📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 সময়ের প্রতি এক মুক্ত কবিতা

📄 সময়ের প্রতি এক মুক্ত কবিতা


হে সময় তুমি এসো,
চাঁদের আলো হয়ে এসো,
বারবার এসো তুমি সূর্য কিরণ লয়ে।

আমার অন্তরের কামনায়
সময়ের প্রশস্ততার ছায়ায়
পাহাড়ি রাস্তা সমূহে
আমার অন্তরের কামনা বাসনায়
এসো হে সময়! তুমি এসো।
আমার অরণ্য জীবনে, আমার পাহাড়ী জীবনে।
আমি তো পথিক, এ জীবন
তুমি কখনো আমাকে ছেড়ে যেও না।
এসো হে সময়! তুমি এসো।
সিংহের গর্জনে
হরিণের দৌড়ে
কোকিলের কুহুতানে
বুলবুলের সুর বিহনে
ঘুঘুর সংগীতে, আমি তোমাকে চাই প্রতি মুহূর্তে,
.
সময়ের প্রার্থনায়।
এসো হে সময়! তুমি এসো।
মনের মনিকোঠায় তুমি বসো
আমার নয়ন যুগল চায় যে তোমায়
এসো হে সময়! তুমি এসো!!

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 আমেরিকান টাইমস রিপোর্ট

📄 আমেরিকান টাইমস রিপোর্ট


আমেরিকার সময় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের বার্ষিক রিপোর্টে ১৯৯৬ খ্রিঃ প্রকাশ করা হয়, যখনই সময়ের গতি নোট করা হয়, তখনই সময়কে কম পাওয়া যায়। অনুভূতি কেন্দ্রের রিপোটার্সে এ বিষয় গবেষণা করা হয় যে, সূর্যের গতি ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি লাভ করছে। আর এ সময় পূর্বে যখন অনেক দেরীতে অতিবাহিত হত, এখন তা অতিদ্রুত অতিবাহিত হতে শুরু করছে। কেননা জমিনের গতিতে দ্রুততা ও সূর্যের নৈকট্য বৃদ্ধি পাচ্ছে। যার কারণে শতাব্দীর জমে থাকা বরফ গলে যেতে শুরু করেছে। আমেরিকার শ্যামলতায় পরিবর্তন দেখা দিয়েছে।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 ইউরোপে কি শান্তি আছে? ইউরোপের ফুটপাত!

📄 ইউরোপে কি শান্তি আছে? ইউরোপের ফুটপাত!


গৃহে যখন গৃহের আলো অর্থাৎ নারী থাকবে না, তখন ঘর বিরান মরুচর হয়ে যাবে। আজ ইউরোপের সমাজ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ রূপে বিষাক্ত হয়ে পড়েছে। তাদের সন্তানরা কোথায় যাচ্ছে? তাদের দিবা-রাত্রি কিভাবে অতিবাহিত হচ্ছে? তাদের অবস্থা সম্পর্কে সামান্য আলোকপাত করা হচ্ছে।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 ফুটপাতের ঘর

📄 ফুটপাতের ঘর


বৃটেনে এধরনের লোকদের সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। "রাস্তা যাদের বাসস্থান"। ঐ গৃহে প্রবেশ পথ ও বাইর পথ, বারান্দা, খাবার কক্ষ, এমন কি শয়ন কক্ষও রয়েছে। বৃটেনের ফুটপাতের গৃহহীনদের হোস্টেলকে বসবাসের অযোগ্য মনে করে। তারা হোষ্টেলের শৃঙ্খল জীবনের উপর ফুটপাতের মুক্ত জীবনকে প্রাধান্য দিচ্ছে। রাস্তার ফুটপাতের অধিবাসীরা সাধারণতঃ দরিদ্র্য ও গৃহহীন হয়। আমভাবে এরূপ মানুষ তৃতীয় বিশ্বের উন্নয়নশীল দেশসমূহে পাওয়া যায়। কিন্তু তৃতীয় বিশ্বের অধিবাসীদের জানা উচিত যে, এই ধরনের লোক বৃটেনেও রয়েছে। রাস্তায় যাদের ঘর রয়েছে, বারান্দা, দালান, খাবার কক্ষও আছে। এ উন্নত দেশ ও সফলকাম দেশ সমূহের মধ্যে বৃটেনের খ্যাতি অনন্য। যদিও সরকার গৃহহীন লোকদের জন্য হোস্টেলের ব্যবস্থা করে রেখেছে। কিন্তু ওখানের জীবন এতো বিষাক্ত ও এর পরিবেশ এতো নোংরা হয়ে আছে যে, মানুষ ওখান থেকে পলায়ণ করতে বাধ্য হচ্ছে। তাদের বিনামূল্যের খাদ্য-পোশাক ও আশ্রয়স্থল কারো খারাপ লাগতে পারে। কিন্তু যেখানে ব্যক্তি স্বাধীনতায় ঘৃণা লেগে যায়, ওখানে বিনা মূল্যের বস্তুও বিষ মনে হয়।

