📄 নাম পরিবর্তন করে মদকে বৈধ করা হবে
রাসূলুল্লাহ ইরশাদ করেছেন। সর্বপ্রথম মদ সেবনের মাধ্যমে ইসলামকে বিকৃত করার চেষ্টা করা হবে। হযরত সাহাবায়ে কিরাম রাযি. আরয করেন, তাহলে কি মুসলমান মদ সেবন করবে? অথচ আল্লাহ তা'আলা এটাকে কঠোর ভাষায় হারাম ঘোষণা করেছেন! রাসূলুল্লাহ ইরশাদ করেন, নাম পরিবর্তন করে তা বৈধ করা হবে (বিয়ার জুস ইত্যাদি)।
র্যাকস কোম্পানীর পক্ষ থেকে বোতলজাত মূল্যবান জুস সরবরাহ করা হয়। এর খ্যাতি রয়েছে যে, এর দ্বারা দেহ শীতল হয়। দেহের তাপমাত্রা স্বাভাবিক থাকে। স্বাস্থ্য সবল হয়। পাকস্থলীর তেজাব নিঃসরণ করে অংগ-প্রত্যঙ্গ সমূহ সঠিক পরিচলনায় সহায়তা করে। পক্ষান্তরে এটা হালকা মদ। কিন্তু সেবনকারীদের মতে এসব মদ, যদি এক বোতল সেবন করা হয়, তাতে দেহে স্বাদ অনুভূত হয়। আর যদি একত্রে তিন বোতল সেবন করা হয়, তাহলে দেশী এক বোতল মদের সমান নেশা হয়।
📄 এলকোহল ও ঔষধ-পথ্য
ইসলাম কঠোরভাবে নেশাকে হারাম ঘোষণা করেছে। আর হারামে নিশ্চিত কোন নিরাময়তা নাই। তথাপি অসংখ্য ঔষধে এলকোহল ব্যবহার করা হচ্ছে। আর তাতে ব্যাধি উপশম হয় বলে ধারনা করা হচ্ছে। পক্ষান্তরে তাতে প্রকৃত অর্থে কোন নিরাময়তা নাই। চিকিৎসা বিজ্ঞান এ মতামত সম্পর্ণরূপে প্রত্যাখ্যান করছে।
📄 চকোলেট ও নেশা
বড় বড় শহরের নামকরা বিপনী বিতানসমূহে এ ধরনের অনেক চকলেট পাওয়া যায়, যা মানসিক যন্ত্রণা ও অবসন্নতা দূর করার জন্য ব্যবহার করা হয়। আর বর্তমানে তা অহরহ ব্যবহৃত হচ্ছে। অথচ তাতে রয়েছে নেশা। একবার কেউ তা ব্যবহার করলে, তাতে সে অভ্যস্থ হয়ে পড়ছে।
📄 ইলম উঠে যাবে
হযরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রাযি. থেকে বর্ণিত আছে। রাসূলুল্লাহ ইরশাদ করেছেন, আল্লাহ তা'আলা আকস্মিকভাবে ইলম উঠিয়ে নেবেন না বরং উলামায়ে কিরামকে মৃত্যু দেওয়ার মাধ্যমে ক্রমান্বয়ে ইলম বিলুপ্ত করে দেবেন। যখন আল্লাহ তা'আলা একজন আলেমও অবশিষ্ট রাখবেন না, তখন মানুষ অজ্ঞ মূর্খ লোকদেরকে নেতা ও শাসক মনোনীত করবে। আর তাদের নিকট বিভিন্ন মাসায়ালা ও লেনদেন সম্পর্কে প্রশ্ন করবে। তখন তারা বিনা ইলমে ফাতওয়া দেবে। এভাবে তারা নিজেরাও পথভ্রষ্ট হবে, অন্যদেরকেও পথভ্রষ্ট করে ফেলবে। (মিশকাত)