যাবে। আর তাকে কিয়ামতের শাস্তি ভোগ করতে হবে। যে সকল রূহ আল্লাহ তা'আলা থেকে দূর হয়ে জমিনের নিকটবর্তী থেকে যাবে, তার এ জমিনের সাথে সাথে সূর্যের মধ্যে ডুকে যাবে। তখন সেখানে কোন ছায়া হবে না। আর কিয়ামতের পুরা দিন অর্থাৎ যতক্ষণ সূর্যের তেজ বাকী থাকবে। আর ঐ মুহূর্তে কোটি কোটি বছরের সমান গণ্য হবে, তারা শাস্তি ভোগ করতে থাকবে।

কিন্তু যে সমস্ত রূহ জমিন থেকে দূর হয়ে আল্লাহ তা'আলার নিকটবর্তী হয়ে যাবে, তারা জমিন থেকে স্ব স্ব দূরত্ব অনুযায়ী সূর্য থেকে দূরে থেকে যাবে। এ হিসেবে তাদের শাস্তিও কম ভোগ করতে হবে। আর যে সব রূহ আল্লাহ তা'আলার বেশী নৈকট্য লাভ করবে, তারা কিয়ামতের দিনের আযাব থেকে সম্পূর্ণ নিরাপদ থাকবে। আল্লাহ তা'আলা মানুষের অসীম ও অপুরন্ত কল্যাণকামী। তিনি চান, মানুষ প্রাকৃতিক বিধান অনুযায়ী শাস্তি ভোগ করুক। এ কারণে তিনি শাস্তি থেকে নিরাপদ থাকার উপায়ও বর্ণনা করে দিয়েছেন। স্থায়ী পুরস্কার ও শাস্তি, জান্নাত বা জাহান্নামে প্রবেশ তো কিয়ামতের পরে হবে। এর পূর্বে কিয়ামতের আযাব উপস্থিত হবে। যে ব্যক্তি কিয়ামতের দিন সফলকাম হবে, সে নিশ্চিত জান্নাতে প্রবেশ করবে। আর যে বদনসীব ধরা পড়বে, কিয়ামতের দিনে ব্যর্থ হবে, সে দোযখের আযাব ভোগ করবে। এ কারণে প্রকৃত সফলতা ও ব্যর্থতা কিয়ামতের দিনে মীমাংসা হয়ে যাবে।

উপরোল্লিখিত ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ অনুযায়ী কাফির ও মুশরিক আল্লাহ তা'আলা থেকে দূরে ও দুনিয়ার নিকটবর্তী হওয়ার কারণে অবশ্যই কিয়ামতের আযাব ও এর পরে স্থায়ী আযাব ভোগ করবে। তাদের সৎকর্ম ও পবিত্র কালেমার (ঈমানের কালেমা) অনুপস্থিতিতে তারা আল্লাহ তা'আলার নৈকট্য লাভ করতে পারবে না। এ কারণে যদি কোন ব্যক্তি আল্লাহ তা'আলার উপর ঈমান আনা ব্যতীত সারা জীবন সৎকর্ম করে। তাই এ সৎকর্মও ঐ ব্যক্তিকে আল্লাহ তা'আলা থেকে দূরত্ব ও জমিনের নৈকট্যের কারণে তাকে কিয়ামতের আযাব থেকে নিরাপদ করতে পারবে না।

