📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 ১৯৯১ খ্রিঃ বৃটেনের ১০জন খ্যাতনামা ধনাঢ্য ব্যক্তি

📄 ১৯৯১ খ্রিঃ বৃটেনের ১০জন খ্যাতনামা ধনাঢ্য ব্যক্তি


১. এরাল্ড অফ এ্যাগওয়া - জমিদারী -৪৩ মিলিয়ন পাউন্ড।
২. ডিউক অফ ওয়ারেন্ট মিনিষ্টার - প্রপার্টি - ৪০ মিলিয়ন পাউন্ড।
৩. বিলজ ফ্যমিলি - টোবাকো - ২৫ মিলিয়ন পাউন্ড।
৪. জিমারজিডি রথ চাইল্ড - ব্যাংকিং - ১৭মিলিয়ন পাউন্ড।
৫. বোন হিগজ - প্রপার্টি - ১৪ মিলিয়ন পাউন্ড।
৬. ডিসকাউন্ট পের্ডম্যান - ল্যন্ড এন্ড প্রপার্টি- ১০ মিলিয়ন পাউন্ড।
৭. ল্যডি ম্যাগডোনাল্ড সিছম্যান - হুসকী - ৭মিলিছন পাউন্ড।
৮. গ্যরটন ফ্যাইম্যান - সুগার - ৬ মিলিয়ন পাউন্ড।
৯. ডিউক অফ ব্যার্ড পোর্ড - জমিদারী - ৪.৫ মিলিয়ন পাউন্ড।
১০. কাউন্ডস প্যাল - উত্তরাধিকারী জমিদারী - ৪.৩ মিলিয়ন পাউন্ড

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 ১৮৯৯ খ্রিঃ বৃটেনের সেরা ১০ ধনাঢ্য ব্যক্তি

📄 ১৮৯৯ খ্রিঃ বৃটেনের সেরা ১০ ধনাঢ্য ব্যক্তি


১. স্যাল হুর্ডজ - হিরা ও স্বর্ণ - ৫০ মিলিয়ন পাউন্ড
২. ওল্ডাজি ফাইম্যান - টোবাকো - ৩১ মিলিয়ন পাউন্ড
৩. এরাল্ড অফ আইউর ব্যরিক - ক্রয় বিক্রয় - ২৮ মিলিয়ন পাউন্ড
৪. স্যার জন এ্যারিল ম্যান - ২০মিলিয়ন পাউন্ড
৫. লর্ড ক্যকননিজ - সূতার ব্যবসা - ১৬মিলিয়ন পাউন্ড
৬. ডিউক অফ ওয়েস্টমিনিষ্টার - জমিদারী -১৪ মিলিয়ন পাউন্ড
৭. লর্ড রুথ চাইল্ড - ব্যাংকিং - ১৪ মিলিয়ন পাউন্ড
৮. চার্লস মুরিছ - ফিনান্স - ১১মিলিয়ন পাউন্ড
৯. লর্ড এষ্টিউন - লিনুমিম - ১০.৫ মিলিয়ন পাউন্ড
১০. স্যার জিউলিস - হীরা ও স্বর্ণ - ১০মিলিয়ন পাউন্ড

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 ১৭৯৯ খ্রিঃ বৃটেনের সেরা ১০ ধনাঢ্য ব্যক্তি

📄 ১৭৯৯ খ্রিঃ বৃটেনের সেরা ১০ ধনাঢ্য ব্যক্তি


১. এ্যারান্ড গোরসুবিজ - জমিদারী - ৬.২৫ মিলিয়ন পাউন্ড
২. স্যার নিউ বিউট - জমিদারী- ৪.২ মিলিয়ন পাউন্ড
৩. লর্ড হারুড - জমিদারী ও আর্ট - ২.৬ মিলিয়ন পাউন্ড
৪. ডিউক এন ডিউন স্যায়ের - জমিদারী ও আর্ট - ২.৫ মিলিয়ন পাউন্ড
৫. ডিউক এন সুইজারল্যন্ড - ভূমি ও খনি- ২.১ মিলিয়ন পাউন্ড
৬. রিচার্ড কারশি - আয়রন - ২ মিলিয়ন পাউন্ড
৭. স্যার বরাট পিল - কার্টুন - ১মিলিয়ন পাউন্ড
৮. রিচার্ড এ্যরফ রাইড - কার্টুন - ১মিলিয়ন পাউন্ড
৯. ডিউক অফ ক্যনজারবারী - কার্টুন - ১মিলিয়ন পাউন্ড

