📄 জর্জ ব্যারশিলেন অঙ্গীকার
আমেরিকার আধুনিক আইন প্রণেতা মিস্টার ব্যারশিল তার জার্নালে উল্লেখ করেছেন। আপোষ-মীমাংসা এক অতি গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় কাজ। ইসলামে এর উদাহরণ অনেক বেশী। কেননা ইসলাম সত্য-শ্বাশত বিশ্বজনীন ধর্ম। তাতে এ শিক্ষাও ব্যাপক, সর্বাঙ্গিন ও পূর্ণাঙ্গ। এরূপ করা ঐ সময় উত্তম হয়, যখন কোন বিষয়ে সন্ধিস্থাপন করা হয়। কেননা সন্ধিস্থাপন করা উল্লেখযোগ্য ও পূর্ণাঙ্গ বিষয়। আমি ভেবে হতবাক হই যে, মানুষের ভালবাসার স্থায়িত্ব ও নিরাপত্তার তালিকার মধ্যে ইসলাম প্রথম ধর্ম, যা মিথ্যাকে অভিশপ্ত ও কুফরী বলে অভিহিত করেছে। কিন্তু এ বিশ্ব জনীন ধর্মে শুধু মহব্বত ও নিরাপত্তাকে অক্ষুণ্ণ রাখার জন্য এ ধরনের জটিল পরিস্থিতিতে মিথ্যা বলা বৈধ বলে ঘোষণা করেছে। তখন এর ভীষণ প্রয়োজন হয়।
📄 সামনে প্রশংসা করা
হাদীস শরীফে বর্ণিত আছে, সামনে প্রশংসাকারীর মুখে মাটি নিক্ষেপ করো।
📄 কর্ণেলগী ও মারডুনের অভিমত
কর্নেলগী ও মারডুন ছিলেন অভিজ্ঞ সমাজ বিজ্ঞানী। তাদের মতে মানুষ মূলতঃ আভ্যন্তরীণ দিক থেকে অতি দুর্বল হয়। তার এ দুর্বলতার প্রান্তসীমা ঐ কথায় প্রমাণ হয় যে, সে না অতিরিক্ত কোন বিষয় যা নিজের শক্তি বৃদ্ধি করে, তা প্রকাশ করতে সক্ষম হয়। আর না তার শক্তি হ্রাস পায়। অর্থাৎ সে সর্বদা ভারসাম্য অবস্থায় থাকবে। আর যখন তার ভারসাম্যে ঘাটতি হবে, তখন তার জীবনের ভারসাম্য বিগড়ে যাবে। যখনই সাধারণ কোন লোকের ব্যক্তিগত কাজের জন্য তার সম্মুখে প্রসংশা করা হয়, অবশ্য যদি আপনি কোন ব্যক্তির সম্মুখে তার প্রশংসা করতেই চান, তাহলে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। কিন্তু আমার অভিজ্ঞতা হল, কখনো তার সম্মুখে তার প্রশংসা করা যাবে না। কারণ, এ প্রশংসায় সর্বদা তার মনমেজাজ খারাপ হতে শুরু করবে। তার স্বভাব বিগড়ে যাওয়ার আশংকাও আছে। এরূপ লোকের সংখ্যা খুবই নগণ্য। যারা উত্তম জীবন যাপন করছে। কিন্তু তার জীবনের বুনিয়াদ তখনই বিগড়ে গেছে, যখন তার সম্মুখে অতি প্রশংসা করা হয়েছে।
📄 কৌতুক করে মিথ্যা বলা
রাসূলুল্লাহ ইরশাদ করেছেন, ঐ ব্যক্তির জন্য অকল্যাণ যে মানুষকে হাসানোর জন্য মিথ্যা কথা বলে। অকল্যাণ ঐ ব্যক্তির জন্য, অকল্যাণ এ সব লোকদের জন্য। (তিরমিযী, আবু দাউদ)