📄 শহরে ঝড় ও জনতার কোলাহল
দ্বীন ইসলামের উপর প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তির অবস্থা এরূপ, যেন সে নিজেকে স্বয়ং কোন মসিবত ও পেরেশানীতে লিপ্ত করে দিয়েছে। আর সেই মসিবত ও পেরেশানী এরূপ যে, মানুষ সে সম্পর্কে কোন ধারনা করতে পারবে না।
📄 সাবেক মারডুন বর্তমান আব্দুল্লাহ
স্বয়ং তিনি নিজের অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে বলেছেন, আমি যখন কাফির ও খ্রিস্টান ছিলাম, তখন আমার জীবনে যে কোন ব্যক্তি আমার বন্ধু ও সাথী ছিল, প্রতিটি স্থানে অন্তরঙ্গ বন্ধু ছিল। কিন্তু আমি যখন দ্বীন গ্রহণ করি এবং ইসলামের সততা ও সত্যতার সাথে পরিচিতি লাভ করি, তখন আমার সাথে সম্পূর্ণ বিপরীত আচরণ করা হয়। আমার বন্ধু-বান্ধবগণ আমাকে উত্যাক্ত পেরেশান করতে শুরু করে। তারা আমার সাথে খাবার খাওয়া পর্যন্ত ছেড়ে দেয়। আমার সাথে করমর্দন করতে অস্বীকার করে। আমার পরিবারও বিরোধীতা শুরু করে। আর সেই মা যিনি আমার ভালবাসায় অগ্রগামী ছিলেন, তিনি আমাকে ভীষণ ঘৃণা করতে শুরু করেন। এমনকি আমি হতবাক হয়ে যাই। অবশেষে জনৈক মুসলমানের সাথে আমার সাক্ষাত হয়। আমি তার নিকট বিষয়টি খুলে বলি। তিনি আমাকে ধৈর্য ধারন করার উপদেশ দেন। আমি ধৈর্য ধারণ করতে থাকি। আর আমার ইসলামী জীবন যাপনের উপরেই অটল থাকি। তখন অকাট্যভাবে প্রমাণ হয় যে, বাস্তবিকই যদি ইসলামী জীবন-যাপন করতে হয়, তাহলে অবশ্যই বিপদের মুকাবিলা করতে হবে।
📄 বিগত দিন থেকে আগত দিন খারাপ হবে
• হযরত যুবাইর বিন আদী রাযি. বর্ণনা করেছেন, আমরা হযরত আনাস রাযি. এর খেদমতে হাজির হয়ে হাজ্জাজের অত্যাচারের বিরুদ্ধে অভিযোগ পেশ করলাম। তিনি আমাদের অভিযোগ শুনে বললেন, তোমরা ধৈর্য্য ধারণ করো। কেননা তোমাদের উপর এরূপ কোন যুগ আসবে না, যার পরবর্তী যুগ তদপেক্ষা বেশী খারাপ না হবে। এমনকি তোমরা আপন প্রভূর সাথে মিলিত হয়ে যাবে। আমি এ কথা রাসূলুল্লাহ এর নিকট শুনেছি। (বুখারী)
📄 ঐতিহাসিক ইবনে জুবায়ের
• ঐতিহাসিক ইবনে জুবায়ের ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ ও নিদর্শন দ্বারা এ বিষয় সত্যায়ণ করেছেন যে, প্রতিটি আগত সময় পূর্বের সময় অপেক্ষা উদ্বেগ-উৎকণ্ঠপূণ হবে। যে বরকত পূর্বেকার সময়ে ছিল, এখন আর সেটি নেই। অতীতকালে আমরা যখন সফর করতাম, তখন সময় ধীরগতিতে অতিবাহিত হত। কিন্তু আমরা বর্তমানে যখন সফর করি, তখন সময় অতিদ্রুত শেষ হয়ে যায়। আমাদের বাহন আমাদের আনুগত্য করতে রাজী নয়। আমাদের অধিনস্তরাও আমাদের কথা মানতে রাজী নয়। (ইবনে যুবায়ের)