লর্ড সাইজি ও তার পরিবার র‍্যাটলিংগের নিজস্ব ৩১০০ মিলিয়ন পাউন্ডের সম্পদের সাথে ধনাঢ্য ব্যক্তিদের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। লর্ড সাইজির কোন কোন সময় বৈদেশিক রাজনীতির সাথে সংশ্লিষ্টতা ছিল। সানডে টাইম বিগত বছরে প্রকাশিত হয়েছে, অর্ড সাইজি কোন কোন অখ্যাত কোম্পানী থেকে আর্থিক সুবিধা ভোগ করেছিল। এর উপর ভিত্তি করে এক বছরে টোরী পার্টির সদস্যগণ তার বিরুদ্ধে সমালোচনা করে বলে, সে 'জেনেটিক ফুড" এর দ্বারা তৈরি কৃত প্যালিসির ধারা আক্রমণাত্মক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। তাদের এ অপপ্রচারে লর্ড সাইজির কারবার বেশী উপকৃত হয়। আর এখন তার কোম্পানীর মূলধনের পরিমান ৩১০০ মিলিয়ন পাউন্ডে উন্নীত হয়েছে।

অর্থ-সম্পদের সাথে সম্পর্ক স্থাপনকারী জর্জ সুজের স্থান ছিল তখনকার হাজার মিলিয়ন পাউন্ড সম্পদের সাথে বৃটেনের ধনাঢ্য ব্যক্তির মধ্যে তিন নম্বরে। ১৯৯২ খ্রিঃ ঐ সময় সর্বপ্রথম জর্জের নাম শুনা যায়, যখন সে বৃটেনকে ইউরোপিয়ান একসসাইজ র‍্যাট-ম্যকানিজম থেকে বের করার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আদায় করেছিল। জর্জ সুজো এক পুঁজিপ্রতি হিসেবে যা কিছু উপার্জন করত, তার বিরাট এক অংশ জনকল্যাণ সংস্থার ব্যয় করে দিত। তিনি সমূদ্র উপকূলীয় অঞ্চলে বৃটিশ আর্ট ও শিক্ষা বিস্তারের উদ্দেশ্যে এক তহবিল গঠন করার উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করা। বৃটেনের চতুর্থ ধনাঢ্য ব্যক্তি জোসেফ লুইসেরও ফিন্সসের সাথে সম্পর্ক ছিল। ৬২ বছর বয়স্ক জোসেফ বেশীর সময় বাহামাতে অবস্থান করেছে। সে ভীষণ নীরবতা পালনে অভ্যস্থ ছিল। তার বর্তমান সম্পদ ১৭৫০ মিলিয়ন পাউন্ড। বর্তমানে সে ইউরোপীয় তিনটি ফুটবল ক্লাব খরিদ করেছে। তৎসঙ্গে আরও কতিপয় খ্যতনামা কোম্পানীতে পুঁজি বিনিয়োগ করেছে।

জমিন ও সম্পদের কারবারে বৃটেনের চতুর্থ ধনাঢ্য ব্যক্তি ডিউক অফ ওয়াষ্টে মিনিষ্টারের সম্পদের পরিমাণ ১৭৫০ পাউন্ড ছিল। লন্ডনের কেন্দ প্যায়াবে ডিউক অফ ওয়াষ্টে মিনিষ্টারের ৩শ একর ভূমির স্থান বৃটেনের সবচেয়ে বেশী দামী জমীনের মধ্যে গণ্য। সে তখনই প্যারিসেও ভূমি ব্যবসায় দফতর প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে পুঁজি বিনিয়োগ করে। আটার মিল, সরবরাহ, ফুটবল, ফুল ব্যবসায়ী লেডি গ্রীণ সিষ্টার এন্ডো মুরছির পরিবার তাদের ১৫০০ পাউন্ড সম্পদের সাথে বৃটেনের ষষ্ঠ শীর্ষ স্থানীয় বংশ ঘোষণা করা হয়। লেডি গ্রীণ সিষ্টার স্যার জন মুরের কন্যা ছিল। আর সে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মধ্যবর্তী সময় ফুল ব্যবসাকে প্রসারিত করে। লেডী গ্রীণ সিস্টার ও তার বংশের সম্পদ এবং মেল অর্ডারের ব্যবসা প্রতিনিয়ত উন্নতি লাভ করে। আর ধারাবাহিকভাবে তার সম্পদ বৃদ্ধি লাভ করতে থাকে।

