📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 পায়ের বাতাস প্রয়োজন (FEET NEED AIR)

📄 পায়ের বাতাস প্রয়োজন (FEET NEED AIR)


কতিপয় বিশেষ কারণে পা বিভিন্ন রোগের শিকার হয়। এ ক্ষেত্রে সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ হল, জুতা ও মোজার গঠন ও উপাদান। সিনথেটিক সূতা বিশেষভাবে চামড়ার জন্য ক্ষতিকর হয়। মোজা ও জুতা সারাদিন পায়ে পরা থাকে এবং তা নিচ্ছিদ্র আবরণে ঢাকা থাকে। এমতাবস্থায় দৃশ্যতঃ থাকে পা ঘর্মাক্ত এবং বাতাস না লাগার কারণে ঘাম শুকায় না। এ সমস্যা মেয়েদের চেয়ে পুরুষদের অনেক বেশী। কেননা মেয়েরা বিশেষ করে গরমকালে খোলা জুতা ও সূতার মোজা পরিধান করে। এজন্য ভাইরাস ছড়ানোর সুযোগ খুব বেশী হয়। পায়ের আঙ্গুলসমূহের ব্যাপার আরো জটিল। কেননা পায়ের আঙ্গুলের নখের ফাঁকা জায়গাগুলো রোগ-জীবাণু বাসা বাঁধার উত্তম জায়গা। পা ভিজা ও গরম থাকলে তাতে ব্যাকটেরিয়া জন্মে এবং তারা আমাদের সাথে বসবাস করতে থাকে। যারা গরম কালে রাবার বা প্লাস্টিকের জুতা পরে থাকে। তারা প্রকৃতপক্ষে জীবাণু ছড়ানোর ব্যবস্থা করে দেয়।

এরূপ মনে করা মোটেও ঠিক নয় যে, খেলোয়াড়দের পায়ের খুজলি সর্বদা মামুলি ব্যাপার এবং এতে কোন ক্ষতি নেই। যদি আপনার পায়ে এ রোগ হয় আর আপনি এমতাবস্থায়ও পা ভিজা এবং গরম রাখেন, তাহলে আপনি বিরাট বিপদে পড়বেন। খেলোয়াড়দের পায়ের রোগ কঠিন অবস্থায় ব্যাকটেরিয়া ও জীবাণুর সৃষ্টি করে। এমতাবস্থায় তাদের পরিপূর্ণ বিশ্রামের প্রয়োজন হয়। অনেক সময় তা দূরারোগ্য হয়। কেননা এ সময়ে উভয় প্রকারের জীবাণুর চিকিৎসা করতে হয়। অতএব চিকিৎসার চেয়ে প্রতিরোধকে প্রাধান্য দেওয়া উচিত।

সম্প্রতি জার্মানীতে দৈনন্দিন রোগ জীবাণু শীর্ষক এক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রফেসর দিলীপ ম্যান হোপ সতর্ক করে বলেছিলেন, পায়ের আর্দ্রতাকে সাধারণ উপেক্ষা করা হয়। অথচ এ উদাসীনতা অনেক সময় কঠিন জ্বালা পোড়ার কারণ হতে পারে। এ জ্বালাপোড়া পা থেকে উঠে মুখমণ্ডল এবং শরীরের অন্যান্য অংশে পৌছতে পারে। এ সভায়ই প্রফেসর দিলীপ গ্যাংও এমন কতিপয় দৃষ্টান্ত পেশ করেন। যাতে আর্দ্রতা শরীরে প্রবেশ করে এতই কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। সে মতে সম্মেলনে উপস্থিত ডাক্তারদের সতর্ক করা হয় যে, তারা যেন খেলোয়াড়দের পায়ের রোগকে মামুলী ব্যাপার মনে না করেন।

