📄 বৃটেনের সেরা ১০ ধনাঢ্য মহিলা
১. লেডি হ্যানরিজ - ১৫০০বিলিয়ন পাউন্ড
২.চার্চ গোন্ডেনেস- ১১০০ বিলিয়ন পাউন্ড
৩. ম্যালাওয়াকা এ্যলিস্টন- ৯০০ বিলিয়ন পাউন্ড
৪. এ্যন গোলাজ- ৪৫০ বিলিয়ন পাউন্ড
৫. ক্যালেরস প্যারোজ- ৪৫০ বিলিয়ন পাউন্ড
৬. প্যারিডি লিসলেট- ৪২০ বিলিয়ন পাউন্ড
৭. প্যালমা প্যাকাসো- ৩৫০বিলিয়ন পাউন্ড
৮. বৃটেন সম্রাজ্ঞী- ২৫০বিলিয়ন পাউন্ড
৯. জিসি ওয়াল্ডডেন- ২২৬বিলিয়ন পাউন্ড
১০. প্যাসনি লোপ গোরম্যান- ১৯৪ বিলিয়ন পাউন্ড
📄 সম্পদ ছাই-ধোঁয়ার মত
এদিক থেকে আমেরিকার সৌভাগ্যবান যে, পৃথিবীর ৫০জন সেরা ধনাঢ্য ব্যক্তির মধ্যে ২৪ ব্যক্তি এ মহাদেশের সাথে সম্পর্কিত। তন্মধ্যে তিন জন ধনাঢ্য ব্যক্তি সফ্টওয়ার ইন্ডাষ্ট্রিজের সাথে জড়িত। বিলগেটস ছাড়াও আরো ৬ জন এ ধরনের লোক আমেরিকার শীর্ষ স্থানীয়, যারা পৃথিবীর সবচেয়ে সেরা ও উন্নত কম্পিউটার সফ্টওয়ার ইন্ডাস্ট্রিজের সাথে জড়িত। কিন্তু আমেরিকার অর্থনীতিতে শুধু বিলগেটস শেষ ব্যক্তি নয়। এখানে ওয়ান্ট রবিনসনের মত বড় ব্যবসায়ী রয়েছে। যার ডিসকাউন্ট সূদুর চীন পর্যন্ত বিস্তৃত। ব্রুনাইয়ের সুলতানকে দীর্ঘদিন যাবত পৃথিবীর সেরা ধনাঢ্য ব্যক্তি বলা হত। কিন্তু বিল গেট্সের কম্পিউটারের জগতের প্রভৃত্ব ও তৈলের মূল্য হ্রাসের কারণে এখন তার স্থান পৃথিবীর ধনাঢ্য ব্যক্তিদের তালিকায়, তৃতীয় নম্বরে। সৌদী আরবের শাহ ফাহাদের সম্পদও গত বছর ৩.৭৫ বিলিয়ন পাউন্ডের ঘাটতি দেখা দিয়েছে。
📄 সুপার মডেলিং ও প্রসাধন ব্যবসায়
বিংশ শতাব্দির শেষ কয়েক বছরের মধ্যে মিডিয়া তার অস্বাভাবিক মোহিনী শক্তির দ্বারা বিস্ময়কর যাদু সৃষ্টি করেছে। ইলেক্ট্রনিক্স মিডিয়া আকাশ সংস্কৃতির ব্যাপকতার মাধ্যমে সারা বিশ্বকে এক সূতায় আবদ্ধ করে দিয়েছে। এখন তার যাদুর ক্রিয়া থেকে বেরিয়ে আসা সম্পূর্ণ অসম্ভব মনে হচ্ছে। এ সময় বৃটেনের সুপার মডেলিং ব্যাপক খ্যাতি ছড়িয়ে তারা আগাধ সম্পদের মালিক হয়ে যায়। ঐ মডেলদের মধ্যে ইস্পাইস গোরাল্ডের ২৪ বছরের ভিক্টোরিয়া ইন্ডোজের সম্পদের মূল্য ২৪ বিলিয়ন পাউন্ড। ২৩ বছর বয়স্ক ম্যালনাসি ২২ মিলিয়ন পাউন্ডের মালিক হয়েছে। প্রসাধন ব্যবসায়ী গ্যারিবার শুধু ২৮বছর বয়সে ২০ মিলিয়ন ডলার উপার্জন করেছে। সুপার মডেল নাওমি ক্যামপবেলের সম্পদের পরিমাণ প্রায় ১০মিলিয়ন পাউন্ড।
