📄 অবৈধ কালো টাকার ছড়াছড়ি
চার অক্ষরের সম্পদ শব্দ এতো আকর্ষণীয় ও চিত্তাকর্ষক, যে তাকে দেখবে, সে এর নেশায় উন্মাদ। আর এর জন্য নিজের দ্বীন ঈমান ও ন্যায় নীতিকে সগৌরবে বিসর্জন দিয়ে যাচ্ছে। পুঁজিপতি ও জমিদাররা নিজেদের পুঁজি ও জমিদারী বৃদ্ধির কাজে অহর্নিশি পরিশ্রমে মরিয়া হয়ে লেগেছে। এ জন্য যে কোন প্রকার বৈধ-অবৈধ পন্থা ব্যবহার করছে। স্বীয় অসৎ উদ্দেশ্য চরিতার্থ করার লক্ষ্যে তারা সরকারী দফতর সমূহ ও রাজনৈতিক নেতাদেরকে ব্যবহার করছে। তাদের অবৈধ পন্থায় উপার্জিত সম্পদ গোপন করার ও আয়কর ফাঁকি দেওয়ার জন্য তাদের বুরোকেসি ও প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতাদের দ্বারস্থ হতে হয়।
সম্প্রতী চালিত এক জরিপের রিপোর্ট মোতাবেক সুইজারল্যাণ্ডের খ্যাতনামা বড় পাঁচ ব্যাংকের সম্পদের পরিমাণ হল ১২০০ কোটি ডলার। তন্মধ্যে ইউ,পি,এস, ব্যাংকে ৫৮০ কোটি ডলার। ক্রেডিটসুইজ ব্যাংকে ২৯০ কোটি ডলার। সিটি ব্যাংক, সিরিজ ব্যাংক ও মিল ব্যাংকের মধ্যে প্রত্যেকের একাউন্টে প্রায় সোয়া কোটি ডলার জমা রয়েছে। তারা উক্ত একাউন্টের মালিকদের রক্ষার সর্বাত্মক চেষ্টা করছে। তাদের একাউন্ট পর্যন্ত কাউকে পৌঁছতে দেয় না। সুইজারল্যান্ডের অর্থনৈতিক বুনিয়াদ এ ব্যাংক ইন্ডাস্ট্রিজের উপর নির্ভরশীল। এ কারণে ওখানের একাউন্ট হোল্ডারগণ প্রত্যেকে সর্বাত্মক নিরাপত্তা বোধ করছে। যদি আপনার নিকট অবৈধ উপায়ে অর্জিত অর্থ যথা চোরাচালান, সরকারী সুদের কমিশন বা কর্ক ব্যকস ঘুষ, মজুতদারীর মাধ্যমে অর্জিত এক কোটি ডলার থাকে। তাহলে আপনি ঐ ব্যাংক সমূহের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। আর এই ব্যাংক আপনার ঐ অর্থকে নিরাপদ করার এমন পন্থা বলে দেবে যে, অন্য কোন সংস্থা ঐ একাউন্টস সমূহ বাতি লাগিয়েও এর কোন সন্ধান পাবে না। আপনার এক কোটি ডলারকে দুনিয়ার দৃষ্টির অন্তরালে গোপন করার এ কাজ তারা এতো দক্ষতা ও নিরাপত্তার সাথে সমাধান করবে যে, ঐ পর্যন্ত পৌছা জিন-পরীর পক্ষেও অসম্ভব।