এ ব্যাপারে মহান আল্লাহ তা'আলা মানুষের সাথে কোন প্রকার বাড়াবাড়ী করবেন না বরং এ সবই এক কানুনের অধীনে হবে। এ কারণে মহান আল্লাহ তা'আলা তাঁর স্বীয় সত্ত্বার উপর ঈমান আনা ও জমিন থেকে দূর আসমানের প্রতি নিজের উপস্থিতির ধারনা দিয়ে নিজের নিকটবর্তী হওয়ার আহ্বান করেছেন। যাতে মানুষ এ পৃথিবী থেকে দূর হয়ে কিয়ামতের দিনের আযাব থেকে মুক্তি লাভ করতে পারে। এ হল, মহান আল্লাহ তা'আলার অনুগ্রহ। যেহেতু তিনি তাঁর আযাব থেকে মুক্তি লাভের উপায় বর্ণনা করে দিয়েছেন, এখন যদি কোন ব্যক্তি এর উপর আমল না করে, তাহলে তা হবে তার নিজের অপরাধ। উপরোল্লিখিত ব্যাখ্যায় প্রমাণ হয়েছে যে, কিয়ামত ও কিয়ামত পরবর্তী আযাব থেকে মুক্তি লাভ এবং স্বীয় সৎকর্মের প্রতিদান লাভ করার জন্য একমাত্র আল্লাহ তা'আলার উপর ঈমান আনার বুনিয়াদী গুরুত্ব লাভ করেছে। সাথে সাথে মহান আল্লাহ তা'আলা তাঁর উপর ঈমান আনয়ণকারীদের আরও জানিয়ে দিয়েছেন, ঈমানের সাথে সাথে সৎকর্মও ভীষণ জরুরী। যা তার রূহকে এ দুনিয়া থেকে দূর করে আল্লাহ তা'আলার নিকট নিয়ে যাবে। আল্লাহ তা'আলার উপর ঈমান আনার জোর তাকিদ কেন করেছেন, তাও প্রমাণ হয়ে গেছে। অর্থ-সম্পদ ও আরম-আয়েশের উপকরণ সমূহ বৈধ পন্থায় লাভ করা সত্ত্বেও এটাকে অপছন্দনীয় ঘোষণা করা হল কেন? নিজের কষ্টার্জিত অর্থ-সম্পদ অন্যের জন্য খরচ করার প্রতি গুরুত্বারোপ করা হল কেন? আর সর্বদা মৃত্যুকে স্মরণ করা এবং মৃত্যুর জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করার উপর জোর তাকিদ করা হল কেন? মানুষকে দুনিয়া বিমুখী করার জন্য এসব বিষয় আদেশ করা হয়েছে। তৎসঙ্গে আত্মার সাথে সম্পর্ক স্থাপন করা, আর দুনিয়ার প্রতি মহব্বত না রাখা। তাহলে মৃত্যুর পর দুনিয়ার সাথে তার রূহের কোন সম্পর্ক থাকবে না। আর সে স্বীয় সৎ কর্মানুযায়ী এই পৃথিবী থেকে দূর ও আল্লাহ তা'আলার নৈকট্য লাভ করবে অনুরূপভাবে আল্লাহ তা'আলা সকল প্রকার খারাপ কাজ যেমন গর্ব-অহংকার, মিথ্যা বলা প্রতারণা করা, অবৈধ প্রন্থায় অর্থ-সম্পদ লাভ করা, অত্যাচার ও ন্যায় বিচার না করা, প্রভৃতি কাজ করতে নিষেধ করেছেন। কেননা এসব কিছু কোন না কোন প্রার্থিব উপকার লাভ ও দুনিয়ার মহব্বত ও মোহ। ঈমান আনা সত্ত্বেও মানুষের রূহকে দুনিয়া থেকে দূরে সরিয়ে নিয়ে যেতে পারে না। অনুরূপভাবে কিয়ামত দিনের আযাব থেকে মুক্তি লাভ করা তার জন্য কঠিন হবে।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 অন্তর অন্তরই

📄 অন্তর অন্তরই


আমেরিকান সাইক্লো নিউমরোলজিষ্ট ডাক্তার (Paul poersal PHD) লিখিত "দি হার্ট কূইক" নামক গ্রন্থে অন্তর ও আহলে অন্তরের পরিচয় জানার জন্য অত্যন্ত বিস্ময়কর। কিন্তু তিনি মনোরম চিত্তাকর্ষক অভিমত ব্যক্ত করেছেন, তা পড়লে অন্তর চিন্তায় পড়ে যায়। ডাক্তার সাহেবও বলেন, কোন বিষয়ে দুঃখ পেলে ব্যথা অনুভব করে। কারো কথা স্মরণ হলে আবেগপ্রবণ হয়ে উঠে। আবার কারো কথা স্মরণ হলে উৎফুল্ল হয়ে উঠে। এখন প্রমাণ হল, এটা নিছক ইশারা বা রূপক বাকপটুতা নয়। বাস্তবে অন্তরের এ অবস্থা হয়। যখন অন্তর ভেঙ্গে যায়, তখন তার ব্যথার পর্দায় কম্পন ও মলিনতা এবং কোমলতার শৃংখখলায় পরিবর্তন দেখা দেয়। এ কারণে প্রতিভাবান লোক Stress এর প্রতিক্রয়া অতিদ্রুত ও সহজে গ্রহণ করে নেয়। আর এ ধরনের ব্যাধি অন্তরের বিপরীতে এসে যায়।

