📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 ইউরোপের প্রতি চিত্র

📄 ইউরোপের প্রতি চিত্র


ইউরোপ ও আমেরিকার খ্রিস্টান সমাজে নাভীর নিচের পশম কামানোর চূড়ান্ত কঠোর কোন রীতিনীতি নেই। দেহের যে অংশের পশম পরিষ্কার করা জরুরী, তারা কস্মিনকালেও তা পরিষ্কার করে না বরং দেহের যে অংগের পশম কাটা শরী'আত ও চিকিৎসা বিজ্ঞানের চরম বিরোধী অর্থাৎ তারা মুখমণ্ডল, চোখে ব্রু, দেহ ও বক্ষ প্রভৃতি অংশের পশম পরিষ্কার করে। এভাবে তারা নিজেদেরকে অসংখ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত করছে।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 পণ্য বিক্রয়ের সময় অতিরিক্ত প্রশংসা করা

📄 পণ্য বিক্রয়ের সময় অতিরিক্ত প্রশংসা করা


• হাদীস শরীফে ব্যবসায়ীদের সম্পর্কে আক্ষেপ করা হয়েছে, না ওয়াল্লাহি, ও হ্যাঁ ওয়াল্লাহি বলার কারণে। তদ্রুপ নানা পেশাদারদের প্রতি আক্ষেপ করা হয়েছে, আজ কাল বলার কারণে। হাদীস শরীফে বর্ণিত আছে, যে কেউ নিজ পণ্য বিক্রয় করার সময় শপথ করবে কিয়ামতের দিন আল্লাহ তা'আলা তার প্রতি রহমতের দৃষ্টি দিবেন না। (কিমিয়ায়ে সা'দাত)

ইসলামের প্রতিটি কাজ বিশ্বজনীন চিরস্থায়ী শ্বাশ্বত প্রাণবন্ত ও সুবিন্যস্ত। মুসলমান যখন গোটা বিশ্বের শাসক ছিল, তাদের রাজত্ব যখন পৃথিবীর আনাচে কানাচে ছড়িয়ে পড়েছিল, তখন তাদের মধ্যে সবচেয়ে বড় সৌন্দর্য ছিল। যার কারণে সারা বিশ্বের সাধারণ মানুষ প্রভাবিত হয়েছিল। তাদের সাম্রাজ্যের ভিত্তিকে যে জিনিস সুদৃঢ় ও মজবুত করেছিল, তা হল মুসলমানদের লেনদেন। কিন্তু যখন মুসলমানদের লেনদেনে অধপতন নেমে এসেছে, তখন থেকে তাদের সাম্রাজ্যের পতনের সূচনা হয়। তাদের ইজ্জত সম্মান, মান-মর্যাদা এত নিচে এসেছে যে, দুনিয়া এখনো তাদের ঘটনাগুলিকে আক্ষেপের সাথে পাঠ করে।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 রিচার্ড নীটের অভিজ্ঞতা

📄 রিচার্ড নীটের অভিজ্ঞতা


খ্যাতনামা অর্থনীতিবিদ রিচার্ড নীট অতি আশ্চর্যজনক কথা লিখেছেন। তাতে প্রকারন্তরে ইসলাম ও মুসলমানদের উন্নতির বিষয়কেই সমর্থন করা হয়েছে। বাণিজ্যিক আদর্শ নীতিসমূহের মধ্যে একটি নীতি হল, ব্যবসায়ীকে পণ্য বিক্রয়ের বা ক্রয়ের সময় অতিরিক্ত প্রশংসা করবে না। কেননা আমার অভিজ্ঞতায় প্রমাণ হয়েছে যে, মনোস্তত্ত্ব বিশেষজ্ঞগণ কোনো বস্তুর অতিরিক্ত প্রশংসা করা বা নির্ধারিত মেয়াদ লংঘন কে অত্যাধিক ঘৃণা করেন। কারণ, এর বিরূপ প্রতিক্রিয়া ক্রেতার উপর এতো বেশী প্রভাব বিস্তার করে যে, সে সর্বদা আপনার ক্রেতা বন্ধু হওয়ার স্থলে দুশমন হয়ে যায়। আর তা ক্রমেই লোকদের মাঝে প্রতিদিন বৃদ্ধি পেতে থাকে।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 ক্রেতার নিকট পণ্যের দোষ গোপন করা

📄 ক্রেতার নিকট পণ্যের দোষ গোপন করা


একদিন এক গমের মালিকের নিকট দিয়ে রাসূলুল্লাহ তাশরীফ নিয়ে যাচ্ছেন। রাসূলুল্লাহ তার গমের স্তূপে পবিত্র অনুসন্ধানী হাত ঢুকিয়ে দেখেন যে, গমগুলো ভিজা। তিনি ইরশাদ করেন, এ কি? সে আরয করল, ভেজা গম। তিনি ইরশাদ করলেন, এটা বের করে ফেললে না কেন? অনন্তর আরও যে প্রতারণা করবে, সে আমার দলভুক্ত নয়। রাসূলুল্লাহ থেকে শুনেছি, কেউ পণ্য বিক্রয় করবে আর কার দোষ গোপন করবে। আবার কেউ জানার পরও প্রচার করবে না বা মানুষকে জানাবে না -এ কাজ কারও জন্য বৈধ নয়। (কিমিয়ায়ে সা'দত)

ইসলামের সবচেয়ে অন্যতম আদর্শ হল, মুসলমান না কারো দ্বারা প্রতারিত হয়, আর না কারো সাথে প্রতারণা করে।

• হযরত ইমাম আযম আবু হানীফা রহ. এর একটি প্রসিদ্ধ ঘটনা। তিনি কাপড়ের ব্যবসা করতেন। একবার এক থান কাপড়ে ত্রুটি ছিল। ক্রেতাকে ঐ কাপড়ের দোষ জানাতে পারেন নি। তা বিক্রয় করে ফেলা হয়। ইমাম সাহেব যখন ঐ ঘটনা অবগত হন। তখন ক্রেতাকে খুঁজে বের করেন এবং ক্রেতার নিকট কাপড়ের দোষ বর্ণনা করেন।

মুসলমন ব্যবসায়ীদের মাঝে এ মহৎ বৈশিষ্ট্য ছিল। যার কারণে তারা পবিত্র হিজাজ থেকে পৃথিবীর যে প্রান্তে পৌঁছেছে, সেখানেই ইসলাম অতি দ্রুত বিস্তার লাভ করেছে। বরং দুনিয়ার শেষ প্রান্তর পর্যন্ত যেখানেই আজ মুসলমান বসবাস করছে বা ইসলামের তালিকাভূক্ত হয়েছে বা যে সব দেশে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ হয়ে ইসলামকে বক্ষে জড়িয়ে আছে, এর মূলে হল ঐ মুসলমান বনিকগণ। তন্মধ্যে ইন্দোনেশিয়া ও ফিলিপাইন প্রভৃতি।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00