আমেরিকান কংগ্রেসের জেনারেল একাউন্ট দফতরে দীর্ঘ আট মাসের ধারাবাহিক পরীক্ষা নিরীক্ষার পর যে প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়, তাতে সত্যিই বিস্ময়কর তথ্য ও তত্ত্ব প্রকাশ পেয়েছে। কংগ্রেসের পর্যবেক্ষক প্রতিনিধিদল মেক্সিকোর সাবেক প্রধানের ভ্রাত রাউন্ড মালিয়ানাসডিগোর ট্যারির অবৈধ উপায়ে অর্জিত সম্পদকে মেক্সিকো থেকে গ্যামেন আইল্যান্ডের অব্যবহৃত কোম্পানী সমূহতে রূপান্তরের প্রচেষ্টা করে। তার এ অগাধ অর্থকে আমেরিকার সিটি ব্যাংকের মাধ্যমে প্রেরণ করে। পৃথিবীতে যার হাজারো শাখা রয়েছে।
রাউন্ড চালনিসকে বর্তমানে অবৈধ অর্থ উপার্জন, হত্যা ও সন্ত্রাসের দায়ে গ্রেফতার করে মেক্সিকোর কারাগাকে রাখা হয়েছে। গত অক্টোবরে মেক্সিকো সরকার একশ' চৌদ্দ মিলিয়ন ডলার বায়েজাপ্ত করার ঘোষণা জারী করে। এ অর্থ চালনিস ড্রাগ মাফিয়াকে রক্ষা করার মাধ্যমে উপার্জন করেছে। কিন্তু সুইজ সরকার মেক্সিকো সরকারের প্রস্তাব অস্বীকার করে। জেনারেল একাউন্ট অফিসের উক্ত প্রতিবেদনে সিটি ব্যাংককে এর জন্য সরাসরি দোষি সাব্যস্ত করা হয় যে, সে চালনিসের একাউন্ট খোলার সময় আদৌ জানার চেষ্টা করেনি- সে এতো বিপুল অর্থ কিভাবে উপার্জন করেছে বরং ব্যাংকারা তাকে সে ভুয়া কোম্পানী ও একাউন্ট খুলে নিজের অবৈধ পুঁজি নিরাপদ করতে কি ভাবে সক্ষম হবে সে পথও দেখিয়ে দিয়েছে।
সিটি ব্যাংকের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাগণ এসংক্রান্ত প্রশ্নের জবাব দিতে অপারগতা প্রকাশ করে। এই প্রতিবেদনের মাধ্যমে তা তুলে ধরা হয়েছে। তারা অভিমত প্রকাশ করে যে, উক্ত প্রতিবেদনে গরমিল ও ভুল তথ্য রয়েছে। আর ব্যাংক যথাসম্ভব চালনিসের অর্থ উপার্জনের বিষয় অবগত হয়েছে। তাদের ধারনা অনুযায়ী তার একাউন্ট সম্পর্কে অভিযোগ উত্থাপন করে বলার মত কিছু ছিল না।
যতদূর সম্ভব চালনিসের সিটি ব্যাংকের একাউন্ট প্রচলিত ব্যাংক আইন অনুযায়ী সঠিক ছিল। যার মাধ্যমে সে তার প্রাইভেট ব্যাংকার এ্যামিএলিট সম্পদ ক্রয়-বিক্রয় ও স্টক মার্কেট পুঁজি বিনিয়োগের ব্যবসার দীর্ঘদিন থেকে চালিয়ে আসছে। কিন্তু যেভাবে চালনিসের পুঁজি এক দেশ থেকে অন্য দেশে অতিদ্রুত স্থানান্তর করা ইত্যাদি নগন্য ও অতি সাধারণ ব্যাপার ছিল, সিটি ব্যাংকের দৃষ্টিতে এ অভিমত অতি গুরুত্বহীন বিষয়। তাদের ধারনা মতে এটা হল বর্তমান ব্যবসার রীতি নীতি।