ডাক্তার পোল তার গ্রন্থে কতিপয় চিত্তাকর্ষক ঘটনা উল্লেখ করেছেন। যেমন, জনৈক ব্যক্তির স্ত্রী মৃত্যুশয্যায় শায়িত। স্বামীর প্রতি অতি তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে তাকিয়ে ভালবাসার গভীরতা দেখিয়ে বলে, "যদি তুমি মরে যাওয়ার ভান দেখাও, তাহলে আমি তোমকে প্রাণে মেরে ফেলব।" ডাক্তার বলেন, এ দৃশ্য দেখে আমি বিস্ময়ে হতবাক হয়ে যাই।

এ কথা শোনামাত্রই রোগীর অস্তিমিত হৃদ কম্পন ফিরে আসে আর সে চোখ খুলে দেখতে থাকে। এর দ্বারা প্রমাণ হয়েছে যে, কখনো কখনো ভালবাসার কতিপয় আবেগময় শব্দাবলী একান্ত নিজেস্ব একাধিক বাক্য কোন অর্ধমৃত ব্যক্তির মনে প্রাণ সঞ্চার করে দিতে পারে। ডাক্তার পোলের অভিমত হল, অন্তর তো চিন্তা-ভাবনা করতে থাকে। কিন্তু দেহের কোষ টক, খোলাখুলি টক জিনিস পায় না বরং মেমোরি (স্মৃতি) ধারন কারী অংগ প্রত্যংগ সংযোজন করা হয়। তখন সংযোজক (অর্থাৎ গ্রহীতা) যার অংগে অন্যের অংগ সংযোজন করা হয়েছে, তার কিছু না কিছু বিশেষ স্বভাবিক স্বভাবগত অভ্যাসও লাভ করে থাকে।

উদাহরণ স্বরূপ একবার জনৈক মহিলার দেহে অন্য এক জনের কিডনী সংযোজন করা হয়েছে। তার জানা ছিল না যে, এর দাতা কে? কিন্তু যখন সে নিজের পরিবর্তন অনুভব করে, তখন আশ্চর্য্য হয়ে যায়। সে অনুভব করে যে, পূর্বের তুলনায় বর্তমানে খেলাধুলার প্রতি সে বিশেষ আগ্রহী হয়ে উঠেছে। অথচ সে বাল্য থেকে যৌবন কাল পর্যন্ত খেলাধুলার প্রতি তেমন আগ্রহী ছিল না। অভ্যন্তরীণ ফল এটাই প্রকাশ হয়েছে যে, সে যে ব্যক্তির কিডনী গ্রহণ করেছে, বাস্তবে তার খেলাধুলার প্রতি ভীষণ আগ্রহ ছিল। এ কারণে তার মধ্যেও খেলাধুলার আগ্রহ বেড়ে গেছে। সুতরাং চুড়ান্তভাবে বলতে পারে যে, দেহের অন্যান্য ইন্দ্রিয় সমূহ ও কোষে নিজেস্ব এক মেজাজ এক মেমোরী বা স্মৃতি শক্তি রাখে। তার নিজেস্ব অভিরুচি পরিবর্তন করে না। আরেকবার দেখা গেছে, জনৈক ব্যক্তির দেহে যখন অপর কোন ব্যক্তি মৃত ব্যক্তির কিডনী স্থাপন করা হয়, তখন সে নিজ স্ত্রীকে কখনো কখনো ঐ ব্যক্তির স্ত্রীর নামে ডাকত। এ সম্পর্কে সে বা তার স্ত্রীর নিশ্চিত কোন কিছু জানা ছিল না। যখনই তার অন্তর স্বীয় স্ত্রীর মহব্বত অনুভব করত, তখনই তাকে এ নামে ডাকতে শুরু করত। যা তার মহব্বতের পর্দায় অংকিত রাখা ছিল।

