📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 কারুনের সম্পদ ও ইউরোপীয়দের সম্পদ

📄 কারুনের সম্পদ ও ইউরোপীয়দের সম্পদ


সম্পদ দ্বারা প্রশান্তি লাভ করা যায় কি? কারুনের সম্পদ তাকে প্রশান্তি ও সম্মান দান করেছে কি? তাহলে ইউরোপে সম্পদের এতো প্রাচুর্য্য থাকার পরও আত্মহত্যার প্রবনতা বেশি কেন? এ সম্পদ ইউরোপীয়ানদেরকে হতাশা ও দুঃখ-কষ্ট থেকে রক্ষা করতে পারছে না কেন?

ইসলাম কি ঈমান ও আমলের জীবনকে সফলতার শর্তাবলী নির্ধারন করেনি? এ সম্পদের কারণে এসব লোক কিরূপ পেরেশান হয়েছে। তাদের বাহ্যিক জীবন তাদের শানদার বানিয়ে দিয়েছে। আমাকে এক সম্পদশালী ব্যক্তি বলেছে, আমাদের কক্ষ ও বাথরুম, গাড়ী, কর্মস্থল মোটকথা সব কিছু শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত। কিন্তু আমাদের মধ্যে রয়েছে আগুন, উত্তাপ ও সীমাহীন নিরাপত্তাহীনতা।

দুনিয়াতে কারুনের সম্পদের পূজারি সব দেশেই রয়েছে। তাদের পরিণতি কি হবে। তারা চায় যে, তারা এক স্বর্ণের বাগানের মালিক হোক। তাহলে দ্বিতীয়টি চাইবে। অবশেষে তারা দুনিয়া থেকে বিলুপ্ত হয়ে যাবে। হাদীস সমূহে এর ধারাবাহিক আলোচনায় বৃদ্ধার সাদৃশ্য পাওয়া যায়। বলা হয়েছে, সম্পদ যেন কুৎসিত এক বৃদ্ধা রমনী। যে তার প্রত্যাশিদেরকে হত্যা করে দিয়েছে। অনুরূপভাবে এরাও নিহত হয়ে যাবে।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 সারা বিশ্বে রাণী এলিজাবেত ৮৭ তম স্থানে

📄 সারা বিশ্বে রাণী এলিজাবেত ৮৭ তম স্থানে


বৃটিশ সম্রাজ্ঞী দ্বিতীয় এলিজাবেত বিশ্বের ধনী মহিলাদের মধ্যে এক সময় শীর্ষ স্থানীয় ছিলেন। তার সম্পদের সঠিক পরিসংখ্যান সত্যই কঠিন ব্যাপার। কিন্তু সময়ের আবর্তনে বর্তমানে বৃটিশ সম্রাজ্ঞী ধনবতী নয়, শুধু এক ধনীর সম্রাজ্ঞীমাত্র। দেশের শীর্ষস্থানীদের দিক থেকে বৃটিশ সম্রাজ্ঞীর সম্পদের পরিমাণ যদিও ২৫০ মিলিয়ন পাউণ্ড নির্ধারণ করা হয়েছে। কিন্তু মূলতঃ বাস্তবে তার সম্পদের পরিমান আরো অনেক বেশী হবে। ৭২ বছর বয়স্কা বৃটিশ সম্রাজ্ঞী তার নিজের ইমারত আর্টফন পারে সমূহ ও জায়গীর সমূহ দেখা শোনায় পুরোপুরি মনযোগী ছিলেন। তার আমদানীর উৎসে পুঁজি বিনিয়োগ করা বুনিয়াদী স্থান লাভ করেছে। বিগত বছর বৃটেনের সম্পদের মূল্যে ভীষণ ঘাটতির নমূনার প্রতিক্রিয়া সম্রাজ্ঞীর জমিদারীতে প্রতিফলিত হয়েছে।