📄 বৃটেনের ধনাঢ্য নবযুবক
পরিশ্রম ও ভাগ্যের দ্বারা তারা নিজ দুনিয়া গঠন করে নিয়েছে। যৌবনে অর্থ-সম্পদের প্রাচুর্য্যতা আর এর মাধ্যমে জীবনে আরামআয়েশে পরিপূর্ণ স্বাদ উপভোগ করার মজাই আলাদা। আজকের সম্পদশালী এক যুবক কাল যখন নতুন প্রজন্মকে নিজের সম্পদ স্থানান্তর করে দেবে, তখন এর মধ্যে লম্বা চওড়া জমিদারী ও গগনচুম্বি প্রাসাদ থাকবে না বরং অগণিত অসংখ্য নিত্য নিতুন আধুনিক প্রযুক্তির ব্যাপক উদ্ভাবন হবে। বর্তমানে বৃটেনের ধনাঢ্য নব যুবকদের এক পরিসংখ্যান প্রকাশ করা হয়, সে তালিকায় প্রকাশিত যুবকদের অধিকাংশই জমিদার খান্দানের সাথে সংশ্লিষ্ট নয়। বরং ইন্টারনেট, সফ্টওয়ার, টেলিকম সরঞ্জম, কম্পিউটারাইড্ টেলিকম, কম্পিউটার গেম্স, শো-বিজনেস, মডেলিং সংক্রান্ত ব্যবসা ও এ ধরনের অন্যান্য পেশার সাথে জড়িত। ঐ সব নবযুবকদের সকলের বয়স ২৩ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে। আর তারা সকলে স্বস্ব পেশায় অক্লান্ত পরিশ্রম করেছে। জিস্যান ডারমুন্ড ২৯ বছর বয়সে বিজনেস ইন্টারনেট সরঞ্জামের সূচনা করে। ডারমুন্ড বাল্যকালে তার মাতাপিতাকে প্রায় সময় বলত 'আমি দোকানদার হব। কিন্তু ভাগ্য তাকে কোন দোকানের কাউন্টারের পেছনে বসার স্থলে ইন্টারনেটের এক ব্যাপক কারবারের মালিক বানিয়ে দেয়। বর্তমানে তার বিনিয়োগকৃত সম্পদের পরিমাণ ২৪ মিলিয়ন পাউন্ড।
তার কোম্পানী ওরলিড ওয়াডিবের শীর্ষস্থানীয় বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান। আর সে নিজ জনপ্রিয়তার কারণে কপিরাইটের অধিকার সংরক্ষণের জন্য অশেষ সংগ্রাম করতে হয়েছে। ডরনিজাড বর্তমানে নিউইয়র্কে নিজ দফতর প্রতিষ্ঠা করেছে। অতি তাড়াতাড়ি ব্যবসা প্রসার লাভ করার কারণে তার সম্পদও দ্রুত গতিতে বৃদ্ধি লাভ করেছে। ডরইজাড ১৫ বছর বয়সে ব্যবসার জগতে আবির্ভূত হয়'। প্রথমে গেম্স, সফ্টওয়ার ক্রয় করে। তারপর স্থানীয় এজেন্সীর মাধ্যমে তা বিক্রয় করার কারণে সে নিজ ব্যবসায় উন্নতি লাভ করে। ডরইজান্ডের শিক্ষা অসমাপ্ত থাকার জন্য কোন আক্ষেপ নাই। তার দুঃখ হলো, ব্যবসার কারণে তার সামাজিক জীবনের পরিসমাপ্তি ঘটছে।