এ কারণে এ ফলাফল বের হয়েছে। স্বভাবগত আরাম-আয়েশসমূহের মধ্যে যে জিনিসের প্রয়োজন, তা হলো ব্যক্তি স্বাধীনতা, উঠা বসার স্বাধীনতা, শয়ন ও জাগরণের স্বাধীনতা, যাতায়াতের স্বাধীনতা। সত্তর বছর বয়সের ড্যানি বৃটেনের মধ্যাঞ্চলের বাসিন্দা ছিল। তার মাতা-পিতা তাকে ঘর থেকে তাড়িয়ে দেয়। সে এ কথা চিন্তা করে লন্ডনে আসে যে, এখানে হয়ত জীবন যাপন সহজ হবে। গৃহহীন হওয়ার কারণে তাকে সরকারী হোষ্টেলে স্থান দেওয়া হয়। কিন্তু ওখানের বিধিবদ্ধ নিয়মাবলী ড্যানিকে দ্রুত বিতৃষ্ণ করে তোলে। সে বলে, হোষ্টেলের মালিক আমার উপর হুকুম চালায়। এখন শুয়ে পড়ো, এখন উঠে যাও। এখন বাইরে বের হতে পারবে না ইত্যাদি। আমি এ স্থানে থাকতে পারব না দেখে ওখান থেকে পালিয়ে বের হয়ে যাই। ড্যানি এক দুইবার হোষ্টেলে থেকেছে। কিন্তু বিনামূল্যের খাদ্যের সাথে তাকে শর্তাবলীর শৃংখলেও আবদ্ধ হতে হয়েছে। এ আযাব সে গ্রহণ করতে পারেনি। তাই সে এখন বিগত আট মাস থেকে লন্ডনের অলি-গলিতে, রাস্তার ফুটপাতে ও উন্মুক্ত স্থানে মনের সুখে বাস করছে। একাধিক জিনিসের সাথে পুরাতন ছেড়া এক কম্বলও তার সাথে ছিল। তা দিয়ে সে শীত ও ঠাণ্ডা থেকে উষ্ণতা লাভের চেষ্টা করত। তার একমাত্র শখ ভ্রমণকারীদের সাথে কথা বলা।

ভ্রমণকারীরা তাকে কিছু না কিছু দান করত। পয়সা, সিগারেট পানাহারের দ্রব্যাদি। ড্যানির অভিমত হল, সরকারের জন্য গৃহহীনদেরকে জোরপূর্বক হোষ্টেলে না রাখা উচিত। যেভাবে থাকতে চায়, তাকে সেভাবে তার ইচ্ছার উপর ছেড়ে দেওয়া হোক। সে সরকারকে পরামর্শ দেয় যে, পর্যাপ্ত ভবন নির্মান সমাপ্ত হওয়ার পরও এখনো ব্যবহার করা হচ্ছে না, ঐ সব ভবনে গৃহহীনদের বাস করার অনুমতি দেওয়া হোক। কিন্তু এগুলোকে প্রচলিত হোষ্টেল বানানো না হোক। তারপর যখন এ ভবনগুলো আইনানুগ ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, তখন এগুলো খালি করে নেওয়া হবে। ড্যানির অভিমত হল, স্বাধীনভাবে রাস্তায় অলি-গলিতে থাকতে প্রাধান্য দেওয়াও সন্তুষ্ট জনক।

