📄 পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা
রাসূলুল্লাহ ইরশাদ করেছেন, তোমরা তোমাদের আঙ্গিনাগুলো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখ। কেননা ইয়াহুদীরা তাদের আঙ্গিনাসমূহ পরিচ্ছন্ন রাখে না। আঙ্গিনা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন হবে তো বাড়ীর আশপাশ সবই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন হবে। আশপাশ পরিচ্ছন্ন হবে তো মানুষ সুস্থ ও সুন্দর হবে। আর সুস্থ ও সুন্দর মানুষের চিন্তাধারা সঠিক হয়। সঠিক চিন্তা-চেতনা স্বদেশ সমাজ বরং সারা বিশ্বের উন্নতির সহায়ক ও সাহায্যকারী হয়। পক্ষান্তরে অপরিষ্কার ও অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ এর সম্পূর্ণ বিপরীত, তাতে অসংখ্য রোগ-ব্যাধি পেরেশানীর কারণও ভ্রান্ত চিন্তা-চেতনা উদ্রেক হয় এবং বিশ্ব ধ্বংসের অন্যতম কারণ হয়। বর্তমানে চতুর্দিকে যান বাহন থেকে যে বিষাক্ত কালো ধোঁয়া নির্গত হচ্ছে, সে ধোঁয়া পানি ও বাতাসের সাথে মিশে পরিবেশ ও মাটিকে বিষাক্ত করে তুলছে। এর বিরুদ্ধে প্রতিনিয়ত সোচ্চার আন্দোলন চলছে।
বর্তমানে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে পরিবেশ দূষণের বিরুদ্ধে কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সভা-সেমিনারে আলোচনা চলছে। এ ব্যাপারে কার্যকরি ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্দেশ্যে সংবাদপত্র, আধুনিক মিডিয়া বা নিবন্ধ ও সংবাদপত্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। দিল্লীর খ্যাতনামা সংবাদপত্র প্রতাপের অনুরূপ ব্যবস্থা পাকিস্তানী এক পত্রিকা গ্রহণ করছে। তাতে এক প্রবন্ধে উল্লেখ করা হয় যে, যদি সম্পূর্ণরূপে পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করতে চান, তাহলে সর্বপ্রথম নিজের বাড়ী-ঘর থেকে এর সূচনা করতে হবে। তারপর নিজ গলি তারপর মহল্লা, এরপর নিজ শহর, এরপর পুরো দেশের প্রতি পদক্ষেপ নিতে হবে। পত্রিকায় লিপিবদ্ধ করা হয় যে, যদি আমরা অপরিষ্কার-অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ, ময়লার স্তূপ, প্রতি কদমে কদমে অপরিচ্ছন্নতা ও ব্যাধির বিলুপ্তি চাই, তাহলে আমাদেরকে সর্বপ্রথম আপনজন ও নিজ ঘর-বাড়ী থেকে এ কাজ শুরু করতে হবে। কেননা মানুষে মানুষে মিলেই সমাজে প্রতিষ্ঠিত হবে।