বর্তমানে কি আর্দ্রতা মহামারির মতো ছড়িয়ে পড়ছে? এটি এমন এক প্রশ্ন, যার সঠিক উত্তর দেওয়া মশকিল। কিন্তু এমন গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণাদি অবশ্যই পাওয়া যায়, যার প্রেক্ষিতে এ প্রশ্নের ইতিবাচক জবাব হতে পারে। আর্দ্রতা বৃদ্ধি এ ব্যাপারে এক গুরুত্বপূর্ণ দিক। দ্বিতীয়তঃ আমরা এ জীবাণুকে এন্টি বায়োটিক ও এমিটসোরিক ব্যবস্থাদির মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করে আর্দ্রতার জন্য উন্মুক্ত পরিবেশ করে দিচ্ছি। জীবাণুসমূহ অধিকাংশ সময় আর্দ্রতা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা দেয়। এন্টিবায়োটিক ঔষধসমূহের ব্যাপক ব্যবহার জীবাণু সমূহের জীবন ধারায় ধূর্ততার উপাদান সংযোজন করেছে। এ কারণে মানবদেহের কিছু কিছু স্থান আর্দ্রতা লালন পালনের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। কমপক্ষে এক পর্যায় পর্যন্ত অস্পষ্ট রোগ বিস্তারের সাথে এরূপ অবস্থাই দৃষ্টিগোচর হয়। দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়া ইউনিভার্সিটির ডাক্তার উইলিয়াম লীজার এমডির বক্তব্য অনুযায়ী এসব ঔষধের ব্যবহার গোপন প্রদাহের যোগ্যতা সৃষ্টি করে। আমরা অসচেতনভাবে ব্যাকটেরিয়া ও ক্ষুদ্র জীবাণুর মধ্যে পরস্পর সম্পর্কের আবিষ্কারে সংযোজন ঘটিয়ে এমন অবস্থা সমূহের বিস্তার ঘটাচ্ছি। যাতে আমাদের ঘরবাড়ীতে এসব কষ্টদায়ক উপাদান সমূহ প্রতিপালনের বিষয় বৃদ্ধি পাচ্ছে। আমার চিন্তা বিশেষ করে সেসব বস্তুর প্রতি ধাবিত হচ্ছে, যা প্রকৃতপক্ষে জীবাণু জাতীয় এবং ভিজা ও গরম মাটিতে বীজ বপন করে। আমরা সেগুলোকে সাধারণভাবে ক্ষুদ্র জীবাণু বলে আখ্যায়িত করি। এ বীজ বা জীবাণু অবশেষে কৃষকদের ফুসফুসের রোগের কারণ হয়। এটি এক প্রকার কঠিন এলার্জি। যারা এতে বেশী স্পর্শ কাতর হয়, তাদের জন্য এটি কঠিন ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়।

বর্ষা ঋতুতে কৃষকদের শুকনো ঘাম কিংবা শস্য ভাণ্ডার শুকানোর বিপদ ভোগ করতে হয়। আর্দ্র অবস্থায় খড়ে ক্ষুদ্র জীবাণু সৃষ্টি হয়। পশু যখন এরূপ খড় খায়, তখন কৃষকও এ জীবাণু শিকার হয়ে যায়। ফলে কৃষকের কাসি, জ্বর ও শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়। শুধু কৃষকরাই এ বিপদের শিকার হয় না। এ জীবাণু যেখানে উপযুক্ত পরিবেশ পায়, সেখানেই প্রজনন শুরু করে। ক্রমেই সকল ব্যবহারিক সামগ্রীর উপর তার আধিপত্য ছড়ায়।

বেঞ্জামিন পীকার সি এইচ ডি (বায়োলোজীর প্রফেসর) বলেন- এসব জীবাণু রেফ্রিজারেটর ও এয়ার কন্ডিশনারারে পর্যন্ত পাওয়া যায়। কৃষকের ফুসফুসের রোগ হওয়ার জন্য যদিও এ জীবাণু প্রচুর পরিমাণে থাকার প্রয়োজন হয়, তথাপি সমস্যা সৃষ্টির জোরালো পরিবেশ বজায় থাকে। অর্থাৎ উপযুক্ত পরিবেশে এ গুলোর পরিমাণ অত্যন্ত বাড়তে পারে। ল্যানেস্ট (ফেব্রুয়ারী ৪, ১৯৭৮) এর সম্পাদকীয়তে ইনফ্লুয়েঞ্জা জ্বরের উপর আলোচনা করা হয়েছে। এ সম্পাদকীয়তে বলা হয়েছে, যেসব কারখানায় আর্দ্রতা সৃষ্টির কারণ থাকে, সেখানে লোকজন ইনফ্লুয়েঞ্জা জ্বরে আক্রান্ত হয়।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 ঘর শুকনা রাখা (TO KEEP THE HOUSE DRY)

📄 ঘর শুকনা রাখা (TO KEEP THE HOUSE DRY)


আর্দ্রতার আধিক্যের ব্যাপার অধিকাংশ ক্ষেত্রে শুরু হয় বাড়ী নির্মাণের স্থান থেকে। আজকাল শহরে জায়গার সংকীর্ণতা ও জমির ক্রমবর্ধমান মূল্য বৃদ্ধির কারণে ডোবা ও নিচু জমিতে বাড়ী নির্মাণ করা হয়। কেননা জমি ও বাড়ীর ব্যবসা খুব লাভজনক হয়ে গেছে। অনেক এলাকায় এমন বাড়ী রয়েছে, যেখানে ডুবে যাওয়া থেকে রক্ষা করার জন্য অকেজো পানি নিষ্কাশনের পাম্প লাগানো থাকে। যা সব সময় চলতে থাকে। এরূপ বাড়ী বারো মাস স্যাঁত সেঁতে থাকে। আধুনিক উচ্চাকাঙ্খা আরো জটিলতা সৃষ্টি করেছে। অর্থাৎ তাদের বাতাস আসা যাওয়ার জন্য জানালার প্রয়োজন নেই। নির্মল বাতাস লাভ করা ও বাতাসের আসা যাওয়ার বিকল্প হিসেবে অনেক মানুষ শীতাতপ ব্যাবস্থার উপর নির্ভর করে। এপদ্ধতিতে অত্যন্ত গরমের সময়ও বাড়ী ঠান্ডা এবং কিছুটা শুকনো থাকে। কিন্তু এরূপ পরিস্থিতিতে বাতাসের ফিলটারগুলো নিয়মিত পরিষ্কার রাখতে হয়। যাতে বাতাসের আসা-যাওয়ার সেসব জীবাণু জমা হতে না পারে এবং বাতাসে মিশে ছড়াতে না পারে।

