📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 কর্নেল ল্যরেন্সের হাদীস অস্বীকার

📄 কর্নেল ল্যরেন্সের হাদীস অস্বীকার


উপমহাদেশে ইলম ও দ্বীনের কাজের যে উন্নতি সাধিত হয়েছে, যদি তা ধারাবাহিকভাবে চলতে থাকে। তাহলে দ্বীন ইসলাম অতিদ্রুত পৃথিবীতে প্রসার লাভ করবে। এ ধারাবাকিতায় যদি স্যাটকাপ রিপোর্ট পাঠ করা হয়, তার বিস্তারিত বিবরণের সারমর্ম হল, এই দ্বীনের অনুসারীদের মধ্যে এমন লোক ফিতনা পয়দা করবে, যার কারণে দ্বীনের প্রচার-প্রসার বাঁধাগ্রস্থ হবে ও ফিতনা ব্যাপক আকার ধারন করবে।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 কর্নেল ল্যরেন্স বটন কি কাজ করেছে

📄 কর্নেল ল্যরেন্স বটন কি কাজ করেছে


মুসলমান আকীদার দিক থেকে রাসূলুল্লাহ-কে শেষনবী স্বীকার করে। আর তাঁকে অত্যধিক ইজ্জত সম্মান করে। সুতরাং তাদের মধ্যে খতমে নবুওয়াতের আকীদা দূরীভূত করে নতুন কোন নবীর আসার পথ বের করে দিতে হবে। ফলে তাদের আকীদা-বিশ্বাসে বিভেদ পার্থক্য দেখা দিবে। আর শেষ নবী-এর ইজ্জত সম্মান বিলুপ্ত হয়ে যাবে। এভাবে তারা আমলের শক্তি হারিয়ে ফেলবে। তারা তাদের নবীর বাণী সমূহ আদ্যোপ্রান্ত মান্য করছে। কুরআন বুঝার জন্য হাদীসের সাহায্য নিচ্ছে। সুতরাং তাদের মধ্যে এমন দল সৃষ্টি করে দিতে হবে, যারা হাদীস শাস্ত্রকে অস্বীকার করবে। লোকদের মধ্যে প্রচার শুরু করবে যে, এ সব ইলম অসমাপ্ত ও অর্থহীন। (নাউযুবিল্লাহ)। তাহলে আমলের ধারাবাহিকতা খতম হয়ে যাবে। তাদের কুরআন বুঝার জ্ঞানও সন্দেহযুক্ত হয়ে যাবে।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 কুরআনকে জীবিকা নির্বাহের মাধ্যম স্থির করা

📄 কুরআনকে জীবিকা নির্বাহের মাধ্যম স্থির করা


• হযরত জাবির রাযি. থেকে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন- আমি কুরআন তিলাওয়াত করছিলাম। মজলীসে আরবের শহরবাসী ছাড়াও গ্রাম্য লোকজন এবং অনারব অধিবাসীরাও উপস্থিত ছিল। এমতাবস্থায় রাসূলুল্লাহ তাশরীফ নিলেন এবং ইরশাদ করলেন- তিলাওয়াত করতে থাকো। তুমি বিশুদ্ধই পাঠ করছ। অনতি বিলম্বে এমন লোকের আবির্ভাব হবে, যারা কুরআনকে কবিতার মত ছন্দময় করে পড়বে। তাদের উদ্দেশ্য হবে, কুরআন পাঠ করার মাধ্যমে দুনিয়া অর্জন করা। এর দ্বারা তাদের আখিরাত অর্জিত হবে না। (বায়হাকী)

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 বগাড়ম্বরপূর্ণ কিরাত মাহফিল ধ্বংসাত্মক

📄 বগাড়ম্বরপূর্ণ কিরাত মাহফিল ধ্বংসাত্মক


আমি অধম এক খ্যাতনামা বিশ্ববিদ্যালয়ের শাইখুল হাদীসের পাশে বসা ছিলাম। কিরাত মাহফিল চলছিল। তিনি এ সম্পর্কে এক বিস্ময়কর অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে বলতে শুরু করেন, আমার এখানে ছাত্র-শিক্ষক সকলের অভ্যাস হচ্ছে, তারা এখন কুরআন শুধু এ উদ্দেশ্যে হেফয করছে, যাতে তারা পুরস্কার লাভ করতে পারে। তারা প্রার্থিব পুরস্কার, সুযোগ-সুবিধা ও সুখ্যাতি অর্জনের লোভে অন্ধ হয়ে গেছে। আখিরাতের অনাদি-অনন্ত ও চিরস্থায়ী পুরস্কারের কথা ভুলে বসেছে। এর ক্ষতিকর প্রভাব হল, ছাত্রদের মধ্যে খাটি দ্বীন শিক্ষায় ব্যাপক পরিবর্তন দেখা দিয়েছে। তাদের পোশাক-পরিচ্ছদ, দৈহিক অঙ্গভঙ্গী, জুতা এমনকি তাদের কাজকর্ম চিত্রজগতের নায়ক-নায়িকার মত হয়ে গেছে। তদুপরি এ ক্বারীগণ নাত পাঠক হয়ে যাচ্ছে। আমার জানা মতে পাকিস্তানে এমন অনেক নায়ক রয়েছে, যারা প্রথমে ক্বারী ছিল। তার পর নাত পাঠক হয়েছে। অবশেষে হয়েছে অভিনেতা।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00