ড্যানির বাসস্থান থেকে সামান্য দূরে পাতাল রেল ষ্টেশনে আপনি সাতাশ বছরের রিচার্ডকে অভিনব ভংগীতে বসা দেখতে পাবেন। তাকে তার পুরাতন ময়লা ঘুমের ব্যাগের উপর বসা পাবেন। সে পর্যটকদের নিকট ভিক্ষা করছে। (কিরূপ আশ্চর্যের ব্যাপার যে, বৃটেনের ধনিক শ্রেনীর পথ রোধ করা। এ দিক থেকে আমাদের দেশের ধনীক শ্রেণী তো তাদের থেকে দশগুন সামনে অগ্রসর হয়ে আছে।) রিচার্ড সিনিয়র গৃহহীন। সে এগার বছর যাবত রাস্তায় বসবাস করছে। তার অভিমত হল, স্বাভাবিক জীবন যাপনে ফিরে আসা তার জন্য ভীষণ কষ্টকর। সে বলেছে, আমি প্রথমে লন্ডন আসার পর ছোট খাট কাজ পেয়ে যাই। কোন খালি কম্পাউন্ড বা ভবনে স্থান হয়ে যায়। কিন্তু ওখানে আমাকে নেশার দল পেয়ে বসে। তারপর অবস্থা হয় যে, চাকুরী পেতাম আর আমি নেশাগ্রস্থ অবস্থায় ওখানে হাজির হতাম। ঝগড়া হত, বের করে দেওয়া হত। তারপর পুনরায় নেশাগ্রস্থ অবস্থায় চাকুরী খোঁজ করতাম। সেখানেও ঝগড়া করতাম বের করে দেওয়া হত, অনেক বার এরূপ অবস্থা হয়েছে। এমনকি জীবনের প্রতি বিতৃষ্ণতা এসে গেছে।

তাই আমি ফুটপাতে নেমে পড়ি। তখন থেকে ভীষণ মজার সাথে জীবন উপভোগ করতে থাকি। সেও গৃহহীনদের হোষ্টেলে থাকা সম্পর্কে ইতিবাচক অভিমত প্রকাশ করেনি। তার মতে হোষ্টেল ময়লা দূর্গন্ধময়। ওখানে প্রতিটি কক্ষে তিনজন, কোন কোন সময় চার জন লোক রাখা হয়। দ্বিতীয়তঃ হোষ্টেলের কর্মচারীরা অত্যন্ত অসৎ প্রকৃতির লোক। তারা আমাদের সর্বদা অবহেলা ও ঘৃণা করে। অবশ্য হোষ্টেলের বিধিবিধান অত্যন্ত কঠোর। আপনাকে অবশ্যই তা মেনে চলতে হবে।

কিন্তু হোষ্টেলের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের এ অধিকার কে দিয়েছে যে, তারা গৃহহীনদের নিকৃষ্ট ও অধম মনে করবে। বরং তাদের অবহেলার মনোভাব উঠা বসায় অনুভূত হচ্ছে? জোরপূর্বক হোষ্টেলে অবস্থানে বাধ্য করা তো জোরপূর্বক কারাগারে রাখার নামান্তর। আর তা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। তথাপি আমি বৃটেনের সমস্ত ফুটপাতের বাসীন্দাদের ড্যানি ও রিচার্ডের মত মনে করি না। কোন কোন গৃহহীন লোক চায়, হোষ্টেলের অবস্থা আরো উন্নত করা হোক। এটাকে বাসযোগ্য করা হোক। হোষ্টেলের সংখ্যা আরো বৃদ্ধি করা হোক। তাহলে মানুষ তথায় স্বাধীনভাবে বসবাস করতে পারবে।

এখন এ সম্পর্কে বৃটেন সরকারের কিছু পরিকল্পনার বিবরণ শুনুন, গৃহহীনদের জন্য কি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। বিগত সময়ে সরকার ১৪৫ মিলিয়ন পাউন্ড দ্বারা পৃথক দফতর গঠনের ঘোষণা দিয়েছে। এ সংস্থার মাধ্যমে ফুটপাতে অবস্থান কারীদের কর্মক্ষেত্র ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা নেবে। এরপরও যদি কাউকে ফুটপাতে নেশাগ্রস্ত হয়ে ঘুরাফেরা করতে দেখা যায়, তাহলে তা কঠোর হস্তে দমন করা হবে। এ বিষয়ে পুলিশ বিভাগকে অতিরিক্ত ক্ষমতা দানের কথাও শোনা গেছে। বৃটিশ প্রধানমন্ত্রি টনিব্লেয়ার এ দফতর সম্পর্কে ঘোষণা দেওয়ার সময় আক্ষেপ করে বলেছেন, ফুটপাতে অবস্থান কারীদের সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। আর তাদের এ অবস্থা প্রমাণ করছে যে, বৃটেনের সমাজ ব্যবস্থায় মানুষ দ্রুত পরস্পরের সাথে সম্পর্কহীন হয়ে বিচ্ছিন্ন হতে যাচ্ছে।

