📄 ইন্দিরা গান্ধির পরিকল্পনা
ইন্দিরা গান্ধির পুত্র সঞ্জয় গান্ধি ভারতবর্ষে মুসলমানদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় উদ্বিগ্ন হয়ে এক পরিকল্পনা গ্রহণ করে যে, মূসলমানদের বিশেষ করে পুরুষদের দ্বারা এমন কাজ করাতে হবে, যাতে তাদের প্রজনন ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায়। এ বিষয় সে যথেষ্ট পদক্ষেপ নেয়। কিন্তু তার জীবন তাকে অবকাশ দেয়নি।
📄 হাদীসে অস্বীকার
• হযরত মিকদাদ বিন মা'দিকারাব রাযি. বর্ণনা করেছেন, রাসূলুল্লাহ ইরশাদ করেছেন, সাবধান! নিশ্চিত আমাকে কুরআন মজীদ দান করা হয়েছে। আর কুরআনের আরো আহকামও দান করা হয়েছে। অতঃপর ইরশাদ করেন, সাবধান! এমন এক সময় আসবে, যখন মানুষ উদর পূর্ণ করে নিজ বাসস্থানে বসে বলবে, কুরআনই তোমাদের জন্য যথেষ্ট। তাতে যা হালাল ঘোষণা করা হয়েছে, তাই হালাল জানবে আর যা হারাম ঘোষণা করা হয়েছে, তাই হারাম জানবে। (বলবে হাদীসের কোন প্রয়োজন নেই)।
অতঃপর ইরশাদ করেন, পক্ষান্তরে রাসূলুল্লাহ এর আদেশ যে কোন কাজের ক্ষেত্রে অনুরূপই, যে আল্লাহ তা'আলা কোন বস্তুর হারাম হওয়ার জন্য আদেশ করেছেন। (মিশকাত)
📄 কর্নেল ল্যরেন্সের হাদীস অস্বীকার
উপমহাদেশে ইলম ও দ্বীনের কাজের যে উন্নতি সাধিত হয়েছে, যদি তা ধারাবাহিকভাবে চলতে থাকে। তাহলে দ্বীন ইসলাম অতিদ্রুত পৃথিবীতে প্রসার লাভ করবে। এ ধারাবাকিতায় যদি স্যাটকাপ রিপোর্ট পাঠ করা হয়, তার বিস্তারিত বিবরণের সারমর্ম হল, এই দ্বীনের অনুসারীদের মধ্যে এমন লোক ফিতনা পয়দা করবে, যার কারণে দ্বীনের প্রচার-প্রসার বাঁধাগ্রস্থ হবে ও ফিতনা ব্যাপক আকার ধারন করবে।
📄 কর্নেল ল্যরেন্স বটন কি কাজ করেছে
মুসলমান আকীদার দিক থেকে রাসূলুল্লাহ-কে শেষনবী স্বীকার করে। আর তাঁকে অত্যধিক ইজ্জত সম্মান করে। সুতরাং তাদের মধ্যে খতমে নবুওয়াতের আকীদা দূরীভূত করে নতুন কোন নবীর আসার পথ বের করে দিতে হবে। ফলে তাদের আকীদা-বিশ্বাসে বিভেদ পার্থক্য দেখা দিবে। আর শেষ নবী-এর ইজ্জত সম্মান বিলুপ্ত হয়ে যাবে। এভাবে তারা আমলের শক্তি হারিয়ে ফেলবে। তারা তাদের নবীর বাণী সমূহ আদ্যোপ্রান্ত মান্য করছে। কুরআন বুঝার জন্য হাদীসের সাহায্য নিচ্ছে। সুতরাং তাদের মধ্যে এমন দল সৃষ্টি করে দিতে হবে, যারা হাদীস শাস্ত্রকে অস্বীকার করবে। লোকদের মধ্যে প্রচার শুরু করবে যে, এ সব ইলম অসমাপ্ত ও অর্থহীন। (নাউযুবিল্লাহ)। তাহলে আমলের ধারাবাহিকতা খতম হয়ে যাবে। তাদের কুরআন বুঝার জ্ঞানও সন্দেহযুক্ত হয়ে যাবে।