📄 উন্মাদ ও অচেতন হলে অযু ভংগ হয়
• অচেতন হলে অযু নষ্ট হয়ে যায়। (দুররে মুখতার- ১/৪)
অচেতন হলে স্বাভাবিকতঃ মানুষ অনুভূতিহীন হয়ে যায়। তখন তার দুনিয়ার কোনো খোঁজ-খবর থাকে না। এটাকে অর্ধেক মরণ বলা হয়। এমতাবস্থায় মানুষের দেহের যে কোন অংশ দিয়ে যে কোনো ধরনের ময়লা বের হতে পারে।
যেহেতু অযু মানব দেহের বাহ্যিক পবিত্রতার সাথে সংশ্লিষ্ট বরং বলা যেতে পারে, অযু পবিত্রতা ও পরিচ্ছন্নতার নাম। সুতরাং মানুষ যখন অচেতন হয়ে যায়, তখন তার পায়খানা বের হয়ে যেতে পারে। তা এক প্রকার ময়লা। আবার তার পেশাবও বের হয়ে যেতে পারে। তাও এক প্রকার ময়লা, মুখ ভরে বমি এসে যেতে পারে, তাও এক প্রকার ময়লা।
মোটকথা, যেহেতু অচেতন মানুষের হিতাহিত কোনো জ্ঞান থাকে না, তখন উল্লেখিত যে কোন বস্তুই মানব দেহ থেকে বের হয়ে যেতে পারে, এ কারণে অচেতন ব্যক্তির অযু ভংগ হয়ে যায়। উক্ত বিষয় মেডিকেলের গবেষণা অনুযায়ী সকল প্রকার তরল পদার্থ, তা দেহের যে কোনো অংগ থেকে বের হোক না কেন সেগুলো যেহেতু রোগজীবাণুতে পরিপূর্ণ থাকে বরং তাতে লাখো কোটি এমনকি সবকিছুই জীবাণু পূর্ণ হয়, ফলে ঐ তরল পদার্থ দেহের যে অংগের সাথে মিলিত হবে সে অংগ দূষিত হয়ে মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে। যখন এ ব্যক্তি অপর লোকের সাথে মিলিত হবে, তখন তার দেহের সাথে মিশ্রিত রোগজীবাণু অন্যের দেহে সংক্রমিত হয়ে যাবে। এভাবে রোগজীবাণু পরস্পরের মধ্যে ছড়িয়ে পড়বে।
উপরিউক্ত প্যরাসাইকোলোজির আলোকে দেখা যায় যে, অযুযুক্ত দেহ ইতিবাচক আবেগ-অনুভূতির কেন্দ্র বিন্দু হয়। আর বে-অযু দেহ নেতিবাচক অনুভূতির কেন্দ্রবিন্দু হয়।