📄 হাদীসে অস্বীকার
• হযরত মিকদাদ বিন মা'দিকারাব রাযি. বর্ণনা করেছেন, রাসূলুল্লাহ ইরশাদ করেছেন, সাবধান! নিশ্চিত আমাকে কুরআন মজীদ দান করা হয়েছে। আর কুরআনের আরো আহকামও দান করা হয়েছে। অতঃপর ইরশাদ করেন, সাবধান! এমন এক সময় আসবে, যখন মানুষ উদর পূর্ণ করে নিজ বাসস্থানে বসে বলবে, কুরআনই তোমাদের জন্য যথেষ্ট। তাতে যা হালাল ঘোষণা করা হয়েছে, তাই হালাল জানবে আর যা হারাম ঘোষণা করা হয়েছে, তাই হারাম জানবে। (বলবে হাদীসের কোন প্রয়োজন নেই)।
অতঃপর ইরশাদ করেন, পক্ষান্তরে রাসূলুল্লাহ এর আদেশ যে কোন কাজের ক্ষেত্রে অনুরূপই, যে আল্লাহ তা'আলা কোন বস্তুর হারাম হওয়ার জন্য আদেশ করেছেন। (মিশকাত)
📄 কর্নেল ল্যরেন্সের হাদীস অস্বীকার
উপমহাদেশে ইলম ও দ্বীনের কাজের যে উন্নতি সাধিত হয়েছে, যদি তা ধারাবাহিকভাবে চলতে থাকে। তাহলে দ্বীন ইসলাম অতিদ্রুত পৃথিবীতে প্রসার লাভ করবে। এ ধারাবাকিতায় যদি স্যাটকাপ রিপোর্ট পাঠ করা হয়, তার বিস্তারিত বিবরণের সারমর্ম হল, এই দ্বীনের অনুসারীদের মধ্যে এমন লোক ফিতনা পয়দা করবে, যার কারণে দ্বীনের প্রচার-প্রসার বাঁধাগ্রস্থ হবে ও ফিতনা ব্যাপক আকার ধারন করবে।
📄 কর্নেল ল্যরেন্স বটন কি কাজ করেছে
মুসলমান আকীদার দিক থেকে রাসূলুল্লাহ-কে শেষনবী স্বীকার করে। আর তাঁকে অত্যধিক ইজ্জত সম্মান করে। সুতরাং তাদের মধ্যে খতমে নবুওয়াতের আকীদা দূরীভূত করে নতুন কোন নবীর আসার পথ বের করে দিতে হবে। ফলে তাদের আকীদা-বিশ্বাসে বিভেদ পার্থক্য দেখা দিবে। আর শেষ নবী-এর ইজ্জত সম্মান বিলুপ্ত হয়ে যাবে। এভাবে তারা আমলের শক্তি হারিয়ে ফেলবে। তারা তাদের নবীর বাণী সমূহ আদ্যোপ্রান্ত মান্য করছে। কুরআন বুঝার জন্য হাদীসের সাহায্য নিচ্ছে। সুতরাং তাদের মধ্যে এমন দল সৃষ্টি করে দিতে হবে, যারা হাদীস শাস্ত্রকে অস্বীকার করবে। লোকদের মধ্যে প্রচার শুরু করবে যে, এ সব ইলম অসমাপ্ত ও অর্থহীন। (নাউযুবিল্লাহ)। তাহলে আমলের ধারাবাহিকতা খতম হয়ে যাবে। তাদের কুরআন বুঝার জ্ঞানও সন্দেহযুক্ত হয়ে যাবে।
📄 কুরআনকে জীবিকা নির্বাহের মাধ্যম স্থির করা
• হযরত জাবির রাযি. থেকে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন- আমি কুরআন তিলাওয়াত করছিলাম। মজলীসে আরবের শহরবাসী ছাড়াও গ্রাম্য লোকজন এবং অনারব অধিবাসীরাও উপস্থিত ছিল। এমতাবস্থায় রাসূলুল্লাহ তাশরীফ নিলেন এবং ইরশাদ করলেন- তিলাওয়াত করতে থাকো। তুমি বিশুদ্ধই পাঠ করছ। অনতি বিলম্বে এমন লোকের আবির্ভাব হবে, যারা কুরআনকে কবিতার মত ছন্দময় করে পড়বে। তাদের উদ্দেশ্য হবে, কুরআন পাঠ করার মাধ্যমে দুনিয়া অর্জন করা। এর দ্বারা তাদের আখিরাত অর্জিত হবে না। (বায়হাকী)