📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 আবেগ ও মনস্তত্ত্ব বিশেষজ্ঞ

📄 আবেগ ও মনস্তত্ত্ব বিশেষজ্ঞ


জার্মানীর বারসেল বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষজ্ঞ প্যারাসাইকোলোজিষ্টগণ গবেষণার পর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন যে, এমন ধরনের প্রেম-প্রীতি যাতে প্রেমিক ও প্রেমিকাদের অন্তরে কোন প্রকার ভয়-ভীতি, সন্দেহ-সংশয় বা লোভ-লালসা থাকবে, সে মহব্বত নিশ্চিত কখনো উপকারী হতে পারে না। একবার বিশেষজ্ঞদের একটি প্রকল্পে ষাট ষাট ব্যক্তির দুটি পৃথক দল গঠন করা হয়। তার পর একদলকে এক রকম অনুশীলন দেওয়া হয়। বলা হয়, ভালবাসা শুধু নিঃস্বার্থ ও উদ্দেশ্যহীন হতে হবে। তাতে ব্যক্তিগত কোন স্বার্থ থাকতে পারবে না। আর দ্বিতীয় দলকে শুধু ভালবাসার জন্য উৎসাহ দেওয়া হতো। চল্লিশ দিন পর ঐ দল যাদেরকে শুধু মাত্র নিঃস্বার্থ ভালবাসার জন্য উৎসাহ দেওয়া হয়েছে, তাদের হতাশা দুঃশ্চিন্তা অনেক লাঘব হয়ে গেছে। তাদের মানসিক অবস্থায় বিরাট পরিবর্তন দেখা যায়। পক্ষান্তরে যে সব লোককে শুধু ভালাবাসার জন্য উৎসাহ দেওয়া হয়েছে, তারা পূর্বের মত দুর্বল ও চিন্তিত রয়ে গেছে।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 স্বীয় অভিমতকে সঠিক বলবে

📄 স্বীয় অভিমতকে সঠিক বলবে


• রাসূলুল্লাহ ইরশাদ করেছেন, তোমরা সৎ কাজের দাওয়াত দাও, অসৎ কাজের বাঁধা প্রদান কর। যখন মানুষের অবস্থা এরূপ হয়ে যাবে যে, মানুষ কপনের আনুগত্য করতে শুরু করবে এবং স্বীয় প্রবৃতির কামনা-বাসনার অনুগত হয়ে যাবে। তারা দুনিয়াকে প্রাধান্য দিতে শুরু করবে, তখন প্রত্যেক লোক স্বস্ব অভিমতকে সঠিক বলবে। আর তুমি নিছক আত্মরক্ষাকেই জরুরী মনে করবে। ভাববে, সমাজে বসবাস করে তাদের মত ভ্রষ্টতায় পতিত হয়ে যাবে। সুতরাং তুমি শুধু তোমার নিজের প্রবৃত্তিকে সামলে নেবে। আর সমাজের লোকদের ব্যাপারে তাদের উপর ছেড়ে দেবে।

ব্যার ম্যলিজ ছিলেন বৃটেনের সে মহান আইন প্রণেতা, যিনি আইন ও ইনসাফের ভিত্তি প্রতিষ্ঠা করেছেন। বর্তমানেও তার রচিত গ্রন্থকে আইনের ব্যাখ্যা বিশ্লেষণের মানদণ্ড সাব্যস্ত করা হয়। তিনি তার যুগের রচিত প্রসিদ্ধ গ্রন্থ "লামাইন্ড ক্যাসরিক্ট" তা লণ্ডন ইন্ডার্স পাবলিশার্স থেকে মুদ্রিত। তাতে লিখেছেন-

আমার জীবনের দীর্ঘ অনুশীলন ও অভিজ্ঞতার আলোকে এ কথা স্পষ্টভাবে বলছি যে, মানুষ ও জীবজন্তুর মত নিজে নিজে আধুনিক হয়ে যাচ্ছে। কেননা মানুষের মন মস্তিষ্কে এটা বদ্ধমূল হয়ে গেছে যে, তার অভিমত গুরুত্বপূর্ণ, বাকী সব অপ্রয়োজনীয় ও অর্থহীন।

