📄 অতি দ্রুত ধ্বংসাত্মক ব্যাধির আক্রমণ
দেহের ঐ সব অংগের পশম যদি পরিষ্কার করা না হয়, তাহলে নিম্নোক্ত ব্যাধিতে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল আকার ধারণ করে।
• অনেক সময় ময়লার স্তর একাধিকবার জমা হওয়ার কারণে চামড়ায় দ্রুত ময়লা স্তর জমাট হয়ে যেতে পারে। ফলে এরূপ দূরারোগ্য মারাত্মক ব্যাধির দেখা দিতে পারে, যা ভাষায় বর্ণনা করা অসম্ভব।
• বিভিন্ন সময় দেহের ঐ অংগ সমূহে পচন ধরার মত কষ্ট ভোগ করতে হয়। এর সু-চিকিৎসার চেষ্টা চালাতে হবে।
• দেহের ঐ অংগ সমূহের পশমকে যদি দ্রুত পরীক্ষা করা না হয়, তবে মন-মেজাযে এর বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে। ফ্রান্সের চর্মরোগ বিশেষজ্ঞগণ এ মর্মে মানুষকে সতর্ক করে দিয়েছেন। যদি কেউ নাভীর নিচের পশম, বগলের পশম ও নখ কাটায় বিলম্ব করে, তাহলে তাদের নিম্নোক্ত ব্যাধির যন্ত্রণাভোগ করার সম্ভাবনা আছে।
• কেউ যদি নাভীর নিচের পশম পরিষ্কার না করে, তাহলে এর বিরুপ প্রতিক্রিয়ায় দ্রুত চামড়ার তৈলাক্ত গ্ল্যান্ডসের উপর এসিটেট গ্ল্যান্ডস হওয়াসহ সে যৌন ব্যাধিতে আক্রান্ত হতে পারে। এমনকি এইডস, উন্মাদনা, মূত্রনালীর প্রদাহ, মেরুদণ্ড বাঁকা হওয়ার জীবাণু ঐ পশমের সাথে মিলে নারীদেহে সংক্রমিত হতে পারে।
• বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের মতে যদি উক্ত পশমগুলো দ্রুত কামানো না হয়, তাহলে এর বিরূপ প্রতিক্রিয়ায় মানব দেহের জোড়া সমূহে ক্ষতিকর প্রভাব বিস্তার করে। যার কারণে মানুষের মন-মানসিকতায় বিরক্তিকর প্রভাব দেখা দিতে পারে। এ ধরনের মানসিক সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তি অতি দ্রুত ডিপ্রেশন, ফ্রাস্ট্রেশন, অ্যাংজাইটি ও আত্মহত্যার প্রতি ধাবিত হতে পারে।
📄 ইউরোপের প্রতি চিত্র
ইউরোপ ও আমেরিকার খ্রিস্টান সমাজে নাভীর নিচের পশম কামানোর চূড়ান্ত কঠোর কোন রীতিনীতি নেই। দেহের যে অংশের পশম পরিষ্কার করা জরুরী, তারা কস্মিনকালেও তা পরিষ্কার করে না বরং দেহের যে অংগের পশম কাটা শরী'আত ও চিকিৎসা বিজ্ঞানের চরম বিরোধী অর্থাৎ তারা মুখমণ্ডল, চোখে ব্রু, দেহ ও বক্ষ প্রভৃতি অংশের পশম পরিষ্কার করে। এভাবে তারা নিজেদেরকে অসংখ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত করছে।
📄 পণ্য বিক্রয়ের সময় অতিরিক্ত প্রশংসা করা
• হাদীস শরীফে ব্যবসায়ীদের সম্পর্কে আক্ষেপ করা হয়েছে, না ওয়াল্লাহি, ও হ্যাঁ ওয়াল্লাহি বলার কারণে। তদ্রুপ নানা পেশাদারদের প্রতি আক্ষেপ করা হয়েছে, আজ কাল বলার কারণে। হাদীস শরীফে বর্ণিত আছে, যে কেউ নিজ পণ্য বিক্রয় করার সময় শপথ করবে কিয়ামতের দিন আল্লাহ তা'আলা তার প্রতি রহমতের দৃষ্টি দিবেন না। (কিমিয়ায়ে সা'দাত)
ইসলামের প্রতিটি কাজ বিশ্বজনীন চিরস্থায়ী শ্বাশ্বত প্রাণবন্ত ও সুবিন্যস্ত। মুসলমান যখন গোটা বিশ্বের শাসক ছিল, তাদের রাজত্ব যখন পৃথিবীর আনাচে কানাচে ছড়িয়ে পড়েছিল, তখন তাদের মধ্যে সবচেয়ে বড় সৌন্দর্য ছিল। যার কারণে সারা বিশ্বের সাধারণ মানুষ প্রভাবিত হয়েছিল। তাদের সাম্রাজ্যের ভিত্তিকে যে জিনিস সুদৃঢ় ও মজবুত করেছিল, তা হল মুসলমানদের লেনদেন। কিন্তু যখন মুসলমানদের লেনদেনে অধপতন নেমে এসেছে, তখন থেকে তাদের সাম্রাজ্যের পতনের সূচনা হয়। তাদের ইজ্জত সম্মান, মান-মর্যাদা এত নিচে এসেছে যে, দুনিয়া এখনো তাদের ঘটনাগুলিকে আক্ষেপের সাথে পাঠ করে।
📄 রিচার্ড নীটের অভিজ্ঞতা
খ্যাতনামা অর্থনীতিবিদ রিচার্ড নীট অতি আশ্চর্যজনক কথা লিখেছেন। তাতে প্রকারন্তরে ইসলাম ও মুসলমানদের উন্নতির বিষয়কেই সমর্থন করা হয়েছে। বাণিজ্যিক আদর্শ নীতিসমূহের মধ্যে একটি নীতি হল, ব্যবসায়ীকে পণ্য বিক্রয়ের বা ক্রয়ের সময় অতিরিক্ত প্রশংসা করবে না। কেননা আমার অভিজ্ঞতায় প্রমাণ হয়েছে যে, মনোস্তত্ত্ব বিশেষজ্ঞগণ কোনো বস্তুর অতিরিক্ত প্রশংসা করা বা নির্ধারিত মেয়াদ লংঘন কে অত্যাধিক ঘৃণা করেন। কারণ, এর বিরূপ প্রতিক্রিয়া ক্রেতার উপর এতো বেশী প্রভাব বিস্তার করে যে, সে সর্বদা আপনার ক্রেতা বন্ধু হওয়ার স্থলে দুশমন হয়ে যায়। আর তা ক্রমেই লোকদের মাঝে প্রতিদিন বৃদ্ধি পেতে থাকে।