আরেকটি ব্যতিক্রমী ঘটনা উল্লেখ করা হচ্ছে। তাও অত্যন্ত বিস্ময়কর ও চিত্তাকর্ষক। একটি ছোট শিশু সুইমিং পুলে ডুবে মারা যায়। তখন তার কিডনী নিয়ে আরেক শিশুর দেহে সংযোজন করা হয়। তা সংযোজন করে প্রতিস্থাপনের উদ্দেশ্যে একে দীর্ঘ সময় পর্যন্ত হাসপাতাল রাখা হয়। ব্যারন নামের এ শিশুর যখন পাঁচ বছর বয়স হয়। তখন সে তার মায়ের নিকট তার না দেখা বন্ধু কোলবীর কথা আলোচনা করতে শুরু করে। সে তার সাথে কথা বলত ও খেলা করত। ব্যারনের মাতা বিস্ময়ে হতবাক হয়ে যায় যে, ঐ মৃত শিশুর নাম ছিল কোলবী। সে তৎক্ষণাৎ কোলবীর মায়ের সাথে সাক্ষাত করে। এর পর উভয় মহিলা ব্যারনকে তাদের নিজের সন্তান মনে করা শুরু করে। তারা উভয়ে বন্ধু হয়ে যায়। ডাক্তার পোলের অভিমত হল, মানুষের মধ্যে পারস্পরিক এক Compassion Connection থাকা ভীষণ জরুরী। কেননা এর উপর মানুষের স্থায়ীত্ব নির্ভরশীল। সত্যই এক অন্তর অপর অন্তরের সাথে মিশে যায়। কেননা এক প্রকৃতিক উৎস (ওয়াভারয়েশন) হয়ে যায়। যা এক অন্তর থেকে অন্য অন্তর পর্যন্ত পরিভ্রমণ করে। সুতরাং যখন মাতা-পিতা, ভাই-বোন, স্ত্রী-সন্তানাদি, নিকট আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধবের মধ্যে কেউ বিপদে পতিত হয়, তখন হাজার মাইল দূরে অবস্থিত ব্যথিত অন্তর টেলিফোন বা চিঠির মাধ্যমে সংবাদ পাওয়ার পূর্বেই অজানা পেরেশানীর সংকেত দিতে শুরু করে দেয়। অথচ অন্তর অন্তরই থাকে।

"সবাই তোমার সরকার থেকে অন্তর লাভ করেছে। যতক্ষণ অন্তর ব্যথা অনুভব করেনি, ততক্ষণ অন্তর অন্তর হয় নি।"

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 এক ভয়ঙ্কর ইয়াহুদী ষড়যন্ত্রের মুখোশ উন্মোচন

📄 এক ভয়ঙ্কর ইয়াহুদী ষড়যন্ত্রের মুখোশ উন্মোচন


সম্প্রতি বাংলাদেশে মহিলাদেরকে অর্ধউলংগ হয়ে ইউরোপীয় পোশাক ও মাথায় হেলমেট দিয়ে মোটরসাইকেল চালাতে দেখা যায়। তাদের এ বিশেষ নিদর্শন সাধারণ ইউরোপীয় NGO অর্থাৎ ননগভর্মেন্ট অরগানাইজেশন (বেসরকারী সেবা সংস্থা) দেখে বিস্ময়ে হতবাক হয়ে যায়- এ তো ইউরোপীয় সংগঠন, যা ওখানে কাজ করছে। কিন্তু বর্তমানে বাংলাদেশে ঐ সংগঠন ভীষণ জোরে শোরে কাজ করছে। মূলতঃ এ উন্নয়ন সংস্থার উদ্দেশ্য হল, যে কোন ব্যক্তির সাথে সাহায্য প্রদানের মাধ্যমে সম্পর্ক স্থাপন করা, সে মানুষ হতে পার। তারপর এ সাহায্য পরবর্তীতে মুসলমানদেরকে কাফির-ধর্মত্যাগী করে দেয়।

