📄 পুঁজিপতিদের সালাম
উপরিউক্ত হাদীস সম্পর্কে আমার প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা হয়েছে। এক কারখানার মালিকের সাথে আমার সাক্ষাতের কথা হয়। আমরা তার বিশেষকক্ষে বসে আলাপ করছিলাম। এ অবস্থায় জনৈক মৌলভী সাহেব আসেন। তার দিকে ঐ পুঁজি প্রতি অতি তাচ্ছিল্যের সাথে তাকায় এবং কথা বলে সাথে অপমানজনক ভঙ্গীতে তাকে কিছু উপদেশ দিয়ে বিদায় করে দেয়। পরে আমি খোঁজ নিয়ে জানতে পারি যে, মৌলভী সাহেব কারাখানার মসজিদের ইমাম। তিনি যখন মিলের ইমাম নিযুক্ত হন, তখন মিলের শ্রমিক সংগঠন সমূহ মিলে ধর্মঘট চালাচ্ছিল। মালিক ভীষণ পেরেশান ছিল। তিনি মৌলভী সাহেবের নিকট উদ্ভুত সংকট সমাধানের উপায় জানতে চান। মৌলভী সাহেব উক্ত সংকট নিরসনের সমাধান হিসেবে বলে, শ্রমিক নেতাদের কিছু মিথ্যা আশ্বাস ও কাল্পনিক হাদীস শুনিয়ে দিতে হবে। এতে সাময়িক ভাবে সংকট নিরসন হয়ে যায়। তাতে তিনি উত্তম খাসা নগদ পুরস্কার ও সুযোগ সুবিধা লাভ করেন। কিন্তু সে দিন থেকে মৌলভী সাহেবের আত্মসম্মান বিলুপ্ত হয়ে যায়।
📄 মসজিদ সমূহ সজ্জিত করা হবে
• হযরত আনাস রাযি. থেকে বর্ণিত আছে, কিয়ামতের নিদর্শন সমূহের মধ্যে এটাও এক নিদর্শন যে, মানুষ মসজিদ সমূহ তৈরী করে গর্ব করতে শুরু করবে। (আবু দাউদ)
• অপর এক বর্ণনায় বর্ণিত আছে, যখন তোমরা মসজিদ সমূহকে সজ্জিত করা শুরু করবে, তখন তোমরা কুরআন পাঠকরীদেরকে হাতের পুতুলে পরিণত করবে। তখন মনে করবে, তোমাদের ধ্বংস অতি নিকটবর্তী। (কানযুল উম্মাল)
📄 সজ্জিত মসজিদ ভেতরে নামাযী নেই
টরেনটো গীর্জার জনৈক পাদ্রী মুসলমানদের সম্পর্কে এরূপ কতিপয় কথা উল্লেখ করেছে। যা তাদের পবিত্র কিতাব সমূহে লিপিবদ্ধ আছে।
• যখন মুসলমান পাকা মসজিদ তৈরী করবে তখন নামাযীর সংখ্যা হ্রাস পাবে।
• যখন মুসলমান মসজিদ সমূহ সজ্জিত করতে শুরু করবে, তখন মসজিদগুলোতে ঝগড়া ও মতবিরোধ শুরু হয়ে যাবে। আমেরিকার নিউইয়র্কে মুসলমান রাষ্ট্র প্রধানগণ যৌথভাবে এক বিরাট সুন্দর মসজিদ তৈরী করে। তা কারুকার্যের দিক থেকে সারা বিশ্বে প্রথম ছিল। কিন্তু বাস্তব অবস্থা হচ্ছে, ঐ মসজিদে মতবিরোধ ও ঝগড়া শুরু হয়ে যায়। আর তা এতো বৃদ্ধি পায় যে, অবশেষে সরকার বাধ্য হয়ে উক্ত মসজিদ বন্ধ করে দেয়।
• যখন মসজিদে নামাযের বিছানা হবে কার্পেটের, তখন নামাযে মনোযোগ ও ধ্যান থাকবে না। নামাযী দ্রুত মসজিদে আসবে এবং দ্রুত মসজিদ থেকে বের হয়ে যাবে। ইতোপূর্বে মসজিদ যখন সাদাসিধা ছিল, তখন নামাযীরা তাড়াতাড়ি মসজিদে আসত আর বিলম্বে মসজিদ থেকে বের হত।
📄 হাতে জ্বলন্ত অগ্নিস্ফুলিংগ রাখা
• রাসূলুল্লাহ ইরশাদ করেছেন, লোকদের মধ্যে এমন এক সময় আসবে তখন দ্বীনের পর প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তির অবস্থা এরূপ হবে, যেমন কেউ হাতের উপর জলন্ত কয়লা রেখেছে। (মিশকাত)