📄 হাউজিং এন্ড ফ্লাটিং সোসাইটির প্রস্পেক্টাস
ইউরোপের হাউজিং সোসাইটির পক্ষ থেকে এক প্রসফেক্টাস নিম্নে উল্লেখ করা হচ্ছে।
• ঘরের সারিতে সব ঘর এক সমান হয়। তাই আপনি তাৎক্ষণিকভাবে ঘরের নম্বরের প্রতি লক্ষ্য করুন। আর তখন শুধু প্রত্যাশিত নম্বরে কল করুন। অনর্থক কাউকে বিরক্ত করবেন না।
• যখন কারো গৃহে যাওয়ার প্রয়োজন হয়, তখন কল করে যাবেন। আর বিনা কলে কস্মিনকালেও কারো গৃহে যাবেন না। কেননা কোন কোন সময় আপনার অথবা আপনার বন্ধুর ভীষণ বিপদের আশঙ্কা হতে পারে
• আপনার বাড়ীর সামনের বাড়ীর সীমানা প্রাচীর নির্ধারণ করা আছে। কখনো ঐ নির্দিষ্ট সীমা অতিক্রম করবে না। সদা-সর্বদা নিজের বাড়ি-ঘর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার চেষ্টা করুন।
📄 চোখে ইশারা করা
• হাদীস শরীফে বর্ণিত আছে, কোন মুসলমানের জন্য অপর মুসলমানের প্রতি এমন দৃষ্টিতে তাকানো বৈধ নয়, যা তার কষ্টের কারণ হয়।
📄 লুরি ও হিস্টরি অফ লুই
লুরি তার রচিত 'হিষ্টিরি অফ লুই' এ এক ঘটনা উল্লেখ করেছেন। তিনি লিখেছেন, আমি তখন কলেজে পড়ি। তার সাথে আমার পরিচয় হওয়ার পর থেকেই আমি তাকে আমার আপন মনে করি। কিন্তু ধীরে ধীরে নিশ্চিত আমার সেই ধারনা বদলে যায়। তার পর যখন আমার ধারণা নিশ্চয়তায় পরিণত হয়। তখন আমার এক প্রকার কষ্ট অনুভূত হয়।
যখন সে আমার নিকট বা দূর দিয়ে পথ অতিক্রম করত। তখন সে আমাকে চোখে ইশারা করত। আর তার প্রতিটি ইশারা আমার দেহে আগুন ধরিয়ে দিত। আমি অসহায় দরিদ্র ছিলাম। সে ধনী ও মর্যাদাশালী ছিল। অবশেষে আমি তার প্রতি তাকানো বন্ধ করে দেই। কিন্তু তার কৃতকর্ম ও কষ্ট আমার দেহে অপরিবর্তিত থেকে যায়। আমার বার্ষিক ডাক্তারী পরীক্ষার পর রিপোর্টে দেখা যায়, আমি যক্ষায় আক্রান্ত হয়েছি। ডাক্তারদের সম্মিলিত মতে এর এক মাত্র কারণ ছিল, আমার মানসিক যন্ত্রণা। আর যখন সে আমাকে ইশারা করত, তখনই আমার রোগ বেড়ে যেত। আর তখন আমি তীব্র যন্ত্রণা অনুভব করতাম।
📄 অত্যাচারী ও অত্যাচারীতকে সাহায্য করা
• হাদীস শরীফে বর্ণিত আছে, অত্যাচারীকে সাহায্য করো। হযরত সাহাবায়ে কিরাম আরয করেন, এটা কিভাবে সম্ভব? ইরশাদ হয়েছে, তাকে অত্যাচার থেকে বিরত রাখাই তার সাহায্য। (বুখারী-মুসলিম)