ইন্টারনেট সফটওয়্যার ডেভেলপার হিসেবে এডাম টুইস ও ডিম্যাইন রির্ডজ ব্যাপক খ্যাতিও বিপুল অর্থ সঞ্চয় করেছে। বৃটেনের ধনাঢ্য তনয়দের মধ্যে তার স্থান দ্বিতীয়। আর সম্পত্তি ও মালপত্রের পরিমাণ আনুমানিক ১৩মিলিয়ন পাউন্ড।
২৩ ও ২৫ বছর বয়স্ক ক্যমব্রিজগর ইজুনিন্ট নবযুবকদের কোম্পানী "ZEUS" বর্তমানে আমেরিকার বিরাট সফটওয়্যার সংস্থাসমূহের মধ্যে অন্যতম। তাদের মতে সফটওয়্যার ব্যবসা সারাবিশ্বে অতি দ্রুতগতিতে বিস্তার লাভ করেছে। এখন আমরা "ওয়েব সোরের মার্কেটে" নিজ নাম প্রতিষ্ঠা করতে ইচ্ছুক। এখন পর্যন্ত ঐ বিষয়ের অতি নগন্য বিষয় আমরা অভিজ্ঞতা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছি।
২৯ বছর বয়স্ক রবার্ট জন হেনরী বুনাইজের ব্যবসা টেলিকম সারাসাজের সাথে জড়িত। সে "ScooT" নামে টেলিফোন ফ্রি পিচার প্রকাশ করছে। এ সময় টেলিকম সারসাজ প্রনয়নকারী একক প্রতিষ্ঠান হিসেবে তার মূলধন ও সম্পদের পরিমাণ প্রায় ১১মিলিয়ন পাউন্ড। রবাটজন হেনরী বর্তমানে তার ব্যবসার ব্যাপক প্রসারে দৃঢ় পদক্ষেপ নিয়েছে। আর্মাষ্টাডাম ষ্টক মার্কেটে ১৪বছর বয়স থেকে কার্যকরী জীবনের সূচনা কারী রবাট জন হেনরীর সম্পর্কে শিল্পপতিদের ধারনা হল যে, সে ভবিষ্যতে এ্যলপোজিদের জগতে সবচেয়ে বেশী সুখ্যাতির অধিকারী হবে। মাত্র ত্রিশ বছরের জীবনে রবার্ট ডুডানি যে সফলতা ও সুখ্যাতি অর্জন করেছে, শিল্প ও বাণিজ্যের জগতে উল্লেখ যোগ্য স্বাক্ষর রেখেছে। রবার্টের অর্থ-সম্পদের পরিমাণ ১০ মিলিয়ন পাউন্ড। ১৯৯৬খ্রিঃ সে কম্পিউটার এজেন্সি এইচ ই এক্স গ্রুপ প্রতিষ্ঠা করে। যা জুন ১৯৯৮ পর্যন্ত সফরতার নয়া রেকর্ড প্রতিষ্ঠা করে। লন্ডন থেকে সেকেন্ড হ্যান্ড কম্পিউটার গেম্স কারবার দ্বারা ব্যবসায় জীবনের সূচনা করে। রবার্ট ডুডনীর অভিমত হল, আমি প্রথম মিলিয়ন লাভ করা স্বত্ত্বেও পরিশ্রম ও চেষ্টা পরিত্যাগ করিনি বরং আমার মূলধন ও পুঁজির ব্যাপক ব্যবহার করি। বর্তমানে ডুডনি অনলাইন ষ্টোর প্রতিষ্ঠা করতে ইচ্ছুক।
ইউনিত কোরসাহিনী ও শুধু ২৮বছর বয়স্ক কম্পিউটার রি-টাইলর। সে এমন পরিবারে বিবাহ করে, যারা কম্পিউটার যন্ত্রাংশের হোল সেল ব্যবসায় নিয়োজিত ছিল। ইউনিত ফোর ও ভি আই পি তিন কম্পিউটার কেন্দ্রের পরিচালকের দায়িত্ব পালন করত। আর অপর ডাইরেক্টরেট তার স্বামী জিতেন্দ্র ও শ্বশুর করতার দায়িত্ব পালন করত। ১৯৯৫খ্রিঃ করতার ব্যবসা থেকে বিদায় নেয়। এর পর ইউনিতকোর ও জিতেন্দ্র ব্যবসার দায়িত্বভার গ্রহণ করে। আর অতি দ্রুত উন্নতির উচ্চ শিখরে আরোহন করে। ঐ সময় এ কোম্পানীর সম্পদের পরিমান ছিল ৫মিলিয়ন পাউন্ড। ধারাবাহিকভাবে তাদের ব্যবসায় উন্নতি হতে থাকে।
