📄 সুরখাবের গোশত
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর আযাদকৃত ক্রীতদাস হযরত সাফিনা রাযি. বর্ণনা করেছেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সাথে সুরখাবের গোশত খেয়েছি। (তিরমিযি) সুরখাব ঐ সব পাখীদের বলা হয়, যারা অনেক উপরে উড়ে। খুবই সুন্দর কোমল দেহ ও মোহনীয় সূরের অধিকারী। এটা অতি দুর্লভ পাখী। বর্তমানে এটা বিলুপ্ত প্রায় পাখী। এখন তা নিছক এক রূপকথা। এ সম্পর্কে জুলকারনাইনের এক ঘটনা উল্লেখ করা হচ্ছে।
📄 জুলকারনাইনের ঘটনা
ইতিহাসে দেখা যায় যে, সুরখাব কোহে কাফের জংগলের খোলা মাঠে বাসা তৈরী করত। রক্তখেকো প্রাণীদের হাত থেকে নিজের বাচ্চাদের বাঁচিয়ে রাখত। বর্ণনাকারী বলেন, এ পাখী বৃদ্ধ হয়ে গেলে জংগল থেকে বিশেষ এক প্রকার গাছ সংগ্রহ করে নিজেকে ঐ গাছ দিয়ে আবৃত করে নেয়। এরপর অতি মোহনীয় রাগ-রাগিনীর সূরে গান গাইতে থাকে। ফলে বনের সব পাখি একত্রিত হয়ে যায়। এমন কি সেখানে বনের হিংস্র প্রাণীদের ভীড় জমে যায়। তার রাগের সূর এতো বেশী বেড়ে যায় যে, তার চার পাশের কাঠে আগুন ধরে যায়। তখন সে ঐ আগুনে জ্বলে পুড়ে ছাই হয়ে যায়। কিছু দিন পর বৃষ্টি হলে ঐ ছাই থেকে এক সুরখাব পয়দা হয়। ঐ সুরখাব নব জীবন লাভ করে। এভাবেই আদি কাল থেকে এক সুরখাব থেকে অপর সুরখাব পয়দা হয়। উল্লেখিত ঘটনা হয়ত কিংবদন্তি না হয় বাস্তব। কিন্তু মূখ্য উদ্দেশ্য হল, সুরখাবের উপকারীতা ও সৌন্দর্য বর্ণনা করা।