জেনারেল একাউন্টিং অফিসের এই রিপোর্ট মোতাবেক এ সিআই ট্রেড যে পদ্ধতি গ্রহণ করেছে, তা হল, চালনিসের স্ত্রী পাওলিনাকাস্টানো মেক্সিকোর সিটি ব্যাংকের নগর শাখায় মেক্সিকোর বিভিন্ন ব্যাংকের বিপুল পরিমাণ অংকের চেক নিয়ে আসে এবং এক নকল নামে ঐ চেকের টাকা সিটি ব্যাংক নিউইয়র্ক শাখায় স্থতানান্তর করে নেয়। চালনিসের মেক্সিকোর সিটি ব্যংকের নগর শাখায় কোন একাউন্ট ছিল না। আর এ কারণে তার পাঠানো অর্থের সাথে তার কোন সংশ্লিষ্টতা প্রমাণ হয়নি। নিউইয়র্কের সিটি ব্যাংকে এ অর্থ এক ছদ্ম নামে কিছু দিনের জন্য জমা রাখা হয়। কিন্তু কোন প্রকার দলীল প্রমাণ দ্বারা এ অর্থের সাথে চালনিসের সংশিষ্টতা প্রমাণ করা যায়নি।
এখান থেকে চালনিসের নাম আরো বেশী করে গোপন করার নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়। এমিএলিটের সাহায্যে চালনিস টোরকাকের নামে কিম্যান আইল্যান্ডে বেনামী এক কোম্পানী প্রতিষ্ঠা করা হয়। টেরি কাকের সাথে আরো তিনটি প্রতিষ্ঠান ছিল, যা ঐ কোম্পানীর নামে তালিকাভূক্ত ছিল, আর ঐ কোম্পানী সমূহ কিম্যান আইল্যান্ডের আইন মোতাবেক ছিল। এছাড়াও ঐ চার কোম্পানীর সবচেয়ে বড় অংশীদার অপর এক কোম্পানী ছিল, যার আভ্যন্তরীন লেনদেনে কিম্যান আইল্যান্ডের কঠোরতম আর্থ আইনের নিয়ন্ত্রণ ছিল। যার কারণে তার আর্থিক কর্মকাণ্ড সম্পূর্ণরূপে গোপন থেকে যায়।
টোরকা নিজ অর্থের মাধ্যমে সিটি ব্যাংকের জাকুরছ ও লন্ডনের শাখা সমূহের মাধ্যমে অর্থ আদান প্রদান করেছিল। এ আর্থিক লেনদেন অন্য এক ব্যংক একাউন্টের মাধ্যমে করা হত। যা নিশ্চিত ঐ নামে খোলা হয়েছিল। ঐ একাউন্টের মাধ্যমে ষ্টক ও বন্ড সংরক্ষণ করা হয়েছে। এসি এলিট এ সব ধাপ অতিক্রম করার পর তার ঐ এক কোটি ডলারকে পৃথিবীর দৃষ্টি থেকে গোপন করাতে সফলতা লাভ করে। তার মালিকের সাথে সে নামমাত্র অবগত ছিল। আর মালিকের সাথে কখনো তার মুখোমুখি সাক্ষাত হয়নি। জেনারেল একাউন্টিং অফিসের প্রতিবেদন মোতাবেক সিটি ব্যাংকের পক্ষ থেকে অভিমত প্রকাশ করা হয় যে, চালনিসের একাউন্টে জমাকৃত অর্থ এক বিরাট নির্মান কোম্পানী বিক্রয়ের মাধ্যমে লাভ হয়েছে। অথচ ব্যাংকের ঐ নির্মান কোম্পানী সম্পর্কে কিছুই জানা ছিল না। তাদের এ বিষয়ও অজানা ছিল যে, ঐ নির্মান কোম্পানীর নাম কি অথবা ঐ কোম্পানীকে কে কত টাকার বিনিময়ে ক্রয় করেছে। আর চালনিস সেটি বিক্রয়ের মাধ্যমে কত টাকা আয় করেছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে এটা সম্ভবতঃ এ সংক্রান্ত বিষয়ে ব্যাংকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষমতা