📄 জনৈক অর্থনীতিবিদের ভ্রমণ কাহিনী
প্রসিদ্ধ অর্থনীতি পত্রিকায় এক ভ্রমণ কাহিনী প্রকাশিত হয়। যার শিরোনাম ছিল স্ট্যার্গাল মিন এও ওয়ার্ল্ড তথা মানুষের প্রচেষ্টা ও দুনিয়ার বিভিন্ন অভিজ্ঞতা। এটি ঐ হাদীসের সম্পূর্ণ সাদৃশ্য হয়েছে, যার অনুবাদ সিদ্দিকী সাহেবের কলমে প্রকাশ হয়েছে। প্রকাশ থাকে যে, এটা ঐ খ্যাতনামা পর্যটক জন আইপেলের অভিজ্ঞতার ঘটনা। যিনি প্রায় সারা বিশ্বভ্রমণ করেছেন। আর পৃথিবীর প্রতিটি বস্তুকে গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করেছেন।
• এশিয়া মহাদেশের রাষ্ট্রগুলোতে স্বাভাবিকভাবে সরকারী অর্থসম্পদ নিজ প্রয়োজনে ব্যয় করতে দেখা যায়। তারা আদৌ ভাবে না যে, সরকারী এ অর্থ-সম্পদ পুরো দেশবাসীর; একক কোন ব্যক্তির নয়।
• করদাতারা কর প্রদানে খুবই অনাগ্রহী। এমনকি রাষ্ট্র প্রধানগণকে কর দাতাদের থেকে কর উসূল করার জন্য বিভিন্ন ধরনের আইন প্রনয়ণ করতে হয়।
• আমি ইটালী ভ্রমণ কালে দেখেছি, ওখানের জনগণ বড় বিদ্যানুরাগী। অথচ এটাকে খ্রিস্টবাদের একচ্ছ কেন্দ্রভূমি বলা হয়। এখানে পোপজনপলের বাসস্থান। কিন্তু কোন লোককে বাইবেল শিক্ষা করতে বা বাইবেল হাতে নিতে দেখিনি। তারা শুধু বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পর্কে শিক্ষা লাভ করছে।
• ইউরোপে মাতাপিতাকে যেরূপে অবহেলা ও তুচ্ছতাচ্ছিল্ল করা হয়, এশিয়াতে কিন্তু সেরূপ আচরণ করা হয় না। কিন্তু ইউরোপে বৃদ্ধ মাতা-পিতাকে অবজ্ঞা ও অবহেলার দৃষ্টিতে ওল্ড হাউজ ও ওল্ড হোমসে বিক্রয় করে দেওয়া হয়। ওখানে মাতাপিতার কোন মূল্য নেই।
• আমি দেখেছি, বর্তমান রাজনৈতিক গুরুত্বপূর্ণপদ সমূহে এমন ব্যক্তি নিয়োজিত, তাদের সমাজ তাদের ভ্রান্ত চিন্তা ভাবনাকে অবরূদ্ধ করে দিয়েছে। আর বর্তমানে ঐ সব লোক হল, ইনসাফ প্রতিষ্ঠাতা নীতি নির্ধারকও বিচারক। অথচ মানুষ বাধ্য হয়ে তাদেরকে ইজ্জত করছে।
• পৃথিবীর আনাচে-কানাচে মিউজিক ও এ উপকরণ ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। ইউরোপ সারা বিশ্বকে মিউজিক এর ধাঁচে সাজিয়ে দিচ্ছে।
• মাদকদ্রব্য সব মানুষকে নেশাগ্রস্থ করে দিয়েছে। এর পর তিনি আরো উল্লেখ করেছেন, এসব দেশের মানুষ নানা আযাব ও বিপদে পড়ে দিশেহারা।
📄 উলঙ্গ নারীরা পুরুষদেরকে পাগল করবে
• রাসূলুল্লাহ জাহান্নামীদের আলোচনা প্রসঙ্গে ইরশাদ করেছেন। এরূপ একদল নারীর জন্ম হবে, তারা কাপড় পরিধান করা স্বত্ত্বেও উলঙ্গ থাকবে। পরপুরুষকে নিজেদের প্রতি আকৃষ্ট করবে। আর নিজেরাও পরপুরুষের প্রতি আকৃষ্ট হবে। তাদের মাথা উটের পিঠের কুঁজের মত উঁচু হবে। তারা না জান্নাতে প্রবেশ করবে, না জান্নাতের খোশবু পাবে। (মুসলিম)
📄 ইউরোপের ভ্রমণ কাহিনী
প্রথমে ১৯৩৫ খ্রিঃ জনাব এম, এ, খাঁন ইউরোপ ভ্রমণ করেন। পরে ১৯৫২ খ্রিঃ পুনরায় ইউরোপ ভ্রমণের বিবরণ লিপিবদ্ধ করেন। ১৯৩৫ খ্রিঃ ইউরোপ ও ১৯৫২ খ্রিঃ ইউরোপের অবস্থা সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম ছিল, সেই ব্যতিক্রমের নমুনা নিম্নরূপ।
📄 ১৯৩৫ খ্রিঃ ইউরোপ
• দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পূর্বেও সেখানে লজ্জা-শরম ছিল না। কিন্তু লজ্জা-শরমের অনুভূতি অবশ্যই ছিল।
• সেখানে নষ্টামি ছিল কিন্তু প্রকাশ্যে ছিল না।
• নারীরা পুরুষের প্রতি কম আকৃষ্ট হত।
• তাদের পোশাক-পরিচ্ছেদ রুচি ও শালিনতা বোধ ছিল।
• আমি অনেক নারীকে উলঙ্গ পাকে বাইরে ঢাকতে দেখেছি।
• আমার বান্ধবী মেরীর পোশাকও পূর্ণাঙ্গ ছিল। সে অত্যন্ত লজ্জাশীলা নারী ছিল।