📄 প্রত্যেক ব্যক্তির প্রতি মনোযোগী হওয়া
যখন বিপুল সংখ্যক মানুষের সামনে কথা বলবেন, তখন একজনের প্রতি আপনার মনোযোগ রাখা যাবে না। এ দ্বারা অন্যান্য শ্রোতাদের মনে কষ্ট হবে। বরং ক্রমান্বয়ে সকলের প্রতি মনোযোগ দিয়ে কথা বলতে হবে। (আদাব)
📄 মনোযোগের আদব
কারো সাথে কথা বলার সময় যদি তার প্রতি মনোযোগী না হন, তাহলে সে ব্যক্তি নিরাশ হয়ে যাবে হতে পারে লোকসমাগম বেশী হয়েছে। আর আলোচনায়ও আপনি বাকপটু। আপনার বক্তব্য অর্থবহ ও ধারাবাহিক। কিন্তু আপনার দৃষ্টি উপস্থিত সব মানুষের প্রতি নয়। তাহলে ব্যর্থ হবেন। এজন্য সকলের উপর আপনার দৃষ্টি এক সমান থাকতে হবে। তবেই আপনি সর্বত্র ইজ্জত ও সম্মান পাবেন। সমস্ত মানুষ আপনার বক্তব্যে ঐক্যমত পোষণ করবে।
📄 তামাশা ও উপহাস করা
রাসূলুল্লাহ ইরশাদ করেছেন, যে ব্যক্তি অন্যদের সাথে উপহাস করবে, আখিরাতে তার জন্য জান্নাতের একটি দরজা খোলা হবে, আর তাকে ঐ দরজার দিকে ডাকা হবে। যখন সে ইতঃস্তত হয়ে সেখানে পৌঁছবে, তখন ঐ দরজা বন্ধ করে দেওয়া হবে। তারপর দ্বিতীয় দরজা খোলা হবে এবং তাকে ডাকা হবে। যখন সে ঐ দরজায় যাবে, তখন ঐ দরজাও বন্ধ করে দেওয়া হবে। এভাবে তার জন্য জন্নাতের এক একটি দরজা খোলা হবে এবং বন্ধ করে দেওয়া হবে। এমনকি সে নিরাশ হয়ে যাবে। এরপর ডাকালেও সে দরজার দিকে যাবে না।
📄 সামাজিক অধঃপতন এ সম্পর্কে ব্যজম্যানের অভিমত
যখন সমাজে অধঃপতনের সূচনা হয়েছে, তখন সমাজে এ ধরনের লোক জন্ম নিয়েছে যারা মানুষকে নিয়ে হাসি-তামাশায় মেতে উঠে। অন্যদের নিয়ে হাসি উপহাস করা হলো মূলতঃ কোন ব্যক্তিকে দুঃখ কষ্ট দেওয়ার অপর নাম। যেমন, মনে করুন। যদি আপনি কোন সম্মানী ব্যক্তিকে অপমান করতে চান, তাহলে এর সহজ পদ্ধতি হল, তাকে নিয়ে উপহাস করা তার দোষ-ত্রুটিসমূহ প্রকাশ করে দেওয়া। যাতে অবশেষ পর্যন্ত লজ্জিত হয়ে যায়。
এ ধরনের মানুষ পরে হয়ত অপমান ও লজ্জার কারণে ডাকাত ও সন্ত্রাসী হয়ে যায়। অধিকাংশ খুনিই প্রতিশোধ গ্রহণের নেশায় ঘাতক হয়ে যায়。