ছিল না। কেননা এ অভিযোগ প্রমাণ করার এর কথায় গ্রহণ যোগ্যতা প্রমাণ করার জন্য জরুরী ছিল যে, চালনিস এক সন্ত্রাসী ছিল। আর এটাও জরুরী ছিল যে, তার একাউন্ট খোলার সময় ব্যাংক তার সম্পদের বিষয় পুরোপুরি অবগতি ছিল যে, তারা একজন অপরাধীকে ব্যাংকিং সুবিধা দিয়েছে। অতীতেও ব্যাংকের বিরূদ্ধে আনিত এ সব অভিযোগ প্রমাণ করা যায়নি। এর আরো এক শক্তিশালী কারণ হতে পারে যে, ব্যাংকের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ প্রমাণ করার অর্থ ঐ ব্যাংকের লাইসেন্স নিশ্চিত বাতিল করা। আর সম্ভবতঃ পৃথিবীর অধিকাংশ দেশ আমেরিকার বড় ব্যাংক সমূহের বিরুদ্ধে এ ধরনের ব্যবস্থা নিতে চায় না।
📄 তথ্য সন্ত্রাসের মাধ্যমে ধনাঢ্য হওয়া নব যুবক
বৃটেনের ধনাঢ্য যুবকদের সারীতে আসা উদ্যমী ও পরিশ্রমি যুবক অন্তর্ভূক্ত হয়েছে। তাদের সারীতে তথ্য ও প্রবন্ধ হাইজ্যাককারী ওলিমক্যারলিসের নামও রয়েছে। ওলিম এ সময় কারাগারে বন্দী। আর তার তথ্য সন্ত্রাসের মাধ্যমে অর্জিত সম্পদের পরিমাণ আনুমানিক ৪ মিলিয়ন পাউন্ড। সে নিজের কোম্পানীকে তথ্য চোরা চালানীদের জন্য বন্ধুর মত ব্যবহার করে। ওলিম কারসী চোরাচালানীর মাধ্যমে বিপুল পরিমান অর্থ উপার্জন শুরু করে। পুলিশ এ বছর জানুয়ারী মাসে তাকে গ্রেফতার করে। তার নিকট থেকে চেরাচালানীর কোন তথ্য বের করা সম্ভব হয়নি। কিন্তু সে চোরাচালানীর সাথে তার জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে। যার কারণে তাকে ১১বছরের জেল দেওয়া হয়।
📄 পঞ্চম মূল্যায়ন
পূর্বে বলা হত, এ পৃথিবী তিন প্রকার পরিমাপে তথা দৈর্ঘ প্রস্ত ও উচ্চতার জগত। অর্থাৎ যা কিছু সংঘটিত হয়, তা সংঘটিত হওয়ার স্থান নির্ধারণ করার জন্য দৈর্ঘ্য, প্রস্থ ও উচ্চতা পরিমাপ করার প্রয়োজন হত। পরে সময়কে চতুর্থ পরিমাপের মর্যাদা দেওয়া হয়েছে। বলা হয়, প্রত্যেক ঘটনা শুধু একস্থানে সংঘটিত হতে পারে। কিন্তু পঞ্চম এক পরিমাপও রয়েছে, যা অভিজ্ঞ বিজ্ঞানীগণ পর্যবেক্ষণ করেছেন। আর তা হল সর্বভৌম একচ্ছত্র ক্ষমতার অধিকারী আল্লাহ তা'আলার ইচ্ছা। মহান আল্লাহ তা'আলার মর্জি ব্যতীত পৃথিবীতে কোন কিছুই সংঘটিত হতে পারে না।
وَمَا تَشَاؤُنُ إِلَّا أَنْ يَشَاءَ اللَّهُ
অর্থাৎ- আল্লাহ পাকের ইচ্চা ছাড়া তোমরা কোন কিছুই কর না। (সূরা আত্ তাকবীর ও সূরা আদ্দাহর)
