📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 পঞ্চম মূল্যায়ন

📄 পঞ্চম মূল্যায়ন


পূর্বে বলা হত, এ পৃথিবী তিন প্রকার পরিমাপে তথা দৈর্ঘ প্রস্ত ও উচ্চতার জগত। অর্থাৎ যা কিছু সংঘটিত হয়, তা সংঘটিত হওয়ার স্থান নির্ধারণ করার জন্য দৈর্ঘ্য, প্রস্থ ও উচ্চতা পরিমাপ করার প্রয়োজন হত। পরে সময়কে চতুর্থ পরিমাপের মর্যাদা দেওয়া হয়েছে। বলা হয়, প্রত্যেক ঘটনা শুধু একস্থানে সংঘটিত হতে পারে। কিন্তু পঞ্চম এক পরিমাপও রয়েছে, যা অভিজ্ঞ বিজ্ঞানীগণ পর্যবেক্ষণ করেছেন। আর তা হল সর্বভৌম একচ্ছত্র ক্ষমতার অধিকারী আল্লাহ তা'আলার ইচ্ছা। মহান আল্লাহ তা'আলার মর্জি ব্যতীত পৃথিবীতে কোন কিছুই সংঘটিত হতে পারে না।

وَمَا تَشَاؤُنُ إِلَّا أَنْ يَشَاءَ اللَّهُ
অর্থাৎ- আল্লাহ পাকের ইচ্চা ছাড়া তোমরা কোন কিছুই কর না। (সূরা আত্ তাকবীর ও সূরা আদ্‌দাহর)

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 আমেরিকান জনৈক মহিলার অভিমত

📄 আমেরিকান জনৈক মহিলার অভিমত


"প্রতিদিনের স্বাভাবিক অবস্থায় একদিন অনাকাঙ্খিতভাবে আমার যায়। আমি আমার জীবনে প্রথমবার বাস্তবতার অবস্থা ও সৌন্দর্য উপভোগ করি। এসব বস্তু সাধারণ ছিল। কিন্তু আমি এগুলো অভিনবরূপে দেখি। আমি যা বুঝি তা তাদের প্রকৃত রং। আমি প্রথমবার অনুভব করি যে, সৃষ্টিজগত অত্যন্ত সুন্দর ও মনোরম। আর এর সৌন্দর্য্য ভাষায় বর্ণনাতীত।”

"আমার অন্তর্দৃষ্টি খুলে যাওয়ার ফলে আমি ঐ মুহূর্তে বাস্তবতার এক ঝলক প্রত্যক্ষ করি। এ মূহূর্তে ঐ সৌন্দর্য আমার দৃষ্টি গোচর হয়েছে, যা তাতে সর্বদা বিদ্যমান। আমি দেখি যে, জগতের সব কিছুই বস্তু অতিসুন্দর ও মনোরম। আর এক অস্বাভাবিক গুরুত্ববহ।"

"এক অতি নয়নাভিরাম চুড়ই পাখি সহসা কিচিরমিচির শব্দ করে পাশের ডালে গিয়ে বসছে। তার এই সুরের মুর্ছনা এতো মোহনীয় ছিল যে, তা শুধু সকালের নক্ষত্র সমূহের রাগই তা কিছুটা প্রকাশ করতে পারে। আমি তা বর্ণনা করতে সম্পূর্ণ অক্ষম। তবে তা আমার দেখা ভীষণ জরুরী ছিল।"

আমি ঐ দিন জীবনকে তার আসলরূপে দেখি। আর তখন আমার অনুভব হয় যে, সে অপরূপ সৌন্দর্যের অধিকারী। তার মূল্য বর্ণনাতীত। আশ্চর্যের ব্যাপার হল, ঐ সুন্দর রূপলাবণ্যের সাথে উদ্যমে বিস্ময়কর অনুভূতি ছিল। কিন্তু ঐ অনুভূতি আমার জ্ঞান প্রজ্ঞার আওতার বাইরে ছিল। তাতে সূরের কোন রাগ ছিল না। কিন্তু ল'য়ের বিষ্ময়কর ও আশ্চর্য্যজনক বিদ্যমান ছিল। যা সমস্তসৃষ্টি জীবের মধ্যে এক অপরিচিত অজানা ভাবাবেগের সাথে সমানে অগ্রসর হচ্ছে। আর ঐ প্রশস্ত একের মধ্যে ক্ষুদ্র থেকে অতি ক্ষুদ্র বস্তুর নড়াচড়াও ঢেউয়ের সাথে হচ্ছে। কোন পাখি উড়তে, তখন তার জন্য কোথায় ও কেউ এমন সূর উঠাতো যা তাকে উড়তে বাধ্য করে। অথবা এ কথা বলুন যে, ঐ উড়ন্ত পাখি থেকেই ঐ সূর ফুটে উঠছে। অথবা ঐ মহা এরাদাই (আল্লাহ তা'আলার ইশারা) প্রত্যেকের আকাঙ্খা ইচ্ছায় প্রতিফলিত হচ্ছে। ঐ মহান সত্ত্বা চান যে, ঐ পাখি উড়ুক। এ মুহূর্তে আমি ঐ শব্দসমূহের সত্যায়ন করছি যে, জমিনে একটি পাতাও আল্লাহ তা'আলার ইলম ও ইচ্ছা ব্যতীত পতিত হয় না। নিজ চোখে দেখেছি。

এ মুহূর্তে আমার মত প্রত্যেক মানুষ বরং সৃষ্টিজীবের প্রতিটি সৃষ্টি অপুরন্ত মব্বত ও আকর্ষণ অনুভব করছে। যদি মহান আল্লাহ তা'আলার ইচ্ছায় এরূপ অনুভব না হত, তাহলে কি আমাদের জন্য তা অনুভব করা সম্ভব হত।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 কুরআন ও বিজ্ঞান

📄 কুরআন ও বিজ্ঞান


الَّذِي جَعَلَ لَكُمْ مِنَ الشَّجَرِ الْأَخْضَرِ نَارًا فَإِذَا أَنْتُمْ مِنْهُ تُوقِدُونَ .
যিনি তোমাদের জন্য সবুজ বৃক্ষ থেকে অগ্নি প্রজ্জলিত করেন, তখন তোমরা তা থেকে আগুন জ্বালাও। (সূরা ইয়াসিন-৩৬)

সবুজ শ্যামল বৃক্ষরাজীর মধ্যে অক্সিজেন উৎপন্ন হয়। যা আগুন জ্বালাতে সাহায্য করে। আর আমরা এর দ্বারা আগুন প্রজ্বলিত করি। একটু গভীর মনোযোগের সাথে চিন্তা করুন, কত মূল্যবান কথা বর্ণনা করা হয়েছে।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00