📄 কর্ণেলগী ও মারডুনের অভিমত
কর্নেলগী ও মারডুন ছিলেন অভিজ্ঞ সমাজ বিজ্ঞানী। তাদের মতে মানুষ মূলতঃ আভ্যন্তরীণ দিক থেকে অতি দুর্বল হয়। তার এ দুর্বলতার প্রান্তসীমা ঐ কথায় প্রমাণ হয় যে, সে না অতিরিক্ত কোন বিষয় যা নিজের শক্তি বৃদ্ধি করে, তা প্রকাশ করতে সক্ষম হয়। আর না তার শক্তি হ্রাস পায়। অর্থাৎ সে সর্বদা ভারসাম্য অবস্থায় থাকবে। আর যখন তার ভারসাম্যে ঘাটতি হবে, তখন তার জীবনের ভারসাম্য বিগড়ে যাবে। যখনই সাধারণ কোন লোকের ব্যক্তিগত কাজের জন্য তার সম্মুখে প্রসংশা করা হয়, অবশ্য যদি আপনি কোন ব্যক্তির সম্মুখে তার প্রশংসা করতেই চান, তাহলে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। কিন্তু আমার অভিজ্ঞতা হল, কখনো তার সম্মুখে তার প্রশংসা করা যাবে না। কারণ, এ প্রশংসায় সর্বদা তার মনমেজাজ খারাপ হতে শুরু করবে। তার স্বভাব বিগড়ে যাওয়ার আশংকাও আছে। এরূপ লোকের সংখ্যা খুবই নগণ্য। যারা উত্তম জীবন যাপন করছে। কিন্তু তার জীবনের বুনিয়াদ তখনই বিগড়ে গেছে, যখন তার সম্মুখে অতি প্রশংসা করা হয়েছে।
📄 কৌতুক করে মিথ্যা বলা
রাসূলুল্লাহ ইরশাদ করেছেন, ঐ ব্যক্তির জন্য অকল্যাণ যে মানুষকে হাসানোর জন্য মিথ্যা কথা বলে। অকল্যাণ ঐ ব্যক্তির জন্য, অকল্যাণ এ সব লোকদের জন্য। (তিরমিযী, আবু দাউদ)
📄 ব্যানজামিন কাউসটরের অভিমত
স্কটল্যান্ডের এ ব্যক্তি সুন্দর সুস্থ্য জীবন যাপনের মূলনীতির উপর সাধারণ লোকজনকে সমবেত করে ছিলেন। ব্যান জামিন কাউসটরের অভিজ্ঞতা মোতাবেক তিনটি মূলনীতি নিম্নে উল্লেখ করা হচ্ছে। • মানুষকে হাসানোর জন্য কখনো মিথ্যা কথা বলবে না। • প্রত্যেক লোকের মনোযোগ আকর্ষণ করে কথা বলতে হবে। • কাউকে নিয়ে ব্যাঙ্গ বা বিদ্রূপ করা যাবে না।
📄 মিথ্যা কথায় হাসা
সামাজিক পরিবর্তনের উত্থান-পতনে আপনি এরূপ অনেক মানুষ পাবেন, যারা সর্বদা মানুষের চিত্তাকর্ষণের উদ্দেশ্যে বিশেষ ভাব নিয়ে থাকে। কিন্তু তাদের এ পন্থা সম্পূর্ণ ভ্রান্ত। এ ধরনের মানুষ সর্বদা নিরাশ হয়, যখন সে মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে মানুষের মন জয়ের চেষ্টা করতে থাকে। কিন্তু এ পন্থাটি ভ্রান্ত বিধায় এর প্রতিক্রিয়া ক্ষণস্থায়ী হয়; দীর্ঘ স্থায়ী হয় না। যদি আপনি নিজ কথার দীর্ঘ স্থায়ী অত্যাবশ্যক প্রতিক্রিয়া বিদ্যমান রাখতে চান, তাহলে চিন্তা করে দেখুন, আপনি কি আলোচনায় সত্যকে অবধারিত করেছেন?