📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 প্যার আইলেন্ডের অভিজ্ঞতা

📄 প্যার আইলেন্ডের অভিজ্ঞতা


এ ধরনের লোক ভীষণ মেধাবী ও সফল জীবন যাপন করে, যারা নিজের আগামী দিনের কাজের পরিকল্পনা রাতে ঠিক করে নেয়। আর অতি প্রত্যুষে ঐ পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ শুরু করে। আমি নিশ্চিত বলতে পারি, সফলতা তাদের পদচুম্বন করবে।

আর্থর লুম ছিলেন বিরাট ব্যবসায়ী। তিনি সর্বদা ময়দানে সফলতা লাভ করেছে। তার সফলতার পেছনে নিম্নোক্ত কারটিই ছিল সব চেয়ে বড়। তিনি তার "আববাইতি ম্যাই হিউর হিস্ট্রি অফ লাইফ" নামক গ্রন্থে লিখেছেন, যে কোন ব্যক্তির উন্নতির সোপান ও সফলতার সিঁড়ি শুধুমাত্র একটি। এটি তখন হয়, যখন সে নিজ কাজকে ব্যাপক সতর্কতা প্রদান করে জীবনের প্রতিটি মুহূর্তকে ঐ সতর্কতার উপর সোপর্দ করে দেয়। তার জন্য সকাল-সন্ধ্যা এক দিন। রাতে প্রোগ্রাম করা, সকালে ঐ প্রোগ্রাম অনুযায়ী কাজ করা, তার পর সারা দিন সততা মনুষ্যত্ব ও উদারতার সাথে অতিবাহিত করা একজন সফল ব্যবসায়ীর জীবনের প্রাথমিক অংশ।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 কোন বস্তুর বাজার দর ও মূল্যে ধোঁকা না খাওয়া

📄 কোন বস্তুর বাজার দর ও মূল্যে ধোঁকা না খাওয়া


পণ্যের বাজার দরে কাউকে প্রতারিত করবে না। আর পণ্যের মূল্য না গোপন করবে না। রাসূলুল্লাহ এরূপ করতে নিষেধ করেছেন।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 জির্চার্জ ইভেন্ডর এক বিস্ময়কর ঘটনা

📄 জির্চার্জ ইভেন্ডর এক বিস্ময়কর ঘটনা


আমার সহোদর ভ্রাতার ব্যবসা বেশ উন্নতি লাভ করেছিল। তার উৎপাদিত পণ্যের চাহিদা প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পেতে থাকে। ক্রমেই তার অর্থ-সম্পদের পাহাড় গড়ে উঠে। তার উপর ক্রেতাদের আস্থা বিশ্বাসও বাড়তে থাকে। মাঝে মধ্যে তার নিকট আমি যাতায়াত করতাম। তার ওখানে চাকুরীর কোন পদ খালি ছিল না। তবু সর্বদা চাকুরী প্রার্থীদের ভীড় লেগে থাকত। তার দৃষ্টিভঙ্গী ও মহব্বত এক আশ্চর্য ও বিস্ময়কর ছিল। একবার আমি আমার সহোদর ভাইকে তার সফলতা ও উন্নতির বিষয়ে জিজ্ঞেস করি। তাৎক্ষণিকভাবে সে আমাকে বলতে লাগল, আমি যখনই কোন নতুন পণ্য তৈরি করতাম, তখন খুব কম লাভে পণ্যের মূল্য নির্ধারণ করে দিতাম। আমার দোকানের যত শাখা আছে, সবগুলোতে একই মূল্য রাখা হত। ফলে আমার ক্রেতাগণ খুশি মনে আমার যে কোন শাখা থেকে শুধু আমার উৎপাদিত পণ্য খরিদ করত। কেননা তাদের বিশ্বাস ছিল যে, আমার পণ্য খাঁটি। এর মূল্য ন্যায় সংগত ও সাশ্রয়ী।

সফলকাম ব্যবসায়ীদের সর্বদা উদ্দেশ্য থাকতে হবে, আমরা নিজের ব্যবসাকে স্বীয় আদর্শ ও নিয়ম-শৃংখলার মধ্যে পরিচালনা কর। তবেই তার জীবনের সাফল্য ও প্রশান্তি আসবে। তার কারবার উন্নতি ও বিস্তার লাভ করবে। এক সফল ব্যবসায়ীর কথা প্রায়ই আমার স্মরণ হয়। সে বলত, ক্রেতা আমার হিতাকাংখী। তার প্রতি সম্মান প্রদর্শন করতে হবে। তার পকেটের প্রতিও অনুরূপ সম্মান দেখাতে হবে। ওজনে কারচুপি ও দরদামে প্রতারণা করা যাবে না। তাহলে সফলতা নিশ্চিত তোমার পদচুম্বন করবে।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 উপুড় হয়ে খাবার খাওয়া

📄 উপুড় হয়ে খাবার খাওয়া


রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উপুড় হয়ে খেতে নিষেধ করেছেন। (ইবনে মাযা)। পিজিওলোজির বর্ণনা অনুযায়ী শুয়ে খাবার গ্রহণে নিম্নলিখিত ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়।

• এ অবস্থায় খাবার খেলে খাবার সঠিকভাবে চিবানো যায় না। আর চব সরাসরি মাংসপিণ্ড ও লালা বা Salivary glands এর সাথে সম্পর্কিত। চোয়াল নাড়ানো মাত্রই ঐ লালা লোকমার সাথে মিলিত হবে, তখন লোকমা সহজে হজমের যোগ্য হবে। যদি উপুড় হয়ে খাবার খাওয়া হয়, তাহলে হজমি শক্তি সম্পূর্ণরূপে নষ্ট হয়ে যাবে।

• উপুড় করে খাবার খেলে পাকস্থলী ও আঁতুড়ির উপর বেশী চাপ পড়ে। আর পাকস্থলীর কুদরতী প্রসারতা, যা কম খাবার সময় বেশী জরুরী, তা থাকবে না। সুতরাং এমতাবস্থায় খাবার নির্দিষ্ট পরিমাণে খাওয়া যাবে না। ফলে খাদ্যের ঘাটতি ও অসংখ্য ব্যাধির সূচনা হতে পারে। উপুড় হয়ে খাবার খাওয়ার কারণে খাদ্যের কণা শ্বাসনালিতে প্রবেশের আশংকাও আছে। এ অবস্থায় যদি পানিও পান করা হয় আর সামান্য পানিও যদি শ্বাস নালিতে প্রবেশ করে, তাহলে মারাত্মক ক্ষতির কারণ হতে পারে।

• উপুড় হয়ে খাবার খেলে নির্দিষ্ট পরিমাণ অক্সিজেন দেহে প্রবেশ করতে পারে না। অথচ এমতাবস্থায় ঐ নির্দিষ্ট পরিমাণ অক্সিজেন দেহে প্রবেশ করা জরুরী। এ কারণে ক্রমশ মানসিক ও হজমে বিপর্যয় দেখা দিতে পারে।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00