📄 এক পাকিস্তানী পরিবারের ঘটনা
জর্দান থেকে অর্থ উপার্জনের লোভে এ পরিবার ফ্রান্সে গমন করে। সে খানে গিয়ে অয়েল ফেয়ার সংস্থার শরণাপন্ন হয়। তারা তার থাকা খাওয়া ও উন্নতমানের চাকুরীর ব্যবস্থা করে দেয়। তারপর তার নিকট খ্রিস্টধর্ম প্রচার করতে শুরু করে। এখন ঐ পুরো পরিবার ধর্মান্তরিত হয়ে খ্রিস্টান হয়ে গেছে।
📄 ফ্রিকায় বদ-দ্বীনি
এ প্রসঙ্গে বলেন, এ সব দেশে বহু ইউরোপীয় সাহায্য সংস্থা স্থাপিত হয়েছে। তাদের কাজ হল, জনগণকে সাহায্য সহায়তা করা। কিন্তু তারা মূলতঃ ঈমান ও ইসলাম চোর। তারা জনগণের মাঝে বিনামূল্যে ঔষধ, খাদ্য ও কাপড় দান করে। বিনিময়ে তারা নিজেদের সাহিত্য ও বক্তৃতা শুনতে বাধ্য করে তাদেরকে। আর এভাবেই মুসলমান কাফির হয়ে যাচ্ছে।
📄 কখনো মুসলমান ধ্বংস হবে না
• হযরত সাওবান রাযি. থেকে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, আমি আমার সমস্ত উম্মাতকে দুর্ভিক্ষ দ্বারা ধ্বংস না করার জন্য এবং তাদের উপর অন্য জাতিকে এরূপে প্রবল না করার জন্য আল্লাহ তা'আলার দরবারে দু'আ করেছি, যেন তারা সমস্ত মুসলমানকে ধ্বংস না করে দেয়।
• আল্লাহ তা'আলা ইরশাদ করেছেন, আমি যখন কোন ফয়সালা করি, তখন কেউ তা পরিবর্তন করতে পারে না। আমি আপনাকে প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি যে, আপনার উম্মাতকে গণদূর্ভিক্ষের দ্বারা ধ্বংস করব না। আর না তাদের উপর বিজাতি দুশমনকে জয়ী করব যে, তারা একেক করে তাদের সবাইকে নির্মূল করে ফেলবে। যদিও জমিনের উপর বসবাসকারী সকলে চতুর্দিক থেকে সমবেত হয়ে যায়। (মুসলিম)
📄 জনৈক পাদ্রীর অঙ্গীকার
আমার জনৈক বন্ধু আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়ায় দীর্ঘ দিন যাবত বসবাস করছে। আমি অসহায় সেখানে যাওয়ার পর কথা প্রসঙ্গে সে বলতে শুরু করে, আমাকে আমার এক অন্তরঙ্গ বন্ধু পাদ্রী তার এক চাক্ষুস ঘটনা বলেছে। ১৮৯০ খ্রিস্টাব্দ থেকে রীতিমত বৈজ্ঞানিক উপায়ে দ্বীন ইসলাম ও মুসলমানদের নির্মূল করার সর্বাত্মক চেষ্টা চালানো হয়। কিন্তু বর্তমানে ১৯৯০ খ্রিস্টাব্দ চলছে। মুসলমানের সংখ্যা তো কমেই নি বরং প্রতিদিন বেড়ে চলেছে। পাদ্রী বলল, আমি রেকর্ড অনুযায়ী কথা বলছি। বর্তমানে ইয়াহুদী ও খ্রিস্টান বিশেষজ্ঞগণ হতবাক হচ্ছে যে, মুসলমানদের নির্মূল করার সকল প্রকার চেষ্টা ও ষড়যন্ত্র চালানোর পরও তাদেরকে নির্মূল করা যায়নি।