📄 বর এসিল্যাজের ভ্রমণ বৃত্তান্ত
বর এসিল্যাজ অস্ট্রেলিয়ার খ্যাতনামা পর্যটক ছিলেন। তিনি অনেক দীর্ঘ জীবন লাভ করেন। ১৭৯৬ খ্রিঃ তার জন্ম হয়। ১৮৮৮ খ্রিঃ তার মৃত্যু হয়। তার জীবনের প্রতিটি দিন ভ্রমণ ও শিকারে কেটেছে। তার শিকারী জীবনের অভিজ্ঞতা অগণিত। তিনি লিখেছেন-
"আমার অভিজ্ঞতার জীবনে ভ্রমণের অজস্র কষ্ট উৎসাহকে থামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা সর্বদা আমার জীবন সঙ্গী ছিল। তা সত্ত্বেও সর্বদা আমার এক অভিযোগ ছিল এবং সর্বদা তার অনুসন্ধান করতাম, এরূপ কেন হচ্ছে? এক পর্যায়ে আমি অনুভব করি যে, সময় অতিদ্রুত ফুরিয়ে যাচ্ছে, বছর শেষ হতে সময় লাগছে না। আর দিন তো এখন এক ঘণ্টার হয়ে গেছে। কিন্তু এরূপ হল কেন? ইতোপূর্বেও তো এরূপ মানুষ ছিলেন, যারা অনেক বড় বড় কাজ করেছেন। অথচ সময় তাদের সঙ্গ দিয়েছে। আজ এরূপ কেন হয়েছে? আমি ব্যাকুল হয়ে এ বিষয় চিন্তা করতে শুরু করি।
ইতোপূর্বের এক দিনের ঘটনা। আমি একবার হরিণ শিকার করি। তার পেছনে আমার নেক কম সময় ব্যয় হয়। কেননা আমার অভিজ্ঞতার জীবনে কখনো আমি শিকারের পেছনে বেশী সময় ব্যয় করিনি। আর আমি অতি সহজে হরিণ শিকার করে নিতাম। কিন্তু এবার আমি সময়ের প্রতি তাকিয়ে দেখি, এর পেছনে আমাকে চার ঘণ্টার বেশী সময় ব্যয় করতে হয়েছে। আমি বিস্মিত ও কিংকর্তব্যবিমুঢ় হয়ে যাই। কেন সময় এতো দ্রুত কেটে যাচ্ছে? সময়ের প্রতি আমার অভিযোগ হলো যে, তুমি আমার উপর অসন্তুষ্ট হলে কেন? আমাকে এখন আর সংগ দিচ্ছ না কেন?"
📄 সময়ের প্রতি এক মুক্ত কবিতা
হে সময় তুমি এসো,
চাঁদের আলো হয়ে এসো,
বারবার এসো তুমি সূর্য কিরণ লয়ে।
আমার অন্তরের কামনায়
সময়ের প্রশস্ততার ছায়ায়
পাহাড়ি রাস্তা সমূহে
আমার অন্তরের কামনা বাসনায়
এসো হে সময়! তুমি এসো।
আমার অরণ্য জীবনে, আমার পাহাড়ী জীবনে।
আমি তো পথিক, এ জীবন
তুমি কখনো আমাকে ছেড়ে যেও না।
এসো হে সময়! তুমি এসো।
সিংহের গর্জনে
হরিণের দৌড়ে
কোকিলের কুহুতানে
বুলবুলের সুর বিহনে
ঘুঘুর সংগীতে, আমি তোমাকে চাই প্রতি মুহূর্তে,
.
সময়ের প্রার্থনায়।
এসো হে সময়! তুমি এসো।
মনের মনিকোঠায় তুমি বসো
আমার নয়ন যুগল চায় যে তোমায়
এসো হে সময়! তুমি এসো!!
📄 আমেরিকান টাইমস রিপোর্ট
আমেরিকার সময় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের বার্ষিক রিপোর্টে ১৯৯৬ খ্রিঃ প্রকাশ করা হয়, যখনই সময়ের গতি নোট করা হয়, তখনই সময়কে কম পাওয়া যায়। অনুভূতি কেন্দ্রের রিপোটার্সে এ বিষয় গবেষণা করা হয় যে, সূর্যের গতি ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি লাভ করছে। আর এ সময় পূর্বে যখন অনেক দেরীতে অতিবাহিত হত, এখন তা অতিদ্রুত অতিবাহিত হতে শুরু করছে। কেননা জমিনের গতিতে দ্রুততা ও সূর্যের নৈকট্য বৃদ্ধি পাচ্ছে। যার কারণে শতাব্দীর জমে থাকা বরফ গলে যেতে শুরু করেছে। আমেরিকার শ্যামলতায় পরিবর্তন দেখা দিয়েছে।
📄 ইউরোপে কি শান্তি আছে? ইউরোপের ফুটপাত!
গৃহে যখন গৃহের আলো অর্থাৎ নারী থাকবে না, তখন ঘর বিরান মরুচর হয়ে যাবে। আজ ইউরোপের সমাজ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ রূপে বিষাক্ত হয়ে পড়েছে। তাদের সন্তানরা কোথায় যাচ্ছে? তাদের দিবা-রাত্রি কিভাবে অতিবাহিত হচ্ছে? তাদের অবস্থা সম্পর্কে সামান্য আলোকপাত করা হচ্ছে।