📄 মৃত ব্যক্তির সমালোচনা করা
• হাদীস শরীফে বর্ণিত আছে, মৃত ব্যক্তিদের সমালোচনা করো না। কেননা তারা পূর্বে তাদের যে আমল প্রেরণ করেছে, তারা তা পেয়ে গেছে।
📄 পিউরনেল হাউজ প্রধানের বক্তব্য
আমার জনৈক বন্ধু দুর্ঘটনায় নিহত হয়। আমি তার মৃতদেহ আনার জন্য পিউরনেল হাউজে গমন করি। লাশ গ্রহণে বিলম্ব হয়। তাই আমি হাউজ প্রধানের কক্ষে গিয়ে বসে অপেক্ষা করতে থাকি। আর তার সাথে আলোচনায় লিপ্ত হই। তার আলোচনায় এক বিস্ময়কর রহস্য উন্মুক্ত হয়। হাউজের চীফ আমাকে বললেন, যে সব লোক তাদের মৃত ব্যক্তিদের মন্দ বলে, তাদের বিস্ময়কর ধ্বংসে দেখে আমার ভীষন তিক্ত অভিজ্ঞতা হয়েছে। এ ধরনের লোকদের সকলের একই কথা বলে, যখন তাদের মৃতদের আমাদের নিকট আনা হয়, তখন তাদের চেহারা কুৎসিত হয়ে যায়। তাদের দেহ বাঁকা হয়ে যায়। একটি নির্দিষ্ট সময়ের পূর্বে তাদের দেহ পঁচন ধরে যায়।
এ অভিজ্ঞতা কিছুটা এ ধরনের হতে পারে যে, আমার নিকট আত্মীয় বন্ধু প্রায়ই মৃত ব্যক্তিদের মন্দ বলত। আমি তাকে এরূপ করতে বাঁধা দিতাম। অবশেষে তার মৃত্যু হয়। তখন তার চেহারা অনুরূপ দেখা যায়। তারপর অপর এক পিউরনেল হাউজের চীফও আমাকে একই কথা বলেছেন। তখন আমি চমকে উঠি। তারপর এ বিষয় ধারাবাহিকভাবে পর্যবেক্ষণ করতে থাকি। তখন আমি তার নিকট বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে যায়।
📄 অন্যের মাতা-পিতাকে গালি দেওয়া
• এক হাদীসে বর্ণিত আছে, এটা কবীরাহ গুনাহগুলোর মধ্যে গণ্য হয়েছে যে, মানুষ নিজ মাতাপিতাকে গালি দেবে। আরয করা হল, মানুষ নিজ মাতাপিতাকে কি গালি দেয়? ইরশাদ হয়, হ্যাঁ, যে অন্যের মাতা-পিতাকে গালি দেয়, সে মূলতঃ তার মাতা-পিতাকে গালি দেয়। কেননা যে অন্যের মাকে গালি দেয় জবাবে সে তার মাকে গালি দেয়। (বুখারী, মুসলিম)
📄 বাল্যকালে শিশুদের উত্তম শিক্ষা দেওয়া
জেনারেল হুড যিনি প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে মিত্র বাহিনীকে ব্যাপক শক্তি যুগিয়ে ছিল। এটা ছিল তার খ্যাতনামা কৃর্তি। তিনি সামনা সামনি প্রতিযোগিতায় বিজয় ও সাফল্য লাভ করেন। যেখানে বাহ্যিক দৃষ্টিতে শত্রুদের পরিকল্পনা ব্যাপক পরিলক্ষিত হত।
জেনারেল হুডের কথা হল, আমি স্কুল অফ ট্যাসে অধ্যায়ণ করছি, তখনও এক বছর পূর্ণ হয়নি। জনৈক শিক্ষক তার নিজের ঘটনা শুনে আমি এ উপদেশ লাভ করেছি যে, যে শিশু তার মাতা পিতার ইজ্জত সম্মান ও সেবা করাকে স্বীয় উদ্দেশ্য স্থির করে নেয়, তাদের সুখ্যাতি ও সুনামের মাধ্যমে এবং তাদেরকে উত্তম শব্দে স্মরণ করতে থাকে, ঐ শিশু মূলতঃ অন্য শিশুদেরকে ইজ্জত-সম্মানের অর্থ হল, আমি যদি অন্যের মাতা পিতার প্রতি সুনজরে তাকাই, ভালো কথা বলি, তাদের সম্পর্কে মার্জিত ভাষায় আলোচনা করি, তাহলে এর প্রতিদান নিশ্চিত আমার মাতাপিতা সম্মান পাবে। ঐ শিক্ষকের উপদেশ তখন আমার স্মরণে আসে যখন আমার সামনে এক ব্যক্তি অপর ব্যক্তির মাতা-পিতাকে গালি দিতে শুনি। তখন আমার নিশ্চিত আক্ষেপ হয়।