১৯৯২ সালের টাইমস ম্যাগাজিনের এক রিপোর্টে উল্লেখ করা হয় যে, এ সংগঠন পরিচালনার মাধ্যমে এ পর্যন্ত বিশ লাখ মুসলমানকে ধর্মান্তরিত করে অমুসলিম বানানো হয়েছে।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 ইউ এন এ -এর সহায়তায় পাকিস্তানে এনজিও -এর তামাশা

📄 ইউ এন এ -এর সহায়তায় পাকিস্তানে এনজিও -এর তামাশা


পশ্চিমা শক্তিবর্গের বাকচাতুর্য্যপূর্ণ নতুন বিশ্বব্যবস্থা গড়ার উদ্দেশ্য হল, মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ রাষ্ট্র সমূহের শাসকদেরকে অনুগত ও আজ্ঞাবহ করার পদ্ধতি হচ্ছে, তাদের দ্বারা ইউ এন ও-এর বিভিন্ন চুক্তির উপর স্বাক্ষর করানো। তাহলে তারা ইসলামকে ভুলের চরে উঠিয়ে আমাদের পরামর্শের সামনে অবনত হয়ে পড়বে। প্রথমতঃ সাধারণ জনগণ যাতে স্বাভাবিক ইসলামী বিধান পালন না করে বরং তারা যেন তাকে ভীষণ ঘৃণা করতে শিখে। আর এর বিরুদ্ধে জোরালো আন্দোলন গড়ে তোলে। এর জন্য সর্বপ্রথম প্রয়োজন হল, সাধারণ জনগণের অভিমত নিয়ন্ত্রণ করা, এর জন্য টেলিভিশনই যথেষ্ট। এর মাধ্যমে অনর্থক, অশ্লীল, বেহায়াপনার যত দ্রুত বিস্তার করানো সম্ভব।

এক্ষেত্রে তা নিজেই তার একক উদাহরণ। তবে এর সাথে আরো অতিরিক্ত কিছু উপকরণের প্রয়োজন রয়েছে। সুতরাং এর জন্য দেশে এনজিও বা বেসরকারী সেবা সংস্থার প্লাবন বয়ে চলেছে। এটা হল, বিদেশী ইয়াহুদী খ্রিস্টানদের সংগঠন। যা ইউএনও-এর এজেণ্ডা অনুযায়ী মুসলিম সংখ্যা গরিষ্ঠ দেশ সমূহে ব্যাপক আকারে পরিচালনা করা হচ্ছে। তারা জাতিসংঘ সাহায্য তহবিল থেকে কিছু মূলধন পায় আর কিছু কিছু মূলধন স্থানীয় সরকার থেকেও পায়। এ বিদেশী ধর্মহীন ও লিভারেল সংস্কৃতি দেশে বিস্তার লাভের অতি সহজ ও কার্যকরী পন্থা হল সমাজে প্রভাব বিস্তার করার পর উন্নয়ন ও সংস্কার সাধনের নামে জনসাধারণকে ধর্মবিমূখ করে প্রবৃত্তি পুজারী বানানো।

অনুরূপ আরো এক উপায়ে বিশ্বব্যাংকের মাধ্যমে আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থাকে নিয়ন্ত্রণ করছে। তারা আমাদের ঋণ দেওয়ার সাথে সাথে শিক্ষা প্রদানে মনোনিবেশ করেছে। এভাবে তারা সমাজের সর্বনিম্ন শ্রেণী পর্যন্ত পৌছে তাদের মন-মগজ থেকে ইসলামের মহব্বতকে নির্মূল করে দিচ্ছে। তাদের বুঝানো হচ্ছে, দুনিয়াতে শুধু এক আদেশ ও এক সংগঠন তা হল ইউ এন ও। তোমরা ইসলাম ছেড়ে দাও। এটা হল, সেকেলে রীতিনীতি। যদি উন্নতি করে সামনে অগ্রসর হতে চাও, তাহলে তোমদের জন্য ইউ এন ও এর প্রদত্ত এজেণ্ডা বাস্তবায়নে কাজ করা জরুরী। নতুবা তোমরা উন্নয়নের ধারা থেকে অনেক পিছিয়ে যাবে। সামাজিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে ভ্রান্ত বর্ণমালার মত পৃথিবীর ইতিহাস থেকে বিলুপ্ত হয়ে যাবে।