চলচিত্র প্রযোজক ও পরিচালক সিথয়ান ও গ্যরিচির বয়স যথাক্রমে ২৮ ও ৩০ বছর। সম্পদের পরিমান ৯.৯০ মিলিয়ন পাউন্ড। ৩.৩ কোটি ডলারের বৃটেনের চলচিত্র শিল্পে তাদের উভয়ের উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রয়েছে। মাত্র দু'বছর পূর্বে তারা উভয় সিগারেট ও অন্যান্য ব্যবসার সাথে জড়িত ছিল। তারা উভয়ে ১৯৯৮খ্রিঃ "LOCK SIOCK" ও"Two Smokin Boorels" নামে দুই সফল চলচিত্র প্রযোজনা করে। ১৯৯৯খ্রিঃ তাদেরকে শ্রেষ্ঠ চলচিত্র ঘোষণা করা হয়। তাদের মধ্যে সিথিয়ান প্রযোজক ও রিচি পরিচালক ছিল। তাদের অভিমত আমরা একে অপরের কাজের প্রতি অত্যন্ত মনযোগী ছিলাম। তাদের উভয়ের যৌথ কাজের ফলে বৃটেনের চলচিত্র শিল্পে অল্প পুঁজি বিনিয়োগে গঠনমূলক চলচিত্র তৈরী করা হয়। যাদের মাধ্যমে ধারাবাহিকভাবে বৃটেনে সফ্টওয়ার সরবরাহ বিস্তার লাভ করে। তন্মধ্যে ২২বছর বয়স্কা জন ব্যানেটের নাম অতি অল্পদিনের মধ্যে প্রথম সারিতে স্থান পায়।
জন ব্যানেট এক সোল্পমিডিয়া নব যুবতী। আর ঐ সময় তার সম্পদের পরিমাণ ছিল ৬মিলিয়ন পাউন্ড। ঐ সময় বার মুংগয়ে অবস্থিত তার সফ্টওয়ার হাউজ বৃটেনের হাতে গোনা কতিপয় খ্যাতনামা কোম্পানীর মধ্যে সবচেয়ে বড় সফ্টওয়ার ও পি.সি. সরবরাহের অন্যতম একক প্রতিষ্ঠান ছিল। ১৬ বছর বয়সে সফ্টওয়ারের ব্যবসায় জড়িত জন জ্যানেটের পিতা তার কোম্পানীর ম্যানেজার ও তার মা কোম্পানীর বকেয়া আদায়ের ইনচার্জের দায়িত্বে নিয়োজিত হয়। আগামী কয়েক বছরের সফ্টওয়ার হাউজ কোম্পানীকে বৃটেনের চূড়ান্ত সীমায় উন্নীতকারী কোম্পানী সমূহের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ঘোষণা দেওয়া হবে।
বৃটেনের দশম ধনাঢ্য নবযুবক ইন্ডিইউফোরডের বয়স ২৭বছর। আর সফ্টওয়ার ডেভেলপার হিসেবে তার সংস্থা দ্রুত উন্নতির শিখরে আরোহন করছে। ১৭বছর বয়সে ব্যবসার জগতের প্রবেশকারী ইন্ডোরিডের এক ইন্টার স্কু কোম্পানী বর্তমানে মোবাইল ফোন ও ল্যাপটপসের সফ্টওয়ার তৈরী করছে। তখন ইন্ডিরিউয়ের সম্পদের পরিমাণ ছিল ৫.৬ মিলিয়ন পাউন্ড।