📄 মাওসেতুংগের অভিমতে
চীনের বিখ্যাত বিপ্লবী নেতা মাওসেতুং এক ভাষণে নিম্নোক্ত বক্তব্য পেশ করেন। "বর্তমানে দেশ ও জাতি যে সূক্ষ্ম দেউলিয়াত্বের শিকার হয়েছে, তাতে প্রত্যেক ব্যক্তি ও জাতির প্রত্যেক লোকের দৃষ্টিভঙ্গি ও মন মানসিকতার পরিবর্তন বেশী প্রয়োজন অর্থাৎ সমাজের উচ্চস্তরে এ বিষয়ে ব্যাপক প্রচারণা চালাতে হবে, যাতে প্রত্যেক লোক দৈহিক সুস্থতা ও নিরাপত্তা লাভ করতে পারে। আমরা স্বদেশবাসী কখনো যুদ্ধের পৈশাচিকতা দেখতে চাই না। চাই না কখনো কোনো যুদ্ধে জড়াতে। আমরা শান্তি ও নিরাপত্তার শ্বেত কবুতরকে পছন্দ করি। যারা শান্তির সবুজ পতাকা ও নিরাপত্তার প্রতীক মুখে চেপে ময়দানে আযাদীর পতাকা উড়াতে থাকবে, আমি আমার দেশ ও জাতি তাদের সকল প্রকার সমস্যার সংশোধন করার আপ্রাণ চেষ্টা করব। যাতে আমার দেশ ও জাতি নিরাপদ হয়ে যায়। কোন দেশের শাসক যখন নিরাপদ থাকে, সে দেশের সাধারণ লোকজন তখন নিরাপত্তর বাঁশি বাজাতে থাকে। বর্তমানে দুর্ভিক্ষ বিশ্বের সাধারণ মানুষকে দুশ্চিন্তাগ্রস্ত করে দিয়েছে। সে দেশে উচ্চ স্তরের লোকজনও নিরাপদ নয়। আমার প্রথম প্রচেষ্টা হল, দেশে কৃষি উৎপাদনের উপকরণ বৃদ্ধি করা। তাহলে দেশের কোন মানুষকে অভূক্ত থাকতে হবে না।
📄 বিখ্যাত অর্থনীতিবিদ ডাক্তার ক্যানুজুনের অভিমত
সিডনীর বিখ্যাত অর্থনীতিবিদ তার বার্ষিক জেনারেল রিপোর্টে তিনটি বিষয়ের উপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন। তার ভাষায় উল্লেখিত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, জাতির উন্নতি, মর্যাদা লাভ ও অবনতির প্রতিক্রিয়া সর্বদা তাদের অর্থনীতিতে কঠিনভাবে প্রতিফলিত হয়।
📄 সুস্থতা ও অবসর
রাসূলুল্লাহ ইরশাদ করেছেন, দুটি নিয়ামত এরূপ যার সম্পর্কে অসংখ্য মানুষ ধোঁকায় পতিত হয়েছে। সুস্থতা ও অবসর। (তিব্বে নববী ইবনে কায়েম) নিশ্চিত এ দুই নিয়ামত যখন যে মানুষের হাতের নাগালে এসে যায়, তখন সে মানুষ সদাসর্বদা সৌভাগ্যবান ও উৎফুল্ল থাকে।
📄 অন্তর ও দেহের সাথে এক বিস্ময়কর সম্পর্ক
আমার পরিচিত বয়ঃজ্যেষ্ঠ এক ব্যক্তি সর্বদা আমার সাথে সাক্ষাত করতেন। তিনি আমার সাথে সাক্ষাত করতে আমি তাকে আল্লাহর প্রতি মহব্বত, আল্লাহর প্রতি মনোযোগী হওয়ার উপদেশ দিতাম। তিনি প্রত্যেক বারই কোন না কোন কর্মব্যস্ততা ও পেরেশানীর অভিযোগ করতেন। আর যে কোন আপত্তি পেশ করতেন। একবার দীর্ঘদিন পর তার সাথে আমার সাক্ষাত হয়। তখন দেখি, তিনি লাঠিভর দিয়ে পথ চলছেন। জিজ্ঞেস করার পর তিনি বললেন, এক দুর্ঘটনায় তার পায়ের হাড় ভেঙ্গে গেছে। এ কারণে তাকে দীর্ঘদিন পর্যন্ত বিছানায় পড়ে থাকতে হয়েছে। বর্তমানে চলাফেরা করার যোগ্য হয়েছে। আমি তখনও পূর্বের কথার পূনরাবৃত্তি করি। আমার কথা শুনে তার দু'চোখ অশ্রুসিক্ত হয়ে যায় এবং সে বলতে শুরু করে, প্রথমে আমার অন্তর দেহের সাথে মিলিত হতে চাই তো না। এখন অন্তর চায় কিন্তু দেহ তা চায় না। আরও বললেন, সত্যিই সুস্থতা এক বিরাট নিয়ামত।