বরটর জজের সামনে আমার মামলা চলছিল। যার সুখ্যাতি নানা মিডিয়ায় প্রচার হয়েছিল। আমি যখন তার মামলা পরিচালনা কালে দেখলাম, আমার মোয়াক্কেল আমাকে অতিক্রম করে কথা বলছে। আমি মামলা পুরোপুরি পরিচালনার চেষ্টা করি। কিন্তু সে আমাকে এক কদম সামনে অগ্রসর হতে দেয় নি, তদোপুরি সে এমন এমন মন্তব্য করতে শুরু করে, যা আমার নিজের ধ্যান-ধারনার উর্ধ্বে ছিল।

আমার মনে হয়, মূলতঃ তার মতিভ্রম হয়েছে। সে যা বলছে, সবই সত্য বলছে। তবে তার ধারনা ছিল, আমি ছাড়া আর কেউই ব্যাপারটি বুঝতে পারছে না, ফলশ্রুতিতে আমি সম্পূণ ব্যর্থ হয়ে যাই। আমাকে অধিকাংশ সময় এ ধরনের সমস্যার সম্মুক্ষীন হতে হয়েছে। আর এটা আমার অভ্যাসে পরিণত হয়ে গেছে। ইতোপূর্বে অবস্থা কিন্তু এরূপ ছিল না।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 ফলের মধ্যে ঘাটতি দেখা দেবে

📄 ফলের মধ্যে ঘাটতি দেখা দেবে


রাসূলুল্লাহ ইরশাদ করেছেন, সময় অতি নিকটবর্তী হয়ে যাবে। ফলমূলে ঘাটতি দেখা দেবে। (তাবারানী)

এটা মূলতঃ কিয়ামতের নিকটবর্তী আলামত সমূহের একটি আলামত। হাদীস সমূহের আলোকে এর ব্যাখ্যা করা হয়েছে যে, ফলদার বৃক্ষে ফলের ঘাটতি দেখা দেবে, বাস্তবে হয়েছেও তাই। একসময় গাছে ফল বেশী হত, আর কাঁটা কম হত। কিন্তু বর্তমান অবস্থা সম্পূর্ণ বিপরীত। গাছে ফল কম, কাঁটা বেশী হচ্ছে। এ সম্পর্কে বিশেষজ্ঞগণ কি বলছেন? একটি চিত্তাকর্ষক ঘটনা শুনুন।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 জন ক্লার্কের অভিজ্ঞতা

📄 জন ক্লার্কের অভিজ্ঞতা


জন ক্লার্ক ছিলেন একজন উদ্ভিদ বিশেষজ্ঞ। তিনি সারা জীবন উদ্ভিদও লতা-পাতা নিয়ে গবেষণা করেছে। তার অভিজ্ঞতার ফলাফল দৈনিক ইমরোজ জানুয়ারী ১৯৭১ খ্রিঃ প্রকাশ হয়। তার সারকথা নিম্নরূপ:

আমার বাড়ির আঙ্গিনায় একটি লিচু গাছ ছিল। আমি শুয়ে শুয়ে প্রতিদিন ঐ গাছের ঢালপালা ও ফলগুলো গণনা করতাম। এ সবকিছু গুণতে গুণতে আমি ঘুমিয়ে পড়তাম। দীর্ঘ কয়েক বছর আমার এ অভ্যাস ছিল। আমি দিন কাটাতাম প্রত্যেক গাছের ফল গণনা করে করে। কিন্তু কিছু দিন থেকে আমার মনে হচ্ছে, পূর্বে এ ডালে ফল বেশী হত, কিন্তু বর্তমানে এক দুই করে ফল কমতে শুরু করছে। আরও মনে হয়, পূর্বে ফল ওজনে বেশী ও খুবই সুস্বাদু ছিল। কিন্তু এখন সে অবস্থা নেই। আমি এ বিষয় চিন্তা-ভাবনা করতে শুরু করি যে, পরিবেশ, আবহাওয়া, সূর্যের আলো, চাঁদের কিরণ, পানি তো পূর্বের মতই আছে। তার পরও এ বিপদ কেন দেখা দিয়েছে? কেন, প্রতিদিন ফল কমে যাচ্ছে? ফলে স্বাদ কমে যাচ্ছে।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00