অনেকে বিভিন্ন ধরনের রোগ জীবাণুতে কাতর (এলার্জিক) হয়ে থাকে। তাই এরূপ জীবাণু থেকে বেঁচে থাকার জন্য ঘরবাড়ী শুকনো থাকা অতি প্রয়োজন। কোন বাড়ীতে যখন আর্দ্রতা দিন দিন বাড়তে থাকে। তখন রোগজীবাণু আবৃত অনাবৃত উভয় স্থানে প্রতিপালিত হতে পারে এবং তার পরিমাণ বেশী হওয়ার পর এলার্জিক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টিরও কারণ হতে পারে।

এলার্জি বিশেষজ্ঞ পিটার লোজাক এমডি বলেন খড় কুটা, কাঠ ও বেতের ঝুড়িতেও রোগজীবাণু প্রতিপালিত হতে পারে। তিনি বলেন- ঘরের যেসব দেয়ালে পানির চুষে এবং আধা ভিজা কার্পেট, গালিচা, গোসলখানা, এসব জায়গায় রাখা জিনিসপত্র, ছেড়া কাপড় চোপড়, কম্বল, ছালা ইত্যাদিতেও প্রচুর পরিমাণে রোগ জীবাণু থাকে।

ঘরের বাইরের অবস্থাও আর্দ্রতা বৃদ্ধির কারণ হতে পারে। যেমন, গাছ ঝোপ-ঝাড় ও লতা পাতার কারণেও মাটি ভিজা থাকতে পারে।

ঘরের নিকটস্থ পুকুর এবং ফোয়ারার কারণেও ঘরের পরিবেশ ও মাটির আর্দ্রেতা বৃদ্ধি পায়। বড় আয়তনের পাথর খণ্ড ও টাইন্সের মেঝের নিচে বৃষ্টির বদ্ধ পানি পুকুরের রূপ ধারণ করে। মেঝেতে প্রয়োজনে অতিরিক্ত পানি দেওয়া, সন্নিকটে সব্জি চাষ করা এবং ফলের টবে বেশী পানি দেওয়ার কারণেও আর্দ্রতা বৃদ্ধি পায়। নিঃসন্দেহে সকল প্রকারের সাবধানতা সত্ত্বেও আপনি নিজ পরিবেশ পুরোপুরি শুকনো রাখতে পারবেন না। শুকনো এলাকায়ও বর্ষার প্রাবল্যের সময় মাটি ভিজা থাকে। এতে কিছুতেই কিছু করা যায় না।

📘 সুন্নতে রাসূল সাঃ ও আধুনিক বিজ্ঞান > 📄 আর্দ্রতা ও আলসেমী

📄 আর্দ্রতা ও আলসেমী


সাধারণতঃ যে আর্দ্রতা থেকে বেঁচে থাকা অসম্ভব কিংবা অত্যন্ত দুষ্কর হয়, তা শরীরে চাপের সৃষ্টি করে। এমতাবস্থায় ঘুম ঠেকিয়ে রাখা যায় না। তখন আল্লাহ প্রদত্ত শান্তির ব্যবস্থা কার্যকর করার জন্য ব্যায়াম করা অত্যাবশ্যক হয়। যেমন, অধিক গরম ও আর্দ্র মৌসুমে চামড়া পর্যন্ত রক্ত পৌঁছানোর জন্য হৃদপিণ্ডকে অনেক শক্তি প্রয়োগ করতে হয়। যাতে সেখানে রক্ত পৌঁছে শরীর ঠাণ্ডা করা যায়। হৃদপিণ্ডের উপর এরূপ চাপ সৃষ্টি করা বিশেষ করে বয়োবৃদ্ধদের হৃদপিণ্ড পূর্বের মত শক্তিশালী থাকে না। ক্রমবর্ধমান আর্দ্রতার সময়ে খাবারের প্রতি স্বাভাবিক ঝোঁক থাকে না এবং হজমশক্তি নষ্ট হয়ে যায়। এরূপ সময়ে খাবার, নাশতা ও পানি পানের সময়ের নিয়ম তান্ত্রিকতা থাকে না। বর্ষা মৌসুমে শরীরে যে চাপের সৃষ্টি হয়, তার কারণে অনেক প্রয়োজনীয় খাদ্যাংশ ঘামের সাথে বের হয়ে যায়। সে ঘাটতি পূরণ করা প্রয়োজন হয়। গরম মৌসুমে শরীর ঠাণ্ডা করার জন্য বেশী ঘামের প্রয়োজন হয় না এবং এ কারণে এমন ঋতুতে মানুষ বেশী দুর্বল হয় না। তার রক্তের মূল্যবান খাদ্যাংশ কম নষ্ট হয়।

