📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 কৃপণতা ব্যাপক হবে

📄 কৃপণতা ব্যাপক হবে


• রাসূলুল্লাহ ইরশাদ করেছেন। সময় অতি দ্রুত ফুরিয়ে যাবে, ইলম উঠে যাবে, ফিতনা প্রকাশ পাবে, আর মানুষের মন-মানসে কৃপণতা ঢেলে দেওয়া হবে। হত্যার আধিক্য দেখা দেবে। (বুখারী, মুসলিম)

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 সংকীর্ণ অন্তর ও দেহতত্ত্ব বিশেষজ্ঞ

📄 সংকীর্ণ অন্তর ও দেহতত্ত্ব বিশেষজ্ঞ


একদল দেহতত্ব বিশেষজ্ঞ একাধারে কয়েক বছর গবেষণার পর এই অভিমত প্রকাশ করেছেন যে, ক্রমান্বয়ে মানুষের ধৈর্য্য ও সহ্য শক্তি কমে যাচ্ছে। - আমেরিকান কাউন্সিল অফ সাইকোলজির চীফ স্যার গেলটিকের অভিমতে দেখা যায়, জনগণ বিশেষ করে সমাজের ধনীক শ্রেণী প্রতিনিয়ত এমন কিছু ব্যাধিতে আক্রান্ত হচ্ছে, যা ভবিষ্যতের জন্য মারাত্মক হুমকিব কারণ হয়ে দাঁড়াবে।
• মানসিক অশান্তি ও শারীরিক অস্বস্থি ধীরে ধীরে প্রকট আকার ধারণ করছে। মানুষের মধ্যে আত্মহত্যার প্রবণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
• এ স্তরের লোকদের মধ্যে সংকীর্ণমনা ও কৃপণতার ভীত সুদৃঢ় হচ্ছে। এ কারণে পরিবারে ঝগড়া, দোকানে ক্রেতাসাধারণের সাথে তর্ক বিতর্ক, কর্মক্ষেত্রে উর্ধতন কর্মকর্তার সাথে অসদাচরণ ইত্যাদি সর্বক্ষেত্রেই কৃপণতা ও হীন মন্যতা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
• মানুষের মধ্যে পারস্পরিক অসঞ্চিতা স্বভাবে পরিণত হয়েছে। এমন কি অতি তুচ্ছ বিষয়েও একে অপরকে হত্যা করে ফেলছে।
অবস্থা এত শোচনীয় যে, কোন ব্যক্তি মানুসিক দুঃশ্চিন্তায় স্বয়ং নিজেকেই নিরাপদ ভাবতে পারছে না। বিগত দশ বছরে আমেরিকান সাইকোলজি কেন্দ্রে রোগীর সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।
দেহ তত্ত্ববিদগণ এ নিয়ে ভীষণ উদ্ভিগ্ন যে, মানুষের পেরেশানীর কারণে তারা দেহতত্ববিদগণের পরামর্শ অনুযায়ী কাজ করতে ক্ষমতা হারিয়ে ফেলছে। যদি তাদেরকে একশত পরামর্শ দেওয়া হয়, তাহলে তারা পরামর্শ অনুযায়ী শতকরা দশ ভাগ কাজ করছে।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 যাদুময় কথা বলে অর্থোপার্জন

📄 যাদুময় কথা বলে অর্থোপার্জন


রাসূলুল্লাহ ইরশাদ করেছেন, ঐ পর্যন্ত কিয়ামত সংঘঠিত হবে না, যাবত না এ শ্রেণীর মানুষ বিদ্যমান হবে, যারা নিজেদের মুখ দ্বারা উদর পূর্ণ করে।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 ব্যবসার কৌশল ও কৌশলী ব্যবসায়ী

📄 ব্যবসার কৌশল ও কৌশলী ব্যবসায়ী


অভিজ্ঞতা ও পর্যবেক্ষণে এ কথার সত্যতা প্রমাণ হয়েছে যে, প্রায় ব্যবসায়ীই নিজ পণ্য ও আত্ম প্রশংসায় ব্যতি ব্যস্ত। সব দিক সম্পর্কে গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করা, ক্রেতার মনোযোগ তার প্রতি আকৃষ্ট করা ইত্যাদির খেয়াল রাখা হলে এরূপ ব্যবসায়ী কখনো ব্যর্থ হতে পারে না। আমাদের দেশের প্রচলিত নিয়ম হল, ক্রেতাকে পণ্য দেখানো সময় তার সাথে সামনে কথা কম বলে তিক্ত একটা দাম ছুড়ে তাকে বোকা বানিয়ে দেওয়া হয়। কখনো এরূপ করা যাবে না। আপনার কর্তব্য হল, ক্রেতাকে আকৃষ্ট করা। তাকে মনযোগী করা। তার সামনে নিজ পণ্যের গুণাবলী তুলে ধরা।

আপনার কি ইতিহাস স্মরণে আছে অথবা এই ধরনের দৃষ্টান্ত যে, ইতোপূর্বে কোন ক্রেতা আপনার কথা অমান্য করেছে। আর তাতে আপনার ক্ষতি হয়েছে। থাকলে, এ ধরনের উদাহরণ ও ঘটনাবলী ক্রেতা ও গ্রাহকদের অবশ্যই জানিয়ে দিন। তাতে আপনার পণ্যের মূল্যায়ণ বেড়ে যাবে। আপনার কথারও মূল্যায়ণ হবে। দৃষ্টান্ত দ্বারা কথা দ্রুত বুঝা যায়। তাছাড়া আপনি কি ক্রেতার উৎসাহ-আগ্রহ ও পছন্দের প্রতি লক্ষ্য রাখেন? তাহলে অবশ্যই ক্রেতার পছন্দ-অপছন্দকে প্রাধান্য দেওয়ার চেষ্টা করুন। যাতে আপনার সুন্দর কথায় ক্রেতাকে আপনার প্রতি আকৃষ্ট করতে পারেন।

সুধী পাঠক সমাজ, উল্লেখিত অভিমত দ্বারা স্পষ্টভাবে প্রমাণ হয়েছে যে, নিত্যনতুন রীতি নীতি ও অভিন্ন মাধুর্য্যপূর্ণ পন্থাও ভাষায় মানুষকে আকৃষ্ট করাই ব্যবসার মূলনীতি। এটা যেহেতু ভুল হয়েছে, তখন আপনাকে অবশ্যই সত্য বিষয়টি প্রকাশ করতে হবে। ক্রেতাকে শুধু বিক্রিত পণ্যের গুণাবলী সংক্ষেপে জানিয়ে দিন।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00