📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 গৃহের আইন কানুন

📄 গৃহের আইন কানুন


প্রাইম কলেজ অফ সোসাইটির চীফ কন্ট্রোলার মিসগ্যারাস স্ব রচিত গ্রন্থ "হাউজিং ল” তে লিখেছেন, যখনই কারো গৃহের সামনে দাঁড়াবে, তখন ডানেবামে উঠা বসার চেষ্টা করবে। কেননা ডানে বামে উঠা বসা করাই মূলনীতি। অথাৎ ঐ গৃহের মধ্যে ভেতরে উঁকি ঝুকি না দেওয়া। কারণ, গৃহবাসীগণ কি অবস্থায় রয়েছে কারও জানা নেই。

জীবন এক বাস্তব অভিজ্ঞতা ও মুজাহাদার নাম। ঐ অভিজ্ঞতা ও মুজাহাদার পর আমি এ সবক লাভ করেছি যে, আগন্তুক ব্যক্তি যেন কখনো নিজের অবস্থাকে সন্দেহযুক্ত মনে না করে। বরং সর্বদা সে যে কোন গৃহে প্রবেশের পূর্বে এ বিধান সমূহের প্রতি বিশেষ গুরুত্বারোপ করে। অর্থাৎ সর্বদা নিজের চেহারাকে অন্যের গৃহের সামনে থেকে নিরাপদ রাখে।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 দরজায় দাঁড়িয়ে নিজের নাম বলা

📄 দরজায় দাঁড়িয়ে নিজের নাম বলা


হযরত জাবের রাযি. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার আমি রাসূলুল্লাহ এর মহিমান্বিত দরবারে হাজির হয়ে দরজায় করাঘাত করি। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, কে? সাহাবী বলেন, আমি বললাম, "আমি"। নবীজী বাইরে তাশরীফ এনে বললেন, এই "আমি কী, আমি কি?” অর্থাৎ নিজ নাম উচ্চারণ করে বলবে, আমি অমুক। (বুখারী, মুসলিম, তিরমিযী, আবু দাউদ)

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 প্যারিসের বিরাট ঘটনা

📄 প্যারিসের বিরাট ঘটনা


আমি একবার প্যারিস ভ্রমণে ছিলাম। এর আগে আমি পূরোপুরিভাবে পালাবরত' পর্বতসমূহ ভ্রমণ করছি। এ পর্বতগুলো ছিল সবুজ শ্যামল হত। তার শ্যামলতা চির অম্লান। যুগ-যুগান্তর থেকে মানুষ এ দৃশ্য অবলোকন করে আসছে। আমার অভিজ্ঞতা হল, যে ব্যক্তি একবার ঐ দৃশ্য অবলোকন করেছে, সে এর পর সম্ভবতঃ অন্য কোন দৃশ্য পছন্দ করবে না।

আমি প্যারিস সফরে থাকাকালে এক স্থানে আমার আশ্চর্যজনক অভিজ্ঞতা হয়। আমি এক বন্ধুর ঠিকানা খুঁজে খুঁজে অবশেষে তার গৃহে গিয়ে পৌছি। আমি কলিংবেল চাপ দিতেই ভিতর থেকে আওয়াজ আসে, কে? বললাম, "আমি"। কিন্তু দরজা খোলা হয়নি, কিছুক্ষণ অপেক্ষা করার পর আমি পুনরায় কলিং বেল চাপলাম। পুনরায় আওয়াজ আসে, কে? তখন বললাম, "আমি"। কিন্তু এবারও নীরবতা নেমে আসে। দরজা খোলা হয়নি। অপেক্ষা করার পর পুনরায় কলিং বেল চাপলাম, তারপর আওয়াজ আসে, কে? আমি তখন নিজের পূর্ণ নাম ও ঠিকানা বলতে শুরু করি। তারপর তাৎক্ষণাৎ দরজা খোলা হয়। আমার বন্ধুর মুচকি হাসি মাখা চেহারা দেখে আমি অভিযোগের সুরে বললাম, দরজা খুলতে এতো বিলম্ব হল কেন? তখন সে বলল, মূলতঃ আমাদের এখানের নিয়ম হল যখন কোন আগন্তুক নিজের নাম না বলবে, তার জন্য দরজা খোলা হবে না। কেননা নামের দ্বারা মানুষের পরিচয় জানা যায়। উপরন্তু ঘরের লোকজন ব্যাপক ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পায়। নতুবা মারাত্মক ডাকাতিসহ অনেক ধরনের বিপদ হতে পারে।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 নমনীয় আলোচনা শোরগোল ও বিশেষজ্ঞদের অভিমত

📄 নমনীয় আলোচনা শোরগোল ও বিশেষজ্ঞদের অভিমত


এক হাদীসে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ মুনাফিকের আলামত প্রসঙ্গে বর্ণনা করেছেন, সে দিনে চিৎকার করে কথা বলা ও শোরগোল করতে অভ্যস্থ হয়। (মুসনাদে আহমদ)

ওয়াশিংটন বিশ্ব বিদ্যালয়ের অধ্যাপক ডঃ মার্কস ডিউল মানবীয় কুপ্রবৃত্তি সম্পর্কে ব্যাপক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছেন। নিম্নে তার গবেষণার প্রতিবেদন অধ্যায়ণ করুন। বর্তমান আধুনিক যান্ত্রিক ও প্রযুক্তির যুগে প্রত্যেক লোকই দুশ্চিন্তা ও অতি ব্যস্ততায় মানসিক ব্যাধিতে আক্রান্ত। এ ধরনের রোগীদেরকে কখনো বাড়তি যন্ত্রণা দেওয়া যাবে না।

স্মরণ রাখুন, পেরেশান ও কর্মব্যস্ত লোককে কখনো শোরগোল বা উচ্চ আওয়াজে ব্যতিব্যস্ত ও উত্যক্ত করবে না। আপনাকে মানবীয় সভ্যতা ও চরিত্র ভালভাবে জানতে হবে। সব চেয়ে উত্তম সভ্যতা হলো মানবিক সভ্যতা। আর ঐ আদবের বিষয়বস্তু হল, ধীরে সুস্থে কথা বলা। হুলস্থুল না করা। মানসিক উত্তেজনা মানুষকে মূলতঃ ধৈর্য্যহীন করে দেয়। এরূপ ধৈর্য্যহীন অবস্থায়ও এমন সময় আসে তখন মানুষ মরা ও মারার জন্য উদ্যত হয়। সুতরাং বর্তমান সময়ে যথাসম্ভব ক্ষীণ আওয়াজে কথা বলা, কোন প্রকার শোরগোল বা হৈ-হল্লা না করা, দৈহিক বা মানসিক কোন প্রকার চাপ প্রয়োগ না করা অতী জরুরী।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00