গারফিল্ড ওয়েষ্টন ইন্ডের পরিবার খাদ্য ব্যবসার সাথে জড়িত। যার ১৫'শ বিলিয়ন পাউন্ড সম্পদের সাথে সেও বৃটেনের ধনাঢ্যতম ব্যক্তিদের তালিকায় ষষ্ঠস্থান দখল করে। তার সংস্থা এম ও সি এন্ড বিজনেস ফুড অব মাল্টি ন্যাশনাল বিজনেসে পরিবর্তিন হয়। এ সংস্থা ঐ সময় রূটি ও চিনি তৈরিতে শীর্ষ স্থানীয় ছিল। এ সংস্থাকে বৃটেনে সর্ববৃহত্তর দাতব্য সংস্থা গ্রারফিল্ড ওয়েষ্টার্ণ ফাউণ্ডেশন প্রতিষ্ঠা করে। ভারতীয় বংশ উদ্ভূত বেরী ও হুডুজা ও ঐ সময় বৃটেনে অষ্টম ধনাঢ্য ব্যক্তি ছিল। তারা উভয় ভ্রাতা ট্রেডিং ফিন্সাসের সাথে জড়িত ছিল। তারা প্রায় ১৩০০ মিলিয়ন পাউন্ড বিনিয়োগ করে। তাদের পিতা বোম্বাইয়ের খ্যাতনামা ব্যবসার সূচনা করে। ইরানের শাহের পতনের পর তারা লন্ডনে স্থানান্তর হয়ে যায়। আর ওখানে হুভুজা গ্রুপ নামে ব্যবসার সূচনা করে। তারা দু'ভাই বৃটেন ছাড়াও ভারতের অর্থনীতিতে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ঐ সময় তাদের কোম্পানী ভারতে শীর্ষ স্থানীয় পুঁজি বিনিয়োগ লিজিং কোম্পানী ছিল। ষ্টার ফার্মাসিউটিক্যাল নামে তাদের ঔষধ তৈরির কারখানা ব্যাপক খ্যাতি লাভ করে।

ব্যাংকিং ব্যবসার সাথে সম্পর্কিত ব্যার নওশরভর এন্ডের পরিবারের সম্পর্কও বৃটেনের দশ ধনাঢ্য ব্যক্তি ও সংস্থার অন্তর্ভূক্ত ছিল। ঐ সংস্থার ব্যাংক বৃটেনের সর্বশেষ ইন্ডাস্ট্রিজ ব্যাংক। ১৯৯৮ খ্রিঃ তাদের কারবারে শতকরা ৮% বৃদ্ধি লাভ করে। ঐ সময় এশিয়ার অর্থনৈতিক মন্দা তাদের ব্যাংকেও ব্যাপক প্রতিক্রিয়া প্রতিফলিত হয়। তদুপরি তারা সে অর্থনৈতিক মন্দা কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হয়। ঐ সময় শরডরের পরিবারের ব্যবসায় মূলধনের পরিমান ১৩০০ মিলিয়ন পাউন্ড ছিল।