এ ক্ষেত্রে সরকারের পদক্ষেপ ছিল ২০০২খ্রিঃ পর্যন্ত ফুটপাতে অবস্থানকারীদের সংখ্যা ১০০ ভাগের নিচে নামিয়ে আনা। তথাপি তাদের সংখ্যা দ্রুত গতিতে বেড়ে যাচ্ছে। বৃটিশ সরকারের জন্য ভীষণ চিন্তার ব্যাপার হল গৃহহীন যুবকদের সংখ্যাধিক্যতা। যারা লন্ডন শহরের অধিবাসী হওয়া সত্ত্বেও আনন্দের সাথে ফুটপাতে বসবাস করছে। লন্ডন শহরের লিস্ট ইনডিডে ঐ গৃহহীন যুবকদের সংখ্যা শতকরা ৬০ জন যারা নিজেরা লন্ডন শহরের সাথে সম্পর্কিত। তারা নিজেরা যেন নিজ দেশে "গৃহহারা" জীবনের স্বাদ উপভোগ করছে। আর ফুটপাতে গিজগিজ করছে।

এ শীতের রাতে, এই লাম্পট্যপনা ও ঘুমের বোঝা বহনকারীগণ যদি নিজ শহরে থাকত, তাহলে গৃহে যেতে পারত। দ্বিতীয়তঃ বৃটিশ সরকার সেসব অপবাধ নিয়েও ভীষণ উদ্ভিগ্ন, যা লোকদেরকে ফুটপাতে ঠেলে দিচ্ছে। যেমন দৈহিক ও মানসিক অসদাচরণ। তথাপি আল্লাহ জানেন, এসব কারণের উপর নিয়ন্ত্রণে কখন কি করবেন। এ বিষয় পুলিশের ভয় রয়েছে। প্রকাশ থাকে যে, আমাদের মত বৃটেনের সমাজ ব্যবস্থায়ও পুলিশের ভয় রয়েছে।

এ কারণে গৃহহীনদের সমস্যা সমাধানের উদ্দেশ্যে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বিশেষ ইউনিটের সাথে সম্পর্কিতদের সতর্ক করা হয়েছে যে, একবার স্থায়ী ঠিকানা নির্ধারণ করে দেওয়ার পরও যদি কাউকে ফুটপাতে নোংরামী করতে পাওয়া যায়, তাহলে তার এ কাজ পুলিশের নিকট কঠোর দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।

সরকারের এ সিদ্ধান্ত খোদ লেবার পার্টির সদস্যদের সাথে বিরোধী দলের সদস্যদের কাছে বিস্ময়কর হয়ে দাঁড়ায়। তাদের অভিমত হল ৮০'র দশকে যখন আমাদের সরকার ক্ষমতায় ছিল, তখন তারা এ বিষয়টি বিরাট সাফল্যের সাথে কঠোর ভাবে দমন করতে সক্ষম হয়েছে। বাস্তুহারা ও গৃহহীন কল্যাণ সংস্থা "শেল্টারের" উপ-পরিচালক প্রথমে তো টনি ব্লেয়ারের নিকট এ বিষয়টি যথাযথ উত্থাপন করেন। তিনি রিপোর্টকে স্বাগতম জানানোর পর সতর্ক করে দেন যে, ফুটপাতে অবস্থান কারীদের সাথে জোর জবরদস্তি করার নীতি সুফল বয়ে আনবে না। সরকার জোর জবরদস্তি করার পদক্ষেপ গ্রহণ করলে, এসব লোক এদিক-সেদিক পালিয়ে যাবে। আর অভিযান শেষ হয়ে যাওয়ার পর পুনরায় তারা ওখানে এসে আস্তানা গড়বে। মিস্টার আরমষ্ট্রংগ যিনি ফুটপাতের বাসিন্দা সম্পর্কিত সরকারী কমিঠির প্রধান ছিলেন। প্রথমে তার অভিমত ছিল, সরকার এ সমস্যা সমাধানে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। এ কারণে সরকার জোর জবরদস্তিও করছে। তথাপি পরবর্তিতে সরকার এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে যে, জোর জবরদস্তি করার পরিণতি সুফল বয়ে আনবে না।

অবশেষে আরও প্রকাশ পেয়েছে, যে সব যুবকদেরকে কোন অপরাধের কারণে কারাগারে পাঠানো হচ্ছে, তারা ছাড়া পাওয়ার পর তাদের পূর্বের তুলনায় ফুটপাতে বাসকরার উৎসাহ চার গুণ বেড়ে যায়। এর কারণ সম্ভবতঃ তারা নিজেদেরকে পরিবারের লোকদের নিকট অপরাধী মনে করে। আর তাদের সাথে বসবাস করার সাহস না পেয়ে ফুটপাতে অবস্থানের সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। দেখার বিষয় হল, বৃটেনের ফুটপাতের বাসিন্দাদের সমস্যা কখন কিভাবে নিরসন করা হয়। আর তা থেকে বাংলাদেশ-পাকিস্তানের নাগরিকদের কি উপদেশ গ্রহণ করা উচিত।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00