বেইজিং সম্মেলনের পর এ জন্মভূমিতে একক আধিপত্তও লেবারিজম বিস্তারের চেষ্টায় ব্যাপক উন্নতি সাধন করা হয়েছে। রেডিও টেলিভিশনের অনুষ্ঠানে প্রতিনিয়ত নিত্যনতুন উলংগপনা, বেহায়াপনার ব্যাপক প্রসার ঘটানো হচ্ছে। এনজিওদের কার্যক্রম দ্রুত বিস্তার লাভ করছে। তারা এ উদ্দেশ্যে শিক্ষা বিভাগকে বিশেষভাবে চিহ্নিত করেছে। বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় পাঠক্রমের রূপ রেখা নির্ধারণ করতে হয়। আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা তাদের প্রদত্ত রূপরেখা অনুযায়ী নির্ধারণ করা হয়। বিভিন্ন স্থানে গোষ্ঠীগত বৈঠক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেখানে জনসাধারণকে পরিকল্পিত পরিবার সম্পর্কে উদ্বুদ্ধ করা হয়। আর বিনামূল্যে পরিবার পরিকল্পনার দ্রব্যসামগ্রী সরবরাহ করা হয়।

এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য বিশেষভাবে গ্রাম্য লোকদের মনোনীত করা হয়েছে। মাধ্যমিক ও এস. এস. সি. স্তরের শিক্ষার্থীদের তিন মাসের প্রশিক্ষণ দিয়ে তাদেরকে মতবিনিময় কেন্দ্রের কর্মী নিয়োগ করা হয়। এত কম শিক্ষাপ্রাপ্তা মেয়ে যাদের ঔষধের নাম পর্যন্ত শুদ্ধরূপে পড়ার যোগ্যতা নেই, তাদের মাধ্যমে গ্রাম্য অশিক্ষিত নারীদের নিকট পরিবার পরিকল্পনার বড়ি প্রেরনের সংগঠন পরিচালনা করা হয়।

অপর দিকে বিশ্ব ব্যংকের সহায়তায় শিক্ষার উন্নয়নের নামে অপর এক পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা চালানো হচ্ছে। মেট্রিক, এম, এ ও বি, এ পাশ ছাত্রীদেরকে তিন মাসের কোর্সে প্রশিক্ষণ দান করে গ্রাম্য বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। তাদের প্রশিক্ষণ কোর্সকে বিশেষ পদ্ধতিতে বাস্তবায়ন করা হয়।

গ্রামের এম এ ও বি এ পাস ছাত্রী যারা স্বাভাবিক অস্বচ্ছলতা ও বেকারত্বে কারণে উপযুক্ত কোন চাকুরী প্রার্থী হয়। তখন তাদের বেশী পারিশ্রমিকের বিনিময়ে চাকুরীর প্রলোভন দেখিয়ে তাদের এ কোর্স সমাপ্ত করায়। তাদেরকে আমাদের মৌলিক চাহিদা ও সামাজিক রীতিনীতির বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করা শিখানো হয়। এ ধরনের এক কোর্স গত ৯৭সনের গ্রীস্মকালিন ছুটির সময় কতিপয় ছাত্রীকে লাহোরে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। পাঠপুস্তক সমূহ তারা নিজেরা সরবরাহ করে। বিশ্বব্যংকের সাহায্যে এ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়। প্রশিক্ষণার্থী ছাত্রীদের উন্নত মানের হোটেলে থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। এটা তিন মাসের প্রশিক্ষণ কোর্স ছিল। সব আয়োজনের সাথে সাথে ছাত্রীদের যাতায়াত ভাতাও প্রদান করা হয়। ঐ সময়ের ঐ প্রশিক্ষণ কোর্সের পুস্তক পর্যালোচনা করা উচিত।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00