অর্থ-সম্পদ, বিত্তবৈভবের লাগামহীন কামনা-বাসনা শতাব্দির পর শতাব্দি থেকে মানুষকে তার গোলাম বানিয়ে রেখেছে। অত্যন্ত নিষ্ঠুরতার সাথে তাদের রক্ত প্রবাহিত করছে। সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে সম্পদের মোহ এবং নিজেদের অভিরুচিকেও পরিবর্তন করে নিয়েছে। কিন্তু প্রাকৃতিক স্বভাব ধর্ম এখনো তাদের স্বস্থির নিঃশ্বাস গ্রহণ করতে দিচ্ছে না। বর্তমানেও নিত্য নতুন নাম ও উপাধীতে ফিরাউন ও কারুনদের আবির্ভাব হচ্ছে। সম্ভবতঃ এ পৃথিবীতের সমাপ্তি পর্যন্ত এ ধারা অব্যাহত থাকবে।

বর্তমান পৃথিবীর সম্পদশালী ব্যক্তিদের সম্পর্কে আলাউদ্দীনের দ্বৈত্যের আশ্চর্য প্রদীপের কাহিনী মিডিয়ার মাধ্যমে প্রায়ই প্রচার করা হচ্ছে। তাদের মধ্যে সম্রাজ্ঞী, শাহাযাদা ও শহযাদীগণও রয়েছেন। তৈল ও অন্যান্য খনিজ সম্পদে একক শাসকবর্গ রয়েছেন। আবার বিরাট বিরাট ভূ-সম্পত্তির মালিক, ইমারত, স্বর্ণ ও রৌপ্যের খনির মালিকও রয়েছেন।

খাদ্য প্রক্রিয়াজাত করণ, পুজি বিনিয়োগ, টিউরলিঙ্গ, ইলেকট্রোনিক্স, ব্যাংকিং, স্টীল সিপিংগ ও ইউয়ি ভিশন নিউজ পেপারস গ্রুফ, পরিবহণ, যন্ত্রপাতি ও মিডিয়ার সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিগণ ও এ কপর্দকহীন দুনিয়ার কতিপয় ব্যক্তি শতাধিক ধনী ব্যক্তির তালিকার অন্তর্ভূক্ত হয়েছে। সম্প্রতি সানডে টাইম্স-এ এক প্রতিবেদনে বৃটেনের ধনাঢ্য ব্যক্তিদের যে তালিকা প্রকাশ করেছে, তা এ দিক থেকে বিশেষ মনোরম ও চিত্তাকর্ষক হয়েছে। বিগত দু'শত বছরের ধনাঢ্য খ্যাতদের বিপরীতে বিংশ শতাব্দির চিত্র ভিন্ন। যথা, ১৭৯৯খ্রিঃ ধনাঢ্য ব্যক্তি এ্যারাগুগোর সুবিজকে তার লন্ডন ও তার আশ-পাশের এলাকায় অবস্থিত ভূ-সম্পত্তির কারণে ধনাঢ্য ব্যক্তি বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ঐ সময় তার ভূ-সম্পত্তির মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৬.২৫ মিলিয়ন পাউন্ড। এর বিপরীতে ১৮৯৯খ্রিঃ ধনাঢ্য ব্যক্তি বলা হয় বৃটেনের স্যল রাহুডজের ডায়মন্ড ও স্বর্ণের খনি সমূহ ও তার সম্পদের পরিমান ছিল ৫০ মিলিয়ন পাউন্ড।

