📄 মিথ্যার ব্যাপক প্রচলন হবে
হযরত উমর রাযি. থেকে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ ইরশাদ করেছেন, তোমরা আমার সাহাবাদেরকে ইজ্জত-সম্মান করো। তারা তোমাদের মধ্যে উত্তম লোক। তাদের পর তাদের পরবর্তীগণ উত্তম হবে। তাদের পরে যাদের আগমন হবে তাদের মধ্যে মিথ্যাচার ব্যাপক হয়ে যাবে। এমনকি শেষ পর্যন্ত নিশ্চিত এমন এক যুগ আসবে যে, তখন মানুষ বিনা প্রয়োজনে শপথ করবে, আর সাক্ষী মানা ছাড়াই ব্যতীত সাক্ষী দেবে। (নাসায়ী)।
📄 গোব্যলিষ্টার মিথ্যার বাদশাহ
নেপোলিয়ান বোনাপাটের মতে ততো বেশী মিথ্যা বলো, যেন লোকজন তা সত্য বলে ধারনা করে। ১৮৮৪ খ্রিস্টাব্দে লন্ডনে গোব্যলিষ্টারের জন্ম হয়। প্রথম থেকে সে অতি ধূর্ত ও বুদ্ধিমান ছিল। কিন্তু ধীরে ধীরে সে এ কাজে অভ্যস্থ হয়ে পড়ে। মিথ্যাকে সে তার লক্ষ্য স্থির করে। এমনকি সে এতোধিক মিথ্যা বলত এবং এত চমৎকার ভাষায় বলত, ফলে মানুষ তা সত্য মনে করত। এভাবে গোব্যলিস্টারের মিথ্যা প্রসিদ্ধি লাভ করে।
📄 দি লরেন্স অফ দি এরাবিয়া
লরেন্স ছিল ভীষণ ধূর্ত ও মুসলমানদের অন্যতম শত্রু। অনেক ভাষায় পারদর্শী ছিল। সর্বস্তরের সামাজিক সভ্যতা-সংস্কৃতি সম্পর্কে অভিজ্ঞ ছিল। যে কোন মাহফিলের আচার-আচরণ ছিল তার নখদর্পনে। সে ভীষণ অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ব্যক্তিত্বের অধিকারী ছিল। একত্রে অনেক ভাষার পারদর্শীতা অর্জন করেছিল। মিথ্যাবাদীদের মাথার মুকুট এবং ধূর্ত ও প্রতারকদের গুরু ছিল। তার গুপ্তচরবৃত্তি মুসলমানদের মধ্যে চরম মতভেদ ও মতবিরোধের সূচনা করে। এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানার জন্য 'দি লরেন্স অফ দি এরাবিয়া' নামক গ্রন্থ পাঠ করুন।
📄 মুসলমান সম্পদশালী হবে কিন্তু দ্বীনদার হবে না
হযরত আলী রাযি. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি একদিন রাসূলুল্লাহ এর সাথে মসজিদে বসা ছিলাম। হঠাৎ হযরত মুসয়াব বিন উমায়ের রাযি. মসজিদে প্রবেশ করেন। তার পরনে ছিল চামড়ার তালিযুক্ত একটি চাদর। তার এ দূদর্শা দেখে ইসলামপূর্ব অবস্থা স্মরণ করে রাসূলুল্লাহ কাঁদতে শুরু করেন। তারপর ইরশাদ করেন, হে মুসলমানগণ! ঐ সময় তোমাদের কি অবস্থা হবে, যখন তোমরা সকালে এক পোশাক পরিধান করে বের হবে; বিকালে অন্য আরেক পোশাক পরিধান করে বের হবে। আর তোমাদের সামনে এক পাত্র খাদ্য রাখা হবে এবং অন্য পাত্র তাদের সামনে থেকে উঠিয়ে নেওয়া হবে। তোমাদের বাসগৃহ সমূহে এমন উন্নত মানের পর্দা ঝুলানো থাকবে, যা কা'বা গৃহের গিলাফকেও স্নান করে দেবে। হযরত সাহাবায়ে কিরাম রাযি. আরয করলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! তখন তো আমাদের অবস্থা আগের তুলনায় অতি উত্তম হবে। ইবাদতের জন্য অবসর পাবো; অর্থ উপার্জনের পরিশ্রম কম করতে হবে। রাসূলুল্লাহ ইরশাদ করেন, তোমরা ঐ দিনের তুলনায় আজকের দিনে উত্তম অবস্থায় আছ। (তিরমিযী)