দূরারোগ্য আর্দ্রতার চাপ থেকে রক্ষা পাওয়ার সর্বোত্তম উপায় হল, সুস্থ থাকা অর্থাৎ শরীরকে স্বাভাবিক অবস্থায় রাখার চেষ্টা কর। অহেতুক ব্যায়াম এড়িয়ে চলার অভ্যাস বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে ত্যাগ করতে হবে। পায়ে হাঁটা, দৌড়ানো, সাইকেল চালানো বা সাতার কাটার জন্য সুস্থ থাকতে হলে যতটুকু সময় দেওয়ার প্রয়োজন ততটা সময় অবশ্যই দিতে হবে। এ পরিমাণ ব্যায়াম করতে হবে, যাতে ব্যায়ামের পর মনে প্রফুল্লতা ও চেতনা সৃষ্টি হয়। আলসেমী ও একঘুয়েমী দূর হয়, মন হালকা হয়ে যায় এবং মনের উপর যে চাপ অনুভূত হচ্ছে, তা দূর হয়ে যায়। নিয়মিত ব্যায়াম করলেই তার সুফল পাওয়া যায় এবং শরীরে শক্তি আসে। আস্তে আস্তে ব্যায়াম বাড়ানো উচিৎ। অভ্যাস না থাকলে প্রচণ্ড গরমের সময় ব্যায়াম না করা উচিৎ। প্রয়োজনের অতিরিক্ত ব্যায়ামের ফলে শরীর আরো ভারী হয়ে যায় এবং শরীর বাড়তে থাকে। ভিজা মৌসুমে সাইকেল চালানো খুব ভালো ব্যায়াম। কেননা সাইকেল চালানোর সময় শরীরে বাতাস লাগার ফলে মনে খুব সুপ্রভাব পড়ে। শীতল বাতাস ও তার প্রতিক্রিয়া ভালোভাবে লক্ষ্য রাখার পরে আপনি নিজ জীবনকে বর্ষাকালের দিনগুলোতে আরাম দায়ক করতে পারেন। স্বাস্থ্যের উপর আর্দ্রতার প্রভাবে পৃথিবীর সকল এলাকায় জর্জরিত। তথাপি যে গবেষক জটিল যন্ত্রপাতি ও স্বাস্থ্য-বিজ্ঞানের নিত্যনতুন কৌশলের মধ্যে সুস্থতার সুত্র অনুসন্ধান করছেন, তারা কেন যে এ বিশ্বজনীন ও ব্যাপক স্বাস্থ্য সমস্যাকে অনেকটা উপেক্ষা করে রেখেছেন, তা আমাদের বোধগম্য নয়। আমাদের পূর্বসূরীরা যা পালন করতেন, আমাদের সেই সনাতনী শিক্ষার প্রতি লক্ষ্য রেখে আমাদের সুস্থতার ভিত্তি শক্তিশালী করতে পারি।

আমাদের পূর্বসূরীরা স্বাস্থ্য বিষয়ক এমন অনেক নীতি মেনে চলতেন, যা পরিহার করার কারণে আমরা অত্যন্ত জটিল স্বাস্থ্য সমস্যায় জড়িয়ে পড়েছি। সুস্থতার ব্যাপার কিছুটা বাতাসের আর্দ্রতার প্রতি বেপরোয়া ভাব দেখানোর উপর নির্ভরশীল নয়। বরং খাদ্য ঔষধ, বাসস্থান, পোশাক ইদ্যাদিতে আমরা আধুনিক বৈজ্ঞানিক সভ্যতার প্রভাবে যেসব নতুনত্ব এনেছি, তার প্রায় সবই পূর্ব সূরীরা আমাদের চেয়ে বেশী বুঝতেন। এ কারণেই তাদের স্বাস্থ্য, তাদের শক্তি, সাধারণ স্বাস্থ্যমান এবং আমাদের সামগ্রিক জাতীয় স্বাস্থ্যের মানে বিরাট পার্থক্য।

(ওয়াল্ড অব হেল্থ)

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00