রিচার্ড বারন্সের ১২'শ মিলিয়ন পাউন্ড মূলধনের সাথে বৃটেনের ট্রেডিং ইন্ডাস্ট্রিজের মধ্যে দশম স্থানে ছিল। তার মূলব্যবসা টেরিউল, রেসলিং ও ইন্টারনেট। বিগত বছরে রিচার্ড বারন্সে ও সংবাদপত্রের সমালোচনার শিকার হয়। তার ওরজন ইম্পায়ের ও বে-আইনী অবৈধ ব্যবসায় বলে চিহ্নত হয়। লন্ডন থেকে গ্রালস্কো পর্যন্ত চলাচলকারী তারে ওরজন রেল সোর্স ও বিভিন্ন কারণে উপহাসের কারণ হয়। কিন্তু সে অতি দ্রুততার সাথে নিজের ব্যবসায়ী লেনদেনকে সংশোধন করে নেয়। আর তার সংস্থার ব্যবসায়ী লেনদেন এখনো স্থবির হয়ে আছে। কিন্তু পরিস্থিতি এরূপ হওয়া সত্ত্বেও রিচার্ড বারন্সের ব্যবসায়ী প্রতিভাকে অস্বীকার করা যায় না।

ষ্টিল ব্যবসায় আলোড়ন সৃষ্টি কারী লাকসরী মেটালও বৃটেনে শিল্প ব্যবসায় গুরুত্বপূর্ণ স্থান লাভ করে। ১২০০ মিলিয়ন পাউন্ড মূলধনের সাথে দশম স্থান অধিকার করেছে। মেটেলের পিতাও ভারতের বিজনেস ম্যাগনেট। আর লাকসরী লন্ডনের স্থায়ী বাসিন্দা। তার ব্যবসা ব্যাপক এলাকায় বিস্তার লাভ করছে। বিগত দিনে ব্যাপক উত্থান-পতনের কারণে সংস্থাকে বিশেষ লোকসানের মুকাবেলা করতে হয়। এ অবস্থা হওয়া সত্ত্বেও স্টিল ব্যবসায় লাকসরী মেটাল এখনো প্রতিষ্ঠিত রয়েছে। বৃটেনের ধনাঢ্য ব্যক্তিদের তালিকার এখানে সমাপ্তি হয়নি বরং তাতে ১০২২ জন পুরুষ ও ৭৭ জন মহিলার অতিরিক্ত নাম অন্তর্ভূক্ত হয়েছে। তন্মধ্যে ৭০জনকে ধনাঢ্য ব্যক্তি বলে ঘোষণা করা হয়েছে। এক হাজার ব্যক্তি তাদের ভাগ্য ও পরিশ্রমের মাধ্যমে নিজেরাই নিজেদের পৃথিবী গঠন করেছে। ২৯১ জন উত্তরাধিকারী সূত্রে সম্পদের মালিক হয়েছে। যখন ১৩৭ জন ধনাঢ্য ব্যক্তি এষ্টোকেট ছিল।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 অস্ট্রেলিয়ার ১০ জন সেরা ধনাঢ্য ব্যক্তি

📄 অস্ট্রেলিয়ার ১০ জন সেরা ধনাঢ্য ব্যক্তি


১. ক্যারি প্যকির- মিডিয়া ও ইন্সট্রুমেন্ট - ২.৩৬ বিলিয়ন পাউন্ড
২. প্যাংক লুদী - প্রপার্টি - ৯৫৪ বিলিয়ন পাউন্ড
৩. রিচার্ড প্যারিড - পেপার এন্ড প্যাকিং - ৮১৮ বিলিয়ন পাউন্ড
৪. ডির্ডড হ্যনরি - ইন্সট্রুমেন্ট - ৫৪৫ বিলিয়ন পাউন্ড
৫. স্যামুরগীন ফ্যমিলী - স্টিল ইন্সট্রুমেন্ট - ৪৫৪ বিলিয়ন পাউন্ড
৬. হ্যরিট্যাং বিফ - প্রপার্টি - ৪৩১ বিলিয়ন পাউন্ড
৭. জন ইন্ডোমথি - মিডিয়া - ৩৯০ বিলিয়ন পাউন্ড
৮. মিয়ার ফ্যমলী - রি ট্রাইলিং ইন্সট্রমেন্ট - ৩৮২ বিলিয়ন পাউন্ড
৯. ব্যারয়িস ব্যারম্যান - বস্ত্রশিল্প - ৩৪১ বিলিয়ন পাউন্ড
১০. ক্যারিএষ্টেকাস - মিডিয়া - ৩১৮ বিলিয়ন পাউন্ড

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00