📄 জনৈক পাদ্রীর অঙ্গীকার
আমার জনৈক বন্ধু আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়ায় দীর্ঘ দিন যাবত বসবাস করছে। আমি অসহায় সেখানে যাওয়ার পর কথা প্রসঙ্গে সে বলতে শুরু করে, আমাকে আমার এক অন্তরঙ্গ বন্ধু পাদ্রী তার এক চাক্ষুস ঘটনা বলেছে। ১৮৯০ খ্রিস্টাব্দ থেকে রীতিমত বৈজ্ঞানিক উপায়ে দ্বীন ইসলাম ও মুসলমানদের নির্মূল করার সর্বাত্মক চেষ্টা চালানো হয়। কিন্তু বর্তমানে ১৯৯০ খ্রিস্টাব্দ চলছে। মুসলমানের সংখ্যা তো কমেই নি বরং প্রতিদিন বেড়ে চলেছে। পাদ্রী বলল, আমি রেকর্ড অনুযায়ী কথা বলছি। বর্তমানে ইয়াহুদী ও খ্রিস্টান বিশেষজ্ঞগণ হতবাক হচ্ছে যে, মুসলমানদের নির্মূল করার সকল প্রকার চেষ্টা ও ষড়যন্ত্র চালানোর পরও তাদেরকে নির্মূল করা যায়নি।
📄 ইন্দিরা গান্ধির পরিকল্পনা
ইন্দিরা গান্ধির পুত্র সঞ্জয় গান্ধি ভারতবর্ষে মুসলমানদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় উদ্বিগ্ন হয়ে এক পরিকল্পনা গ্রহণ করে যে, মূসলমানদের বিশেষ করে পুরুষদের দ্বারা এমন কাজ করাতে হবে, যাতে তাদের প্রজনন ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায়। এ বিষয় সে যথেষ্ট পদক্ষেপ নেয়। কিন্তু তার জীবন তাকে অবকাশ দেয়নি।
📄 হাদীসে অস্বীকার
• হযরত মিকদাদ বিন মা'দিকারাব রাযি. বর্ণনা করেছেন, রাসূলুল্লাহ ইরশাদ করেছেন, সাবধান! নিশ্চিত আমাকে কুরআন মজীদ দান করা হয়েছে। আর কুরআনের আরো আহকামও দান করা হয়েছে। অতঃপর ইরশাদ করেন, সাবধান! এমন এক সময় আসবে, যখন মানুষ উদর পূর্ণ করে নিজ বাসস্থানে বসে বলবে, কুরআনই তোমাদের জন্য যথেষ্ট। তাতে যা হালাল ঘোষণা করা হয়েছে, তাই হালাল জানবে আর যা হারাম ঘোষণা করা হয়েছে, তাই হারাম জানবে। (বলবে হাদীসের কোন প্রয়োজন নেই)।
অতঃপর ইরশাদ করেন, পক্ষান্তরে রাসূলুল্লাহ এর আদেশ যে কোন কাজের ক্ষেত্রে অনুরূপই, যে আল্লাহ তা'আলা কোন বস্তুর হারাম হওয়ার জন্য আদেশ করেছেন। (মিশকাত)
📄 কর্নেল ল্যরেন্সের হাদীস অস্বীকার
উপমহাদেশে ইলম ও দ্বীনের কাজের যে উন্নতি সাধিত হয়েছে, যদি তা ধারাবাহিকভাবে চলতে থাকে। তাহলে দ্বীন ইসলাম অতিদ্রুত পৃথিবীতে প্রসার লাভ করবে। এ ধারাবাকিতায় যদি স্যাটকাপ রিপোর্ট পাঠ করা হয়, তার বিস্তারিত বিবরণের সারমর্ম হল, এই দ্বীনের অনুসারীদের মধ্যে এমন লোক ফিতনা পয়দা করবে, যার কারণে দ্বীনের প্রচার-প্রসার বাঁধাগ্রস্থ হবে ও ফিতনা ব্যাপক আকার ধারন করবে।