দু'বছরে এ পরিসংখ্যানের বিপরীত এ সময়ের বৃটেনের ধনাঢ্য লোকদের মধ্যে হেনরিজ রাউজংগো না কোন বড় জমিদার ছিল। আর না তার হীরা ও স্বর্ণের খনি ছিল বরং তার সংশ্লিষ্টতা ছিল খাদ্য প্রক্রিয়াজাত করণের সাথে। এখন থেকে শুধু তিন বছর পূর্বে সুইডেনের এক শিল্পপতি রোবন রাউজংগ এমন এক বক্স প্রিন্ট করায়, যাতে দুধ ও অন্যান্য পানীজাত দ্রব্যাদি তরতাজা সংরক্ষণ করা যায়। বর্তমানে ঐ বক্স প্যাক নামে সারা বিশ্বে সবচেয়ে বড় লাভজনক প্যাকং কারখানায় পরিণত হয়েছে। ১৯৮৫খ্রিঃ রবিনের দুই পুত্র গিড ও হেনরিজ বৃটেনে প্রথম তানের ব্যবসার সূচনা করে। আর ১৯৯৯খ্রিঃ অবস্থা এই হয় যে, হেনরী রাউজংয়ের সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় ৩৪০০ মিলিয়ন পাউন্ডের মূলধনের সাথে বৃটেনের ধনাঢ্য ব্যক্তিদের তালিকায় গণ্য হয়।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 মুহাম্মদ আল-ফায়েদের নতুন কারবার

📄 মুহাম্মদ আল-ফায়েদের নতুন কারবার


প্রিন্সেস ডায়নার মাধ্যমে খ্যতি অর্জনকারী দোদি আল-ফায়েদের পিতা মুহাম্মদ আল-ফায়েদ স্বীয় র‍্যসলিং ব্যবসার মাধ্যমে বৃটেনের ধনাঢ্য ব্যবসায়ীদের মধ্যে গণ্য হয়। র‍্যসলিং ধনাঢ্য ব্যবসায়ীদের তালিকায় তার স্থান ১৪ নম্বরে। সম্পদের মূল্য ১০০০ হাজার মিলিয়ন পাউন্ড। আর বনপ্রিন্স 'কুকুর এক্সপোর্টের" ব্যবসা তো রয়েছে। বৃটেনের কুকুরের মধ্যে মূল্যবান হলো জাত 'হিরড্রজ' এর মালিক মুহাম্মদ আল-ফায়েদ। তিনি বৃটেনের শীর্ষস্থানীয় পুঁজি বিনীয়োগে বিশেষ ভূমিকা রাখছে। এর পূর্বে সে পূর্বাঞ্চলে নির্মান কাজের সাথে সংশ্লিষ্ট ছিল।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 ১৯৯১ খ্রিঃ বৃটেনের ১০জন খ্যাতনামা ধনাঢ্য ব্যক্তি

📄 ১৯৯১ খ্রিঃ বৃটেনের ১০জন খ্যাতনামা ধনাঢ্য ব্যক্তি


১. এরাল্ড অফ এ্যাগওয়া - জমিদারী -৪৩ মিলিয়ন পাউন্ড।
২. ডিউক অফ ওয়ারেন্ট মিনিষ্টার - প্রপার্টি - ৪০ মিলিয়ন পাউন্ড।
৩. বিলজ ফ্যমিলি - টোবাকো - ২৫ মিলিয়ন পাউন্ড।
৪. জিমারজিডি রথ চাইল্ড - ব্যাংকিং - ১৭মিলিয়ন পাউন্ড।
৫. বোন হিগজ - প্রপার্টি - ১৪ মিলিয়ন পাউন্ড।
৬. ডিসকাউন্ট পের্ডম্যান - ল্যন্ড এন্ড প্রপার্টি- ১০ মিলিয়ন পাউন্ড।
৭. ল্যডি ম্যাগডোনাল্ড সিছম্যান - হুসকী - ৭মিলিছন পাউন্ড।
৮. গ্যরটন ফ্যাইম্যান - সুগার - ৬ মিলিয়ন পাউন্ড।
৯. ডিউক অফ ব্যার্ড পোর্ড - জমিদারী - ৪.৫ মিলিয়ন পাউন্ড।
১০. কাউন্ডস প্যাল - উত্তরাধিকারী জমিদারী - ৪.৩ মিলিয়ন পাউন্ড

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00