📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 কুরআনকে জীবিকা নির্বাহের মাধ্যম স্থির করা

📄 কুরআনকে জীবিকা নির্বাহের মাধ্যম স্থির করা


• হযরত জাবির রাযি. থেকে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন- আমি কুরআন তিলাওয়াত করছিলাম। মজলীসে আরবের শহরবাসী ছাড়াও গ্রাম্য লোকজন এবং অনারব অধিবাসীরাও উপস্থিত ছিল। এমতাবস্থায় রাসূলুল্লাহ তাশরীফ নিলেন এবং ইরশাদ করলেন- তিলাওয়াত করতে থাকো। তুমি বিশুদ্ধই পাঠ করছ। অনতি বিলম্বে এমন লোকের আবির্ভাব হবে, যারা কুরআনকে কবিতার মত ছন্দময় করে পড়বে। তাদের উদ্দেশ্য হবে, কুরআন পাঠ করার মাধ্যমে দুনিয়া অর্জন করা। এর দ্বারা তাদের আখিরাত অর্জিত হবে না। (বায়হাকী)

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 বগাড়ম্বরপূর্ণ কিরাত মাহফিল ধ্বংসাত্মক

📄 বগাড়ম্বরপূর্ণ কিরাত মাহফিল ধ্বংসাত্মক


আমি অধম এক খ্যাতনামা বিশ্ববিদ্যালয়ের শাইখুল হাদীসের পাশে বসা ছিলাম। কিরাত মাহফিল চলছিল। তিনি এ সম্পর্কে এক বিস্ময়কর অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে বলতে শুরু করেন, আমার এখানে ছাত্র-শিক্ষক সকলের অভ্যাস হচ্ছে, তারা এখন কুরআন শুধু এ উদ্দেশ্যে হেফয করছে, যাতে তারা পুরস্কার লাভ করতে পারে। তারা প্রার্থিব পুরস্কার, সুযোগ-সুবিধা ও সুখ্যাতি অর্জনের লোভে অন্ধ হয়ে গেছে। আখিরাতের অনাদি-অনন্ত ও চিরস্থায়ী পুরস্কারের কথা ভুলে বসেছে। এর ক্ষতিকর প্রভাব হল, ছাত্রদের মধ্যে খাটি দ্বীন শিক্ষায় ব্যাপক পরিবর্তন দেখা দিয়েছে। তাদের পোশাক-পরিচ্ছদ, দৈহিক অঙ্গভঙ্গী, জুতা এমনকি তাদের কাজকর্ম চিত্রজগতের নায়ক-নায়িকার মত হয়ে গেছে। তদুপরি এ ক্বারীগণ নাত পাঠক হয়ে যাচ্ছে। আমার জানা মতে পাকিস্তানে এমন অনেক নায়ক রয়েছে, যারা প্রথমে ক্বারী ছিল। তার পর নাত পাঠক হয়েছে। অবশেষে হয়েছে অভিনেতা।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 মিথ্যার ব্যাপক প্রচলন হবে

📄 মিথ্যার ব্যাপক প্রচলন হবে


হযরত উমর রাযি. থেকে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ ইরশাদ করেছেন, তোমরা আমার সাহাবাদেরকে ইজ্জত-সম্মান করো। তারা তোমাদের মধ্যে উত্তম লোক। তাদের পর তাদের পরবর্তীগণ উত্তম হবে। তাদের পরে যাদের আগমন হবে তাদের মধ্যে মিথ্যাচার ব্যাপক হয়ে যাবে। এমনকি শেষ পর্যন্ত নিশ্চিত এমন এক যুগ আসবে যে, তখন মানুষ বিনা প্রয়োজনে শপথ করবে, আর সাক্ষী মানা ছাড়াই ব্যতীত সাক্ষী দেবে। (নাসায়ী)।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 গোব্যলিষ্টার মিথ্যার বাদশাহ

📄 গোব্যলিষ্টার মিথ্যার বাদশাহ


নেপোলিয়ান বোনাপাটের মতে ততো বেশী মিথ্যা বলো, যেন লোকজন তা সত্য বলে ধারনা করে। ১৮৮৪ খ্রিস্টাব্দে লন্ডনে গোব্যলিষ্টারের জন্ম হয়। প্রথম থেকে সে অতি ধূর্ত ও বুদ্ধিমান ছিল। কিন্তু ধীরে ধীরে সে এ কাজে অভ্যস্থ হয়ে পড়ে। মিথ্যাকে সে তার লক্ষ্য স্থির করে। এমনকি সে এতোধিক মিথ্যা বলত এবং এত চমৎকার ভাষায় বলত, ফলে মানুষ তা সত্য মনে করত। এভাবে গোব্যলিস্টারের মিথ্যা প্রসিদ্ধি লাভ করে।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00