📄 আমেরিকান জনৈক মহিলার অভিমত
"প্রতিদিনের স্বাভাবিক অবস্থায় একদিন অনাকাঙ্খিতভাবে আমার যায়। আমি আমার জীবনে প্রথমবার বাস্তবতার অবস্থা ও সৌন্দর্য উপভোগ করি। এসব বস্তু সাধারণ ছিল। কিন্তু আমি এগুলো অভিনবরূপে দেখি। আমি যা বুঝি তা তাদের প্রকৃত রং। আমি প্রথমবার অনুভব করি যে, সৃষ্টিজগত অত্যন্ত সুন্দর ও মনোরম। আর এর সৌন্দর্য্য ভাষায় বর্ণনাতীত।”
"আমার অন্তর্দৃষ্টি খুলে যাওয়ার ফলে আমি ঐ মুহূর্তে বাস্তবতার এক ঝলক প্রত্যক্ষ করি। এ মূহূর্তে ঐ সৌন্দর্য আমার দৃষ্টি গোচর হয়েছে, যা তাতে সর্বদা বিদ্যমান। আমি দেখি যে, জগতের সব কিছুই বস্তু অতিসুন্দর ও মনোরম। আর এক অস্বাভাবিক গুরুত্ববহ।"
"এক অতি নয়নাভিরাম চুড়ই পাখি সহসা কিচিরমিচির শব্দ করে পাশের ডালে গিয়ে বসছে। তার এই সুরের মুর্ছনা এতো মোহনীয় ছিল যে, তা শুধু সকালের নক্ষত্র সমূহের রাগই তা কিছুটা প্রকাশ করতে পারে। আমি তা বর্ণনা করতে সম্পূর্ণ অক্ষম। তবে তা আমার দেখা ভীষণ জরুরী ছিল।"
আমি ঐ দিন জীবনকে তার আসলরূপে দেখি। আর তখন আমার অনুভব হয় যে, সে অপরূপ সৌন্দর্যের অধিকারী। তার মূল্য বর্ণনাতীত। আশ্চর্যের ব্যাপার হল, ঐ সুন্দর রূপলাবণ্যের সাথে উদ্যমে বিস্ময়কর অনুভূতি ছিল। কিন্তু ঐ অনুভূতি আমার জ্ঞান প্রজ্ঞার আওতার বাইরে ছিল। তাতে সূরের কোন রাগ ছিল না। কিন্তু ল'য়ের বিষ্ময়কর ও আশ্চর্য্যজনক বিদ্যমান ছিল। যা সমস্তসৃষ্টি জীবের মধ্যে এক অপরিচিত অজানা ভাবাবেগের সাথে সমানে অগ্রসর হচ্ছে। আর ঐ প্রশস্ত একের মধ্যে ক্ষুদ্র থেকে অতি ক্ষুদ্র বস্তুর নড়াচড়াও ঢেউয়ের সাথে হচ্ছে। কোন পাখি উড়তে, তখন তার জন্য কোথায় ও কেউ এমন সূর উঠাতো যা তাকে উড়তে বাধ্য করে। অথবা এ কথা বলুন যে, ঐ উড়ন্ত পাখি থেকেই ঐ সূর ফুটে উঠছে। অথবা ঐ মহা এরাদাই (আল্লাহ তা'আলার ইশারা) প্রত্যেকের আকাঙ্খা ইচ্ছায় প্রতিফলিত হচ্ছে। ঐ মহান সত্ত্বা চান যে, ঐ পাখি উড়ুক। এ মুহূর্তে আমি ঐ শব্দসমূহের সত্যায়ন করছি যে, জমিনে একটি পাতাও আল্লাহ তা'আলার ইলম ও ইচ্ছা ব্যতীত পতিত হয় না। নিজ চোখে দেখেছি。
এ মুহূর্তে আমার মত প্রত্যেক মানুষ বরং সৃষ্টিজীবের প্রতিটি সৃষ্টি অপুরন্ত মব্বত ও আকর্ষণ অনুভব করছে। যদি মহান আল্লাহ তা'আলার ইচ্ছায় এরূপ অনুভব না হত, তাহলে কি আমাদের জন্য তা অনুভব করা সম্ভব হত।