📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 সজ্জিত মসজিদ ভেতরে নামাযী নেই

📄 সজ্জিত মসজিদ ভেতরে নামাযী নেই


টরেনটো গীর্জার জনৈক পাদ্রী মুসলমানদের সম্পর্কে এরূপ কতিপয় কথা উল্লেখ করেছে। যা তাদের পবিত্র কিতাব সমূহে লিপিবদ্ধ আছে।
• যখন মুসলমান পাকা মসজিদ তৈরী করবে তখন নামাযীর সংখ্যা হ্রাস পাবে।
• যখন মুসলমান মসজিদ সমূহ সজ্জিত করতে শুরু করবে, তখন মসজিদগুলোতে ঝগড়া ও মতবিরোধ শুরু হয়ে যাবে। আমেরিকার নিউইয়র্কে মুসলমান রাষ্ট্র প্রধানগণ যৌথভাবে এক বিরাট সুন্দর মসজিদ তৈরী করে। তা কারুকার্যের দিক থেকে সারা বিশ্বে প্রথম ছিল। কিন্তু বাস্তব অবস্থা হচ্ছে, ঐ মসজিদে মতবিরোধ ও ঝগড়া শুরু হয়ে যায়। আর তা এতো বৃদ্ধি পায় যে, অবশেষে সরকার বাধ্য হয়ে উক্ত মসজিদ বন্ধ করে দেয়।
• যখন মসজিদে নামাযের বিছানা হবে কার্পেটের, তখন নামাযে মনোযোগ ও ধ্যান থাকবে না। নামাযী দ্রুত মসজিদে আসবে এবং দ্রুত মসজিদ থেকে বের হয়ে যাবে। ইতোপূর্বে মসজিদ যখন সাদাসিধা ছিল, তখন নামাযীরা তাড়াতাড়ি মসজিদে আসত আর বিলম্বে মসজিদ থেকে বের হত।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 হাতে জ্বলন্ত অগ্নিস্ফুলিংগ রাখা

📄 হাতে জ্বলন্ত অগ্নিস্ফুলিংগ রাখা


• রাসূলুল্লাহ ইরশাদ করেছেন, লোকদের মধ্যে এমন এক সময় আসবে তখন দ্বীনের পর প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তির অবস্থা এরূপ হবে, যেমন কেউ হাতের উপর জলন্ত কয়লা রেখেছে। (মিশকাত)

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 শহরে ঝড় ও জনতার কোলাহল

📄 শহরে ঝড় ও জনতার কোলাহল


দ্বীন ইসলামের উপর প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তির অবস্থা এরূপ, যেন সে নিজেকে স্বয়ং কোন মসিবত ও পেরেশানীতে লিপ্ত করে দিয়েছে। আর সেই মসিবত ও পেরেশানী এরূপ যে, মানুষ সে সম্পর্কে কোন ধারনা করতে পারবে না।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 সাবেক মারডুন বর্তমান আব্দুল্লাহ

📄 সাবেক মারডুন বর্তমান আব্দুল্লাহ


স্বয়ং তিনি নিজের অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে বলেছেন, আমি যখন কাফির ও খ্রিস্টান ছিলাম, তখন আমার জীবনে যে কোন ব্যক্তি আমার বন্ধু ও সাথী ছিল, প্রতিটি স্থানে অন্তরঙ্গ বন্ধু ছিল। কিন্তু আমি যখন দ্বীন গ্রহণ করি এবং ইসলামের সততা ও সত্যতার সাথে পরিচিতি লাভ করি, তখন আমার সাথে সম্পূর্ণ বিপরীত আচরণ করা হয়। আমার বন্ধু-বান্ধবগণ আমাকে উত্যাক্ত পেরেশান করতে শুরু করে। তারা আমার সাথে খাবার খাওয়া পর্যন্ত ছেড়ে দেয়। আমার সাথে করমর্দন করতে অস্বীকার করে। আমার পরিবারও বিরোধীতা শুরু করে। আর সেই মা যিনি আমার ভালবাসায় অগ্রগামী ছিলেন, তিনি আমাকে ভীষণ ঘৃণা করতে শুরু করেন। এমনকি আমি হতবাক হয়ে যাই। অবশেষে জনৈক মুসলমানের সাথে আমার সাক্ষাত হয়। আমি তার নিকট বিষয়টি খুলে বলি। তিনি আমাকে ধৈর্য ধারন করার উপদেশ দেন। আমি ধৈর্য ধারণ করতে থাকি। আর আমার ইসলামী জীবন যাপনের উপরেই অটল থাকি। তখন অকাট্যভাবে প্রমাণ হয় যে, বাস্তবিকই যদি ইসলামী জীবন-যাপন করতে হয়, তাহলে অবশ্যই বিপদের মুকাবিলা করতে হবে।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00